অপ্সরীর পূর্ণ কথা

অপ্সরীর পূর্ণ কথা যারা ছেড়ে গেছে তারা আর কখনো ফিরে না আসুক।
ছেড়ে যাওয়া মানুষ ফিরে আসলেও সুখটা কিন্তু ফিরে আসে না ঠিকঠাক।😊🙂
(1)

 #মাফিয়া(The Villan)সিজন:১part:22Writer: Suvhan Årag (ছদ্মনাম)সবার সাথে নেহাল ওপরে তাকিয়ে দেখে রাতনেহাল:বৌঔঔঔ,,,,,,সাইফ...
22/06/2025

#মাফিয়া(The Villan)
সিজন:১

part:22
Writer: Suvhan Årag (ছদ্মনাম)

সবার সাথে নেহাল ওপরে তাকিয়ে দেখে রাত

নেহাল:বৌঔঔঔ,,,,,,

সাইফ:আহ।এতোদিনে আমার আশা পূরন হয়েছে।আমার রাত এই নেহাল কে ঘৃনা করবে ।তাঁর পর ও শুধু আমার--মনে মনে

রাত নিচে নেমে এলো ।রাতকে দেখে তো সবাই দাঁড়িয়ে পরেছে

রাত এসে নেহাল এর সামনে দাঁড়ালো ।রাতের চোখ ছলছল করছে

নেহাল:আআআ বৌঔঔ তুমি এখানে।তুমি না ঘুমিয়ে ছিলে

রাত:নেহাল এতোক্খন কি বলছিলেন আপনি বলুন

নেহাল:আমি,,,,

রাত:নেহাল বলুন কথা বলুন।এই আসিফ এটা কেন বললো আপনি আমাকে মারতে চান।কেন বলুন না

নেহাল কি বলবে ভেবে পারছে না

আসিফ:ভাবী আমি এমনি মজা,,,,,

রাত:চুপপ একদম চুপ।আমি আপনার সাথে কথা বলছি না।আমি নেহাল এর সাথে কথা বলছি

রাত নেহালের শার্ট এর কলার ধরলো

রাত:কী হলো নেহাল কথা বলছেন না কেন

সাইফ:দেখুন ভাবি এতে কথা বলার কি আছে।আপনি তো সব শুনেছেন ই।শুধু শুধু ভাইকে কেন বিরক্ত করছেন।হ্যাঁ ভাই আপনা কে মেরে ফেলবে

রাত:নাআআআ এটা হতে পারে না।সব মিথ্যা কথা

নেহাল মাথা নিচু করে দাঁড়িয়ে আছে।আর রাত নেহালের কলার ধরে দাঁড়িয়ে আছে

রাত:এই নেহাল দেখুন না ওরা কি সব মিথ্যা কথা বলছে।আপনি ওদের কিছু বলবেন না।ওরা আপনার সামনে আমাকে অপমান করছে।এই নেহাল কি হলো কথা বলছেন না কেন

নেহাল:,,,,,,

রাত:কথা বলুন কানে শুনতে পারছেন না আপনি

নেহাল:কলার ছাড়ো আর ঘরে যাও

রাত:না আমি কোথাও যাব না।আগে বলুন ওরা সব মিথ্যা বলছে।আপনি ওদের কে কেন বকছেন না।ওরা এসব আজে বাজে কথা বলছে।বলুন না

রাত রীতিমতো পাগলামি শুরু করেছে।রাত নেহাল এর বুকে কীলঘুষি মারছে

রাত:কি হলো বলুন আমি কেন এসব শুনলাম বলুন না

নেহাল না পেরে রাতকে ছারিয়ে অনেক জোরে একটা থাপ্পড় মারলো ।এতোটাই জোরে যে রাত টাল সামলাতে না পেরে পরে গেল আর রাতের ঠোট ফেটে রক্ত বের হতে লাগল

নেহাল:শুনেই যখন ফেলেছি স এতো নাটক করতে এসেছিস কেন।ও আবার আমার মুখ থেকে শুনতে চাস তো শুন তোকে আমি মারবো হ্যাঁ এই পৃথিবী থেকে সরাব সেজন্য তোকে এখানে এনেছি

নেহাল আর রাতের এই ঘটনা দেখে কেউ কিছু বলতে পারছে না।সাইফ ও না।কারণ সাইফ কিছু বলতে গেলেই আর বাকিরা ওকেই মেরে দেবে

রাত তবুও টেবিল ধরে উঠে দাঁড়িয়ে আবার নেহাল এর সামনে গিয়ে দাঁড়াল

রাত:আমি বিশ্বাস করি না ।আপনি মিথ্যা বলছেন।দেখুন আপনি আর মিথ্যা বলবেন না নেহাল ।আমার কষ্ট হচ্ছে ।দেখুন আপনি মেরেছেন আমি তাতে ও কষ্ট পাচ্ছি না কিন্তু এসব বলবেন না।আমি তো জানি আপনি আমাকে খুব ভালোবাসে ন।দেখুন আর মিথ্যা বলবেন না তাহলে কিন্তু আমিইইই আপনাকে শাস্তি দেব

নেহাল এবার রাতকে আরো জোরে থাপ্পড় মারলো তারপর ধাক্কা দিয়ে ফ্লোরে ফেললো

নেহাল:এই তুই আমাকে শাস্তি দেওয়া র কে।তোকে এতোদিন লাই দিয়ে ছি বলে মাথায় উঠে গেছিস তাই না

নেহাল এবার গিয়ে রাতের হাত ধরে টেনে ওঠালো

রাত:আআআ লাগছে নেহাল আমার লাগছে

নেহাল রাতের চুলের মুঠি ধরতে গেল এতে রাতের ঘোমটা ও খুলে গেল

নেহাল:আমাকে শাস্তি দিবি তুই ।তার আগে দেখ তোর কি হাল করি আমি

বলেই নেহাল রাতকে থাপ্পড় মারতেই থাকলো

রাত:আআআ আ

নেহাল এবার থামলো

নেহাল:আর কোন কথা বলবে তুই বল

রাত:আমি জানি আপনি নাটক করছেন ।আমি বুঝতে পেরেছি।

রাত এবার নেহাল কে জরিয়ে ধরলো।এই কাজে নেহাল অবাক ।এতোক্খন ধরে মারছে তারপর ও সে আবার নেহাল এর বুকে ঝাঁপিয়ে পরেছে

রাত:নেহাল আমি একটুও ব্যথা পাই নি বিশ্বাস করুন।আপনি চাইলে আমাকে আরো মারুন আমি কিছু বলবো না।কিন্তু এসব মিথ্যা নাটক করবেন না।আমি আপনাকে খুব ভালোবাসি নেহাল ।আপনি ও তো আমাকে ভালোবাসে ন বলুন

বলেই রাত নেহাল এর বুক থেকে মাথা তুলে নেহাল এর দিকে তাকালো।নেহাল ও রাতের ভেজা চোখের দিকে তাকালো ।কেন যেন নেহাল এর মায়া লাগছে রাতের চোখের পানি দেখে।ফরসা গাল দুটো ও লাল হয়ে গেছে ।ঠোট ফেটে রক্ত বের হচ্ছে

রাত:নেহাল আপনি তো বলেছিলেন আমাকে ভালোবাসে ন কেন এমন করছেন ।আপনি শান্ত হন।এসব কথা বলবেন না

নেহাল:সেদিন মিথ্যা বলেছিলাম।আর নাটক করেছি এতোদিন তোমার সাথে ।এইটাই সত্যি রাত।মেনে নাও।তোমাকে কখনোই আমি ভালোবাসি নি।তোমার বাবা আমার শত্রু ।ওর পুরো পরিবার কে শেষ করব আমি।এজন্য তোমাকে এখানে রেখেছি।যতো তাড়াতাড়ি এটা মানতে পারবে তোমার মরতে কম কষ্ট হবে।ঘরে যাও এখন।জীবন এর শেষ সময় টুকু ভালো করে কাটিয়ে নেও (শান্ত গলাতে)

রাত:মানি না আমি।নাটক আপনি এখন করছেন।কেন মিথ্যা বলছেন আমাকে।বলুন না নেহাল ।কি হয়েছে আপনার

আসিফ এর খুব খারাপ লাগছে রাতের অবস্থা দেখে

আসিফ:ভাই ভাবীকে ছেড়ে দিন।ওনার বাবা র সাথে আপনার শত্রুতা ।উনি তো আপনার সাথে কিছু করেন নি।তা ছাড়া যে ঘটনা র জন্য আপনি প্রতিশোধ নিচ্ছেন সেই ঘটনার দিন তো ভাবীর জন্ম ই হয় নি।শুধু শুধু ওনাকে মারবেন না ভাই।আপনি ওনার সাথে সংসার না করুন কিন্তু ছেড়ে দিন ওনাকে ।ওনাকে প্রানে মারবে ন না

নেহাল:আসিফফফফফ

রাত:এই আপনি কে হ্যাঁ আমার স্বামী কে জ্ঞান দেওয়া র।আপনাকে কে বলেছে উনি আমাকে মারবে ।উনি আমাকে ভালোবাসে ।আমি জানি।আপনারা সবাই নিশ্চয়ই ওনার মাথা খেয়ে ছেন না।আমি বুঝতে পেরেছি।নেহাল এই নেহাল আপনি চলুন তো এদের সাথে থাকতে হবে না।এরা মিথ্যা বলছে শুধু

নেহাল এবার না পেরে রাতকে আবার থাপ্পড় মারলো

নেহাল:এই মেয়ে তুই এতো নির্লজ্জ কেন হ্যাঁ ।তোকে বলেছি না তোকে প্রানে মারার জন্য আমি এখানে এনেছি।কেন শুনছি স না।তোকে বাঁচিয়ে রাখাই আমার ভুল হয়েছে।আজ ঈ তোকে শেষ করে দেব আমি

বলেই নেহাল রাতকে টেনে হিচড়ে ওপরে নিয়ে যেতে লাগল ।আসিফ সাইফ আটকাতে গিয়ে ও আটকাতে পারল না

রাত:নেহাল কোথায় নিয়ে যাচ্ছে ন।আমি ঘরে যাব না।নেহাল আমার হাতে ব্যথা লাগছে

নেহাল রাতকে টেনে নিয়ে ঘরে গিয়ে জোরে ফ্লোরে ছুরে মারলো।তারপর দরজা লক করে দিল

এদিকে পরে গিয়ে টেবিলে র সাথে ধাক্কা খেয়ে রাতের মাথাতে আঘাত লেগে কেটে গেছে।কনুই ও কেটে গেছে

নেহাল এবার গিয়ে রাতকে ইচ্ছে মতো থাপ্পড় মারতে লাগল

রাত:আআআ নেহাল আমার খুব ব্যথা লাগছে।আআআ

নেহাল:তোকে মেরেই ফেলব আমি আজ

এই সময় নেহাল মারতে মারতে হাঁপিয়ে গেল।নেহাল উঠে খাটে গিয়ে বসলো।আর রাত অনেকটা নিস্তেজ এর মতো ফ্লোরে পরে আছে ।কিন্তু এখনো নেহাল এর দিকে তাকিয়ে আছে

নেহাল:কি মনে করেছিলি।তোর সাথে ফাজলামী করছি।এতোদিনে এই মাফিয়ার রূপ দেখিস নি।আজ দেখে নে।দেখ তোকে মেরে কি করেছি।এখন শুধু জানে মারা বাকি।এবার বল যে আমি মিথ্যা বলছি।নাটক করছি।আমি তোকে ভালো বাসি

রাত:আপনি নাটক করছেন।আপনি আমাকে ভালোবাসে ন।আমি জানি।

নেহাল:তোর কি একটুও লজ্জা হচ্ছে না এতো কিছুর পর

রাত:নাটক আপনি আজ করছেন।এতোদিন ভালবেসেছেন ।আমি আপনাকে চিনি।আমার নেহাল মাফিয়া হোক যাই হোক আমাকে ভালোবাসে আমি জানি

নেহাল এর আর সহ্য হলো না ।ও উঠে গিয়ে রাতের গলা টিপে ধরলো

রাত:আআআ,,,

রাত এর কাশি শুরু হয়ে গেছে।এতে।নেহাল খুব জোরেই গলা ধরেছে

নেহাল:এবার বল।এখন আরেকটু থাকলেই তুই সোজা উপরে চলে যাবি বুঝেছিস

বলেই নেহাল রাতের গলা ছেড়ে দিল।রাত কাঁশতে লাগল

রাত:আপনি এখনো মিথ্যা বলছেন
আপনি আমাকে ভালোবাসে ন

এবার নেহাল আর রাগ কন্ট্রোল করতে পারল না।নেহাল উঠে আলমারি থেকে মদের বোতল বের করলো।তারপর সেটাকে ভাঙলো ।ভাঙা অংশ নিয়ে রাতের গলা তে ধরলো

নেহাল:আর বলবি

রাত:আপনি আমাকে ভালোবাসে ন

নেহাল:বাসি না

রাত:বাসেন ।আমি জানি

নেহাল:বাসি না

রাত:বাসেন ।আমি জানি

নেহাল এবার নিজেই কেঁদে ফেললো।উঠে দাঁড়িয়ে হাত থেকে জোরে বোতল টা ফেললো

নেহাল:তুই কিছু জানিস না কিছু না।তোকে আমি ভালোবাসি না শুনেছিস।কেন বুজতে পারছিস না বল

বলেই নেহাল ঘরে ভাঙচুর করছে

কিন্তু রাতের মুখে এক বুলি।কথাতে আছে না,,,বিশ্বাস যখন ভাঙে তখন মানুষ এর হিতাহিত জ্ঞান থাকে না।সে পাগল হয়ে যায়

আজ রাতের ও সেটাই হয়েছে।রাত নিজের মধ্যে নেই

রাত:আপনি ভালো বাসেন

নেহাল:বাসি না বাসি না বাসি না।কেন বুঝছিস না তুই কেন

নেহাল আর না পেরে রাতের দিকে ভেজা চোখে এক নজর তাকিয়ে দরজা খুলে বাইরে থেকে লক করে নিচে চলে গেল

নেহাল কে দেখে সবাই তাকিয়ে আছে

সাইফ:ভাই ভাবী,,,,

নেহাল:মারিনি ।বেচে আছে।আসিফ তুই এদিকে সব দেখিস আমার দরকার ই কাজ আছে

নেহাল বেরোনোর আগে একবার দাঁড়িয়ে পরলো

নেহাল:সাইফ তুই চল আমার সাথে

সাইফ:আমিইইই

নেহাল:হ্যাঁ চল

সন্ধ্যা হতে চললো

রাত আসতে আসতে উঠে দাঁড়িয়ে পরলো ।এতোটাই মেরেছে নেহাল ওকে বেচারী দাঁড়াতে পারছে না।মাথা টা আবার চক্কর দিল

রাত উঠে আলমারি থেকে ওষুধ এর প্যাকেট টা বের করলো

কেয়ার টেকার কে দিয়ে রাত এগুলো কাল আনিয়ে ছিল।সাথে আরেকটি গরুতপূরন জিনিস

রাত যা ভেবে ছিল তাই।এতোদিন ধরে এটাই সন্দেহ করছিল রাত।

হাতে কিট টা নিয়ে বসে আছে

একটু আগে রাত আসতে উঠে গিয়ে ওয়াশরুমে গিয়ে প্রেগন্যান্সি কিট টা নিয়ে চেক করলো।হ্যাঁ রাত যা ধারনা করেছিল তাই

রাত প্রেগন্যান্ট

রাত:এটা কি করলে আল্লাহ্ ।কি পরীক্ষা নিচ্ছো তুমি আমার ।কোথায় যাব আমি।কাকে বলব আজ।আমার স্বামী র কাছে।কিন্তু কি করে।সে যে আমাকে জানে মারতে চাই।কি করব আমি।আমার সন্তান কে নিয়ে কোথায় যাব আমিইইই

রাত চিতকার দিয়ে কান্না শুরু করলো

এদিকে

অফিসের চেয়ার এ রায়হান কে বেধে রেখেছে নেহাল ।দরজা র বাইরে আসিফ কে দাঁড় করিয়ে নিজের ভেতরে রয়েছে

নেহাল:কেন মেরেছিলেন লাবনি আর তার মেয়ে কে।সেই বিশ বছর আগে

রাতের বাবা:তুমি চাইলে আমাকে মারতে পারো।কিছু বলব না।কিন্তু আল্লাহ্ র কসম আমি ওদের মারিনি।আমি তো ঐদিন ই বিকেলে দেশে ফিরি

নেহাল:দেশে ফেরেন মানে

রাতের বাবা:হ্যাঁ পড়তে গিয়ে ছিলাম দেশের বাইরে।সাত বছর পর ঐ দিন ই দেশে ফিরি

নেহাল:কিন্তু বাবা তো বললো,,,,,,,আপনি সব জানেন।বলুন কি হয়েছিল সেই বিশ বছর আগে

রাতের বাবা :তার আগে বলো তুমি কে।কেন সেই বিশ বছর আগে র কথা আনছো।এটা তুমি কেন জানতে চাও

নেহাল:আমি সেই লাবনি র একমাত্র ছেলে নাজমুল চৌধুরি র ছেলে নেহাল চৌধুরি

রাতের বাবা :না।এটা কিভাবে সম্ভব ।নেহাল তো ওর মা বোনের সাথে ই মারা গিয়েছিল।খবরে ও এটাই বলেছিল

নেহাল:মিথ্যা বলেছিল।আমি সেদিন মারা যায় নি।কিন্তু আপনি কে

রাতের বাবা:আমি শাফায়াত ভাইয়া র ছোট ভাই।আর লাবনি র ও ফুফাতো ভাই

নেহাল:তাহলে রাখি কাকীমনি কোথায়

রাতের বাবা:রাখী ই তো রাতের মা

নেহাল:না।রাতের মা এর নাম তো শাহীনা

রাতের বাবা:ওটা ভালো নাম।এই নাম রাত জানে না।

নেহাল:তাহলে রাত কার মেয়ে

রাতের বাবা:রাত শাফায়াত ভাইয়া য মেয়ে ।যাকে কি না আজ এতো বছর ধরে বাবা র আদর দিয়ে আমি এই বুকে আগলে রেখেছি

নেহাল:আমি কিছু বুজতে পারছি না

রাতের বাবা:শোন তাহলে

২০ বছর আগে

#চলবে -----

 #মাফিয়া(The Villan)সিজন:১part:21Writer: Suvhan Årag (ছদ্মনাম)পরের দিন সকালে নেহাল সোফাতে বসে পেপার পরছে।হঠাত্ কলিংবেলে...
22/06/2025

#মাফিয়া(The Villan)
সিজন:১

part:21
Writer: Suvhan Årag (ছদ্মনাম)

পরের দিন সকালে

নেহাল সোফাতে বসে পেপার পরছে।হঠাত্ কলিংবেলের আওয়াজ

আওয়াজ শুনে নেহাল এর মুখে রহস্যময়ী হাসি ফুটল

নেহাল:বৌঔঔ কোথায় তুমি ।দরজা টা খুল তো

রাত:আসছি

রাত এসে দরজা খুলে পুরো অবাক ।কারণ সামনে রায়হান সাহেব দাঁড়িয়ে আছেন

রাত:বাবা হুহহ

রাত খুশিতে বাবাকে জরিয়ে ধরলো।আর রাতের বাবা ও।দুজনের চোখেই অশ্রু।রায়হান সাহেব আজ অনেক দিন পর তার মেয়ে কে দেখছেন

এর মধ্যে নেহাল এসে রাতের পেছনে দাঁড়ায়

নেহাল:কে,,,,আরে শশুর মশাই যে।

রাত:বাবা কেমন আছো তুমি

রাতের বাবা:আমি ভালো আছি মা।তুই কেমন আছিস।কতোদিন তোর মুখটা দেখি না আমি।সব ঐ শয়তান টার জন্য হয়েছে।তুই চিন্তা করিস না মা আজ আমি তোকে নিয়ে যাব।তোর মা যে তোকে দেখার জন্য অপেক্ষা করছে

রাত একবার নেহাল এর দিকে তাকালো।নেহাল একটু অসহায় ভাবে রাতের দিকে তাকিয়ে আছে

রাত:বাবা আমাকে নিয়ে যাবে মানে

রাতের বাবা:হ্যাঁ মা চল।আজ ঐ মাফিয়া টা তোকে আটকাতে আসলে ওকে আমি মেরেই ফেলব ।কেউ আটকাতে পারবে না ।আমার মেয়ে কে আমি নিয়েই যাব

রাত:এসব কি বলছো বাবা ।উনি ও তো যাবেন আমাদের সাথে

রাতের বাবা:কোন ভাবে না।ঐ মাফিয়া টা কে আমি আমার বাড়ি তে পানি ও খাওয়ার জন্য রাখব না

নেহাল নাটক শুরু করলো

নেহাল:থাক বৌ।তুমি চলে যাও।আজ আর তোমাকে আটকাব না।

রাত রাতের বাবা র হাত ছারিয়ে নিল

রাত:বাবা উনি তোমার জামাই এখন।যা হয়েছে ভুলে যেও ।আমি তো সব মেনে নিয়ে ছি।তবে তুমি,,,,,,

রাতের বাবা:তোর কি মাথা খারাপ হয়েছে

রাত:না বাবা আমার মাথা খারাপ হয় নি।উনি আমাকে অনেক ভালোবাসে বাবা ।শত হলেও উনি এখন আমার স্বামী ।ওনাকে ছেড়ে আমি যাব না

রাত ওর বাবা র দিকে তাকিয়ে আছে।আর ওর বাবা নেহাল এর দিকে ছলছল চোখে তাকিয়ে আছে

নেহাল রাতের বাবা র চাহনি দেখে বাকা হাসলো।তারপর একটু চোখ মোছার নাটক করলো

রাতের বাবা:মা তুই ভুল করছিস।তুই এই শয়তান টাকে চিনিস না।ও তোর সাথে নাটক করছে

রাত:না বাবা তুমি তো ওনার সাথে মেশোনি ।তুমি কিভাবে বুঝবে।আমি ওনার সাথে এতোদিন মিশেছি।বাবা উনি খারাপ না।আর যেটুকু খারাপ আছে উনি ভালো হয়ে যাবে।উনি কথা দিয়ে ছে আমাকে

নেহাল:বৌ তুমি চলে যাও।আমার কোন চাওয়া নেই।আমি জানি এতোদিন তোমার মা বাবা র থেকে দূরে রেখে তোমাকে অনেক কষ্ট দিয়ে ছি।পারলে ক্ষমা করে দিও।তুমি চলে যাও

নেহাল এবার চোখের পানি ছেরে দিল

এদিকে নেহাল এর চোখে পানি দেখে রাতের বুক ফেটে যাচ্ছে ।বেচারী তো আর এটা জানে না নেহাল তার সাথে নাটক করছে

রাত:বাবা ঠিক আছে।যেদিন ওনাকে সম্পূর্ণ ভালো করতে পারব সেদিন ওনাকে নিয়ে তবেই যাব আমি

রাতের বাবা:মা সবাই ভালো হয় না

রাত:বাবা আমার বিশ্বাস আছে

রাতের বাবা বুজে গেছেন আর সম্ভব না।এজন্য ই নেহাল তাকে ঠিকানা দিয়ে ছিল

রাতের বাবা:ভালো থাকিস মা।তোকে আল্লাহ্ র ওপর ছেড়ে দিয়ে গেলাম।দেখিস কখনো যেন তোর এই বিশ্বাস না ভেঙে যায় ।যদি যায় তো আমার কাছে চলে আসিস।তোকে আমি ফেলব না

রাত:বাবা তুমি কষ্ট পেও না।ক্ষমা করে দিও আমাকে

রাতের বাবা:তুমি কোন ভুল করোনি মা।তুমি তোমার জায়গায় সঠিক।কিন্তু আমার কষ্ট হচ্ছে এটি ভেবে যে কখনো তোমার এই বিশ্বাস এর দাম কেউ দেবে কি না।আসি মা।ভালো থাকিস

রাতের বাবা চলে গেলেন

রাত কান্না করছে।নেহাল এসে রাতকে জরিয়ে ধরলো

নেহাল:বৌঔঔ তুমি কেন আমার জন্য,,,,

রাত:চুপ করুন আপনি

রাত তো সেদিন জানতো না সে কতো বড় বিশ্বাস ঘাতকতার সম্মুখীন হতে যাচ্ছে

কেটে যায় আরো কিছুদিন

সকাল থেকে এই নিয়ে দুবার রাতের বমি হয়েছে

নেহাল রাতকে ধরে নিয়ে খাটে শোয়ালো

নেহাল:বৌ কি হয়েছে তোমার

রাত:কাল একটু তেলের খাবার বেশি খাওয়া হয়ে গেছিল এজন্য হয়তো

নেহাল:তুমি কি নিজের একটু খেয়াল রাখতে পারেন না।সব সময় শুধু আমাকে নিয়ে ই পরে থাকো।আমি ডাক্তার ডাকছি

রাত:না লাগবে না সত্যি ।আমার ছোট বেলা থেকে এসিডিটির সমস্যা ।এজন্য এরকম হয়েছে।এটা তেমন কিছু না।আমি একটু ঘুমিয়ে নেই।ঠিক হয়ে যাবে সব

নেহাল:আচ্ছা রেস্ট নেও।আমি নিচে আছি

নেহাল নিচে চলে গেল

অজান্তেই নেহাল এর রাতকে নিয়ে চিন্তা হচ্ছে ।সারাদিন প্রায় নেহাল ওর সাথে থাকে।নাটকের ছলে তো অনেক দুষ্টু মি ও করে।এটা যেন নেহাল এর অভ্যাস এ পরিনত হয়ে গেছে।রাত এর অসুস্থ তা নেহাল মেনে নিতে পারছে না

নেহাল:ও ঘুমিয়ে আছি।আমি বরং আসিফ সাইফ সবাই কে ডাকি।অনেক দিন ওদের সাথে মন খুলে গল্প করা হয় না।মন টাও ভালো লাগছে না

বিকেল বেলা

রাত এখনো ঘুমিয়ে আছে।আর ড্রয়িং রুমে নেহাল সবার সাথে গল্প করছে ।কিন্তু মাঝে মাঝে আবার ওপরে গিয়ে রাতকে দেখে আসছে

সবাই গল্প করছে কিন্তু সাইফ কেমন চুপচাপ ।আর বারবার উপরের দিকে তাকাচ্ছে।নেহাল এটা খেয়াল করল

নেহাল:কি রে সাইফ তোর কি হয়েছে

আসিফ:তাই তো।সেই তখন থেকে মুখ গোমড়া করে আছিস কেন

সাইফ:তেমন কিছু না।ভাই ভাবীকে দেখছি না যে

নেহাল:ওর একটু শরীর টা খারাপ লাগছে ।ঘুমোচ্ছে

আসিফ:ভাই একটা কথা বলব

নেহাল:বল

আসিফ:ভাই আপনি কি সত্যি ভাবী কে মারতে পারবেন?

আসিফ এর প্রশ্ন শুনে সবাই অবাক হলেও নেহাল অপ্রস্তুত হয়ে পরলো

নেহাল:মানে

আসিফ:ভাই এখানে যারা আছে সবার থেকে আপনাকে আমি বেশি ভালো চিনি।আপনার পরিবর্ত ন আমি বুঝি

নেহাল:আসিফ ।তুই কি পাগল হয়েছিস।ঐ রাত আমার শত্রু রায়হান এর মেয়ে ।ওর সাথে শুধু নাটক করছি বুঝেছিস।অথচ ঐ মেয়ে এতো বিশ্বাস করে আমাকে যে নিজের বাপের সাথে ও গেল না।ও তো জানে না ভালোবাসা না ঘৃনা করি ওকে আমি।ওকে খুব তাড়াতাড়ি সরিয়ে ফেলব এই পৃথিবী থেকে চিরদিনের মতো

আসিফ:কিন্তু ভাই ভাবি,,,,,,

নেহাল:চুপপ।একদম আর ঐ মেয়ে র নাম নিবি না তো।ওকে শুধু আমি ইউজ করছি বুঝেছিস ।আমার কাজ হয়ে গেলে ওকে টিসুর মতো মুচরিয়ে ডাস্টবিন এ ফেলতে আমার বাঁধবে না । I just hate her I just hate her বুঝেছিস ।।।। আমি ওকে খুন করব।নিজের হাতে।আর প্রতিশোধ নেব নিজের বুঝেছিস

নেহাল রেগে টেবিলে লাথি মারলো

----নাআআআ

হঠাত্ কারোর চিতকার এ সবাই ওপরের দিকে তাকালো

#চলবে -

 #মাফিয়া(The Villan)সিজন:১part:20Writer: Suvhan Årag (ছদ্মনাম)রাতের বেলা খাওয়া শেষে রাত রান্না ঘরে দাঁড়িয়ে বাসন মাজছে।আ...
22/06/2025

#মাফিয়া(The Villan)
সিজন:১

part:20
Writer: Suvhan Årag (ছদ্মনাম)

রাতের বেলা

খাওয়া শেষে রাত রান্না ঘরে দাঁড়িয়ে বাসন মাজছে।আর নেহাল সেই কখন থেকে দাঁড়িয়ে রাতের আঁচল ধরে আছে

নেহাল:বৌঔঔ ও বৌঔঔঔ

রাত:কি(বিরক্তি নিয়ে)

নেহাল:রাত এগারোটা বাজতে চললো ঘুমাবে না।ও বৌঔঔ

রাত:উহহ দেখছেন না থালা বাসন মাজছি।যান তো এখান থেকে

নেহাল:ও বৌঔঔ চলো না ঘুমাবে

নেহাল রাতের আঁচল ধরে টানাটানি করে বাচ্চা দের মতো বায়না করছে

রাত বুঝতে পারছে যে নেহাল আসলে কি চাইছে

নেহাল:ও বৌঔঔঔ আর কতো বাসন মাজবে ।সেই কখন থেকে মেজেই যাচ্ছ।আমার প্রতি কি তোমার একটু মায়া হয় না।এরকম একটা নিরীহ ব্যক্তি কে নিরঘূম দাঁড় করিয়ে রেখেছো

রাত:এই আমি কি আপনা কে এখানে দাঁড়িয়ে থাকতে বলেছি।আপনার এতো ঘুম আসলে গিয়ে ঘুমান না।আমি আজ সারা রাত ধরেই বাসন মাজব বুঝেছেন (এএএ নিরীহ ।ওর ধান্দা আমি বুঝি না ।আস্ত লুচ্চু লোক একটা ।মাফিয়া রা যে এতো লুচ্চু আর ফাজিল হয় তা আমার জানা ছিল না--মনে মনে)

নেহাল:ও বৌঔঔঔঔঔ(অসহায় ভাবে)

রাত:আপনি যাবেন (ধমকে র সুরে)

নেহাল:আচ্ছা ঠিক আছে যাচ্ছি

নেহাল রাতের আঁচল ছেড়ে মুখ গোমড়া করে দাঁড়িয়ে আছে

রাত:কি হলো দাঁড়িয়ে আছেন কেন

নেহাল:যাচ্ছি তো তাই তোমাকে বলার জন্য দাঁড়িয়ে আছি

রাত:আজব।এতে বলার কি আছে(দাঁতে দাঁত চেপে)

নেহাল:আচ্ছা যাচ্ছি।চলে গেলাম কিন্তু

রাত:যান

নেহাল:সত্যি সত্যি যাচ্ছি কিন্তু

রাত:আমি কি আপনাকে মিথ্যা মিথ্যা যেতে বলেছি

নেহাল:না আচ্ছা যাচ্ছি

রাত:যাননননননন

নেহাল চলে গেল

আর রাত হেসে গড়িয়ে পরার মতো অবস্থা

রাত:আল্লাহ্ এই লোকটা এমন কেন ।কখনো তার চাহনি দেখে মনে হয় এখনি হয়তো চোখ দিয়ে ই ছাই করে দেবে।কখনো মনে হয় ঐ চোখে আছে হাজারো না বলা কথা হাজারো ভালোবাসা।কখনো বা চোখে হাজারো দুষ্টু মি

এদিকে দরজার আড়ালে নেহাল দাঁড়িয়ে আছে

নেহাল:যাক কাল শশুর মশাই এসে ভালোই সারপ্রাইজ পাবে

নেহাল ঘরে যেতে লাগল।হঠাত্ কি ভেবে রান্না ঘরে আরেকবার উঁকি দিয়ে রাতকে দেখল

নেহাল:ওকে আরো আগেই মেরে ফেলতাম।কিন্তু পারছি না।কেন নিজেও জানি না ।মেয়ে টি কে দেখলে কতো নিষ্পাপ মনে হয়।এতো কিছু র পর ও আমাকে অন্ধ ভাবে বিশ্বাস করেছে।কিন্তু ও তো জানে না আমি ওকে ভালো বাসি না।সব আমার নাটক।কিন্তু মানতে হবে ও আমাকে বদলে দিয়েছে অনেকটা ।আজকাল পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ না পরলে আমার নিজের ভেতরি কেমন অসস্তি লাগে।কিন্তু আমি ও তো ভালো হতে চাই।শুধু প্রতিশোধ।হত্যার বদলে হত্যা ।আমি তো শুধু আমার মা আর নেহা আপুর মৃত্যুর জন্য দায়ী ওদের ই শাস্তি দিতে চাই

নেহাল রাতের দিকে তাকিয়ে দীর্ঘ শ্বাস ছারলো

নেহাল:বাবা বলেছে রায়হান আগে নেহা আপু কে মেরেছে।তারপর মাকে।সন্তান হারানোর যন্ত্রণা ওকে ও বুঝতে হবে।না হলে রাত কে মারার কোন ইচ্ছে আমার নেই।বেচারির দোষ শুধু এটাই ও রায়হান এর মেয়ে

নেহাল ঘরে চলে গেল।গিয়ে ড্রয়ার থেকে সিগারেট নিয়ে লাইটার দিয়ে ধরালো

একটু পর

রাত ঘরে আসে।নেহাল রাতকে দেখে মুচকি হেসে সিগারেট এ আবার টান দিল

রাত:আপনি কথা দিয়ে ছিলেন

নেহাল:কি করবো।পুরানো অভ্যাস তো।ছারতে সময় লাগে ।আগে দিনে তিন চার প্যাকেট শেষ করতাম।এখন গুনে গুনে দুইটা ও খাই না।সুযোগ দেও

রাত:হুম

নেহাল খেয়াল করলো রাত নেহালের কাজ এ মন খারাপ করেছে

নেহাল:বৌঔঔ একটা কথা বলবে

রাত:কি বলুন

নেহাল:আচ্ছা এই যে আমি খুন করে বেরাই গুন্ডা মি করি আরো কতো কিছু।এতো কিছু র পরেও তুমি কিভাবে হাসি মুখে আমাকে মেনে নাও

রাত:সত্যি বলব

নেহাল:সত্যি টাই শুনতে চাই

রাত:প্রথমত আল্লাহ্ র ইচ্ছে তেই আপনি আমার স্বামী হয়েছেন এজন্য মেনে নিয়ে ছি।ধৈর্য নিয়ে আছি

☪︎আল কোরআনে উল্লিখিত--আল্লাহ্ সবর (ধৈর্য) কারী দের পছন্দ করেন।আর সাওম (রোজা) একটি বড় সবর এর উদাহরণ ¤

☪︎আল কোরআনে আরো আছে--তোমরা যখন বিপদে পরবে ধৈর্য ধারণ করবে ।নিশ্চয়ই আল্লাহ্ ধৈর্য শীল গনদের সাথে আছেন¤

☪︎আল কোরআনে আরো উল্লিখিত আছে--তাদের কে বলে দেও।নিশ্চয়ই আমি তাদের ধন সম্পদ, ফসলাদি,সন্তান সন্ততি ইত্যাদি দ্বারা পরীক্ষা করবো।অতঃপর যারা মুমিন তারা যেন ধৈর্য ধারণ করে ¤

রাত থামলো।নেহাল মুগ্ধ হয়ে রাতের কথা শুনছে

রাত:এই হলো প্রথম এবং বড় কারণ ।আমি ধৈর্য ধারন করছি।নিশ্চয়ই আল্লাহ্ আমাকে খালি হাতে ফেরাবেন না।ইনশাহআল্লাহ আমার ইহকাল ও পরকাল এ কোন না কোন কল্যাণ তিনি আমাকে দেবেন।আরেকটা কারন আছে

নেহাল:সেটা কি কারন

রাত:জানেন একজন স্ত্রী র সবচেয়ে বড় চাওয়া কি

নেহাল:না

রাত:স্বামী র ভালোবাসা।তার চেয়ে ও মূল অন্য নারী প্রতি আসক্তি থেকে তার বিরত থাকা।জানে ন একজন স্বামী যদি নেশা খোর হয় খুনি গুন্ডা যাই হোক তবুও একটা স্ত্রী র তত কষ্ট হয় না যতোটা তার স্বামী অন্য কোন নারীর দিকে তাকালে হয়।একজন স্ত্রী সব মেনে নিতে পারে কিন্তু চরিত্র হীন স্বামী কে মেনে নিতে পারে না।আর সত্যি বলতে আপনার মধ্যে আমি ঐ পরনারী আসক্তি কখনো দেখিনি।যখন কলেজে টিজ করেছেন একমাত্র আমাকেই ।আরো কোন মেয়ে কে করতে দেখিনি।এমনকি বিয়ে র পর ও কখনো আমার দিকে আপনাকে খারাপ নজরে তাকাতে দেখিনি।আপনি সারাদিন যতোই খারাপ কাজ করুন বিশ্বাস করুন আমি কখনো এরকম কামনা র কিছু আপনার চোখে দেখিনা।জানেন আমি আল্লাহ্ কে সব সময় বলি তিনি যেন আপনাকে হেদায়াত দান করেন আর শুধু আমার প্রতিই আসক্ত রাখেন

নেহাল:আচ্ছা তুমি আসক্তি র কথা বললে মানলাম।কিন্তু ভালোবাসা সেটা কি দেখেছো

নেহাল নিজেই কনফিউজড রাত কি উওর দেবে ।যদি হ্যাঁ দেয় তো নেহাল এর মতে সে রাতকে মারা তার কঠিন হয়ে যাবে।আর তার চেয়ে বড় কথা নেহাল কোন ভাবেই রাতের প্রতি আসক্ত হতে পারে না।আবার নেহাল এর মনে ভয় হচ্ছে যদি উওর না হয় তো তার মানে রাত নেহাল কে বিশ্বাস করে না তার মানে নেহাল এর নাটক রাতের কাছে ধরা পরে যাবে

রাত:ঘুমাবে ন চলুন

নেহাল:উওর টা দিলে না

রাত:উওর টা আমি ও জানিনা

নেহাল রাতের কথা শুনে কি রিয়েক্ট করবে বুঝতে পারছে না

নেহাল:আচ্ছা বৌ তুমি আমাকে ভালোবাসো

রাত নেহালের প্রশ্ন এ অনেক অপ্রস্তুত হয়ে পরলো

নেহাল:কি হলো বলো

রাত নেহালের হাত দুটো নিজের হাতের মুঠোয় নিল

রাত:একটি সম্পর্ক এর সবচেয়ে বড় দিক কোনটি জানেন বিশ্বাস ।বিশ্বাস না থাকলে কোন সম্পর্ক ই টেকা সম্ভব না।আমি আপনাকে নিজের থেকে বেশি বিশ্বাস করি নেহাল ।আপনি হাজার খারাপ কাজ করুন আমি তাও কষ্ট পাব না আপনাকে ঠিক পথে আনার চেষ্টা করব।কিন্তু আমার প্রতি ছাড়া আর কোন নারীর প্রতি আসক্তি র দৃষ্টি আনবেন না নেহাল ।তাহলে সেদিন যে আমার বিশ্বাস এর পাহাড় ভেঙে পরবে ।ধূলিসাত্ হয়ে যাবে সব আমি নিজেও শেষ হয়ে যাব।হেরে যাব আমি

নেহাল:আর ভালোবাসা।ভালোবাসো আমাকে?

রাত:বিশ্বাস তাকেই করা যায় যাকে ভালোবাসা হয়।আমি আপনাকে অনেক ভালোবাসি নেহাল অনেক।আপনাকে হারানোর ভয় হয় আমার ।কখনো আমাকে ছেড়ে যাবে ন না প্লিজ।আমি যে সেদিন শেষ হয়ে যাব ।একদম গন্ধ ছাড়া ফুলের মতো।যার শুধু সৌন্দর্য আছে কিন্তু প্রান নেই।যা তাকে ফুলের পরিচিতি দেয়

নেহাল না পেরে রাতকে বুকে জরিয়ে নিল

নেহাল:আমি ও তোমাকে অনেক ভালোবাসি অনেক অনেক বেশি।তুমি ও আমাকে ছেড়ে যেও না

নেহাল নিজে ও জানে না কি বলছে সে।কিন্তু হারানোর ভয় যে তার চোখের পানি যে স্পষ্ট

গভীর রাত

নেহাল এর চোখে ঘুম নেই।রাত দিব্যি নেহাল এর বুকে মাথা রেখে ঘুমিয়ে আছে

নেহাল রাতের মাথাতে হাত বুলিয়ে দিচ্ছে

নেহাল:কেন তখন ও কথা বললাম আমি।আমি তো তোমাকে ভালোবাসি না।কিন্তু বার বার তোমাকে হারানোর কথা ভাবলেই শিউরে উঠি আমি।ঘুম ও নিরঘূম হয়ে যায় ।তুমি আমাকে এতো বিশ্বাস করো।কিন্তু সত্যি সত্যি যেদিন আমার কারনে তোমার বিশ্বাস ভাঙবে সেদিন কি হবে তা আমি জানিনা ।আমার জীবন টা একটা খেলা ঘরের মতো হয়ে দাঁড়িয়েছে ।কে কখন গুটি চালাচ্ছে বোঝা দায়।এর মধ্যে কোথায় যাব আমি।কোথাও যে যাওয়ার ঠাঁই নেই।শুধু জানি তোমার কাছে যতটুকু সময় থাকি আমার শান্তি লাগে।আমি যে আজ বড় দোটানায় আছি।নিজের মনের কথা শুনব না কি প্রতিশোধ এর--মনে মনে

#চলবে

কি আছে নেহাল আর রাতের জীবন এ।কোথায় গিয়ে গরাবে তাদের ভালোবাসার পরিনতি

 #মাফিয়া(The Villan)সিজন:১part:19Writer: Suvhan Årag (ছদ্মনাম)রাত এবার খেয়াল করে দেখছেহ্যাঁ পাত্র আর কেউ না নেহাল ।নেহা...
22/06/2025

#মাফিয়া(The Villan)
সিজন:১

part:19
Writer: Suvhan Årag (ছদ্মনাম)

রাত এবার খেয়াল করে দেখছে

হ্যাঁ পাত্র আর কেউ না নেহাল ।নেহাল এর চুলগুলো স্টাইল করে লম্বা রাখে।সেই চুল নেহাল তেল দিয়ে লেপ্টে মাঝখান থেকে সিথি করে আচরিয়েছে ।চোখে মোটা ফ্রেমের চশমা।আর মুখের খোঁচা খোঁচা দাঁড়ি তো আছেই

রাত আরো অবাক হয় মহিলা টাকে দেখে ।মহিলা র নিকাব বাধা কিন্তু চোখ দেখে মনে হচ্ছে কোন পুরুষ এর চোখ।হঠাত্ রাত অবাক হয়ে যায় যে মহিলা টি বসে থাকার কারনে পায়ের দিক থেকে বোরখা একটু উঠে গেছে।আর নিচের ব্লু জিন্স বেরিয়ে গেছে।আর পা টা পুরুষ এর ই

রাতের বাবা:জি বাবা তারপর,,,,,,,

রাত:নাআআআ

রাতের বাবা:কি হলো মা

রাত:বাবা এরা সবকটা সেজে এসেছে।এরা তিনজন ই মাফিয়া

রাতের বাবা:ছি।রাত কি সব বলছো তুমি

মুরুব্বি:শেষ মেষ আমাদের মতো মানুষ দের আপনার মেয়ে মাফিয়া বললো।ছিহহ রায়হান সাহেব আমরা মোটেও এটা আশা করিনি

রাতের বাবা:রাত মা তুমি হঠাত্ কেন এসব বলছো বলোতো

মুরুব্বি:বিশ্বাস হচ্ছে না তো।ঠিক আছে আমার ছেলের সব সার্টিফিকেট এর ফটোকপি ও আমি নিয়ে এসেছি

রাতের বাবা:কিছু মনে না করলে সেটাই দেখান ।আমার মেয়ে হঠাত্ এমন কেন বলছে আমি নিজেই বুঝছি না

মুরুব্বি পকেট থেকে বের করতে গেল হঠাত্ কাগজে র সাথে সাথে আসিফের পকেট থেকে বন্দুক টাও ধপ করে পড়ে যায় ।হ্যাঁ আসিফ ই মুরুব্বি সেজেছে

বন্দুক দেখে রাত চিত্কার দিয়ে উঠে দাঁড়ালো ।গিয়ে ওর বাবা র পেছনে দাড়াল ।রায়হান সাহেব ও অবাক

আর পাত্রপক্ষ এর তিনজন অপরের মুখ চাওয়া চাওয়ি করছে

রাত:দেখেছ বাবা আমি বলেছিলাম এরা সব মাফিয়া ।এরা বেশ ধরে এসেছে।ঐ যে পাত্র সেজে যে বসে আছে ঐ লোকটি এদের বস।তুমি তো জানো না কলেজে কিছুদিন ধরে ঐ লোকটি আমাকে বিরক্ত করছে

রাতের বাবা:কিহহ।আগে কেন বলোনি
আমি এখনি পুলিশ এ ফোন করছি

এবার আর নেহাল চুপ থাকতে পারল না।চশমা খুলে চুল এলোমেলো করে ফেললো।শার্ট এর ইন ও খুলে পকেট থেকে বন্দুক টা বের করে সামনের টি টেবিলে এক পা রেখে স্টাইল করে দাঁড়ালো ।আসিফ ও ওর দাঁড়ি পানজাবি খুলে গুন্ডা সাজ বের করে ফেললো।আর বোরখা খুলে সাইফ আসল সাজে বেরিয়ে এলো

এসব দেখে রাত তো পুরো কাপছে।আর রায়হান সাহেব কি করবে ভেবে পারছে না

নেহাল:হ্যাঁ শশুর মশাই বৌ ঠিকি বলেছে।আমি এই শহরের সবচেয়ে বড় মাফিয়া ।পুলিশ এর কথা বললেন।ওদের তো আমার পকেটে রাখি আমি

রাতের বাবা:শশুর মশাই,,,মানে টাকি।বেরিয়ে যাও।তোমার সাহস কি করে হয় তুমি ছদ্ম বেশে আমার বাড়ি তে ঢুকেছো

নেহাল:আমি তো বিয়ে র প্রস্তাব নিয়ে এসেছিলাম ।জানি আমাকে দেখে আপনার মেয়ে রাজী হবে না তাই ছদ্ম বেশ নিয়ে ই এসেছি।কিন্তু একি আমার বৌ দেখি তাও আমাকে চিনে ফেলেছে।কি ইনটেলিজেন্ট বৌ আমার (রাতের দিকে তাকিয়ে বাকা হেসে)

রাতের বাবা:খবরদার একটা ও বাজে কথা বলবে না তুমি।আমার মেয়ে কে বৌ বলছো তোমার সাহস তো কম না

নেহাল রাতের বাবা র একদম সামনা সামনি এসে দাঁড়িয়েছে

নেহাল কে দেখে রাত ওর বাবা পেছনে লুকালো

নেহাল:তা শশুর মশাই আজ তো আর হলো না।এর পর আর প্রস্তাব না কাজী নিয়ে হাজির হব আমার বৌ কে নিয়ে যেতে ।আরেকটা কথা আমার বৌ এর যেন কিছু হয় না ।আমি কদিনের জন্য শহরের বাইরে যাচ্ছি আপনি ভুলেও আমার বৌ কে যদি বিয়ে দেওয়া র চেষ্টা করেন তাহলে ফল কিন্তু ভালো হবে না শশুর মশাই ।ওকে টা টা শশুর মশাই।লাভ ইউ

বলে নেহাল রায়হান সাহেব এর গালে জোরে একটা চুমু দিল

নেহাল:উম্মাহহ ।টাটা শশুর মশাই ।বৌ তোমার টা পরে দিয়ে দেব

বলেই নেহাল ওর দল নিয়ে চলে গেল।রাতের বাবা আর রাত থ মেরে দাঁড়িয়ে আছে

এক সপ্তাহ পর

রাতের বাবা লুকিয়ে রাতের জন্য একটা ভালো সম্বন্ধ দেখেছিল

আর সেজন্য পাত্রপক্ষ এর সামনে রাতকে দেখাতে নিয়ে এসেছিল

কিন্তু কোথ থেকে নেহাল সেই খবর পেয়ে ওর দল নিয়ে চলে এসেছিল

আর বাকিটা তো আপনারা জানেন ই

বর্তমানে

রাত এসব ভাবছে আর নিজেই হাসছে ।নেহাল এর কান্ড কারখানা গুলো আসলেই অদ্ভুত

রাত:সেদিন কি কখনো ভেবে ছিলাম যে ঐ মাফিয়া র সাথে ই একদিন সংসার করতে হবে।ঐ মাফিয়া কেই এক সময় ভালো বাসব।কি অদ্ভুত ।আল্লাহ্ কখন কার সাথে যে কার মিলন ঘটাবেন কেউ জানে না

হঠাত্ পেছন থেকে আওয়াজ হলো

নেহাল:বৌঔঔঔ

হঠাত্ এমন ডাকাতে রাত একটু কেঁপে উঠলো।রাত পেছনে ঘুরতে যাবে তার আগে নেহাল এসে রাতকে জরিয়ে ধরলো

নেহাল:বৌঔঔঔঔথ

রাত:আপনি কখন এলেন ।আর আমি তো দরজা লক করে রেখেছিলাম

নেহাল:এই তো এখন ।আমি তো পেছনের দরজা দিয়ে এসেছি তোমাকে ভয় দেখাব তাই না বৌঔ

রাত:আচ্ছা আপনি ফ্রেশ হয়ে নিন।নামাজ পরে নিন।একসাথে লান্চ করব তারপর

নেহাল:যথাআগ্গা মহারানি

রাত একটু হাসলো নেহাল এর কথা শুনে

রাত নিচে চলে গেল

নেহাল ফোন করলো রায়হান সাহেব কে

রাতের বাবা:আসসালামু আলাইকুম কে বলছেন

নেহাল:ওয়ালাইকুম আসসালাম শশুর মশাই ।আমি আপনার একখান মাত্র সুইট কিউট বিউট নিষ্পাপ নিরীহ শান্তশিষ্ট ভদ্র সভ্য গুনধর জামাই বলছি

নেহাল এর কথা শুনে রাতের বাবা র মাথা গরম হয়ে গেল

রাতের বাবা:এই ছেলে তুমি কি একটু না পেঁচিয়ে কথা বলতে পারো না।তোমার কথা শুনলে মাথা ঘুরতে থাকে

নেহাল:শশুর মশাই ।এভাবে কেন বলেন আমাকে।আমি না আপনার সাত রাজার ধন একটা মাত্র জামাই

রাতের বাবা:তুমি চুপ করবে

নেহাল:আচ্ছা তা প্রসেসিং কেমন চলছে শশুর মশাই

রাতের বাবা:কিসের প্রসেসিং

নেহাল:ঐ যে আমার শালা আনার।আমি তো বৌ কে নিয়ে প্রসেসিং শুরু করেই দিয়ে ছি।ভাবছি এক হাতে শালাকে আরেক হাতে আমাদের কিউট বেবি কে কোলে নিয়ে ঘুরব ।সুন্দর হবে না বলুন

রাতের বাবা:চুপপ বেয়াদব

নেহাল:আসল কথাতে আসি।আপনা কে ঠিকানা পাঠিয়ে দিচ্ছি ।কাল এসে আপনার মেয়ে কে নিয়ে যাবেন

রাতের বাবা:আমি কি পাগল।তুমি এতো সহজে আমাকে ঠিকানা দেবে আমি বিশ্বাস করব

নেহাল:বিশ্বাস না করলে নাই।যাই হোক রাখছি ।লাভ ইউ শশুর মশাই উম্মাহহ

বলেই নেহাল ফোন কেটে দিল

নেহাল:আহ।রায়হান আমি তো জানি ঠিকি আসবে মেয়ে কে নিতে।কিন্তু ওর,মেয়ে যে মুখের ওপর ওকে ফিরিয়ে দেব।আর সেটা আমি দেখব।কি মজা হবে।যাই ফ্রেশ হয় এ একটু বৌ এর রোম্যান্স করে আসি

#চলবে ---

 #মাফিয়া(The Villan)সিজন:১part:18Writer: Suvhan Årag (ছদ্মনাম)রাতের মুখে অসভ্য কথা শুনে নেহাল রাতকে একটা চোখ টিপ মারলো।...
22/06/2025

#মাফিয়া(The Villan)
সিজন:১

part:18
Writer: Suvhan Årag (ছদ্মনাম)

রাতের মুখে অসভ্য কথা শুনে নেহাল রাতকে একটা চোখ টিপ মারলো।তা দেখে রাতের মেজাজ আরো গরম হয়ে গেল

রাত:যততোসব ইবলিশ এর দল

বলেই রাত ক্লাস এ চলে গেল

ব্রেক টাইম এ,

সবাই ক্যাম্পাসে ঘোরাফেরা করছে।রাত গিয়ে একটা নিরিবিলি জায়গায় বসলো।গাছের আড়ালে

সারাদিন বোরখা পড়া তারপর আবার মুখে নিকাব দেওয়া ।গরমে রাতের খুব অসস্তি লাগছে

রাত:উহ।আজ খুব খারাপ লাগছে।কিন্তু এখন তো বাড়ি যাওয়া যাবে না।এখনো একটা ক্লাস আছে।তারপর আবার গাড়ি ও তো আসতে নিষেধ করেছি।

রাত ব্যাগ থেকে পানির বোতল টা বের করলো

রাত এদিক ওদিক তাকিয়ে দেখে এদিকে তেমন কেউ নেই।তাই রাত নিকাব খুলে হাতে মুখে একটু পানি দিচ্ছে যদি একটু ভালো লাগে।রাত চোখে মুখে পানি দিয়ে দেখে বোতলে অল্প পানি আছে।রাত সেটাই পান করে।কিন্তু তৃষ্ণা মেটে না

রাত:ওহ।পানি ও শেষ হয়ে গেল।গলাটা শুকিয়ে গেছে।এখন আবার পানি আনতে যেতে হবে

রাত এসব বলছে হঠাত্ কেউ রাতের সামনে পানির বোতল ধরে।কে ধরেছে সেটা না দেখেই রাত বোতলটা ধরে

রাত:আহ পানি পেয়েছি

মন ভরে পানি টা খেয়ে রাত সামনে তাকিয়ে থ মেরে গেছে।কারণ সামনে নেহাল দাঁড়িয়ে আছে ।আর রাতের মুখে নিকাব নেই।আর নেহাল ও হা হয়ে রাতের দিকে তাকিয়ে আছে

রাত অনেকটা অপ্রস্তুত হয়ে পরলো ।তাড়াতাড়ি মুখের ওপর নিকাব টা নামিয়ে নিল।এতে নেহাল এর ও ধ্যান ভাঙে

রাত:অসভ্য লোক একটা ।আপনি এখানে কি করছেন।লজ্জা করে না লুকিয়ে মেয়ে দের পেছনে ঘোরেন

নেহাল:এমা লজ্জা র কি আছে।আমি তো বাইরের কাউকে দেখছি না।আমি তো টর্চ লাইট মেরে আমার হবু বৌ কে দেখছি

নেহাল এর কথা শুনে রাত ভ্যাবাচ্যাকা খেয়ে গেল।রাত এদিক ওদিক তাকিয়ে খুঁজতে লাগল ওর আশে পাশে কোন মেয়ে আছে কি না।কিন্তু রাত কাউকেই পেলো না

রাত:কৈ কাউকে ই তো দেখছি না

নেহাল:এভাবে দেখা যায় না কি ।আয়নার সামনে গিয়ে দাঁড়িয়ে পরো দেখতে পাবৈ(বাকা হেসে)

এবার নেহাল এর কথা রাত বুঝতে পারলো

রাত:এক থাপ্পড় দিয়ে আপনার দাঁত ফেলব।বেয়াদব অসভ্য লোক একটা ।

বলেই রাত চলে যেতে লাগল

পেছন থেকে নেহাল গান গাইছে

নেহাল:
আহা তিতা তিতা কথা কইলা
মিষ্টি লাগব না

,,,,,
কেমন কইরা চাও
আমার দিকে কেমনে চাও
আমি পাগল হইলে পরে কিন্তু
পিছু ছারব না

রাত পেছনে ফিরে হাতে থাকা বোতল টা নেহাল এর গায়ে ছুরে মারলো

নেহাল:আআআ আ

রাত:ফের যদি আমাকে কেন কোন মেয়ে কে জালাতে আসেন আপনাকে ইভটিজিং এর কেসে আমি পুলিশ এ দেব ।অসভ্য গুন্ডা র দল

রাত চলে গেল

নেহাল একা দাঁড়িয়ে হাসছে

নেহাল:নেহাল চৌধুরি র তো খেয়ে কাজ আছে যে মেয়ে দের পেছনে ঘুরবে টিজ করবে।তোকে তো ফাসানোর চেষ্টা করছি।তুই হলি গিয়ে এক প্রকার তোর বাপের প্রান ভোমরা।আমার মাকে বোন কে তোর বাপ মেরেছে।এতো সহজে তোদের ছারব না আমি।তোর বাপ এখন হুজুর হয়ে মেয়ে কে হুজুর বা নাক আর যাই করুক ওর অতীত ওকে গিলে খাবে

দুদিন হয়ে গেছে

রাত কলেজে যায় নি।নেহাল ইদানীং খুব জালাচ্ছে রাত কে ।রাত ওর বাবা কে কিছু বলতে ও পারছে না।ওর বাবা আর মা সব সময় ওকে নিয়ে বেশি চিন্তা করে কিন্তু এতো চিন্তা র কারন কি তা রাতের অজানা

সকাল বেলা

রায়হান সাহেব কলিংবেলের আওয়াজ এ দরজা খুললেন।তাকিয়ে দেখেন সামনে দুই জন পুরুষ আর বোরখা পরে মুখ ঢাকা একজন মহিলা দাঁড়িয়ে আছেন।একজন লম্বা দাড়ি ওয়ালা পেটে ইয়া ভুড়ি ওয়ালা মুরুব্বি।তার সাথে একটা যুবক ।বার বার চশমা ঠিক করছে

মুরুব্বি:আসসালামু আলাইকুম

রাতের বাবা:ওয়ালাইকুম আসসালাম ।জি আপনারা,,,,

মুরুব্বি:আমি অনেক খবর নিয়ে ছি আপনাদের বিষয় এ।আসলে এতোদিন ধরে আমার ছেলের জন্য পরহেজগার একটা মেয়ে খুঁজছি ।শুনলাম আপনার মেয়ে আছে।সে অতী পরহেজগার ।তার চেহারা কেউ দেখতেই পায় না।আমরা এরকম একটা পরিবার চাইছিলাম ।আল্লাহ্ র রহমতে আমার যথেষ্ট ধন সম্পদ আছে।আমার ছেলেও খুব ভালো চাকরি করে।তাই আজ সরাসরি,,,

রাতের বাবা কি বলবেন বুঝতে পারছেন না ।হঠাত্ করে এমন।আবার পরিবার দেখে মনে হচ্ছে তারা খুবই পরহেজগার পরিবার ।ছেলেটা ও মাথা নিচু করে আছে

রাতের বাবা:জি আসুন

ওনাদের কে নিয়ে রাতের বাবা ভেতরে গিয়ে বসিয়ে ঘরে গেলেন।

রাতের বাবা:রাত

রাত:হ্যাঁ বাবা

রাতের বাবা একবার তার স্ত্রী র দিকে তাকালেন।কাল রাতে তার একটু প্রেসার বেড়েছিল।সারারাত ঘুমাতে পারেন নি।এখন ঘুমিয়ে আছেন।তাকে ডাকা ঠিক হবে না বলে রাতের বাবা রাতকে আলাদা ডেকে সব বললেন

রাত:কিন্তু বাবা

রাতের বাবা:এরকম মেয়ে দেখা তে পাপ হয় না মা।তুমি বরং একটু চা নিয়ে এসো ।বুঝতে ই পারছে হঠাত্ করে এসেছেন আর উনি খুব হুজুর মুরুব্বি ব্যক্তি ওনাকে অপমান করা হবে

রাত অবশেষে বাবা র কথাতে রাজী হয়

রাত শুধু মুখ টা খোলা রেখেছে ।বাকি অংশ ঢেকে ট্রেতে চা নাস্তা নিয়ে পাত্র পক্ষে র সামনে চলে যায়

রাতের বাবা রাতকে বসতে বলে।রাত মাথা নিচু করে বসে

রাতের বাবা:এই আমার মেয়ে

রাত সবাই কে সালাম দিলে তার উওর সবাই দেয়

রাতের বাবা:তা বাবা তুমি কি চাকরি করো

পাত্র:এই তো আংকেল আমি,,,,,,

রাত এর কাছে পাত্র র গলাটা খুব চেনা চেনা লাগছে

রাত:এই গলাটা শুনেছি মনে হয়।কিন্তু কিভাবে--মনে মনে

রাত না পেরে একটু আড়চোখে পাত্র কে দেখার চেষ্টা করে।রাতের কাছে পাত্র কে খুব চেনা লাগছে

রাতের তাকানো দেখে পাত্র একটা চোখ টিপ মারে।এতে রাতের চোখ বড় বড় হয়ে যায়

রাত আর বুঝতে দেরী নেই পাত্র কে

#চলবে ---

 #মাফিয়া(The Villan)সিজন:১part:17Writer: Suvhan Årag (ছদ্মনাম)এদিকে সুইজারল্যান্ড এআরাফ:শোনো সাইফ তোমাকে টাকা দিচ্ছি তো...
22/06/2025

#মাফিয়া(The Villan)
সিজন:১
part:17
Writer: Suvhan Årag (ছদ্মনাম)

এদিকে

সুইজারল্যান্ড এ

আরাফ:শোনো সাইফ তোমাকে টাকা দিচ্ছি তো ভালো করে কাজ করো।আর ঐ রায়হান এর মেয়ে কে নিয়ে পরে যা ইচ্ছে তাই করো।তাতে আমার কিছু যায় আসে না

সাইফ:হ্যাঁ সেটাই।আমার শুধু রাতকে চাই।আর ওকে নিয়ে আজীবন বসে খাওয়া র মতো টাকা আর কিছু না

আরাফ:ঐ রাতের নামে রায়হান এর সব সম্পত্তি ।ঐ রায়হান ইন্টারন্যাশনাল লেভেলের বিজনেস ট্রাইকার ।ওর সম্পত্তি দিয়ে আমি আজীবন চলে যেতে পারব

সাইফ:কিন্তু আপনার বন্ধু ঐ নাজমুল

আরাফ:আরে বাদ দেও ওসব বন্ধু।এতো বছর ধরে সম্পত্তি র জন্য অপেক্ষা করছি।শাফাআত কে মেরে ভেবেছিলাম ওর সব পাব।আমি ঐ নাজমুল কৈ পর্যন্ত ওকে মারার প্লান বলেনি।কিন্তু ঐ শাফায়াত সব শেষ করে দিল।বেটা মরেছে তাও শান্তি দেইনি।নিজের ভাই ঐ রায়হান এর নামে সব লিখে দিয়ে গেছে।আর রায়হান ওর মেয়ে র নামে

সাইফ:এতো কিছু আপনি করলেন আর ঐ নাজমুল জানল না

আরাফ:ও তো একটা গাধা।শুধু শুধু এখনো বন্ধু র মতো নাটক করছি।ও জানে ও না আসল ভিলেন টা কে।গেম কে খেলছে।ও মনে করেছে আলতাফ কে ওর ছেলে মেরেছে।কিন্তু বলদ টা জানে ও না আমি আলতাফ কে লোক দিয়ে বিষ দিয়ে মেরেছি।আলতাফ ছিল রায়হান এর বিজনেস পার্টনার ।ও আমার ও পার্ট নার ছিল।কিন্তু ও বিশ্বাস ঘাতকতা করে ঐ নাজমুল কে সব কিছু বলে দেওয়ার হুমকি দিল।তাই ওকে সরিয়ে দিয়েছি।এখন শুধু অপেক্ষা ।ঐ নাজমুল এর ছেলে রায়হান কে মারলেই ওর সবকিছু ওর মেয়ে র নামে ট্রান্সফার হয়ে যাবে।আর তারপর আমি নাজমুল আর ওর ছেলেকে শেষ করবো।তারপর তুমি তোমার রাত নিয়ে থেকো আর আমি সম্পত্তি

সাইফ:তবে সেই কথাই থাকলো

আরাফ:আচ্ছা থাকো তবে

আরাফ ফোন কেটে দিল

হঠাত্ গুলির শব্দ

আরাফ:আআআঋ

আরাফ পেছনে ফিরতেই আরো দুটো গুলি এসে আরাফের বুকে লাগলো।আরাফ তাকিয়ে দেখে নাজমুল

আরাফ:নাজমুল তুইই,,,,,

নাজমুল:বিশ্বাস ঘাতক কি ভেবেছিলি আমাকে ঠকাবি ।এতো সহজ।আরে তুই তো আমার হাতের পুতুল মাত্র ।তুই নিজেও জানিস না গেম কে খেলছে।তুই কি ভেবেছিলি আমি বাংলাদেশে ব্যাক করেছি।আরে তোকে মিথ্যা বলেছিলাম।বাংলাদেশে তো আজ ব্যাক করব ।তার আগে আজকে শুভ কাজ সেরে নিলাম

নাজমুল বন্দুক টা ফেলে হাঁটা ধরলো।আরাফ ততক্ষণ এ মৃত্যুর কোলে ঢলে পরেছে

নাজমুল:এবার খেলা শুরু হবে।হিসেব হবে সব কিছুর

এদিকে

রাত চোখ বুজে সকালের রোদ উপভোগ করছে।নেহাল ভোরেই বেরিয়ে ছে।কি কাজ আছে নাকি তার

এক সপ্তাহ হয়ে গেছে

রাত আর নেহাল এর সম্পর্ক আর পাঁচটা স্বামী স্ত্রী র থেকেও অস্বাভাবিক

কারণ নেহাল এর রোমান্টিক তা আর পাগলামি

রাত চোখ বুজে ভাবছে সেই প্রথম দিনের কথা

যেদিন রাতের সাথে নেহাল এর প্রথম দেখা হয়েছিল

রাত ছোট থেকেই মাদ্রাসা তে পরতো ।শুধু তাই না।তার বাবা ঢাকা থাকতেন।কিন্তু তাকে অনেক দূরে রংপুর এ একটা মাদ্রাসা তে ভরতি করান।আর ছুটি হলে মেয়ে কে সেখানে গিয়ে দেখে আসতেন রাতের মা কে নিয়ে ।ছোট থেকেই তিনি রাতকে কেমন লুকিয়ে রাখতেন।যেন কেউ দেখলেই সর্বনাশ

রাত যতো বড় হতে থাকে ততোই এই নিয়ে তার খারাপ লাগা বারতৃ থাকে।তার বাবা এতো ধনী।তবু কেন তাকে সে দূরে রাখে।রাত সে উওর আজ ও জানে না

তাই রাতের এইচএসসি পরীক্ষার র পর রাত বায়না ধরে সে ভালো কলেজে পরবে।তাও বাবা র কাছে থেকে

অবশেষে রায়হান সাহেব ও রাজী হন।মেয়ে কে বাড়ি র সবচেয়ে কাছের কলেজে ভরতি করেন।রাতকে নিজে নেওয়া আসা করেন।এতো বড় মেয়ে ।আর বাবা র এতো নজরদারি রাতের ভালো লাগত নৃ।কিন্তু রাত তো জানত না কেন রায়হান সাহেব এমন করেন।তার মনে কেন এতো ভয়

যাই হোক

বোরখা পরে মুখ ঢেকে প্রথম দিন রাত কলেজে থেকে বাড়ি যাবে বলে বের হচ্ছিল

হঠাত্ দেখে কিছু লোক মিলে একটা ছেলেকে সেই পরিমাণ এ মারছে।আর আশেপাশে র সবাই দাঁড়িয়ে দেখছে

রাত:আজব।এরা কি করছে এগুলো ।এরা প্রতিবাদ না করে দাঁড়িয়ে দেখছে।না আমি পারব না।
☪︎আল কোরআন এ আছে অন্যায় দেখলে প্রথমে হাত ধারা প্রতিহত করো,যদি না পারো তবে মুখ দ্বারা,আর যদি তাও না পারো তবে অন্তত দিয়ে ।আর এটাই ইমানের সবচেয়ে নিম্ন স্তর¤

রাত এটা মনে করে সামনে এগিয়ে গেল

রাত:এই যে কারা আপনারা।কি করছেন ।ওনাকে মারছেন কেন।থামুন থামুন বলছি

রাতের কথা শুনে আশেপাশের সবাই অবাক হয়ে রাতকে দেখছে আর বলাবলি করছে----আরে এই মেয়ে টা কে।এর কি মরার শখ হয়েছে।কার সামনে কি বলছে

রাত মানুষ এর কথাতে কান না দিয়ে আবার বলা শুরু করলো

রাত:আপনারা থামবেন নাকি পুলিশ ডাকবো

হঠাত্ পুলিশ এর কথা শুনে নেহাল এর সাঙ্গ পাঙ্গ রা পেছনে তাকায়।সাথে নেহাল ও ছেলেটি কে মারা বন্ধ করে পেছনে তাকায়

আসিফ:ভাই এই মেয়ের কতো সাহস আমাদের পুলিশ এর ভয় দেখায়

রাত:কেনো আপনারা কোন দেশের প্রেসিডেনট শুনি।যে আপনাদের পুলিশ এর ভয় দেখানো যাবে না।যতোসব গুন্ডা মাস্তান মাফিয়া র দল

নেহাল এরকম কথা শুনে হাত দিয়ে সবাইকে থামতে বলে।আর এগিয়ে যায় বোরখা পরা মেয়ে টার দিকে

নেহাল এসে রাত কে পা থেকে মাথা পর্যন্ত দেখছে।চোখ দুটো ছাড়া আর কিছুই দেখা যাচ্ছে না।সম্পূর্ণ শরীর কালো বোরখা তে ঢাকা

নেহাল এরকম চাহনি দেখে রাতের ভীষণ খারাপ লাগে

রাত:অসভ্য লোক।কোন মেয়ে কে কিভাবে দেখতে হয় জানেন না।ছিহহহ।আপনার বাড়ি তে মা বোন নেই

নেহাল:মা বোন আছে কিন্তু বৌ নেই

নেহাল এর কথা শুনে রাতের আরো রাগ বাড়ে ।কিন্তু নেহাল এরকম সেদিকে ভ্রুক্ষেপই নেই ।কারণ নেহাল রাতের চোখ দুটো দেখাতে ব্যস্ত

নেহাল এর কাছে চোখ দুটো খুব চেনা।কোথায় দেখেছে মনে করতে পারছে না

রাত:গালের ওপর কয়েকটি পরলে না সব কথা বেরিয়ে যাবে।ওই ছেলেকে মারছেন কেন

নেহাল:ছেলেটি একটা মেয়ে কে ইঙ্গিত করে বাজে কথা বলছিল তাই।তা মিস বোরখা ওয়ালি মেয়ে বলুন আমরা কি ভুল করেছি

রাত:অবশ্য ই ভুল করেছেন।আপনি শাস্তি দিন ।তাই এই ভাবে।রক্ত এ তো ছেলেটি ভেসে যাচ্ছে ।আর আপনারা শাস্তি দেওয়া র কে হ্যাঁ ।পুলিশ আছে শাস্তি দেওয়া র জন্য ।

নেহাল:আমরা কোন পুলিশ মা নি না

রাত:তা মানবেন কেন।সবকটির চেহারা দেখেই বোঝা যাচ্ছে দুনিয়ার মদ গানজাখোর ।এসেছে গুন্ডামি করছে

আসিফ:এই যে আপু আপনি জানেন কার সাথে কথা বলছেন আপনি

রাত:জানি তো একটা গুন্ডা র সাথে

আসিফ:আপনার কোন আইডি য়া আছে উনি প্রতিদিন কয়টা খুন করে

রাত:তা জানার দরকার নেই।এমন ভাবে বলছেন যেন কি না কি বিশ্ব জয় করার মতো মহত্ কাজ করে।খুনি তার আবার বড় কথা।আপনাদের মতো জালিমদের জন্য পৃথিবী তে এতো অশান্তি ।সবকটা আস্ত জাহান্নামে র কীট

এমন সময় গাড়ি র হর্ন বাজলো।রাত পেছনে তাকিয়ে দেখে তার গাড়ি চলে এসেছে ।রাত আর কথা না বাড়িয়ে গাড়ি তে উঠে চলে গেল

আসিফ:ভাই আপনি দাঁড়িয়ে কি ভাবছেন।মেয়ে টা কে কিছু বললেন ও না।ঐ মেয়ে র সাহস কি করে হয় আপনাকে এতো কথা বলার

নেহাল কিছু না বলে বাইক নিয়ে চলে যায়

সন্ধ্যা বেলা

নেহাল ছবি গুলো ভালো করে দেখছে।নাজমুল স্পাই লাগিয়ে রাতের বোরখা পরা মুখ বাঁধা অবস্থা ইত্যাদি তে কেমন দেখা যায় সে সব ছবি নেহাল কে পাঠিয়েছে

নেহাল:ইয়েস।পেয়ে গেছি ।মিলে গেছে।ঠিক ধরেছি লাম।এই চোখ আমি ছবি তে দেখেছি।তো রায়হান প্রস্তুত হ তোর মেয়ে র কি সর্বনাশ করি দেখ শুধু

অট্টহাসিতে ফেটে পরলো নেহাল

পরের দিন

গাড়ি রাতকে নামিয়ে দিয়ে গেছে

রাত কলেজে ঢুকছে ।হঠাত্ পেছনে থেকে কারোর কথা রাতের কানে আসে

------"""এই পথে আমি যখন যাই,মাঝে মাঝে একটা মেয়ে দেখতে পাই,,,,,,,,,,,,,,,,একটা বোরখা পরা মেয়ে পাগল করেছে"""

রাত পিছনে ফিরে দেখে নেহাল বাইকের সাথে হেলান দিয়ে রাতের দিকে তাকিয়ে এসব বলছে

রাত:অসভ্য বেৎাদব লোক

#চলবে ---

Address

12 Lor 14 Geylang
Singapore
398924

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when অপ্সরীর পূর্ণ কথা posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Featured

Share