22/03/2026
কালিয়াগঞ্জ ফতেপুর হাইস্কুলের শিক্ষক প্রসূন দাসের কন্যার বিবাহ অনুষ্ঠানে বকেয়া ৩,২০০০০ (তিন লক্ষ কুড়ি হাজার টাকা) আৎসাত করার ফন্দি ও ক্যাটারিং সংস্থার বিরুদ্ধে অসম্পূর্ণ তথ্য ও অপপ্রচারের লিখিত ডকুমেন্টস প্রমাণ সহ।
সুধি কালিয়াগঞ্জের সকল নাগরিক বৃন্দ,
কালিয়াগঞ্জ কলেজ পাড়ার বাসিন্দা ও ফতেপুর স্কুলের শিক্ষক প্রসূন কুমার দাসের সাথে মার্চ মাসের ০৯/০৩/২০২৬ সোমবার বিবাহ অনুষ্ঠানে স্টাটার ও মেইন কোর্স সহ মোট ১০০০( এক হাজার) লোকের খাবারের চুক্তি হয় যাহার মধ্যে ৯০০ আমিষ ও ১০০ নিরামিষ লোকের আয়োজন থাকবে। চুক্তি অনুযায়ী ৪০০ টাকা প্রতি প্লেট ১০০০ লোক ও ১ লক্ষ টাকায় ১০০০ লোকের স্টাটারের কথা হয়। খুব অল্প রেটে উনার সাথে এই কাজের কথা হয় এবং উনি প্রতিশ্রুতি দেন বাসি বিয়ের কাজ সহ আরো অনেক কাজ উনি আমাদের ব্যাবস্থা করিয়ে দেবেন।
বিয়েবাড়ির মেইন কোর্সের রাধূনি উনি নিজে ঠিক করে দেবেন (রাধুনির যা বিল হবে সেটা ক্যাটারিং পক্ষ কে দিতে হবে) এবং রান্নার সকল আয়োজন ও খাবানো ক্যাটারিং সংস্থার পক্ষ থেকে থাকবে।
শিক্ষক প্রুসুন কুমার দাসের নিজস্ব রাধুনির উনার সাথে আলোচনা করে সামগ্রীর লিস্ট আমাদের হাতে তুলে দেয় এবং লিস্ট অনুযায়ী সমস্ত সামগ্রী রাধুনির হাতে তুলে দওয়া হয়।
নিম্নলিখিত লিস্ট অনুযায়ী মাংসের মোট পরিমাণ ১ কুইন্টাল ৫০ কেজি উল্লেখ আছে কিন্তু বিয়েবাড়িতে রাত্রি ১১.৩০ মিনিটে রাধুনি জানান মাংস শর্ট শেষের পথে,সেই সময়ে ৮৭২ জন মোট নিমন্ত্রিত লোকেদের খাবার হয়েছে যাহার মধ্যে আমিষ-৮০৬ নিরামিষ-৬৬
সেই সময়ে প্রসুন কুমার দাস কে আনুমানিক আর কতো নিমন্ত্রিত হতে পারে জানতে চাইলে উনি রাধুনির সাথে কথা বলে বরযাত্রি ও বাড়ির লোক সহ আনুমানিক ১৫০ জনের কথা জানান। উনার রাধুনির কথানুযায়ী ২০ কেজি মাংস আরো লাগবে আমাদের জানালে তড়িঘড়ি আমরা ২১.৫ কেজি মাংসের ব্যাবস্থা করি। মাংসে কাটিয়ে ও রান্না করাতে ১.৩০ মিনিট সময় যায় এবং রাত্রি ২.৩০ অবদি মোট ১১৬০ জন নিমন্ত্রিত'রা খাবার পান যা উনার সাথে চুক্তির থেকে ১৬০ জন বেশি।
রাতে উনার বাড়ির ভেতর থেকে মাংসের ভড়া বালটি বের হয় আমাদের ক্যাটারিং এর ছেলেদের কথানুযায়ী, পরে উনার রাধুনির সাথে ফোনে কথা বলে জানতে পারি (কল রেকর্ডিং আছে ) উনাদের লোক ক্যাটারিং সংস্থার কোন প্রতিনিধিদের না জানিয়ে মাংসের বালটি বাড়ির ভেতরে নিয়ে যায়।
সম্পূর্ণ পরিস্থিতি উনি ক্যাটারিং সংস্থার উপরে বর্তাতে চাইছেন যেটা কাম্য নয়। একটি ক্যাটারিং সংস্থার সাথে অতিসাধারণ পরিবারের থেকে পরিবেশনের প্রচুর ছেলেরা যুক্ত থাকে তাহারা সকলে আমাদের স্নেহের ও কাছের কিন্তু দূর্ভাগ্য পরিবেশনে কিছু ত্রুটি হলে কিছু মানুষ তাদের অপমান ও হেনস্তা করতে ছাড়ে না। উক্ত অনুষ্ঠানে আমাদের পরিবেশন ও ম্যানেজমেন্টের ছেলেরা চরম অপমান ও দুর্ব্যবহারের মাঝেও মাথা ঠান্ডা রেখে রাত্রি ২.৩০ টা অবদি সার্ভিস দিয়ে গিয়েছে।
নিম্নলিখিত সামগ্রী আমরা দোকানের নাম ও ফোন নং সহ উনাদের দ্বারা দেওয়া বিল উল্লেখ করে আপনাদের জানাচ্ছি।
👉 ৯০০ লোকের জন্য ১ কুইন্টাল ৫০০ (৯১৭ পিস) আনুমানিক ১০০ গ্রাম প্রতি পিস কিভাবে ছোট হয়।
👉 ৯০০ লোকের জন্য ৫৭ কেজি পম্প্রেট মাছ(৯০০ পিস)। প্রত্যেকের জন্য ১ পিস পম্প্রেট মাছ বরাদ্দ হয়েছিলো কিন্তু অনেক নিমন্ত্রিত লোকেরা পম্প্রেট মাছ ডবল চাইলে সেক্ষেত্রে শেষের দিকে কিছু পম্প্রেট মাছ শর্ট হয়।
রাজনৈতিক ব্যাক্তিদের সাথে সুসম্পর্ক ও সামাজিক প্রভাব খাটিয়ে ক্যাটারিং সংস্থার দুর্নাম করে উনি ক্যাটারিং সংস্থার বকেয়া ৩ লাখ ২০ হাজার টাকা আৎসাত করতে চাইছেন যেটা কখনোই কাম্য নয়। প্রসুন কুমার দাস মহাশয়ের অবগতর জন্য জানিয়ে রাখি উনি যে স্বপন পাল মহাশয়ের কথা উল্লেখ করছেন সেখানে আমাদের শুধুমাত্র পরিবেশনের দায়িত্ব ছিলো। রান্না,রাধুনি,সমস্ত জিনিসপত্র উনার নিজস্ব ছিলো তাই "স্বপন পালের বাড়িতে ওরা একি কাজ করেছে" বলছেন সেটা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন।
উনাকে বারংবার ফোন করা সত্বেও উনি আমাদের সাথে বসেন নি এবং কথাও বলেন নি। রাধে রাধে ক্যাটারিং সংস্থার কর্ণধার সকলে সমাজের পরিচিত মুখ তাই কোন প্রকার মধ্যস্থতা/আলোচনায় না বসে সোশ্যাল মিডিয়া ও সংবাদমাধ্যমে ক্যাটারিং সংস্থার বিরুদ্ধে অপপ্রচার করে সর্ব সাধারণকে অর্ধ সত্য জানিয়ে এবং ক্যাটারিং সংস্থার ৩ লাখ ২০ হাজার বকেয়া আৎসাত করার অপচেষ্টা ও হীন মানসিকতা উনার শিক্ষকতা পেশাকে কালিমালিপ্ত করে।
রাধে রাধে ক্যাটারিং গ্রুপ কালিয়াগঞ্জের অন্যান্য সকল ক্যাটারিং সংস্থা ও কালিয়াগঞ্জের অতি সাধারণ পরিবারের শতাধিক ক্যাটারিং ছেলেদের স্বার্থে ফতেপুর স্কুলের শিক্ষক প্রসূন কুমার দাসের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় সকল পদক্ষেপ ও ব্যাবস্থা গ্রহণ করবে।
আশা করি কালিয়াগঞ্জের সকল সচেতন নাগরিক দ্বারা উনার অপপ্রচার করা অর্ধ সত্য উন্মোচন করবেন।