Khan Internment & Event Management

Khan Internment & Event Management Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Khan Internment & Event Management, Wedding planning service, Station Road, Alomnogor, Rangpur, Rangpur.

14/02/2022
সালাতুল তাসবীহ্ নামাজের ফযীলতঃ মুসলমানদের স্বীকৃতিস্বরূপ এই নামাজটা জীবনে অত্যন্ত একবার পড়তে হয়। এই তাসবীহ্ নামাজের ফয...
09/04/2020

সালাতুল তাসবীহ্ নামাজের ফযীলতঃ মুসলমানদের স্বীকৃতিস্বরূপ এই নামাজটা জীবনে অত্যন্ত একবার পড়তে হয়। এই তাসবীহ্ নামাজের ফযীলত অসীম।

একদিন আমাদের প্রিয় নবী করীম (সাঃ) এর চাচা হজরত আব্বাস রাঃ কে বলেনঃ-চাচাজান,আমি কি আপনাকে এমন একটি কাজের সন্ধান বলে দিবো যাহা পালন করিলে আল্লাহ্‌ তালা আপনার ৪০ বৎসরের পূর্বের এবং ৪০ বৎসরের পরের,নতুন এবং পুরাতন, ইচ্ছাকৃত এবং অনিচ্ছাকৃত, প্রকাশ্য এবং গোপনীয়, ছগীরা এবং কবীরা সমস্ত গুনাহ মাফ করে দিবেন।
আর সে কাজটি হলো এই যে,
আপনি ৪ রাকাত সালাতুল তাসবীহ্ নামাজ পড়বেন এবং প্রত্যেক রাকাতে সূরা ফাতিহার পর অন্য যে কোনো একটি সূরা পড়ে দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায়ই এই তাসবীহ্ ( "ছুবানাল্লাহি ওয়ালহামদুলিল্লাহি ওয়ালা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াল্লাহু আকবার " ) এই তাসবীহটি ১৫ বার পড়বেন।তার পরে রুকুতে যাবেন এবং রুকুতে থেকে এই তাসবীহ ১০ বার পড়বেন।তারপর রুকু হতে দাঁড়িয়ে এই তাসবীহ আবার ১০ বার পড়বেন।তার পর সিজদাহ্ এয় যাবেন এবং সিজদাহ্ অবস্থায় আরও ১০ বার পড়িবেন।আবার প্রত্যেক সিজদাহ্ থেকে মাথা উঠে বসা অবস্থায় আরও ১০ বার পড়বেন।
এভাবে প্রতি রাকাতে এই তাসবীহ ৭৫ বার পড়া হবে এবং রাকাত নামাজে ৪০০ বার এই তাসবীহ্ পড়তে হবে।

সম্ভব হলে প্রতিদিন একবার এ নামাজ পড়বেন,যদি তা না হয় তবে প্রত্যেক জুম্মার দিনে একবার পড়বেন।তা না হলে মাসে একবার পড়বেন,তা না হলে বছরে একবার পড়বেন।এটাও যদি সম্ভব না হয় তবে সারাজীবনের মধ্যে একবার পড়বেন। মুসলমানদের স্বীকৃতিস্বরূপ এই নামাজটা জীবনে অত্যন্ত একবার পড়তে হয়। (তিরমিজী,ইবনে মাজা)

29/03/2020

#করোনা নিয়ে দুশ্চিন্তায় আছেন.?? তাহলে লিখাটা পড়েই দেখুন।

যেদিন নবিজী সাল্লাললাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আবু বাকার রাদিয়াল্লাহু আনহুকে সাথে নিয়ে মক্কা ত্যাগ করেন, যে ঊষালগ্নে, সেদিন তারা দুজনে একটা গুহার মধ্যে আশ্রয় নিয়েছিলেন। পেছন থেকে শত্রু যখন একেবারে নাকের ডগায় চলে এলো, একেবারে গুহার মুখে, তখন ক্ষণিকের জন্য ভয় পেয়ে যান আবু বকর রাদিয়াল্লাহু আনহু। তিনি বললেন, ‘ইয়া রাসুলাল্লাহ! এই বুঝি তারা আমাদের দেখে ফেললো’। তখন নবিজী সাল্লাললাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রতিউত্তরে যা বলেছিলেন, তা কুরআনে স্থান পেয়ে গেছে। তিনি বলেছিলেন, ‘হতাশ হয়োনা। নিশ্চয় আল্লাহ আমাদের সাথে আছেন’।

নবিজীর ওপর ঘনিয়ে এসেছিলো এক ঘোরতর বিপদ। মক্কার মুশরিকেরা তাকে হত্যা করার পাঁয়তারা করছিলো। তখন, আল্লাহর নির্দেশে নবিজী এই বিপদ এড়াতে মক্কা ছেড়ে মদীনা অভিমুখে রওনা করেন। দেখুন, বিপদ থেকে বাঁচার জন্য নবিজী সাল্লাললাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কি কোন তাওয়াক্কুল ছিলোনা? তিনি কি ভেবেছেন, ‘আরে! আল্লাহ বাঁচালে আমাকে মক্কাতেই বাঁচাবেন। মারলে মক্কাতেই মারবেন। আমি মক্কা ছাড়বো কেনো?’

আর, আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া’তায়ালাও কি তাকে দিয়ে এমনটা করিয়েছেন? না। তিনি বরং নবিজীকে মক্কা ছেড়ে চলে যেতে বললেন। নবিজীর তো তাকওয়ার কোন ঘাটতি ছিলোনা। তাওয়াক্কুলের কোন কমতি ছিলোনা। এমন ধারণা করাই পাপ হবে। তাহলে কেনো তাকে সেদিন মক্কা ছাড়তে হলো? অবশ্যই সতর্কতার অংশ হিশেবে। শত্রুর চোখ এড়াতে কেনো তাকে গুহার মধ্যে আশ্রয় নিতে হলো? আল্লাহ তো চাইলে তাকে এমনিই বাঁচিয়ে দিতে পারতেন। এটাও সতর্কতা। আর, এই সতর্কতা কখনোই তাওয়াক্কুল পরিপন্থী নয়।

মুসা আলাইহিস সালামের কথাই ধরুন। পেছনে ফেরাউনের বিশাল সৈন্যবহর, আর সামনে কূল-কিনারাহীন লোহিত সাগর। এমতাবস্থায় ঘাবড়ে গেলো মূসা আলাইহিস সালামের সঙ্গীরা। ভাবলো, ‘এই বুঝি তারা আমাদের ধরে ফেললো’। তখন মুসা আলাইহিস সালাম শোনালেন অভয় বাণী। বললেন, ‘আল্লাহ সাথে আছেন’।

এমন মুহূর্তে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া’তায়ালা মুসা আলাইহিস সালামকে কি করতে বললেন? তিনি মুসা আলাইহিস সালামকে বললেন তার লাঠি দিয়ে পানিতে আঘাত করতে। মুসা আলাইহিস সালাম তা-ই করলেন, আর সাথে সাথে সমুদ্র দুভাগ হয়ে, তাতে তৈরি হয়ে গেলো একটি শুষ্ক রাস্তা। আচ্ছা, কেনোই বা মুসা আলাইহিস সালামকে লাঠি দিয়ে পানিতে আঘাত করতে হলো? আল্লাহ কি চাইলে এমনিতেই রাস্তা তৈরি করে দিতে পারেন না? কিন্তু না, আল্লাহ চান বান্দা যেন তার চেষ্টাটুকু করে। বাকিটা আল্লাহর হাতে।

নূহ আলাইহিস সালামের কথা স্মরণ করুন। যখন তার জাতি একেবারে অবাধ্য, উচ্ছৃঙ্খল হয়ে উঠলো, যখন তাদের ওপর আল্লাহর আযাব অত্যাসন্ন হয়ে আসলো, তখন আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া’তায়ালা নূহ আলাইহিস সালামকে বললেন একটা নৌকা তৈরি করে নিতে। তার জাতির ওপরে যে ভয়ঙ্কর বন্যা আপতিত হবে, তা থেকে বাঁচার জন্যে তারা যেন সেই নৌকায় উঠে পড়ে।

খেয়াল করুন, আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া’তায়ালা কি চাইলে নূহ আলাইহিস সালামকে নৌকা বানানো ব্যতীতই সেই বন্যার হাত থেকে বাঁচাতে পারতেন না? অবশ্যই পারতেন। কিন্তু, তিনি কেনো তাহলে নুহ আলাইহিস সালামকে নৌকা তৈরির আদেশ করেছিলেন? ওই যে, আল্লাহ চান বান্দা যেন তার নিজের চেষ্টাটুকু করে। সে যদি আন্তরিক হয়ে নিজের কাজটুকু করে ফেলে, সেটাকে সম্পূর্ণতা আল্লাহ দিয়ে দেন।

মারঈয়াম আলাইহাস সালামের কথা স্মরণ করা যায় এখানে। ঈসা আলাহিস সালামকে গর্ভে ধারণ করার পরে যখন তার প্রসববেদনা শুরু হয়, সেদিন আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া’তায়ালা তাকে একটা খেঁজুর গাছের ডাল ধরে নাড়া দিতে বলেছিলো। ডাল ধরে নাড়া দিলে খেঁজুর ঝরে পড়বে এবং ওই খেঁজুর তিনি খেতে পারবেন।

দেখুন, আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া’তায়ালা হুকুম করলে গাছ থেকে খেঁজুর কি এমনিই ঝরে পড়তো না মারঈইয়াম আলাইহাস সালামের জন্য? অবশ্যই পড়তো। কিন্তু তিনি তা না করে, মারঈয়াম আলাইহাস সালামকে ওই অবস্থায়, যখন তিনি প্রসববেদনায় কাতর, তখন বললেন গাছের ডাল ধরে নাড়া দিতে। কেনো বলেছিলেন? আগেই বলেছি, আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া’তায়ালা চান বান্দা যেন তার নিজের দায়িত্বটুকু, নিজের চেষ্টাটুকু করে, আর বাকিটা আল্লাহর ওপর সোপর্দ করে দেয়।

আজকে, আমাদের সামনে এসেছে এক ভয়াবহ দুঃসময়। আমরা অবলোকন করছি একটি ভয়ঙ্কর মহামারী কাল। এই দুঃসময় কাটাতে হলে, আমাদের অবশ্যই অবশ্যই আমাদের দায়িত্বটুকু পালন করতে হবে। আমরা যদি আমাদের দায়িত্বটুকু পালন করি, আশা করা যায়, ইন শা আল্লাহ, আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া’তায়ালা এই বিপদ থেকে উত্তরণের পথ আমাদের জন্য সহজ করে দেবেন।

‘এতো সতর্ক হয়ে কি হবে? আল্লাহ আমাকে বাঁচিয়ে দেবেন। আর মরণ থাকলে তো মরতে হবেই’- এই জাতীয় কথাবার্তা যারা বলছেন, তাদের আমি অনুরোধ করবো নবিজী সাল্লাললাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ঘটনাটা আরেকবার পড়ার জন্যে। তাকে হত্যার চক্রান্ত হচ্ছে জানতে পেরে তিনি মক্কা ত্যাগ করেছেন। শত্রুর চোখ এড়াতে তিনি গুহার ভিতরে আশ্রয় নিয়েছিলেন।

বিপদের মুখে তিনি, ‘আরে, আল্লাহ বাঁচিয়ে দেবে’ বলে গা ছাড়া ভাব দেখাননি। বরং, বিপদ এড়াতে নিজের যেটুক করা দরকার, তার সবটুকু করেছেন। সাথে রেখেছেন আল্লাহর ওপর অগাধ তাওয়াক্কুল। এটাই তো নববী পদ্ধতি। তাহলে, আমরা কিভাবে এতো উদাসীন হচ্ছি? এতো অসতর্ক থাকছি? ভাবুন তো, এটা কি সত্যিই তাওয়াক্কুলের অংশ কিনা? ঈমানের জজবা কিনা?

মুসা আলাইহিস সালাম নিজের চেষ্টা করেননি? নূহ আলাইহিস সালাম নিজের চেষ্টা করেননি? মারঈয়াম আলাইহিস সালাম প্রসববেদনা নিয়ে নিজের চেষ্টা বাদ রেখেছিলেন? না। তাহলে, কোন ঈমানের বলে, কোন তাওয়াক্কুলের বলে আমরা এমন গা ছাড়া ভাব দেখাচ্ছি আর বলছি- ‘আরে, আমার কিচ্ছু হবেনা?’

নবিজীর একটা হাদিস থেকে আমরা জেনেছি, মহামারীতে কোন ঈমানদার ব্যক্তি মারা গেলে তিনি শহিদের মর্যাদা পাবেন। নিঃসন্দেহে খুব ভালো মর্যাদা। কিন্তু, এই হাদিস টেনে যারা বলছেন, ‘আরে, মরলে তো শহিদ হবো। তাহলে এতো ভয় কিসের? শহিদ হওয়ার সাধ নেই মনে?’

সত্যি? মহামারীতে মরলে শহিদ হবেন- এজন্যে আপনি মহামারীকে পাত্তা দিতে চাইছেন না? শহিদ হওয়ার জন্যে? তাহলে, নবিজী সাল্লাললাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যে বলেছেন, মহামারী আক্রান্ত এলাকায় বাইরে থেকে যেন কেউ না ঢুকে, ভিতরের কেউ যেন বাইরে না যায়’- এই হাদিসটাকে আপনি কিভাবে ব্যাখ্যা করবেন? শহিদ হওয়া এতো সহজ হলে তো তিনি উৎসাহ দিতেন বেশি করে মহামারী এলাকায় ঢুকার জন্যে। আর, সেদিন যে ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহু এতোগুলো সাহাবিদের নিয়ে মহামারী আক্রান্ত এলাকায় না ঢুকে চলে এসেছিলেন, তাহলে তারা কি শহিদ হয়ে যাওয়ার সুযোগটা হারিয়েছেন? লুপে নেননি? আসলে, আপনি কি শহিদ হতে চাচ্ছেন না আত্মহত্যা করতে চাচ্ছেন, তা আরেকবার ভেবে দেখবেন কি?

হাদিস থেকে জানা যায়, আগুনে পুড়ে মরলেও শহিদ, আর পানিতে ডুবে মরলেও শহিদ। এমনকি, পেটের রোগে অসুস্থ হয়ে মারা গেলেও শহিদের মর্যাদা পাওয়া যাবে। তো, ভাইজানেরা, আপনার বাসায় আগুন লাগলে শহিদ হওয়ার জন্য আপনি কি বাসার মধ্যে বসে থাকবেন? আপনার লঞ্চ ডুবতে থাকলে আপনি কি সাঁতরাবেন না? নিজ থেকেই পানিতে গা এলিয়ে দেবেন? কিংবা, পেটের অসুখে ধরলে ডাক্তারের কাছেও যাবেন না?

ওই যে, যা বলছিলাম, এই মহামারী থেকে বাঁচতে আমাদের সম্মিলিতভাবে চেষ্টা করতে হবে। আল্লাহ বলেছেন, ‘তিনি ওই জাতির ভাগ্য পরিবর্তন করেন না, যে জাতি নিজেদের ভাগ্য পরিবর্তন না করে’। আপনি আর আমি যদি চেষ্টাই না করি, ভাগ্যটা পরিবর্তন হবে কি করে? আমাদের চেষ্টাটুকু তো করতে হবে, এরপর অপেক্ষা করতে হবে আল্লাহর ফয়সালার জন্যে। চেষ্টা করার পরেও এই মহামারীতে যদি আমাদের মৃত্যু হয়, তখন আমরা শহিদের মর্যাদা লাভ করবো ইন শা আল্লাহ। কিন্তু বিনা চেষ্টায় যদি শহিদ হওয়ার জন্যে হাত-পা ছেড়ে বসে থাকি, তা আত্মহত্যা ছাড়া আর কিছুই হবেনা।

তাহলে, চেষ্টা কিভাবে করবো?

বিশেষজ্ঞরা আমাদের যা জানাচ্ছেন তা-ই করতে হবে। যতোটা সম্ভব একা একা থাকতে হবে। বেশি মানুষ একত্র হয়, এমন স্থানে কোনোভাবেই যাওয়া যাবেনা। সম্ভব হলে, ঘরে বন্দী হয়ে যেতে হবে। পরিবারের সবাইকে নিয়ে। বাইরে বেরুতে হলে, অবশ্যই মাস্ক, প্রয়োজনে হ্যান্ড গ্লাভস পরতে হবে। বিদেশ থেকে এসেছে, এমন কারো সংস্পর্শে যাওয়া যাবেনা।

বেশি বেশি হাত ধুতে হবে। হাত না ধুয়ে নাক-মুখ-চোখ স্পর্শ করা যাবেনা কোনোভাবেই। পুষ্টিকর খাবার-দাবার খেতে হবে যাতে শরীরের ইমিউন সিস্টেম ভালো থাকে। একটা পরিবার সতর্ক থাকা মানে একটা পরিবার নিরাপদ থাকা। এভাবে, ব্যক্তিগতভাবে যদি আমরা সতর্ক হই, কতোগুলো পরিবার নিরাপদ হতে পারি, তা কি ভেবেছেন?

আপনার উদ্যোগগুলোকে ছোট ভাববেন না। এই সময়ে, আপনার এই উদ্যোগ দিনশেষে বিশাল প্রতিফল হয়ে ফিরে আসবে, ইন শা আল্লাহ। তাওবা-ইস্তিগফারে বেশি বেশি সময় দিবেন। মোনাজাতে সবার জন্য দুয়া করবেন। মনে রাখবেন, আপনি অন্যের নিরাপত্তা চেয়ে যখন দুয়া করেন, ফেরেশতারা তখন ওই একই দুয়া আপনার জন্যে করে। এই বিপদ হোক আমাদের জন্য আল্লাহর দিকে ফিরে আসার এক অনন্য সুযোগ।

In the time of CORONA, ‘United we fall. Divided we stand’

Stay at home, stay safe.

এমন জীবণ করিবে গঠন,মরে গেলে হাসিবে তুমি কাঁদিবে ভূবণ। কিংবন্তীকে এক নজর দেখতে জনতার উপচে পড়া ভিড়।
12/03/2020

এমন জীবণ করিবে গঠন,মরে গেলে হাসিবে তুমি কাঁদিবে ভূবণ। কিংবন্তীকে এক নজর দেখতে জনতার উপচে পড়া ভিড়।

কৃতীমানের মৃত্যু নেই,বিদায় হে কিংবন্তী আলহাজ্ব রহিম উদ্দিন ভরসা.....আপডেটঃকখন কোথায় জানাজাআগামীকাল ১২ মার্চ বৃহঃস্পতিবার...
12/03/2020

কৃতীমানের মৃত্যু নেই,বিদায় হে কিংবন্তী আলহাজ্ব রহিম উদ্দিন ভরসা.....

আপডেটঃকখন কোথায় জানাজা

আগামীকাল ১২ মার্চ বৃহঃস্পতিবার সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজা,গুলশানের বাস ভবন,নয়া পল্টন বিএনপি অফিস।

শুক্রবার সকালে হেলিকেপ্টার যোগে তাঁর মরদেহ রংপুরের হারাগাছে তার বাসভবনে আনা হবে।
১৩ মার্চ শুক্রবার বাদ আসর হারাগাছ হাইস্কুলে মাঠে মরহুম রহিম উদ্দীন ভরসার জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হবে এবং পারিবারিক করবস্থানে সমাহিত করা হবে।

১৯৭১ এর ১৬ ই ডিসেম্বর,আর সব দিনের মতই প্রথম প্রহরে সূর্য উঠেছিল পূর্ব আকাশে শীতের কুয়াশার চাদর ভেদ করে । কিন্তু সেই সূর্...
16/12/2019

১৯৭১ এর ১৬ ই ডিসেম্বর,আর সব দিনের মতই প্রথম প্রহরে সূর্য উঠেছিল পূর্ব আকাশে শীতের কুয়াশার চাদর ভেদ করে । কিন্তু সেই সূর্য সেদিন ছিল একেবারেই নতুন একটি জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করে তোলার প্রতিচ্ছবি । উদয় হল পৃথিবীর মানচিত্রে একটি স্বাধীন দেশের উমোচন, বাঙালি জাতির বিজয় ।

৩০ লক্ষ্য শহীদের জ্বলন্ত রক্তের বিনিময়ে অর্জিত স্বাধীনতা। পবিত্র করা হয়েছে হাজার বছর ধরে শোষিত বাংলার জমিন আমাদের বাংলাদেশ, যে মাটি কলঙ্কিত ছিল কখনো আর্যরা, কখনো তুর্কি, কখনো মোঘলেরা, কখনো পর্তুগীজ দস্যুরা, কখনো ইউরোপীয় বনিক গোষ্ঠী ব্যবসার নামে এসে শোষণ, কখনো বিট্রিশরা শোষণ করেছে বাংলা ও বাঙালীকে । ১৯৪৭ এ ব্রিটিশরা ভারত বর্ষ ছেড়ে চলে যাবার পরে শুরু হয় বর্বর জাতি পাকিস্থানীদের শাষন ও শোষণ । শুরু হলো বাংলার মাটিতে বাঙালি জাতির উপরে নিপেরণ, নিহরন, অমানুষিক অত্যাচার। শুরু হলো ৭১ এর নির্যাতীত বাঙালির জাতির আন্দোলন, রাজপথ হলো সংগ্রামের উচ্চ ধ্বনিতে সিহর। সংগ্রাম রুখতে শুরু করলো নিকৃষ্ট পাকিস্তান নির্মম হত্যার পরিহাস এই বাঙলার জমিনে , উদয় হলো বাঙালির প্রাণের স্বাধীনতা অর্জনের সশস্ত্র সংগ্রাম, সমগ্র বাংলার মাটিতে একতা। বাঙালির প্রাণের বিনিময়ে পরাজিত হতে থাকে কালো নরপিচাশ এর পাকহানাদার বাহিনী। ৭১ রের ডিসেম্বর অর্জিত হয় বাঙালির মহান বিজয়।

আজ পার হইয়ে গেলো অনেকটা সময় । ১৯৭১ থেকে আজ ২০১৯। ৪৮ বছর পূর্তি হতে যাচ্ছে স্বাধীনতার। কিন্তু বাংলার মাটি এখনো কলঙ্কিত যুদ্ধপরাধীদের দ্বারা, দুর্নীতির দ্বারা, নেয় বিচারের অভাব দ্বারা, সুশাসনের অভাব দ্বারা, বাংলার সংস্কৃতি ধংশকারী দ্বারা। এখনো হয়নি এই বাঙলার মাটি প্রবিত্র, স্বাধীনতা বিরোধীরারা এখনো রয়েগেছেন ছদ্মবেশী হয়ে সকল অনৈতিক কার্যক্রমের অন্তরালে । এরা এখনো চালাচ্ছে বাংলার খেটে খাওয়া সাধারণ মানুষের উপর শোষণ, করছে বাংলার মাটিকে ক্ষুণ্ণ।

আজ আমারা ভুলে গেছি শহীদের আত্মত্যাগের কথা। আজ আমরা ভুলে গেছি ৭১ এর মা বোনের বিসর্জনের কথা। আজ আমরা দেশের নীতিকে করেছি দুর্নীতিতে রূপান্তর। বিসর্জন দিয়ে সুশিক্ষা , করেছি অর্জন অশিক্ষা। আমরা ভুলে গেছি, স্কুল জীবনের সপথ পাঠ। সরকারী কর্মস্থল হয়েছে দুর্নীতির পরায়ন।

"মাতৃভূমি তুমি ক্ষমা করো আমায়
অর্জিত স্বাধীনতাকে আমি করেছি ক্ষত!
মাতৃভূমি তুমি ক্ষমা করো আমায়
এই ব্যার্থ জীবনের বিনিময়।
তুমি ক্ষমা করো আমায় ,হে মোর স্বাধীনভূমি।"

Address

Station Road, Alomnogor, Rangpur
Rangpur

Telephone

01713110430

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Khan Internment & Event Management posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share