চারু

চারু This page is about entertaining people. Just highlight the good side of you, be honest, be nice, be lively and tell them what is interesting about you.

If you want to marry someone, you have to describe yourself being who you are not just a good words to make it look good for other people, you have to be honest and tell them the real you, what do you like, what are the things the you want to do, things that interest you, things you don’t like, you have to be honest about your character and attitude. What is it that you have that you think others don’t. so we can't do anything

31/07/2022

#চারু
চারু ও কারু দুটি ভিন্ন প্রকৃতির শিল্প। রঙতুলির সাহায্যে নির্মিত চিত্রকলা ও সুই সুতার সাহায্যে নির্মিত সূচিশিল্প চারুশিল্পের অন্তর্গত; আর মৃৎশিল্প, দারুশিল্প, বস্ত্রশিল্প, বাঁশ-বেত-শোলা-শঙ্খ-দন্ত নির্মিত বিবিধ হস্তশিল্প এবং সোনা-রূপা-পিতল নির্মিত ধাতবশিল্প কারুশিল্পের অন্তর্গত। তবে কতক লোকশিল্প আছে যেগুলিকে এভাবে বিভাজন করা যায় না, যেমন: সখের হাঁড়ি, মনসাঘট, লক্ষ্মীর সরা এগুলি একাধারে চারু ও কারুশিল্পের নিদর্শন বহন করে। মাটির তৈরী সাধারণ হাঁড়ির গায়ে রঙতুলি দিয়ে মাছ, পাতা কিংবা রেখাদির চিত্র অঙ্কিত হলে তখন তাকে সখের হাঁড়ি বলে। নকশি পাটি বুননশিল্প; এতে রঙ-বেরঙের বেত দিয়ে বুনন কৌশলে গাছ, পাখি, মসজিদ ইত্যাদির ছবি ফুটিয়ে তোলা হয়। এ কারণে নকশি পাটিও চারু ও কারুশিল্পের সমন্বিত নিদর্শনরূপে গণ্য হয়।

09/01/2021
08/10/2020

কিছুদিন আগে একটা ঘটনা আমার লেখকসত্বাকে খুব করে জাগিয়ে তুলেছে৷

কোনোভাবেই মাথা থেকে নামাতে পারছি না।

প্রকাশক হওয়ার পরে প্রথমত চিন্তা আসে আমি যদি নিজের বই বের করি তাহলে এতদিনের বিরতির পর হয়তো আগের ছন্দে বই সেরকম বিক্রি না-ও হতে পারে। বরং সেই টাকা অন্যের বইয়ে খরচ করলে মনকে কিছুটা হলেও স্বান্তনা দেয়া যায় যে হয়তো বিক্রি হতেও পারে। কিংবা এই বই প্রকাশের খরচের টাকা দিয়ে মাস খানেক হলেও কোনোভাবে ওষুধের খরচ জোগানো যাবে।

এইসব সাতপাঁচ ভেবে ভেবে অসংখ্য প্লট ভেবেও আর সেটায় হাত দেয়া হয় না।

অন্যের বই যখন তাই প্রকাশ করতে যাই, তখন মনে হয় যেনো এই লেখাগুলো আমারই লেখা কোনো সৃষ্টি। সেজন্য হাল না ছেড়ে অবিরাম তাগাদা দিয়ে যাই অন্যের থেকে লেখা বের করতে আর লেখা হয়ে গেলে সেগুলোকে নিজের বইয়ের মতোই যত্ন নিয়ে কাজ করতে ব্যস্ত হয়ে পড়ি।

কিন্তু একটা ব্রেক থ্রুর দরকার আছে।

জানি না আগের মতো মনোযোগ দিয়ে লেখতে পারবো কি না প্রকাশনার এতগুলো অসম্পূর্ণ বইয়ের কাজের ভীড়ে; তবুও গত কয়েকদিন আগে নিজ চোখে দেখা গা শিউরে ওঠা চোখে পানি চলে আসা চাক্ষুস ঘটনার স্মৃতি আমাকে; আমার লেখকসত্বাকে খুব করে আঘাত করছে।

এই মানসিক চাপ সইবার ক্ষমতা খুব একটা নেই।

সময় পাল্টেছে৷

আজ থেকে ৫ বছর আগেও একাকী নিরিবিলি গল্প লিখতে চলে যেতাম নীলফামারির কলেজ পাড়া এক বেয়াইয়ের মেসে।

রাতজেগে চলতো লেখালেখি, অন্ধকার ঘরে, হাতে জ্বলন্ত সিগারেটের ধোঁয়ায় ধুমায়িত ল্যাপটপের স্ক্রিনে একাগ্রে তাকিয়ে কীবোর্ডে উঠতো ঝড়।

এখন সেই বেয়াইও সেখানে নেই, মেস টা আদৌ আছে কি না জানি না। ধূমপানের সেই পুরনো বাজে অভ্যাসও আজ আর নেই। আগে কোনো পিছুটান ছিলো না। এখন সংসারের জালে বন্দী। সময়ের সাথে সাথে জল গড়িয়েছে অনেক দূর৷

তবুও আজ দীর্ঘ রেল যাত্রায় ট্রেনে করে আসতে আসতে পুরো পান্ডুলিপিটাই দাঁড় করিয়ে ফেললাম কল্পনায়। কাহিনীর শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত যেনো চোখের সামনে পুরোটাই দেখছিলাম। বার কয়েক এতটাই গভীরে চলে গিয়েছিলাম যে কাহিনীর বাঁকে বাঁকে নিজেই রেগেমেগে অস্থির তো নিজেই কল্পনায় কেঁদে বুক ভাসিয়েছি।

মাথা থেকে গল্পটা যাচ্ছেই না।

একটা ঘোরের মাঝেই এখনো আছি।

এই ঘোরের মাঝে থেকেই শেষ করতে চাই৷ আমার বেশিরভাগ লেখাই ঘোরের মাঝে আচ্ছন্ন হয়ে লেখা।

খুব করে চাই এবার হোক কিছু একটা।

নয়তো কে জানে, নিজের এই অপূর্ণতাকে পূরণ করতে না পারলে হয়তো দম বন্ধ হয়েই হারিয়ে যাবো!

#একটা_কল_করা_যাবে_বেয়াইসাব

16/02/2017

চারু ও কারু দুটি ভিন্ন প্রকৃতির শিল্প। রঙতুলির সাহায্যে নির্মিত চিত্রকলা ও সুই সুতার সাহায্যে নির্মিত সূচিশিল্প চারুশিল্পের অন্তর্গত; আর মৃৎশিল্প, দারুশিল্প, বস্ত্রশিল্প, বাঁশ-বেত-শোলা-শঙ্খ-দন্ত নির্মিত বিবিধ হস্তশিল্প এবং সোনা-রূপা-পিতল নির্মিত ধাতবশিল্প কারুশিল্পের অন্তর্গত। তবে কতক লোকশিল্প আছে যেগুলিকে এভাবে বিভাজন করা যায় না, যেমন: সখের হাঁড়ি, মনসাঘট, লক্ষ্মীর সরা এগুলি একাধারে চারু ও কারুশিল্পের নিদর্শন বহন করে। মাটির তৈরী সাধারণ হাঁড়ির গায়ে রঙতুলি দিয়ে মাছ, পাতা কিংবা রেখাদির চিত্র অঙ্কিত হলে তখন তাকে সখের হাঁড়ি বলে। নকশি পাটি বুননশিল্প; এতে রঙ-বেরঙের বেত দিয়ে বুনন কৌশলে গাছ, পাখি, মসজিদ ইত্যাদির ছবি ফুটিয়ে তোলা হয়। এ কারণে নকশি পাটিও চারু ও কারুশিল্পের সমন্বিত নিদর্শনরূপে গণ্য হয়।

16/02/2017

কোনো কোনো হিন্দু সম্প্রদায়ের নরনারী ধর্মীয় চেতনা থেকে অঙ্গে উল্কি ধারণ করে। সাধারণত এসব উল্কির নকশা হয় সূর্য, পাখি, সাপ ও বৃত্ত। বৈষ্ণবরা রাধাকৃষ্ণের যুগল মূর্তি অঙ্কন করে। বাহুতে সুচ দিয়ে ছিদ্র করে এসব চিত্র অাঁকা হয়। তারপর কেশুর্তিয়া পাতার রস লাগালে নীলাভ উল্কি প্রকাশ পায়। উল্কি একটি বিশ্বজনীন আর্ট। পাশ্চাত্য দেশগুলির শিক্ষিত নারী-পুরুষরাও দেহের বিভিন্ন অঙ্গে উল্কি ধারণ করে। এক্ষেত্রে সৌন্দর্য ও সংস্কার দুই-ই কাজ করে। সমুদ্রের নাবিকরা বাহুতে নোঙরের উল্কি অাঁকে। হিন্দু-মুসলিম উভয় সম্প্রদায়ের বিবাহ অনুষ্ঠানে কনের মুখ হলুদ ও চন্দনগুঁড়া দিয়ে চিত্রিত করা হয়। একে ‘কনে-চন্দন’ বলে। কপালে তিলক ফোঁটা ও মুখমন্ডলে কনে-চন্দন সৌন্দর্যবর্ধনের উদ্দেশে দেওয়া হয়। মুসলিম মেয়েরা সারা বছর হাতের করতল মেহেদি দ্বারা রঞ্জিত ও চিত্রিত করে। এক্ষেত্রে কল্কা, গাছপাতা ও রেখার ডিজাইন ফুটিয়ে তোলা হয়। বিবাহ উপলক্ষে এর ব্যবহার হয় ব্যাপক ও বর্ণাঢ্য।

16/02/2017

কুসুমকুঞ্জ-মাঝে মৃদুল মধুর বংশি বাজে, বিসরি ত্রাস-লোকলাজে সজনি, আও আও লো। পিনহ চারু নীল বাস, হৃদয়ে প্রণয়কুসুমরাশ, হরিণনেত্রে বিমল হাস, কুঞ্জবনমে আও লো॥

ঢালে

04/02/2017

ছেড়া কাগজে লেখা গল্পবাজ সুরু হবে

Address

Rangpur

Telephone

+8801612198885

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when চারু posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to চারু:

Share