সেহা ট্রেডিং কর্পোরেশন

সেহা ট্রেডিং কর্পোরেশন সেহা ট্রেডিং কর্পোরেশন
এখানে ইট বালু পাথর সিমেন্ট সুলভ মূল্যে সরবরাহ করা হয় .
মোবাইল নাম্বার: 01712704193/01316690094

OUR APPROACH
Some clients give us an overview and then leave us to make all the arrangements, reporting back to ensure they are fully updated. Others have fairly firm ideas or even some elements in place. Either way we will work closely in partnership with you providing the solutions that will leave you, your clients, staff and delegates thrilled while delivering great return on your investment. O

UR TAILOR MADE SOLUTIONS INCLUDE
Destination and Venue Finding – drawing on a huge knowledge base and experience
Budget control – full negotiation using our large buying power
Programme design – to make maximum use of time at destination
Risk assessment – with support from leading crisis management experts
Delegate registration and database management - using latest online technologies
Social and partners programmes –ranging from teambuilding events to escorted tours and entertainment. Administration and reporting – keeping control of every aspect. Production and Audio-Visual – from equipment hire to large scale presentations. On-site staffing and management – experienced well trained team
Full event analysis and satisfaction surveys – evaluate the return on investment
Payments and reconciliation – deposits, cash flow and management of expenses

28/10/2024

সেহা ট্রেডিং কর্পোরেশন
এখানে ইট বালু পাথর সিমেন্ট সুলভ মূল্যে সরবরাহ করা হয়
আপনার প্রয়োজনে আজই আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন :-
বাড়ি নাম্বার # ১2, রোড নাম্বার # 5,মাদানিয়াভিনিউ ঢাকা ১২১২
মোবাইল নাম্বার: 01712704193/01316690094
(সঠিক মূল্যে ভালো এবং সর্বাধিক কোয়ালিটি সম্পন্ন মালামাল সরবরাহ করায় আমরা প্রতিজ্ঞাবদ্ধ)

17/05/2014

এক মহিলা তার
বাড়ি থেকে বেরিয়ে দেখলো উঠানের
সামনে তিনজন বৃদ্ধ ব্যক্তি বসে আছেন।
তিনি তাদের কাউকেই
চিনতে পারলেন না। তাই বললেন,
‘আমি আপনাদের কাউকেই
চিনতে পারলাম না,কিন্তু
আপনারা হয়তো ক্ষুধার্ত।
আপনারা ভেতরে আসুন,আমি আপনাদের
খাওয়ার ব্যবস্থা করছি।‘
l তারা জিজ্ঞেস করলেন ‘ বাড়ির
কর্তা কি আছেন?’
মহিলা বললেন,’না’।
‘তিনি বাইরে গেছেন।’
‘তাহলে আমরা আসতে পারবো না।‘
সন্ধ্যায় যখন বাড়ির
কর্তা ঘরে ফিরে সব শুনলেন তখন
তিনি বললেন,'যাও তাদের
বলো যে আমি ফিরেছি এবং তাদের
ঘরে আসার
জন্যে অভ্যর্থনা জানাচ্ছি।‘
মহিলা বাইরে গেলেন এবং তাদের
ভেতরে আসতে বললেন।কিন্তু
তারা বললো,‘আমরা এভাবে যেতে পারি না।'
মহিলা জিজ্ঞেস করলেন,’ কিন্তু
কেন? আবার কি সমস্যা?’ বৃদ্ধ
লোকেদের মধ্যে একজন
বললেন,’আমাদের মধ্যে একজনের নাম
সম্পদ।‘ আরেকজনের দিকে নির্দেশ
করে বললেন,’তার নাম সাফল্য
এবং আমি ভালবাসা।এখন
আপনি ভেতরে গিয়ে সিদ্ধান্ত নিন
আমাদের
কাকে আপনি ভেতরে ঢুকতে দেবেন।'
মহিলা যখন ভেতরে গিয়ে সব
খুলে বললেন তখন তার স্বামী অত্যন্ত
খুশি হয়ে গেলেন
এবং বললেন,'আসাধারন!চল
আমরা সম্পদকে ডাকি,তাহলে আমরা ধনী হয়ে যাব!'
তার স্ত্রী এতে সম্মতি দিলেন
না,’নাহ,আমার মনে হয় আমাদের
সাফল্যকেই ডাকা উচিত।'
তাদের মেয়ে ঘরের অন্য
প্রান্তে বসে সব শুনছিলো।
সে বলে উঠলো,'তোমাদের
কি মনে হয় না আমাদের
ভালবাসাকেই
ডাকা উচিত? তাহলে আমাদের ঘর
ভালবাসায় পূর্ন হয়ে উঠবে।'
লোকটি বললো,‘ঠিক
আছে আমরা তাহলে আমাদের
মেয়ের কথাই
শুনবো, তুমি বাইরে যাও
এবং ভালবাসাকেই আমাদের
অতিথি হিসেবে ডেকে নিয়ে এসো।‘মহিলাটি বাইরে গেলেন
এবং বললেন’আপনাদের
মধ্যে ভালবাসা কার নাম? অনুগ্রহ
করে তিনি ভেতরে আসুন, আপনিই
আমাদের অতিথি।'
ভালবাসা নামের বৃদ্ধ
উঠে দাড়ালেন এবং বাড়ির
দিকে হাটতে শুরু করলেন,বাকী দুজনও
উঠে দাড়ালেন এবং তাকে অনুসরন
করতে লাগলেন।
মহিলাটি এতে ভীষন অবাক
হয়ে গেলেন এবং বললেন,
'আমিতো শুধু ভালবাসা নামের
বৃদ্ধকে ভেতরে আসার আমন্ত্রন
জানিয়েছি,আপনারাকেন তার
সাথে আসছেন?’ বৃদ্ধ
লোকেরা বললো,'আপনি যদি সম্পদ আর
সাফল্যকে আমন্ত্রন করতেন
তবে আমাদের বাকী দুজন বাইরেই
থাকতাম,কিন্তু আপনি যেহেতু
ভালবাসাকে আমন্ত্রন
জানিয়েছেন,সে যেখানে যায়,আমরা দুইজনও
সেখানেই যাই। যেখানেই
ভালবাসা থাকে,সেখানেই সম্পদ ও
সাফল্যও থাকে।‘

Branding bangladesh
17/04/2014

Branding bangladesh

17/04/2014

”ঢাকার শ্যামলীতে” এক বাবার জন্য [AB+ve] রক্তের প্রয়োজন
দিতে না পারলেও শেয়ার করুন, যেন অন্য কেউ
এগিয়ে আসে...................................................................
পায়ের অপারেশনের জন্য আজে(16-04-14) রাত ১১ টার
মধ্যে ২ ব্যাগ ”এবি পজেটিভ” রক্তের ,প্রয়োজন।
[Ward #03,Bed #43]..................................................................
পঙ্গু হসপিটাল,মোঃ- 01818204627(রোগীর ছেলে)
@ 1 NO @
”সিলেটের মিরবক্সটুলায়” বৃদ্ধ মায়ের,দূর্লভ গ্রুপের [O-ve]
রক্তের প্রয়োজন
দিতে না পারলেও শেয়ার করুন, যেন অন্য কেউ
এগিয়ে আসে...................................................................
জরায়ূ অপারেশনের জন্য আগামীকাল(17-04-14) সকাল ৯ টার
মধ্যে ১ ব্যাগ ”ও নেগেটিভ” রক্তের ,প্রয়োজন। [3rd
Floor,Cabin #323]..................................................................
উইমেন্স মেডিকেল,মোঃ- 01719742936(রোগীর নাতি)
@ 2 NO @
”রংপুর ধাপে" মায়ের জন্য [AB+ve] রক্তের প্রয়োজন
=========================
ক্যান্সার রোগীর জন্য আগামীকাল [17-04-2014] সকাল ১১
টার মধ্যে ২ ব্যাগ ”এবি পজেটিভ” রক্তের প্রয়োজন।
[ভর্তি হবে]
দেশ ক্লিনিক,মোবাঃ 01773470377(ছেলে- উল্লাস)
@ 3 NO @
”চট্টগ্রামের চকবাজারে” মাত্র ৪ বছরের শিশুর জন্য [B-ve]
রক্তের প্রয়োজন
দিতে না পারলেও শেয়ার করুন, যেন অন্য কেউ
এগিয়ে আসে...................................................................
ব্লাড ক্যান্সারের রোগীর জন্য আগামীকাল(17-04-14)
বিকেল ৫ টার মধ্যে ১ ব্যাগ ”বি নেগেটিভ”
রক্তের ,প্রয়োজন। [2nd Floor,Ward #09,Bed #03]..................................................................
চট্টগ্রাম মেডিকেল,মোঃ- 01773484506(বাচ্চার ভাই)
কেউ রক্ত দিতে না পারলে শেয়ার করুন বা রোগীর খোজ
নিন প্লিজ

13/04/2014
10/04/2014

যে সাতটি কথা সফল ব্যক্তিরা কখনোই বলেন না
==============================
জীবনে সফল হতে আপনি যেমন চান, তেমনি অন্য সবাই চায়। কিন্তু আপনার কথাবার্তা কোনোভাবে আপনার জীবনের সাফল্যকে বাধাগ্রস্ত করছে না তো? অফিসে অনেক ছোটখাট কথাও আপনার ক্যারিয়ারের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। কাজেই এসব কথা বলার আগে অবশ্যই চিন্তা করে নেবেন। এক প্রতিবেদনে বিষয়টি জানিয়েছে বিজনেস ইনসাইডার।
১. ‘এটা আমার কাজের মধ্যে পড়ে না’
আপনার বর্তমান কাজে নিয়োগ করার সময় নিশ্চয়ই কর্তৃপক্ষ একটা কাজের তালিকা দিয়েছিল। সে তালিকা অনুযায়ী কাজে আপনি অভ্যস্ত হয়ে গিয়েছেন। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে আপনার কাজের দায়িত্ব যে বাড়বে না, তা কিন্তু নয়। এ ধরনের কিছু পরিবর্তন আপনার ভালো লাগতে পারে আর কিছু পরিবর্তন আপনার খারাপ লাগতে পারে, এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু আপনাকে যদি নতুন কোনো দায়িত্ব দেওয়া হয় আর তার বদলে আপনি জানিয়ে দেন যে, এটা আপনার কাজের তালিকায় পড়ে না। আর এ ধরনের কথা বলার মাধ্যমে অফিসে আপনার অগ্রযাত্রা বাধাগ্রস্ত হবে। কাজের চাপ যদি আপনার বেশি হয়ে যায় সেক্ষেত্রে আপনার ম্যানেজারের সঙ্গে আলোচনা করাই বুদ্ধিমানের কাজ।
২. ‘এ কাজ কোনোভাবেই সম্ভব নয়’
কোনো কাজকে ‘অসম্ভব’ বলে ছুঁড়ে ফেলে দেওয়া নিঃসন্দেহে আপনার ইমেজ খারাপ করবে। আর এ ধরনের খারাপ ইমেজের ব্যক্তিরা কখনোই উন্নতি লাভ করবে না। অসম্ভব বলে কোনো কাজ অফিসে থাকার কথা না। আর অধিকাংশ অফিসের কর্তৃপক্ষই বড় সমস্যাগুলো দক্ষ কর্মীদের দেয়। এগুলোর সমাধান করতে পারলে হাতে চলে আসে উপরে ওঠার সিঁড়ি। আর আপনি যদি সমাধান করতে না পারেন তাহলে সে সুযোগ হারাবেন।
৩. ‘এটা আমার ভুল নয়’
অন্যকে দোষারোপকারী কোনো ব্যক্তির সঙ্গে কেউ কাজ করতে চায় না। কারণ এ ধরনের মানুষেরা তার কাজের ভুল-ত্রুটির জন্য সবসময় অন্যকে দোষারোপ করে। এক্ষেত্রে সবচেয়ে ভালো সমাধান হলো দায়িত্ব নেওয়ার পাশাপাশি কোনো ভুল-ত্রুটি হলে তারও দায় নিয়ে নেওয়া। কর্তৃপক্ষ জানে, সম্পূর্ণ নির্ভুলভাবে কেউই কাজ করতে পারে না। নিজের কাধে ভুলের দায়ীত্ব নিয়ে নেওয়া হলে তার ফলাফল খারাপ হওয়ার কথা নয়। ভবিষ্যতে নির্ভুলভাবে কাজটি করার জন্য অফিস আপনাকেই নির্ভরযোগ্য বলে মনে করতে পারে। অন্যের কাঁধে দোষ চাপিয়ে দেওয়ার মানে দাঁড়ায় আপনি কখনোই ভুল থেকে শিক্ষা নেবেন না।
৪. ‘এক মিনিটেই কাজটি করে দিচ্ছি’
কোনো কাজ যদি সত্যিই মাত্র ৬০ সেকেন্ড ব্যয় করে করা সম্ভব না হয় তাহলে তা না বলাই ভালো। কাজটি করতে যতো সময় লাগতে পারে, সে সময়টিই উল্লেখ করুন। যদি এটি ১০ মিনিট লাগে, তবে তা-ই বলুন। অন্যথায় আপনি কথা রাখতে পারবেন না। ফলে জন্ম নেবে নতুন এক সমস্যার।
৫. ‘আমার কোনো সাহায্য লাগবে না’
সিনেমার দৃশ্যে নায়ককে একাকি লড়াই করে সবাইকে হারিয়ে দেওয়ার দৃশ্য দেখা গেলেও অফিসের ক্ষেত্রে তা অসম্ভব। এখানে প্রয়োজন হয় সবার সহযোগিতার, প্রয়োজন হয় টিমওয়ার্কের। আপনি যদি মনে করেন, একাই সব কাজ করে ফেলবেন তাহলে আপনি ব্যর্থ হবেন। কারণ প্রত্যেকটি কাজ করার জন্য প্রয়োজন হয় টিমওয়ার্কের। অন্যের সাহায্য ছাড়া কাজ করা হয়ে পড়ে অসম্ভব।
৬. ‘এটা উচিত নয়’
জীবনের অনেক কিছুই করা উচিত নয়। আপনাকে অফিসে বেশি কাজ করতে হচ্ছে, অন্যকে কম কাজ করতে হচ্ছে। কিন্তু আপনি বলতে পারবেন না, ‘এটা উচিত নয়।’ অভিযোগ করার আগে একবার চিন্তা করে নিন। কঠোর পরিশ্রম করে সমস্যঅর সমাধান বের করুন।
৭. ‘এভাবেই এটা সবসময় করা হয়’
কোনো কাজ প্রতি বছর সবসময় একইভাবে সমাধান করা কোনো কাজের কথা নয়। কেউ যদি এক্ষেত্রে নতুন কোনো সমাধান নিয়ে আসে তবে তা বিবেচনা করা উচিত। এছাড়া সবক্ষেত্রেই উদ্ভাবনী চিন্তা ও সৃজনশীলতার অবকাশ রাখা উচিত। কোনো নির্দিষ্ট কাজে আবদ্ধ থাকার মানে আপনি নতুন চিন্তাভাবনাকে সাদরে গ্রহণ করছেন না।

09/04/2014

সন্তানকে প্রথম যে দশটি জিনিস শেখানো উচিৎ
শিশু কিশোরদের জন্য খুব সম্ভবত এর চেয়ে ভালো কোন শিক্ষাবাণী আমাদের বাংলা সাহিত্যে আর উচ্চারিত হয়নি যা কিনা তার অন্তঃসত্তাকে পরিস্ফুটিত করার জন্য,এক অমোঘ নিয়ামক হিসাবে কাজ করবে। আত্মবিশ্বাস একজন মানুষের বেঁচে থাকার জন্য পানি বাতাস এর মতই অত্যন্ত জরুরি এবং তাঁর মানব সত্তার জন্য অপরিহার্য। যুগ যুগ ধরে যে সকল মানুষের মহৎ অবদানে আজকের মানবজাতি,তাঁদের প্রত্যেকেরই ছিল অসীম আত্মবিশ্বাস। আর একজন মানুষকে আত্মবিশ্বাসী করে গড়ে তোলার জন্য শিশুকালের চেয়ে বোধ করি আর কোন ভাল সময় নেই।এখন প্রশ্ন জাগতে পারে কিভাবে গড়ে তুলবেন আপনার শিশুকে আত্মবিশ্বাসী। এর জন্য কি কোন কোচিং সেন্টার আছে? আছে কোন প্রাইভেট টিউটর?
উত্তরটা খুব সহজ। আছে,আর সেটা হল মা এবং বাবা। আপনার শিশুকে আত্মবিশ্বাসী করে গড়ে তুলতে আপনার চেয়ে আর কোন বড় প্রতিষ্ঠান এ জগতে নেই। আসুন দেখি নিচের ছোট ছোট কাজগুলো কি আসলেই খুব কঠিন হবে আপনার সন্তানের জন্য করার--
আপনার শিশুর স্কুলের প্রথম বছরটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এর মধ্যে যদি আপনার শিশুকে তাঁর নিজের জু্তার ফিতে বাঁধা শিখিয়ে দিতে পারেন তাহলে তাঁর যে মানুষিক দৃঢ়তা তৈরি হবে তা হয়তো আপনি বা আমরা কেউই কল্পনাও করতে পারব না। একবার ভাবতে পারেন স্কুলে কখনো তার জুতার ফিতে খুলে গেলে সে যদি আর দশটা শিশুর সামনে নিজে নিজেই তার ফিতে বাঁধতে পারে তাহলে তার নিজের উপর আত্মবিশ্বাস কোথায় গিয়ে ঠেকবে।
স্কুলের পড়ার ব্যাগ আপনি নিজে না গুছিয়ে আপনার শিশুকে করতে দিন। আপনি শুধু খেয়াল রাখুন সে ঠিক ঠাক বই খাতা নিচ্ছে কি না এতে ছোটবেলা থেকেই মানসিকভাবে গোছানো হয়ে গড়ে উঠবে।
ক্লাসে ফার্স্ট বা সেকেন্ড হলো কি না সেটা আসলে শিশুর জন্য কোন গুরুত্বপূর্ণ ব্যপার না,তাই সে ক্লাসে কি পারলো আর কি পারল না সেটা নিয়ে খুব একটা উদ্বিগ্ন না হয়ে সে তার স্কুল্টা উপভোগ করছে কিনা সে দিকে নজর দেওয়া তার শারীরিক এবং মানসিক উভয়ের জন্যই ভালো।
বাচ্চারা তার খেলনা নষ্ট করবে এটাই স্বাভাবিক। এজন্য তাকে বকাঝকা না করে বোঝানোর চেষ্টা করুন। সবচেয়ে ভালো হয় যদি তার ভিতরে খেলনাগুলোর যত্ন নেওয়ার বোধ সৃষ্টি করা যায়। খেলার পরে তার খেলনাগুলো আপনি বা কাজের লোককে দিয়ে না গুছিয়ে তাকে দিয়েই খেলার ছলে গুছিয়ে ফেলার চেষ্টা করুন।প্রথমদিক হয়তো কাজ হবে না। কিন্তু সময়ের সাথে সাথে আপনার শিশুটি দেখবেন দায়িত্ববান হয়ে উঠেছে।
স্বামী স্ত্রী এর মধ্যে দাম্পত্যে কলহ হবে এটাই স্বাভাবিক তবে লক্ষ্য রাখবেন আপনার শিশুটি যেন এর বলি না হয়। তার বাবা-মা এর মধ্যকার সম্পর্ক সে যেন সব সময় উপলব্ধি করে মধুর,যা তার ভবিষ্যৎ ব্যক্তিগত জীবনে সুখের ছায়া ফেলবে।
ভিক্ষুক বা কোথাও কোন কিছু দান করার সময় যতটা পারেন আপনার শিশুকে সাথে রাখতে,এতে তার মন উদার হবে। পৃথিবীকে সে আরও বেশী ভালবাসতে শিখবে।
আপনার শিশুর মতামতকে তার সামনে তুচ্ছতাচ্ছিল্য না করে এমনভাবে বিষয়টি নিয়ে কথা বলুন যেন সে নিজেকে গুরুত্বপূর্ণ মনে করে। এতে তার আত্মশ্রদ্ধা বাড়বে।
সপ্তাহে অন্তত একটি দিন এবং ছুটির দিনগুলোতে আপনার শিশুকে একটু প্রকৃতির কাছাকাছি নিয়ে যান। তাকে ছেড়ে দিন খোলা হাওয়ায়,স্পর্শ করান মাটিকে।ধরতে দিন ফুলের উপর বসা রঙ্গিন প্রজাপ্রতিটি। দৌড় দিতে দিন,দিতে দিন ঝাঁপ।দেখবেন প্রকৃতির সান্নিধ্য আপনার শিশুর মাঝে এক অপূর্ব ভালো লাগার স্নিগ্ধতার ছাপ ফেলে যাবে যা আপনি হাজার বা লক্ষ টাকা খরচ করেও কোন সুপার সপে পাবেন না।
মোটামুটি পড়তে এবং লিখতে পারলে তাকে তার ব্যক্তিগত ডায়েরি লেখার বা আঁকার ব্যাপারে উৎসাহিত করুন।এতে সে নিজেকে নিয়ে ভাবতে শিখবে,অনুভব করতে শিখবে। নিজের কাছে আত্মসমালোচনার দ্বার হবে উন্মুক্ত।
পাঠ্যপুস্তকের বাইরে মজার মজার বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তুলুন।এতে সে পুরো পৃথিবী নতুন করে চিনতে শিখবে।
আপনার শিশু আপনারই অস্তিত্ব,আপনার সত্তার অবিচ্ছেদ্য অংশ।আপনার এই অংশটি যেন আগামী দিনে নিজের,সমাজের,পরিবারের, রাষ্ট্রের দায়িত্ব নেওয়ার মত মানসিক এবং শারীরিক দিক থেকে সামর্থ্য থাকে সেটার দায়িত্ব একান্ত আপনার। পরিশেষে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ভাষায় বলতে হয়,
পূণ্যে পাপে দুঃখে সুখে পতনে উত্থানে
মানুষ হইতে দাও তোমার সন্তানে
হে স্নেহার্ত বঙ্গভূমি, তব গৃহক্রোড়ে
চিরশিশু করে আর রাখিয়ো না ধরে।
দেশদেশান্তর-মাঝে যার যেথা স্থান
খুঁজিয়া লইতে দাও করিয়া সন্ধান।
পদে পদে ছোটো ছোটো নিষেধের ডোরে
বেঁধে বেঁধে রাখিয়ো না ভালোছেলে করে।
প্রাণ দিয়ে, দুঃখ সয়ে, আপনার হাতে
সংগ্রাম করিতে দাও ভালোমন্দ-সাথে।
শীর্ণ শান্ত সাধু তব পুত্রদের ধরে
দাও সবে গৃহছাড়া লক্ষ্মীছাড়া করে
সংগ্রহীত

09/04/2014

একটি শিক্ষনীয় গল্প ,
মেয়েকে বিয়ে দেয়ার পর যখন
সে আবার বাবার
বাড়ি আসে তখন মা খুব আগ্রহ
ভরে জানতে চায়
যে ঐ বাড়িতে তার কেমন
লেগেছে ?
মেয়ে জবাবে বলে-
“ আমার ওখানে ভালো লাগেনা।
মানুষগুলো কেমন যেন। পরিবেশটাও
আমার
ভালো লাগছেনা”। মেয়ের ভেতর
এক
ধরনের
হতাশা দেখতে পায় তার মা।
দেখতে দেখতে বেশ কিছুদিন
কেটে যায়। মেয়ের
চলে যাবার সময় চলে আসে।
চলে যাবার
ঠিক
আগের দিন মা তার
মেয়েকে নিয়ে রান্না ঘরে প্রবেশ
করেন। মা হাড়িতে পানি দেন
এবং তা গরম
করতে থাকেন।
একসময় যখন তা ফুটতে থাকে তখন
মা হাড়িতে গাজর, ডিম আর কফির
বিন
দেন।
এভাবে বিশ মিনিট পর মা আগুন
নিভিয়ে ফেলেন।
একটি বাটিতে গাজর,
ডিম
এবং কফির বিন নামিয়ে রাখেন।
এবার তিনি মেয়েকে উদ্দেশ্য
করে বলেন- “
তুমি এখান
থেকে কি বুঝতে পারলে আমাকে বল” ?
মেয়ে বিস্ময়
প্রকাশ করে বলে- “ আমি দেখলাম
তুমি গাজর,
ডিম
আর কফির বিন সিদ্ধ করলে মাত্র”।
মেয়ের
কথা শুনে মা বললেন-
“ হ্যাঁ, তুমি ঠিকই দেখেছ।
তবে তুমি কি আরও
কিছু
লক্ষ্য করনি?”
মেয়ে বলে-
“ না- মা,”।
মা বলে-
“ গাজর মোটামুটি শক্ত ধরনের, ডিম খুব
হালকা আর কফির বিন খুবই শক্ত। কিন্তু
যখন
এগুলিকে গরম পানিতে রাখা হল তখন
তিনটি জিনিসের তিন রকম
অবস্থা হল।
গাজর
খুব নরম হয়ে গেল, আর ডিম শক্ত
হয়ে গেল আর
কফির বিন সুন্দর ঘ্রান আর
মিষ্টি স্বাদে পানিতে মিশে গেল”।
মা এবার
দৃষ্টি অন্যদিকে নিয়ে যেন অনেক
অতীতে চলে যেতে চাইলেন।
তারপর
আবার
বাস্তবে ফিরে এসে মেয়ের
দিকে ফিরে বললেন- “
আমি তোমাকে এখন
যে কথাগুলি বলব, আমার মাও ঠিক
এইভাবেই
আমাকে এ কথাগুলি বলেছিল।
আমি জানিনা কথাগুলি তোমার
কতটুকু
উপকারে আসবে, তবে আমার
জীবনকে অনেক
প্রভাবিত করেছিল”।
মা কিছুক্ষন
বিরতি দিয়ে বলতে লাগলেন-
“তুমি যদি তোমার স্বামীর
বাড়িতে নিজেকে কঠিনভাবে উপস্থাপন
কর,
তবে প্রতিকূল পরিবেশের
সাথে তোমার
সংঘর্ষ
হবে- তোমাকে দুর্বল করে ঠিক
গাজরের
মতই
নরম করে ফেলবে- তোমার
ব্যক্তিত্বকে ভেঙে ফেলবে।
যদি তুমি নিজেকে নরম-ভঙ্গুর
করে উপস্থাপন কর
তবে প্রতিকূল পরিবেশ
তোমাকে কব্জা করে ফেলবে ,
আঘাতের
পর
আঘাত এসে তোমার হৃদয়কে একসময়
কঠিন করে ফেলবে ঠিক ডিমের মত।
কিন্তু
তুমি যদি তোমার
ভালবাসা দিয়ে নিজেকে প্রতিকূল
পরিবেশের
সাথে মিশিয়ে দিয়ে তার
অবস্থাকে নিয়ন্ত্রণে নিতে পার
তবে পরিবেশ
সুন্দর হয়ে উঠবে ঠিক যেমন কফির বিন
গরম
পানির
সাথে নিজেকে মিশিয়ে দিয়ে পানিকে সুস্বাদু
আর
চারপাশকে মিষ্টি ঘ্রানে ভরিয়ে দিয়েছে”।
পরের দিন যখন মেয়েটি তার
স্বামীর
বাড়িতে যাচ্ছিল তখন
তার ভিতর এক আশ্চর্য শান্ত ভাব আর
এক
দৃঢ়
প্রত্যয় প্রকাশ পাচ্ছিল।''
আমাদের চারপাশের
পরিস্থিতি সবসময়
অনুকুল
থাকবেনা ,তাই
বলে নিজেকে পরিস্থিতির কাবু
না করে র্ধৈয্য ,ভালবাসা ,সহমর্মিতা নিয়ে পরিস্থিতিকে কাবু
করতে হবে । সুখ সবসময় নিজেকেই
তৈরি করে নিতে হয়।

Address

Dhaka

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when সেহা ট্রেডিং কর্পোরেশন posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to সেহা ট্রেডিং কর্পোরেশন:

Share