PujaParban

PujaParban Doorstep Puja, on demand
Schedule puja, and find pujari at your doorstep. Doorstep Puja, On Demand

07/09/2024

We are Closed

সারা গায়ে কেন ভস্ম মেখে থাকেন মহাদেব? জানুন শিবপুরাণের আশ্চর্য কাহিনি..বেলপাতা, ধুতুরা, আকন্দ,বেল, ভাং ইত্যাদি পছন্দ করে...
24/07/2023

সারা গায়ে কেন ভস্ম মেখে থাকেন মহাদেব? জানুন শিবপুরাণের আশ্চর্য কাহিনি..

বেলপাতা, ধুতুরা, আকন্দ,বেল, ভাং ইত্যাদি পছন্দ করেন শিব। এছাড়া অন্যান্য দেবতাদের মতো শিব কোনও ঐশ্বরিক অলঙ্কার ও পোশাক পছন্দ করেন না। তিনি বাঘছাল Continue on👇👇

বেলপাতা, ধুতুরা, আকন্দ,বেল, ভাং ইত্যাদি পছন্দ করেন শিব। এছাড়া অন্যান্য দেবতাদের মতো শিব কোনও ঐশ্বরিক অলঙ্কার ও পো...

শ্রাবণ মাসেই কেন শিব পুজো করা হয়? জেনে নিন প্রকৃত কারণপ্রত্যেকেই সংসারে সুখশান্তি চান। আমরা পরিবারের সবাইকে ভাল রাখার জন...
11/07/2023

শ্রাবণ মাসেই কেন শিব পুজো করা হয়? জেনে নিন প্রকৃত কারণ

প্রত্যেকেই সংসারে সুখশান্তি চান। আমরা পরিবারের সবাইকে ভাল রাখার জন্য যত কিছু সম্ভব করি। যারা ঈশ্বরে বিশ্বাসী, তারা ঈশ্বরের পূজা করে। শ্রাবণ মাসে তাদের প্রধান আরাধ্য হলেন শিব। তাই তাকেশ্বর সহ বাংলার বিভিন্ন প্রান্তে ঈশ্বরে বিশ্বাসী মানুষরা শিবের আরাধনা করে। যারা মন্দিরে যেতে পারেন না, তারা বাড়িতেও শিবের পূজা করেন। কিন্তু আপনি কি জানেন, কেন শ্রাবণ মাসেই দেবাদিদেব শিবের আরাধনা হয়?
continue 👇👇

প্রত্যেকেই সংসারে সুখশান্তি চান। আমরা পরিবারের সবাইকে ভাল রাখার জন্য যত কিছু সম্ভব করি। যারা ঈশ্বরে বিশ্বাসী, তা...

১৯ বছর পর ফিরে এলো বিরল যোগ। ৩০ নয়, এবছর শ্রাবণ মাস ৫৯ দিনের!শ্রাবণ মাস (Shravan 2023) শিবভক্তদের কাছে অত্যন্ত পবিত্র। দ...
07/07/2023

১৯ বছর পর ফিরে এলো বিরল যোগ। ৩০ নয়, এবছর শ্রাবণ মাস ৫৯ দিনের!

শ্রাবণ মাস (Shravan 2023) শিবভক্তদের কাছে অত্যন্ত পবিত্র। দেশ জুড়ে দেবাদিদেবের বিশেষ আরাধনা সম্পন্ন হয় এই মাসে। মাইলের পর মাইল হেঁটে কাঁধে জল নিয়ে শিবভক্তরা দেবাদিদেবের মন্দিরের উদ্দেশে যান। continue👇👇

শ্রাবণ মাস (Shravan 2023) শিবভক্তদের কাছে অত্যন্ত পবিত্র। দেশ জুড়ে দেবাদিদেবের বিশেষ আরাধনা সম্পন্ন হয় এই মাসে। মাইলের .....

*পৌরাণিক ইতিহাস, তাৎপর্য, পুরীর রথযাত্রা...*রথযাত্রা: রথযাত্রা ভারতে উদযাপিত হিন্দু উৎসবগুলির মধ্যে একটি। এটি একটি প্রাণ...
27/06/2023

*পৌরাণিক ইতিহাস, তাৎপর্য, পুরীর রথযাত্রা...*
রথযাত্রা: রথযাত্রা ভারতে উদযাপিত হিন্দু উৎসবগুলির মধ্যে একটি। এটি একটি প্রাণবন্ত এবং আনন্দের উপলক্ষ যেখানে লক্ষ লক্ষ ভক্তরা সুসজ্জিত রথে দেবতাদের শোভাযাত্রা দেখতে সমবেত হন। ভারতের উপকূলীয় রাজ্য ওড়িশায় এই রথযাত্রা বিশেষভাবে পালিত হয়। সেই সাথে পশ্চিমবঙ্গ এবং সারা দেশ জুড়ে এই রথযাত্রা বিশেষভাবে উজ্জাপিত হয়।

continue on👇👇

রথযাত্রা রথযাত্রা: রথযাত্রা ভারতে উদযাপিত হিন্দু উৎসবগুলির মধ্যে একটি।

রথ, জগন্নাথ-- সবই জানেন, বাকিটা জানেন কি?তখন দ্বাপর যুগ। কুরুক্ষেত্র যুদ্ধের পর অনেকদিন কেটে গেছে। দ্বারকায় শ্রীকৃষ্ণ এক...
27/06/2023

রথ, জগন্নাথ-- সবই জানেন, বাকিটা জানেন কি?

তখন দ্বাপর যুগ। কুরুক্ষেত্র যুদ্ধের পর অনেকদিন কেটে গেছে। দ্বারকায় শ্রীকৃষ্ণ একদিন গাছের নীচে বসে থাকাকালীন তাঁর রাঙা চরণকে পাখি ভেবে ভুল করে বাণ মারে জরা নামে এক শবর। শ্রীকৃষ্ণের মৃত্যুর খবর পেয়ে অর্জুন ছুটে এলেন দ্বারকায়। দেহ সৎকারের সময় অর্জুন দেখলেন,গোটা দেহটা পুড়লেও নাভিদেশ পুড়ছে না! তখনই হয় দৈববাণী, ‘ইনিই সেই পরমব্রহ্ম। অর্জুন, এঁকে সমুদ্রে নিক্ষেপ করো। সমুদ্রেই ওঁর অনন্তশয়ন।’ অর্জুন তাই করলেন।ঢেউয়ের মাথায় ভাসতে ভাসতে এগিয়ে চলল পরমব্রহ্ম সেই নাভি। আর তাঁকে লক্ষ করে সমুদ্রের তীর ধরে ছুটে চললেন সেই শবর, যার বাণে মৃত্যু হয়েছে শ্রীকৃষ্ণে। দ্বারকা থেকে পুরী পর্যন্ত ছুটে অবশেষে সেখানেই শ্রীকৃষ্ণকে স্বপ্ন দেখলেন তিনি, তাঁর স্বপ্নে দেখা দিয়ে কৃষ্ণ বলেন,‘কাল ভোরে আমাকে তুলে নে। এখন
থেকে তোর বংশধর শবরদের

continue on

রথ, জগন্নাথ-- সবই জানেন, বাকিটা জানেন কি?

বিপত্তারিণী পুজো শুরু হল কী ভাবে?  বাংলায় মল্লরাজাদের রাজত্ব কালে বিপত্তারিণী ব্রতের প্রচলন হয়। ভবিষ্য পূরাণ আশ্রিত বি...
26/06/2023

বিপত্তারিণী পুজো শুরু হল কী ভাবে?

বাংলায় মল্লরাজাদের রাজত্ব কালে বিপত্তারিণী ব্রতের প্রচলন হয়। ভবিষ্য পূরাণ আশ্রিত বিপত্তারিণীর ব্রতকথায় ব্রতের মাহাত্ম্য বর্ণিত হয়েছে। পূরাকালে মহর্ষি নারদ একদিন বেড়াতে বেড়াতে কৈলাসে উপস্থিত হলেন। সেখানে হর- পার্বতীকে প্রণাম জানিয়ে বললেন, ‘হে মঙ্গলময় প্রভূ! কোন ব্রত পালন করলে মানুষ সব রকম বিপদ থেকে মুক্তি পেতে পারে, আমাকে বলুন।’ নারদের কথা শুনে মহাদেব বললেন, ‘যে স্ত্রী লোক বিপত্তারিণী ব্রত পালন করে, সে এবং তার পরিবার সমস্ত রকম বিপদ থেকে রক্ষা পায়।’ এই কথা শুনে নারদ জিজ্ঞাসা করলেন, ‘মহেশ্বর, পূর্বে এই ব্রত কে করেছিলেন? এই ব্রতের নিয়ম কী এবং ফল কী? অনুগ্রহ করে আমাকে বলুন।’ দেবাদিদেব বললেন, ‘শোন তবে, বিদর্ভ দেশে এক সত্যনিষ্ঠ রাজা ছিলেন। তাঁর স্ত্রীও ছিলেন নানা গুণসম্পন্না। ঘটনা চক্রে, একদিন চামারের বউয়ের সাথে তাঁর পরিচয় হল।’

রানি নিষ্ঠা সহকারে মা বিপত্তারিণীর ব্রত করতেন। তিনি প্রায়ই মুচিনীকে নানা রকম ফল ও খাদ্যদ্রব্য উপহার দিতেন। হঠাৎ একদিন রানি কথার মাঝে মুচিনীকে বললেন, ‘তোমরা তো গো- মাংস রান্না কর। একদিন চুপিচুপি নিয়ে এস, দেখবো কী রকম। এরপর রানির কথা মতো একদিন মুচিনী একটু গো- মাংস বেশ ঢাকাঢুকি দিয়ে এনে রানিকে দিয়ে গেল। রানিও সেটা নিজের ঘরে লুকিয়ে রাখলেন। কিন্তু এক রাজ ভৃত্য তা দেখতে পেয়ে গেল। ক্রমে কথাটা রাজার কানে গেলে তিনি খুবই রেগে উঠলেন। রাজা অন্তঃপুরে এসে রানিকে বললেন, ‘তোমার ঘরে তুমি কী লুকিয়ে রেখেছ, শিগগির আমাকে দেখাও। যদি আপত্তিকর কোন জিনিস থাকে তবে গর্দান যাবে। রাজার রাগ দেখে ভীত রানি বললেন, আমার ঘরে নানা রকম ফলমূল আছে মহারাজ। বিপদে পড়ে রানি ভয়ে কাঁদতে কাঁদতে একমনে মা বিপত্তারিণী দুর্গাকে ডাকতে লাগলেন। মনে মনে বললেন, ‘মা, বিপত্তারিণী! আজ আমি খুব বিপদে পড়েছি, আমাকে রক্ষা কর।’ ভক্তের আকুল প্রার্থনায় দেবী স্থির থাকতে পারলেন না, রানিকে অভয় দিয়ে কানে কানে বললেন, তোমার ভক্তিতে আমি সন্তুষ্ট হয়েছি। তোমার ঘরে চুপড়িতে যা ছিল তা এখন ফলমূল হয়ে গিয়েছে।
রানি তখন রাজাকে সেই ফুল, ফল এনে দেখালেন। রাজা বেজায় খুশি হলেন। মিথ্যাচারের জন্য চাকরকে তিরস্কার করলেন। মা বিপত্তারিণী দুর্গার কৃপায় রানির বিপদ কেটে গেল।

বারো মাসের বিভিন্ন ব্রত গুলির মধ্যে বিপত্তারিণী ব্রতের গুরুত্ব অপরিসীম। এই ব্রত করলে সংসারে কোন বিপদ-আপদ থাকে না। মা বিপত্তারিণী ব্রতীকে সকল বাধা বিপত্তি থেকে উদ্ধার করেন। এই ব্রতের নিয়মাবলী হল

ব্রতের আগের দিন ব্রতীকে হবিষ্য পালন করতে হয়। হবিষ্য মানে এক পাকে রান্না করা খাবার, হবিষ্য বলতে নিরামিষ আহার বোঝায় না।
এই ব্রতের জন্য ১৩ রকমের ফুল, ১৩ রকমের ফল, ১৩টি পান, ১৩ টি সুপারি এবং ১৩ গাছা লাল সুতোতে ১৩ গাছা দুর্বা সহযোগে ১৩ টি গিট বেঁধে ডোর তৈরী করে দেবীকে নিবেদন করতে হয়। উপকরণ যাই হোক সংখ্যা ১৩ হওয়া আবশ্যিক।
ব্রতের জন্য লাগে একটি দেবী ঘট। আমপল্লব সহ ঘট স্থাপন করে নাম গোত্র সহযোগে পূজা দিতে হয় এবং পূজান্তে বিপত্তারিণীর ব্রতকথা অবশ্যই পাঠ করতে হয় বা শুনতে হয়।
ব্রতশেষে সামর্থ অনুসারে ব্রাহ্মণ ভোজন করাতে হয় বা পৈতা সহ একটি ভোজ্য ব্রাহ্মণকে অথবা বিপ্র কে দান করে তবেই উপবাস ভাঙতে হয়। ব্রত দিনে ব্রতীর ১৩ টি লুচি খাওয়ার নিয়ম আছে লোকাচারে।
তবে ব্রতের দিন কাউকে চিনি দান করতে নেই, করলে শুক্র রুষ্ট হন বা বৃহস্পতি গ্রহের প্রীতির জন্য ব্রতের পর গম জাতীয় খাবার খেতে নেই…এমন কোনো জ্যোতিষ বচন উপলব্ধ হয় না।

Post from

বাংলায় মল্লরাজাদের রাজত্ব কালে বিপত্তারিণী ব্রতের প্রচলন হয়। ভবিষ্য পূরাণ আশ্রিত বিপত্তারিণীর ব্রতকথায় ব্র.....

31/05/2023

Address

Kolkata

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when PujaParban posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to PujaParban:

Share

Category