15/08/2014
***এ শোক
জাতি ভুলবে কি করে***
অত্যন্ত কাকতালীয়
ভাবে বাঙ্গালী ও
বাংলাদেশীদের
জীবনে আগষ্ট শুধুমাত্র
শোক ও দুঃখের মাসই নয়
বরং ঘুটঘুটে অন্ধকারে নিমজ্জিত
হওয়ার অভিশপ্ত ও
কলংকজনক মাসও বটে।
কখনও দুর্ঘটনা আবার কখনও
বা ঘাতকদের নৃশংসতায়
এদেশের
নক্ষত্ররাজি ঝরে পড়েছে বাংলার
মাটিতে। ১৯০৮ সালের
১১ই আগস্ট ব্রিটিশ
ঘাতকেরা হত্যা করেছিলো কিশোর
বিপ্লবী ক্ষুদিরাম বসুকে।
খ্যাতিমান চলচ্চিত্র
নির্মাতা তারেক মাসুদ
ও এটিএন নিউজের
সাবেক প্রধান
নির্বাহী ও প্রধান
সম্পাদক মিশুক মুনীর
মানিকগঞ্জে এক
মর্মান্তিক সড়ক দূর্ঘটনায়
প্রাণ হারান ২০১১ সালের
১৩ই আগস্টে।
তবে সর্বনাশা আগস্টের
সবচেয়ে ভয়াল, নৃশংস,
বর্বর, অভিশপ্ত ও ঘৃণিত
হয়েছিল আজকের এই
দিনে। ১৯৭৫ সালের ১৫ই
আগস্ট
জাতি হারিয়েছিলো নক্ষত্ররাজির
শ্রেষ্ঠ নক্ষত্র জাতির জনক
শেখ মুজিবুর রহমান কে। চরম
ও চুড়ান্ত বেঈমানীর
কি নিষ্ঠুর ও বর্বর
সে ইতিহাস। ১৯৭৫
সালের ১৫ই আগস্ট দেশের
শ্রেষ্ঠ রাজনৈতিক
নেতা, বীর, মহানায়ক,
প্রধানমন্ত্রী/রাষ্ট্রপতি,
দেশের বৃহত্তম
রাজনৈতিক দলের প্রধান,
এক কথায় বাংলার জনক
শেখ মুজিবুর রহমান
কে নৃশংস ও
নির্মমভাবে হত্যা করেছিলো এদেশেরই
কিছু বেঈমান ও খুনিরা। শুধু
কি তাই কুলাঙ্গার
হায়েনারা শেখ
রাসেলের মতো মাসুম ও
নিস্পাপ বাচ্চা কেও
হত্যা করেছিলো শুধুমাত্র
জাতির জনকের
রক্তকে এদেশের
মাটি থেকে চিরতরে মুছে ফেলার
ঘৃণ্য ষড়যন্ত্রে। কিন্তু
মুসলমান হয়েও ওই
কুলাঙ্গারেরা ভুলে গিয়েছিলো মহান
আল্লাহর ক্ষমতা কে।
হায়েনাদের শত ষড়যন্ত্র ও
বর্বর হত্যাকাণ্ডও
মুছে দিতে পারেনি জাতির
জনকের রক্তকে। আল্লাহর
কৃপায় জাতির পিতার
সুযোগ্য কন্যা আজ
এদেশের
জননেত্রী এবং প্রধানমন্ত্রী।
তার সুযোগ্য কন্যা শেখ
হাসিনার নেতৃত্বে ও
সুশাসনে বাংলাদেশ
আজ সত্যিকারের
ডিজিটাল
রাস্ট্রে রূপান্তরিত হচ্ছে।
জাতির জনকের
খুনি বেঈমান
রা হয়তো জানতোই
না যে,
ব্যাক্তিকে হত্যা করা যায়
কিন্তু কোন
রাস্ট্রকে কখনও
হত্যা করা যায় না। শেখ
মুজিবুর রহমান তো শুধুমাত্র
একজন ব্যাক্তি ছিলেন
না বরং তিনি ছিলেন
একটি দেশের প্রাণ।
তিনি ছিলেন এ জাতির
বন্ধু, সঙ্গী ও পথপ্রদর্শক। অথচ
এই মহান নেতার লাশ
রক্তাক্ত অবস্থায়
পড়ে ছিলো সিড়িতে ওই
পিশাচ হায়েনাদের বর্বর
হামলার স্বীকার হয়ে।
যে মহান ব্যাক্তির
কারনে এ দেশটা আজ
স্বাধীন সেই ব্যাক্তির
এমন নৃশংস ও নির্মম হত্যার
শোক
জাতি ভুলবে কি করে?
তাই এ শোক কোনভাবেই
ভোলা সম্ভব নয়
বাঙ্গালী জাতির
পক্ষে।
ফজলে এলাহী
সাংবাদিক ও
মিডিয়া কর্মী।
+880 1675982979
আর্ট ক্রেডিট : সাইদুল
ইসলাম।