New Chameli Event Managment

New Chameli Event Managment Wedding Planning ,Photographer, Event Planner

21/03/2025

21/03/2025

ডক্টর ইউনূসকে নিয়োগের ডিসিশন যেমন বুকে পাথর চেপে "মেনে" নিয়েছিলেন,

ইউনূসকে আয়নাঘরে ঢুকতে দেওয়ার ডিসিশন যেমন বুকে পাথর চেপে মেনে নিয়েছিলেন,

আওয়ামীলীগকে নিষিদ্ধের ডিসিশনও তেমনি বুকে পাথর চেপেই মেনে নেওয়ার প্রিপারেশন নেন।

মেনে যদি না নেন, তাহলে হাসিনা যেই পথে গেছে, আপনাদেরও সেই পথেই যেতে হবে।

লাউড এন্ড ক্লিয়ার।

বিস্তারিত আসছে......
Hasnat Abdullah নাহিদ ইসলাম The Red July Asif Mahmud

ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন 😞😞😞আছিয়া আর নেই 😞😞😞
13/03/2025

ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন 😞😞😞
আছিয়া আর নেই 😞😞😞

Celebrating my 10th year on Facebook. Thank you for your continuing support. I could never have made it without you. 🙏🤗🎉
12/03/2025

Celebrating my 10th year on Facebook. Thank you for your continuing support. I could never have made it without you. 🙏🤗🎉

18/02/2025

একটা ফোন কিনে দেওয়া এখন হয়তো হাস্যরসের বিষয়। বাট তখন কি ততটাই গুরুত্বপূর্ণ ছিলো না?

এখানে টাকা পয়সা মেইন ব্যাপার না। মেইন ব্যাপার ছিলো লজিস্টিক সাপোর্ট। এই সাপোর্টগুলো যে শিবিরের পোলাপাইন দিয়েছিলো, এটা বহু সাংবাদিকও বলেছেন।

জুলকারনাইন সায়ের ভাই ২০২৪ এর পার্সন অব দ্য ইয়ার ঘোষণা করেছিলেন ঢাবি শিবিরের সভাপতি সাদিক কায়েমকে।

নয় দফার মেইন দফাটা, শেখ হাসিনাকে ক্ষমা চাইতে হবে, এই আইডিয়া দিয়েছিলেন এসএম ফরহাদ।

যতদূর জানি, আব্দুল কাদেরের নয়দফা ঘোষণার ভিডিও সংগ্রহ করা আর সার্কুলেট করার পেছনে ছিলেন আরেক শিবির নেতা, সিবগাতুল্লাহ সিবগা।

এই কাজগুলো কোনটাই এখন খুব গুরুত্বপূর্ণ কিছু মনে হচ্ছে না। একটা মিম দেখলাম যে চারজন বসে পেপার লিখতেছে। আর ক্রেডিট নিচ্ছে বাসার মালিক যিনি ওয়াইফাই দিয়েছিলেন।

খুবই হাসির মিম, সন্দেহ নাই।

এখনকার জন্য হাসির, বাট তখন কি পরিস্থিতি আসলেই হাসির মতো ছিলো?

বিপ্লব ব্যর্থ হলে কার কী হতো, সেইটা অন্য আলাপ। শুধু এইটুক জানি, তথ্যে প্রমাণে, সরকারের কাছে নয়দফার ঘোষণা কার নাম্বার থেকে দেওয়া হয়েছিল? সাদিক কায়েমের।

সাদিক জনগণের থেকে নিজের পরিচয় লুকাইছিলেন। বাট নিজের নাম্বার থেকে সব মিডিয়ার কাছে নিউজ পাঠাইতে কি অস্বীকৃতি জানাইছিলেন? না তো। তাইলে বিপ্লব ব্যর্থ হলে সাদিক কায়েমরা খুব নিরাপদে থাকতেন, এইটা বলার কারণ কী?

এই বিপ্লবের মোটা দাগে ৬ টা স্টেকহোল্ডার ছিলো।

নেতৃত্ব দিয়েছে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন।

জেলায় আর তৃণমূলে প্রচুর বিএনপি জামায়াতের লোকজন ছিলো। এরাই সাধারণ শিক্ষার্থীদের প্রটেকশন দিয়েছে।

ঢাকায় সমন্বয়কদের লজিস্টিক সাপোর্ট দিয়েছে শিবির।

প্রাইভেটের পোলাপাইন নজিরবিহীন সাহস নিয়ে বিদ্রোহ করে বসছিলো।

মাদ্রাসার পোলাপাইন, ইমাম, আলেমরা রাস্তায় ছিলো।

বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার অফিসগুলো এই সময় খুব এক্টিভ রোল প্লে করে। যেহেতু এই আন্দোলনে আমেরিকার একটা সমর্থন ছিলো।

এখানে কেউই আসলে স্বার্থের বাইরে কিছু করে নাই যে খুব মহান বলতে হবে। সবারই নিজ নিজ স্বার্থ ছিলো।

সবচে চিপায় ছিলো অবশ্যই সমন্বয়করা।

বিএনপি জামায়াত এই আন্দোলনে জয়েন করেছে নিজেদের জন্যই। ৫ আগস্টের আগের জাহান্নাম থেকে মুক্তির জন্য রাজনৈতিক কর্মীদের আর কোন উপায় ছিলো না।

শিবিরও তাই। এরাও লজিস্টিক সাপোর্ট দিয়েছে হাসিনা বিরোধী আন্দোলনের অংশ হিসেবে। কারো উপর দয়া বা মায়া থেকে না।

ইসলামপন্থীরা ছিলো গত ১৫ বছরের নির্যাতনের ভিক্টিম।

আন্তর্জাতিক সংস্থা আর সাংবাদিকদেরও নিজস্ব কিছু স্বার্থ ছিলো এই আন্দোলনে।

স্বার্থের বাইরে একমাত্র প্রাইভেট ইউনিভার্সিটির পোলাপাইন এই আন্দোলনে ছিলো। আন্দোলন শেষ, ওরা চলে গেছে। বাট সবাই প্রাইভেট ইউনিভার্সিটির পোলাপাইন না।

স্বাভাবিকভাবেই, শিবির বা ছাত্রদল তাদের নিজেদের ক্রেডিট ছাড়বে না। এইটা রাজনীতির অংশ। কেউই ছাড়ে না। মুক্তিযুদ্ধের অবদান কি আওয়ামীলীগ বিএনপি ছাড়ে?

ইভেন মুক্তিযুদ্ধের সময় দুই গ্লাস পানি খাওয়ানো মানুষটাও বলে যে আমি মুক্তিযুদ্ধের সময় পানি খাইয়েছি।

তখন ওখানে বলতে হয় না যে পানি তো ছিলোই। আপনি না খাওয়াইলে কি খাইতে পারতাম না?

এইটা ছোট মানুষের পরিচয়।

বরং বলতে হয়, যে ধন্যবাদ। আপনার পানি ঐ সময় আমার খুব উপকার করেছে।

এইটুক বললেই কিন্তু দুই জনই খুশি থাকে।

শিবিরের সাপোর্ট নিয়েও সেইম কথাটাই বলা উচিত ছিলো বৈষম্য বিরোধীদের। শিবিরের কেউই দাবি করে নাই যে এই আন্দোলনের মাস্টার মাইন্ড তারা। বরং তারা বারবারই বলতেছে যে লজিস্টিকস তারা দিয়েছে। সেইফ হাউজের ব্যবস্থা তারা করেছে। নাহিদ ভাইয়ের থাকার ব্যবস্থা করা হয়েছিলো ধানমন্ডির এক জামায়াত নেতার বাড়িতে। এই স্বীকৃতিটা ওরা চায়। দিয়ে দেন, সমস্যা কী?

লজিস্টিক সাপোর্ট এখন হাসি ঠাট্টা হতেই পারে। বাট তখনকার সিচুয়েশনটা মেলান তো? যখন মানুষ নিজেরর জন্য ওষুধ কিনতে যাইতে ভয় পাইসে, তখন এরাই তো আপনাদের লুকাইয়া থাকার ব্যবস্থা করে দিছে, আপনাদের কানেকশন করাইয়া দিতে ভূমিকা রাখছে, নয় দফা নিজের নাম্বার থেকে মিডিয়াতে পাঠাইসে। আর কেউ তো পাঠায় নাই, এরাই পাঠাইসে। এইটুক স্বীকার করতে এতো সমস্যা হচ্ছে কেন?

এইসব বিভাজনে লাভ আপনাদের হচ্ছেনা। কেন জানেন? কারণ এক মাঘে শীত যাবে না।

এক আন্দোলনে রাজনীতিও শেষ হয় না।

বরং অত্যন্ত কৌশলে আপনাদের ৬ স্টেক হোল্ডারকে আলাদা করা হচ্ছে, যাতে কেউ আর এক হতে না পারেন।

বিএনপি ক্ষমতায় যাওয়ার প্রিপারেশন নিতেছে।

প্রাইভেটের পোলাপাইন আর মাদ্রাসার পোলাপাইন চিটেড ফিল করে দূরে সরা শুরু করছে।

এখন শিবিরের সাথেও সম্পর্ক শেষ করলেন।

পরের আন্দোলনে আপনাকে কে সাপোর্ট দেবে?

পরের আন্দোলনেও আপনাদের ফোন লাগবে, এখন যতই হাসাহাসি করেন, তখন কেউ আগাবে না। কারণ ওদের মতো আন্ডারগ্রাউন্ড নেটওয়ার্ক আপনাদের নাই। হতে টাইম লাগবে ২০ বছর। এরপর কোন সমন্বয়ক কার বাসায় লুকাবেন?

এখন সহজ মনে হচ্ছে কারণ রাষ্ট্রের সবকিছুই আপনাদের কবজায়। আর কদিন পর থাকবে না। এখন যেই পুলিশ আপনাদের স্যার বলছে, সেই পুলিশ আর দুদিন পর আপনারে মা*** বলে ধরতে আসবে।

তখন আপনাদের এলাই কারা হবে?

কম করে উড়েন। মুজিবও ঠিক এই কাজ করছিলো। যুদ্ধে দেশ পাওয়ার পর কারো অভিমান এড্রেস করে নাই, সবাইকে দূরে ঠেলে দিয়েছিলো। ফলাফল? ১৫ আগস্ট হবে, সবাই জানতো। কেউ আগায় নাই।

নিজেদের ঐ পরিস্থিতিতে ফেইলেন না।

ফেসবুকের রোমান্টিসিজম আর মাঠের রাজনীতি এক না।

এলাই বানান যত পারেন, দূরে ঠেইলেন না। ওতে নিজেদের হিরোইজমে কম পড়লেও, অন্তত বিপদের সময় মাথায় ছাতা ধরার লোকজন অন্তত পাবেন।

10/02/2025

৫ আগস্ট, ২০২৪, এয়ারপোর্ট

গুঞ্জন ওঠে শেখ হাসিনা ভারতে পালিয়ে যাবার উদ্দেশ্যে এয়ারপোর্ট থেকে বিমানে উঠবেন। খবরটি বিদ্যুৎ গতিতে ছড়িয়ে পড়লে ছাত্র জনতা কুর্মিটোলা রোড, এয়ারপোর্ট, খিলগাঁও থেকে একদম উত্তরা পর্যন্ত প্রতিরোধ গড়ে তুলতে শুরু করে। এসময় এয়ারপোর্ট এরিয়ায় জনতার উপর মুহুর্মুহু গুলি ছুড়তে থাকে পুলিশ, এপিবিএন। ছত্রভঙ্গ হয়ে ছাত্র জনতা দিগ্বিদিক ছুটতে শুরু করে। এয়ারপোর্টের ৯ নম্বর গেটে অবস্থিত আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন) এর স্থায়ী ব্যারাক থেকে এপিবিএন সদস্যরা বের হয়ে ধাওয়া দিলে ছাত্র জনতা ৮ নম্বর গেটে RAB হেডকোয়ার্টারের দিকে সরে যেতে বাধ্য হয়। মাঝখানে পড়ে যাওয়া জনতার একদিকে র্যাব, আরেকদিকে এপিবিএন, অন্যদিকে রাস্তায় পুলিশ। এমতবস্থায় তারা ভীত সন্ত্রস্ত হয়ে পড়ে।

এসময় একজন RAB কর্মকর্তাকে পাঠানো হয় ছাত্র জনতাকে অভয় দিয়ে তাদেরকে কনভিন্স করে র্যাব হেডকোয়ার্টারের দিকে নিয়ে আসার জন্য।

নির্দেশ মোতাবেক ওই কর্মকর্তা অসংখ্য ছাত্র জনতাকে পুলিশের লাইভ এমিউনিশনের হাত থেকে বাঁচিয়ে হেডকোয়ার্টারের দিকে নিয়ে আসতে সক্ষম হন। এরপর ভীত, ক্লান্ত পরিশ্রান্ত জনতার জন্য শুকনো খাবার হিসেবে এক প্যাকেট বিস্কিট, একটি মিষ্টি এবং একটি মিনারেল ওয়াটারের বোতল দেওয়া হয়। ভিডিওতে আপনারা দেখতে পাবেন, আইল্যান্ডের উপর বসে সবাই খাবার খাচ্ছেন। অতঃপর তাদের সবাইকেই সেফ এক্সিট দেওয়া হয়।

সেদিন RAB এর উক্ত কর্মকর্তারা ব্যাকফায়ার করলে বা নিউট্রাল পজিশন নিলেও মিনিমাম ৪০-৫০ জন স্পট ডেড হয়ে যেত। কিন্তু RAB এর ওই ইউনিট সরাসরি ছাত্র জনতাকে সাহায্য করেন।

এখন প্রশ্ন হলো, RAB কে আমরা হেলিকপ্টারে করে ফায়ার করতে দেখেছি। তাহলে তাদেরই অফিসাররা কেনো এয়ারপোর্টে ছাত্র জনতাকে সেফ এক্সিট দিলো.?

মূলত আন্দোলনের শুরু থেকেই RAB হেডকোয়ার্টার দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে পড়ে। একটি গ্রূপ সরাসরি ছাত্র জনতার পক্ষে অবস্থান না নিলেও ছাত্রদের ওপর গুলি চালাতে অপারগতা জানায়; অন্য একটি গ্রূপ সরাসরি রুলিং গভর্মেন্টের প্রতি আনুগত্য প্রকাশ করে বিভিন্ন জায়গায় ছাত্র জনতার উপর ম্যাসা কার চালায়।

ছাত্রদের আন্দোলন যখন একরকম নিশ্চিত বার্তা দেয় যে আওয়ামীলীগ আর থাকছে না, তখন RAB এর ওই ইউনিট সরাসরি ছাত্র জনতার পক্ষ অবলম্বন করে এবং যে গ্রূপটি ছাত্র হ ত্যা য় মেতে উঠেছিল, তাদের এগেইনস্টে ছাত্রদের টেকনিক্যালি হেল্প করে।

ভিডিওতে RAB এর এমন একজন অফিসার (এডিসি) আছেন, যিনি র্যাব এর আওয়ামীপন্থী অফিসারদের ব্যাপারে ছাত্রদের সফিস্টিকেটেড ইনফরমেশন দিয়ে সাহায্য করেছেন। প্রটেস্টরদের জন্য ম্যাপ তৈরি, লাইভ এমিউনিশনের এগেইনস্টে টেক্টিক্যাল মুভ কেমন হওয়া উচিত― এসব তথ্য উপাত্ত দিয়েও সাহায্য করেছেন।

আল্লাহ তায়ালা পবিত্র কোরআনে বলেন “যে ব্যক্তি একজন নিরপরাধ মানুষকে হত্যা করল সে যেন পুরো পৃথিবীকে হত্যা করল, আর যে ব্যক্তি একজন নিরপরাধ মানুষকে বাঁচিয়ে দিল সে যেন পুরো পৃথিবীকে হত্যার হাত থেকে বাঁচিয়ে দিল” (সুরা মায়েদাহ, আয়াত : ৩২)

একটা বাহিনীর সবাই ভাল বা সবাই মন্দ হয়না। ভাল মন্দ মিলিয়েই হয়। কিন্তু আমাদের এই আন্দোলনে যে অফিসার একজন নিরপরাধ মানুষের সাহায্যার্থে ছোট্ট একটি তথ্য দিয়েও সহায়তা করেছে, আমরা তাদেরকে আন্দোলনের স্টেকহোল্ডার মনে করি। আমরা তাদের প্রতি কৃতজ্ঞ।

বি.দ্র: ভিডিওটি কনফিডেন্সিয়াল হওয়ার দরুন সব অফিসারের ফেস ব্ল্যার করে দেওয়া হয়েছে এবং বিগত সাত মাসে এই ভিডিওটি কোথাও প্রকাশিত হয়নি। সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষের অনুমতি সাপেক্ষই আজ প্রথম প্রকাশ করা হলো।

Rahman

28/04/2023

World Cup Champion

Address

Noyasorok Manikpir Road
Sylhet
3100

Opening Hours

Monday 10:00 - 20:00
Tuesday 10:00 - 20:00
Wednesday 10:00 - 20:00
Thursday 10:00 - 20:00
Friday 10:00 - 20:00
Saturday 10:00 - 20:00
Sunday 10:00 - 20:00

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when New Chameli Event Managment posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share