Sororitu Tv

Sororitu Tv Well come to the Sororitu Tv Facebook fanpage. you will find our fan page unknown news & story,educa

31/12/2025

আপনি কি জানেন—
পৃথিবীর বেশিরভাগ “জিনিয়াস” শিশু জন্মের সময় অসাধারণ ছিল না?

তাদের কেউ খুব শান্ত ছিল,
কেউ আবার প্রশ্ন করতো বেশি,
কেউ পড়াশোনায় মাঝারি ছিল—
কিন্তু তাদের একটা জিনিস ছিল শক্তিশালী—
সঠিক পরিবেশ আর সঠিক দিকনির্দেশনা।

আজ আপনার সন্তান যেভাবে বড় হচ্ছে,
ঠিক সেইভাবেই তার ভবিষ্যৎ গড়ে উঠছে।
প্রশ্ন হলো—
আপনি কি শুধু তাকে বড় করছেন,
নাকি তাকে বুদ্ধিমান মানুষ হিসেবে গড়ে তুলছেন?
এই লেখাটা প্রতিটি বাবা–মায়ের একবার হলেও পড়া দরকার।

🧠 সন্তানকে জিনিয়াস বানানোর মানে কী?
জিনিয়াস মানে—
শুধু মুখস্থ নয়, বুঝে শেখা
শুধু নম্বর নয়, সমস্যা সমাধান করতে পারা
শুধু আদেশ মানা নয়, নিজের মত প্রকাশ করতে পারা
শুধু বই নয়, জীবন বুঝতে শেখা
যে সন্তান চিন্তা করতে পারে, প্রশ্ন করতে পারে—
সেই সন্তানই আসল জিনিয়াস।

✅ ১. প্রশ্ন করতে দিন—প্রশ্ন থামাবেন না
শিশু যখন বারবার প্রশ্ন করে—
“এটা কেন?”, “ওটা কিভাবে?”
তখন বিরক্ত না হয়ে বলুন—
“চলো, একসাথে উত্তর খুঁজি।”
যে বাবা–মা সন্তানের প্রশ্ন থামিয়ে দেয়,
সে আসলে তার চিন্তাশক্তিই থামিয়ে দেয়।

✅ ২. তুলনা নয়—উৎসাহ দিন
“ওর ছেলে ফার্স্ট হয়েছে, তুমি পারো না?”
এই একটি বাক্য
একটা শিশুর আত্মবিশ্বাস ধ্বংস করে দিতে পারে।
প্রতিটি শিশু আলাদা।
তার শক্তির জায়গাটা খুঁজে বের করুন—
কেউ অঙ্কে ভালো,
কেউ আঁকায়,
কেউ গল্প বলতে পারে,
কেউ নেতৃত্ব দিতে পারে।

✅ ৩. ভুল করতে দিন—ভুল থেকেই শেখা জন্মায়
ভুল মানেই ব্যর্থতা নয়।
ভুল মানেই শেখার সুযোগ।
যে শিশুকে ভুল করার সুযোগ দেওয়া হয় না,
সে বড় হয়ে সিদ্ধান্ত নিতে ভয় পায়।
ভুল হলে বলুন—
“সমস্যা নেই, আবার চেষ্টা করো।”

✅ ৪. মুখস্থ নয়—বাস্তব উদাহরণে শেখান
শুধু বইয়ের ভেতরে আটকে রাখবেন না।
বাজারে নিয়ে গিয়ে হিসাব শেখান,
রান্নাঘরে বিজ্ঞান দেখান,
গল্পের ভেতর নৈতিকতা শেখান।
জীবনের সাথে শিক্ষা যুক্ত হলে
শিশুর মস্তিষ্ক দ্রুত বিকশিত হয়।

✅ ৫. সময় দিন—গ্যাজেট নয়
একটা শিশু সবচেয়ে বেশি শেখে—
বাবা–মায়ের সাথে সময় কাটিয়ে।
মোবাইল দিয়ে চুপ করানো সহজ,
কিন্তু কথা বলে বড় করা কঠিন—
আর এই কঠিন কাজটাই
একটা জিনিয়াস তৈরি করে।

✅ ৬. আবেগকে গুরুত্ব দিন
যে শিশু নিজের আবেগ বুঝতে শেখে,
সে অন্যের আবেগও বুঝতে পারে।
কাঁদলে বলবেন না—
“কাঁদছো কেন?”
বলুন—
“কষ্ট পেয়েছো? বলো।”
মানসিকভাবে শক্ত শিশু
বুদ্ধিতেও এগিয়ে যায়।

✅ ৭. বাবা–মায়ের আচরণই সবচেয়ে বড় শিক্ষা
শিশু শোনে কম,
দেখে বেশি।
আপনি যদি সম্মান দেখান—
সে সম্মান শিখবে।
আপনি যদি পড়েন—
সে পড়তে শিখবে।
আপনি যদি শান্ত থাকেন—
সে সংযম শিখবে।
আপনিই আপনার সন্তানের প্রথম শিক্ষক।

🌱 শেষ কথা
প্রতিটি সন্তান জন্মায় সম্ভাবনা নিয়ে।
জিনিয়াস বানানো কোনো চাপের বিষয় নয়—
এটা ভালোবাসা, ধৈর্য আর সচেতনতার ফল।
আপনি যদি আজ থেকে
সন্তানের চিন্তাকে সম্মান করেন,
তার মনকে বোঝেন,
তার পাশে দাঁড়ান—
তাহলে সে নিজেই একদিন
নিজের জায়গায় জিনিয়াস হয়ে উঠে,,,,,,,,

ড. ইউনূস কোথায় হাত দিয়েছে জানেন?কুমিরের মুখ থেকে বাংলাদেশ উদ্ধার হয়েছে ওনার মাধ্যমে!!!ভারত একতরফাভাবে ১০ টি প্রকল্প হাসি...
26/12/2025

ড. ইউনূস কোথায় হাত দিয়েছে জানেন?
কুমিরের মুখ থেকে বাংলাদেশ উদ্ধার হয়েছে ওনার মাধ্যমে!!!

ভারত একতরফাভাবে ১০ টি প্রকল্প হাসিনাকে চাপিয়ে দিয়ে নিজের স্বার্থ হাছিল করতে চাইছিল। যা ছিলো বাংলাদেশের মানুষের মরণ ফাঁদ, আর রেন্ডিয়ার কৌশলগত ও অর্থনৈতিক স্বার্থ।

*ত্রিপুরা-চট্টগ্রাম রেল সংযোগ প্রকল্পে হয়েছিল যেখানে ভারত পেত বিনামূল্যে ট্রানজিট সুবিধা, অথচ বাংলাদেশ এই সংযোগের কৌশলগত হুমকির মুখে পড়ত।

* চট্টগ্রাম ও মংলা বন্দর ব্যবহারের চুক্তি এতোটাই ভয়ংকর ছিলো যেখানে কৌশলে বঙ্গোপসাগর দখলে নিয়ে যেতো। যা বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তার জন্য হুমকি হতে পারত।

*সিলেট-শিবচর সংযোগ সড়ক নির্মাণ প্রকল্প।

যা ভারতের উত্তর-পূর্ব অঞ্চলে সরাসরি প্রবেশের সুযোগ করে দিত। এখানে তাদের ফায়দা হলো সেভেন সিস্টার্সকে নিজেদের কবজায় রাখা।

*পেট্রোলিয়াম পাইপলাইন সম্প্রসারণ প্রকল্পও স্থগিত করা হয়েছে, যেখানে ভারত ত্রিপুরা থেকে বাংলাদেশের জ্বালানি বাজারে প্রবেশের চেষ্টা করছিল।

মানে আপনাকে কিনতে বাধ্য করা হতো। ৫ টাকার জিনিস বাধ্য হয়ে ৫০ টাকা দিয়ে কিনতে হতো। আপনি চাইলেই চীন থেকে ১০ টাকা দিয়ে কিনতে পারতেন না।

*অভয়পুর-আখাউড়া রেলপথ প্রকল্পে ভারতের সামরিক ও বাণিজ্যিক পণ্য পরিবহনের সুবিধা থাকলেও বাংলাদেশ কোনো কৌশলগত লাভ পেত না।

*আশুগঞ্জ-আগরতলা করিডর, এইডা ছিলো আরেক মরণ ফাদ। বাংলাদেশের ভূখণ্ড ব্যবহার করে যেখানে দিল্লি থেকে সরাসরি কম খরচ ও সময়ে সেভেন সিস্টার্সে যেতো।

*ফেনী নদী জল ব্যবস্থাপনা।এতো দিন ইচ্ছেমতো পানি ব্যবহার করেছে। তাদের লাভে নদী থেকে পানি তুলে নিতো এখানে আমরা পর্যাপ্ত পানি পেতাম না।

*ফারাক্কাবাদ সংস্কারসহ মোট ১০টি প্রকল্প সরাসরি ভারতের স্বার্থে পরিচালিত হচ্ছিল। উত্তরবঙ্গের মানুষ কি পরিমাণ সাফারার একমাত্র তারাই বলতে পারবে।

বন্য ,খরা দুটাই রীতিমতো উপভোগ করে। চীন চেয়েছিলো কাজটা করে দিবে কিন্তু ভারত সাপও মারে আবার সাপের লেজও জীবিত রাখে।

কথা হইলো সবকিছু বাস্তবায়ন হলে প্রতিরক্ষা বাহিনীরের দায়িত্ব বেড়ে যেতো অর্থাৎ সারাদিন ভারতকে ট্যাকেল দিতে দিতে হুশ থাকতো না। ঐ সুযোগে মাদক চোরাচালান, চোর বাটপার, বিশেষ করে র এর এজেন্টরা ইজিলি প্রবেশ করতো। সবচেয়ে বড় কথা হলো যদি কখনো যুদ্ধ হতো তাহলে আমার দেশের ভূমি ব্যবহার করেই আমাদের মাইর দিতো।

এই সাহসী সিদ্ধান্তের ফলে বাংলাদেশ নতুন করে তার কৌশলগত স্বাধী

26/11/2025

[]- নফসকে নিয়ন্ত্রণে
রাখার ১৫ টি কৌশল

১. ফজরের পরে না ঘুমানোর অভ্যাস করুন। প্রয়োজনে কাইলুলা (দুপুরের হালকা ঘুম) করা যাবে।

২. দিনে ম্যক্সিমাম তিনবার খাবার অভ্যাস করুন। সকাল, দুপুর ও রাতের খাবারের মাঝখানে হাবিজাবি খাবার- যেমন ফাস্টফুড, স্ট্রিটফুড খাওয়া যাবে না। ক্ষুধা লাগলে খেজুর, আপেল এগুলো খাওয়া যায়।

৩. প্রতিবেলা খাবার সময় যেটুকু খাবার যথেষ্ট বলে মনে হবে তার থেকে একটু কম খাবেন।

৪. অপ্রয়োজনীয় কথা বলা থেকে বিরত থাকতে হবে। কোন মন্তব্য করার আগে একবার চিন্তা করুন এই কথাটা আপনি না বললে কি কোন লস আছে? বলা কি আবশ্যক? উত্তর না হলে; ওই কথা বলার দরকার নাই।

৫. সকাল সন্ধ্যার জিকির-আযকার পাঠ করুন।

৬. ইশরাকের সালাত আদায়ের অভ্যাস করুন।

৭. প্রতিদিন নিয়মত কুরআন পড়ার অভ্যাস করুন। হতে পারে ১ রুকু থেকে ১ পারা - যেকোন পরিমাণ।

৮. ঘুমের পরিমাণ কমাতে হবে।

৯. ফজরের পরে কিছুক্ষণ ব্যায়ামের অভ্যাস করুন। আর কিছু না পারলে ১৫-২০ মিনিট জগিং করে এসে গোসল করে ইশরাকের সালাত পড়ার অভ্যাস করা।

১০. দৃষ্টি অবনত রাখুন। না পারলে ওইসব জায়গা এড়িয়ে চলার সর্বাত্মক চেষ্টা করতে হবে।

১১. ফেসবুক, ইউটিউব, টুইটার (সোশ্যাল মিডিয়া) কম ব্যবহার করা।

১২. প্রতিদিন হিফজের একটা টার্গেট নেয়া। এটা প্রতিদিন এক আয়াতও হতে পারে৷ কিন্তু টার্গেট পুরা করতে হবে। এটা খুব খুব গুরুত্বপূর্ণ।

১৩. বিশেষকরে রাতে ভরপেট খাওয়া পরিহার করতে হবে৷

১৪. রাতে ঘুমানোর পূর্বে অযু করে দুই রাকাত নফল সালাত আদায় করে নিন এবং ঘুম না আসা পর্যন্ত আসতাগফিরুল্লাহ পড়তে থাকুন।

১৫. নিয়মিত তাহাজ্জুদের সালাত আদায়ের অভ্যাস করুন। ইনশাআল্লাহ, রাব্বে কারিম আপনার অন্তরকে প্রশান্ত করে দিবেন।

মহান আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা‘আলা লেখার প্রতিটি কথার উপর প্রথমে আমাকে ও আমাদের সবাইকে আমল করার তাওফিক দান করুক। আমিন🤲🌸🤍

টাইফয়েড নিয়ে গবেষণা করেছে ICDDR,B। তারা দেখেছে- বাংলাদেশে গড়ে প্রত্যেক ১ লক্ষ মানুষের মধ্যে মাত্র ৯১৩জন টাইফয়েড-এ আক্রা...
15/10/2025

টাইফয়েড নিয়ে গবেষণা করেছে ICDDR,B। তারা দেখেছে- বাংলাদেশে গড়ে প্রত্যেক ১ লক্ষ মানুষের মধ্যে মাত্র ৯১৩জন টাইফয়েড-এ আক্রান্ত হয়। মানে টাইফয়েড আক্রান্তের শতকরা পরিমাণ ১%-এর কম। অর্থাৎ টাইফয়েডে আক্রান্ত হয় না ৯৯% মানুষ। একই গবেষণায় আরো দেখা গেছে- এক ডোজ টাইফয়েডের টিকা সর্বোচ্চ ১৮ মাস পর্যন্ত ৮৫% শতাংশ সুরক্ষা (!) দিতে পারে (যদিও সেটা প্রশ্নবোধক)। তাহলে টিকা নেওয়ার পরেও সুরক্ষা (!) পায় না ১৫%। তার মানে দাড়াচ্ছে- টিকা গ্রহণ করলেও সর্বোচ্চ টাইফয়েড হতে পারে ১৫% আর গ্রহণ না করলে টাইফয়েড হবে বড়জোর ১%

যে কোনো টিকা হচ্ছে ওই রোগের জীবাণুর অংশবিশেষ- যা রোগ ঠেকানোর নামে শরীরে প্রবেশ করানো হয়; উদ্দেশ্য শরীরকে আগেভাগে জীবাণু চেনানো। তার মানে যাদের টাইফয়েড হয় নাই বা হওয়ার সম্ভাবনা নাই, তাদের শরীরেও অহেতুক টাইফয়েড-এর জীবাণু ঢোকানো হচ্ছে! গভীরভাবে চিন্তা করে দেখুন তো- এর আদৌ কোনো প্রয়োজন আছে কি না?!?

টাইফয়েড তো সেই মাত্রার কোনো রোগ নয় কিংবা চিকিৎসা নেই- এমন রোগও নয়। তাহলে কাদের স্বার্থ হাসিলের জন্য আগে থেকেই আমরা গণহারে টাইফয়েড রোগের জীবাণু-খণ্ড আমাদের শরীরে প্রবেশ করাবো? এর মাধ্যমে টাইফয়েড থেকে সুরক্ষা পাওয়া যাবে কিনা বলা মুশকিল, কিন্তু আরো অনেকগুলো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া যে দেখা দেবে- সেটা সুনিশ্চিত। আমাদের ভুলে গেলে চলবে না যে, সরাসরি রক্তে কিছু মেশানো সম্পূর্ণরূপে শরীয়ত বিরোধী কর্মকাণ্ড।

আমি প্রায়ই বলি- ওষুধ নামক সিন্থেটিক ড্রাগস সেবন করবেন না। এগুলো কেমিক্যালের তৈরি কৃত্রিম বস্তু এবং মানবদেহের ভেতরে ঢোকার অনুপযুক্ত। এগুলো যারা তৈরি ও বিপনন করছে, সেটা তাদের ব্যবসা ও অর্থ উপর্জনের মাধ্যম। তারা চায় সর্বোচ্চ সংখ্যক মানুষ যেন তাদের বানানো ড্রাগগুলো ব্যবহার করে আজীবন অসুস্থ থাকে। এতে তারা ব্যবসায়িকভাবে লাভবান হবে। এজন্য তারা বিভিন্ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানে অর্থ ঢেলে নিজেদের প্রত্যাশা অনুযায়ী গবেষণা ফলাফল তৈরি করাতেও পিছ পা হয় না, তারপর মিডিয়াতে টাকা ঢেলে সেটা প্রচার করায়, অতঃপর ভুলভাল জনমত গড়ে উঠলে সরকারকে প্রভাবিত (রাষ্ট্রীয়ভাবে বিক্রি) করে জনগণকে বিষ গ্রহণে বাধ্য করে। এর নেপথ্য উদ্দেশ্য হলো ভবিষ্যতের রোগী বাড়ানো! গণহারে টিকা দিলে জনগণের যতটুকু লাভ (!), তার থেকে ঢের লাভবান হয় ড্রাগস কোম্পানিগুলো।

টাইফয়ের ভ্যাকসিন কিন্তু ইউরোপ-আমেরিকায় দেওয়া হয় না? চাপিয়ে দেওয়া হয় বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, নেপাল কিংবা আফ্রিকান দেশগুলোর জনগণের ওপরে। এসব ভ্যাকসিনের আড়লে তাদের যে ভিন্ন পরিকল্পনা রয়েছে- সে বিষয়ে পর্যাপ্ত গবেষণা হয় না!

অনুগ্রহ করে নিজের বিবেককে প্রশ্ন করুন- এই যে ৫ কোটি কোমলমতি শিশুর শরীরে টিকা দেওয়ার লক্ষ্য নির্ধারিত হয়েছে, এর মধ্যে বড় অংশের শরীরে আগে থেকেই এন্টিবডি তৈরি হয়ে আছে। তাহলে কেন টিকা গ্রহণ করে নিজের শরীরে বিষ ঢোকাতে হবে? রাষ্ট্রের কোনো অধিকার থাকতে পারে কি কারো দেহের ভিতরে কিছু ঢুকাতে বাধ্য করার? একটা বাচ্চার শরীরে যদি আগে থেকেই এন্টিবডি থাকে, তবে টিকা গ্রহণের কী দরকার? কোনোপ্রকার টেস্ট না করিয়ে কেন গণহারে শরীরে টিকা গ্রহণ করতেই হবে?

এখানেই আসল ব্যবসা। বাচ্চাদের গণহারে টিকা দেওয়াই বলে দেয়- শিশুদের স্বার্থের তুলনায় ব্যবসা করাটা অধিক গুরুত্বপূর্ণ ড্রাগস মাফিয়াদের কাছে। ব্যবসার পাশাপাশি আমাদের বাচ্চাগুলোকে স্রেফ গিনিপিগ বা কুকুর-বিড়াল বা ইঁদুরের মতো ব্যবহার করা হচ্ছে। ক্ষতিকারক জীবাণু বাচ্চাদের শরীরে ঢুকিয়ে দেওয়ার কুপরিণামে ভবিষ্যতে আরো বড় ধরনের জটিলতা তৈরি হবে! ভবিষ্যতে সন্তানহীনতা এবং প্রতিবন্ধী শিশুর জন্মহার বেড়ে যাবে। তখন কিন্তু টিকার পক্ষে প্রচারনাকারীদেরকে খুঁজেও পাওয়া যাবে না? আশা করি কথিত করোনা টিকার কুফল মানুষ এতো দ্রুত ভুলে যায়নি?

ড্রাগস মাফিয়ারা যে তাদের স্বার্থে আমাদের আদরের শিশুদেরকে কুকুর-বিড়ালের মতো ব্যবহার করছে- এটা নিয়ে কেউ মুখ খোলে না, কথাও বলে না। দোষ তো আমাদেরই; ইউরোপ-আমেরিকার সাদা চামড়ারা কিছু বললেই আমরা সেগুলো ধর্মগ্রন্থের চাইতেও বেশি বিশ্বাস করি! দীর্ঘমেয়াদে বাচ্চাদের উপর কথিত টিকার কী পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া, তা না জেনে আমরা অন্ধের মতো আদরের বাচ্চাদের শরীরে কী ভয়ঙ্কর ইনজেকশন পুশ করাচ্ছি, তা হয়তো কল্পনাও করতে পারবেন না!

অভিভাবকদের প্রতি বিনীত অনুরোধ- ভবিষ্যতে দাদা-দাদী/নানা-নানি হওয়ার ইচ্ছে থাকলে বিনামূল্যের ভ্যাকসিন দিয়ে আপনার আদরের বাচ্চাদের শরীরটাকে স্থায়ীভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করবেন না। এসব ষড়যন্ত্র থেকে নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখুন আর জনসচেতনতা বাড়াতে এই পোস্টটি শেয়ার করুন।

26/09/2025

*আপনি অশ্লীল কিছু দেখছেন, এই চোখ আপনার বিপক্ষে স্বাক্ষী দেবে। 😢

*আপনি অন্যায় কিছু করছেন, আপনার হাত আপনারই বিপক্ষে স্বাক্ষী দেবে। 😢

*আপনি মনে মনে লুকিয়ে খারাপ কিছু কামনা করছেন, আপনার অন্তর আপনারই বিরুদ্ধে স্বাক্ষী দেবে। 😢

ক্ষুদ্র থেকে ক্ষুদ্রতর, কোন কিছুই বাদ যাবে না। চোখ বন্ধ করে কল্পনা করুন, আপনারই শরীরের সমস্ত অঙ্গ একে একে সবকিছুর সাক্ষ্য দিচ্ছে!😢


আল্লাহ তা'য়ালা বলেছেন,

আমি আজ এদের মুখে মোহর মেরে দেব, এদের হাত আমার সঙ্গে কথা বলবে এবং এদের পা এদের কৃতকর্মের সাক্ষী দেবে। (সূরা ইয়াসীন:৬৫)

যেদিন তাদের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দেবে তাদের জিহবা, তাদের হাত ও তাদের পা তাদের কৃতকর্ম সম্বন্ধে। (সূরা নূর:২৪)

নিজেকে ভালো কাজে, ভালো চিন্তায় ব্যস্ত রাখতে হবে। পাঁচ ওয়াক্ত নামায কখনও ত্যাগ করবেন না।সবসময় সুন্নাহ অনুযায়ী চলার চেষ্টা করুন।আল্লাহ্ ভীতি জাগ্রত করুন।সব সময় খারাপ কোন কাজ করার চিন্তা আসলে মাথায় রাখবেন,,,আল্লাহ্ সবকিছু দেখছেন,ফেরেশতারা সবকিছু লিখছেন,আর আপনার কৃতকর্মের জন্য অবশ্যই আপনাকে হিসাব দিতে হবে।

মহান আল্লাহ আমাদের সৎকর্মশীলদের অন্তর্ভুক্ত করুন,, বলুন আমিন। 🤲

দুদক টিম গিয়েছিল মাওলানা লুৎফর রহমানের বাড়িতে, বাড়িতে গিয়ে দেখে মাঝারি সাইজের একটা টিনের ঘর। দুদক ভাবল হয়তো তাদেরকে ভুল ...
06/09/2025

দুদক টিম গিয়েছিল মাওলানা লুৎফর রহমানের বাড়িতে,
বাড়িতে গিয়ে দেখে মাঝারি সাইজের একটা টিনের ঘর। দুদক ভাবল হয়তো তাদেরকে ভুল ঠিকানা দিয়েছে এলাকার মানুষ, তাই তারা বাড়ি থেকে বেরিয়ে যাচ্ছিলেন। তখন লুৎফর রহমান সাহেব সেই টিনের ঘর থেকে বেরিয়ে বল্লেন, আপনার কার কাছে এসেছেন? দুদক সদস্যরা অবাক হয়ে বল্লেন, আপনার কাছেই এসেছি হুজুর। কিন্তু...
আপনি এত মাহফিল করেন, এত টাকা পান, আপনার বাড়ি ঘরের এই অবস্থা কেন?
-কারণ, এটাতো আমার স্থায়ী নিবাস না।
দুদুক টিম, ভাবল অন্য কোথাও হয়তো তার রাজপ্রাসাদের মত বাড়ি গাড়ি আছে।
তারা জিজ্ঞেস করল, স্থায়ী ঠিকানা কোথায়?
আবারও হুজুর তাদের অবাক করে উত্তর দিলেন, জান্নাতে আমার স্থায়ী নিবাস।
দুদুক টিম জিজ্ঞেস করলেন, আপনার উপার্জিত এত লক্ষ লক্ষ টাকা কী করেন?
হুজুর বল্লেন, জনগণের টাকা জনগনের কল্যাণে ব্যয় করি।
এমন একজন মানুষ যদি আমাদের জনপ্রতিনিধি হয়, তাহলে দুর্নীতি মুক্ত দেশ গড়া সময়ের ব্যাপার মাত্র।
আল্লাহ হুজুরকে জান্নাতের সর্বোচ্চ মাকাম দান করুন। (আমিন)

ক্যা/ন্সা/র হতে পারে বাইরের রুটি, বিস্কুট, কেক খেলে! কিভাবে?কমার্শিয়াল রুটি, পাউরুটি, কেক, বিস্কুট বানানোর সময় পটাসিয়াম ...
02/09/2025

ক্যা/ন্সা/র হতে পারে বাইরের রুটি, বিস্কুট, কেক খেলে!
কিভাবে?
কমার্শিয়াল রুটি, পাউরুটি, কেক, বিস্কুট বানানোর সময় পটাসিয়াম ব্রোমেট নামক বি/ষা/ক্ত রাসায়নিক ব্যবহার করা হয়!
এদেশে ছোট কারখানা, বেকারি থেকে শুরু করে বড় ব্র‍্যান্ড, বলতে গেলে প্রায় ৯৯% ই পটাসিয়াম ব্রোমেট ব্যবহার করে!

পটাসিয়াম ব্রোমেট (Potassium Bromate) একটি কৃত্রিম ফুড অ্যাডিটিভ। বেকিং ইন্ডাস্ট্রিতে পাউরুটি, রুটি, বিস্কুট, কেক ইত্যাদির ডো বা মাখা ময়দার টেক্সচার, ভলিউম এবং স্পঞ্জিনেস বাড়ানোর জন্য Potassium Bromate ব্যবহার করা হয়।

এটি এক প্রমাণিত ক্যান্সারজনক পদার্থ (carcinogenic)!
মানে এটি প্রাণীর দেহে ক্যান্সার সৃষ্টি করতে পারে তা গবেষণায় প্রমাণিত!
ল্যাবে গবেষণায় দেখা গেছে, পটাসিয়াম ব্রোমেট প্রাণীদের মধ্যে কিডনি, থাইরয়েড এবং গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল ট্র্যাক্টে ক্যান্সার সৃষ্টি করে!
International Agency for Research on Cancer - IARC এটিকে "Group 2B–Possibly carcinogenic to humans" হিসেবে তালিকাভুক্ত করেছে!

এক ধরনের ক্যান্সার কিডনির মধ্যে সবচেয়ে বেশি দেখা যায়, যার নাম রেনাল সেল কার্সিনোমা (Renal Cell Carcinoma - RCC)।
পটাসিয়াম ব্রোমেট খাদ্যের মাধ্যমে নিয়মিত গ্রহণ করলে কিডনির ক্ষতি হয়, যা দীর্ঘমেয়াদে RCC সৃষ্টি করতে পারে!

ইউরোপীয় ইউনিয়ন, যুক্তরাজ্য, কানাডা, চীন, ভারতসহ আরও অনেক দেশে পটাসিয়াম ব্রোমেটের ব্যবহার নিষিদ্ধ।
ভারতে ২০১৬ সালে গবেষণায় ক্যান্সারের ঝুঁকি নিশ্চিত পাওয়ায় এটিকে নিষিদ্ধ করে FSSAI (Food Safety and Standards Authority of India)।

কিন্তু বাংলাদেশের বেকারি, কারখানা, হোটেলগুলোয় বেকড ফুড যেমন ব্রেড, কেক, বার্গার বান, পিজ্জা, নান ইত্যাদিতে ব্যাপকভাবে পটাসিয়াম ব্রোমেট ব্যবহার হয়!
কারণ বাংলাদেশে পটাসিয়াম ব্রোমেটের ব্যবহার নিষিদ্ধ নয়!

এমনিতে Bangladesh Food Safety Authority - BFSA খাদ্যে অনুমোদিত এডিটিভস এর একটি তালিকা প্রকাশ করেছে। সেখানে পটাসিয়াম ব্রোমেটের কথা উল্লেখ নেই। যার মানে এটা অনুমোদিত নয়।
কিন্তু বাস্তবে ছোট-বড় বেকারি, ফ্যাক্টরি, দোকানগুলোয় পটাসিয়াম ব্রোমেট খাদ্যে ব্যবহার করা হচ্ছে কিনা কর্তৃপক্ষ তা কি মনিটরিং করছে?

নিজে ভালো থাকতে চাইলে, প্রিয়জনদের ভালো রাখতে চাইলে বাইরের সস্তা কমার্শিয়াল খাবার বাদ দিন শিগগির!
যদি কিছু খেতেই হয় নিজে বানিয়ে খান, ঘরে তৈরি খাবার খান।
লোভীরা জনগণের সর্বনাশ করতে মরিয়া হয়ে আছে!
নিজের ভালো নিজে না বুঝলে কারো ঠেকা পড়েনি আপনাকে ভালো রাখার।

29/08/2025

"আল্লাহ কষ্টের পর সুখ দিবেন।"
-- সূরা ত্বলাক :৭

"নিশ্চয়ই কষ্টের সাথে রয়েছে স্বস্তি।"
-- সূরা ইনশিরাহ:৬

"আমি তো আমার দুঃখ ও অস্তিরতাগুলো আল্লাহর সমীপেই নিবেদন করেছি।"
-- সূরা ইউসুফ :৮৬

জেনে রেখো আল্লাহর সাহায্য নিকটে।"
-- সূরা বাক্বারা:২১৪

একমাত্র কাফির ছাড়া কেউ আল্লাহর রহমত থেকে নিরাশ হয় না।"
-- সূরা ইউসুফ:৮৬

আল্লাহ কোনো ব্যাক্তির উপর তার সাধ্যের চাইতে বেশি,এমন বোঝা চাপিয়ে দেন না।
-- সূরা বাক্বারা:২৮৬

এবং অবশ্যই আমি তোমাদের পরিক্ষা করব কিছুটা ভয়,ক্ষুধা,মাল ও জানের ক্ষতি ও ফল ফসলের বিনষ্টের মাধ্যমে।তবে সুসংবাদের দাও সবরকারীদের"।
-- সূরা বাক্বারা:১৫৫

"হে ঈমানদারগন" তোমরা সবর ও নামাজের মাধ্যমে সাহায্য প্রাথর্না কর।নিশ্চয়ই আল্লাহ ধৈর্যশীলদের সঙ্গে রয়েছেন।"
-- সূরা বাক্বারা:১৫৩

হে আল্লাহ,আমি তো আপনাকে ডেকে কখনো ব্যর্থ হয়নি।"
-- সূরা মারইয়াম:৪

ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আশরাফুজ্জামান আশার বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নি'র্যাতন দ'মন ট্রাইবুনাল-৭ ধ'র্ষণের অ'ভিযোগ দায়ের করা হয়ে...
24/08/2025

ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আশরাফুজ্জামান আশার বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নি'র্যাতন দ'মন ট্রাইবুনাল-৭ ধ'র্ষণের অ'ভিযোগ দায়ের করা হয়েছে৷ কিছুক্ষন আগে ভি'কটিমের জবানবন্দি গ্রহণ করা হয়েছে এবং বিষয়টি আদেশের জন্য রাখা হয়েছে। আশা করি সেনাবাহিনী আদালতকে প্রভাবিত করবে না৷
ইনশাআল্লাহ্ এদেশে একদিন তনু হ'ত্যারও বিচার হবে৷ জানিয়ে রাখি, সেনাবাহিনীর একজন কর্মকর্তার লাল'সার শি'কার হয়ে মা'রা যান তনু৷ ঘটনার পর থেকে তনুর পরিবারকে হু'মকি দিয়ে ধ'র্ষণের ঘটনা ধামাচাপা দিয়ে রেখেছে সেনাবাহিনী৷
প্রয়োজনীয় তথ্যউপাত্ত হাতে আসলে বিস্তারিত জানানো হবে৷

24/07/2025

#মৃত্যুর পরও ব্যাংকে আমাদের কত টাকা রয়ে যায়! অথচ আমরা আমাদের জীবদ্দশায় খরচ করার জন্য প্রয়োজনীয় টাকা পাই না।

সেদিন এক ধনকুবের মারা গেলেন। ভদ্রলোকের বিধবা স্ত্রী ২০০ কোটি টাকার মালিক হয়ে তার মৃত স্বামীর ড্রাইভারকে বিয়ে করে ফেললেন। সদ্য বিবাহিত ড্রাইভার মনে মনে বলল, এতদিন জানতাম আমি আমার মালিকের জন্য কাজ করেছি। এখন দেখি আমার হৃদয়বান মালিকই আমার জন্য শ্রম দিয়ে গেছেন!

নিরেট সত্যটি হচ্ছে, অধিক ধনবান হওয়ার চেয়ে সুস্থ শরীর এবং দীর্ঘজীবন লাভ করা অনেক বেশি জরুরি।

তাই অধিক ধনবান হওয়ার জন্য অবিরাম শ্রম না দিয়ে দীর্ঘ এবং সুস্থ জীবন যাপন করার চেষ্টা করা উচিত এবং নিজেকে সেভাবে গড়ে তোলা উচিত।

আমাদের জীবনের নানা ঘটনাতেই এই সত্যটি মর্মে মর্মে উপলব্ধি করা যায়। যেমন:

* দামি এবং অনেক সুবিধা সম্পন্ন একটি মোবাইল ফোনের ৭০% অব্যবহৃতই থেকে যায়।

* একটি মূল্যবান এবং দ্রুতগতি গাড়ির ৭০% গতির কোনো দরকারই হয় না।

* প্রাসাদতুল্য মহামূল্যবান অট্টালিকার ৭০% অংশে কেউ বসবাস করে না।

* কারো কারো এক আলমারি কাপড়-চোপড়ের বেশির ভাগ কোনদিনই পরা হয়ে উঠে না।

* আপনার সারা জীবনের পরিশ্রমলব্ধ অর্থের ৭০% আসলে অপরের জন্য। আপনার জমানো অর্থ যাদের জন্য রেখে যাবেন, বছরে একবারও আপনার জন্য প্রার্থনা করার সময় তাদের হবে না।

তাহলে করণীয় কী?

✓ অসুস্থ না হলেও সুযোগ থাকলে মেডিকেল চেকআপ করুন।

✓ অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা করবেন না।

✓ মানুষকে ক্ষমা করে দিন।

✓ রাগ পুষে রাখবেন না। মনে রাখবেন, কেউ-ই রগচটা মানুষকে পছন্দ করে না। আড়ালে-আবডালে পাগলা বলে ডাকে।

✓ পিপাসার্ত না হলেও জল পান করুন। শরীরের কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখতে এর বিকল্প নেই।

✓ সিদ্ধান্তটি সঠিক জেনেও কখনো কখনো ছাড় দিতে হয়।

✓ যতই বয়স হোক না আর ব্যস্ত থাকুন না কেন, জীবনসঙ্গীর সাথে মাঝে মাঝে নিরিবিলি কোথাও হাত ধরে হাঁটুন, রেস্টুরেন্টে খেতে নিয়ে যান। তাকে বুঝতে দিন, সেই আপনার সবচেয়ে আপন। কারণ, আপনার সবরকম দুঃসময়ে সেই পাশে থাকে বা থাকবে।

✓ ক্ষমতাধর হলেও বিনয়ী হোন।

✓ সুযোগ পেলেই পরিবার পরিজন নিয়ে সামর্থ্য অনুযায়ী নিজের দেশকে এমনকি ভিনদেশে বেড়াতে নিয়ে যান।

✓ ধনী না হলেও তৃপ্ত থাকুন। মনে রাখবেন, সকল ধনী লোক কিন্তু মানসিক শান্তিতে থাকে না।

✓ মাঝে মাঝে ভোরের সূর্যোদয়, রাতের চাঁদ এবং সমুদ্র দেখতে ভুল করবেন না।

✓ বৃষ্টিজলে বছরে একবার হলেও ভিজবেন। আর দিনে ১বার গায়ে রোদ লাগান।

22/07/2025

ভয়াবহ একুশে জুলাই ২০২৫
সময়--১:১২ মিনিট

আমার ছেলে মাসনুন রহমান সিনান
উত্তরা মাইলস্টোন কলেজের দিয়াবাড়ি শাখার চতুর্থ শ্রেণীর ছাত্র।
প্রতিদিনের নিয়ম অনুযায়ী ছুটি হয় দুপুর ১ টায়।।
আজকে আমার পরীক্ষার ডিউটি ছিল চার নং ভবনের 804 নম্বর রুমে। বেলা একটায় পরীক্ষা ডিউটি শেষ করে ছেলের ভবনের সামনে যাব হঠাৎ মনে হল রেস্ট নেই ও নিজেই চলে আসবে আমার টিচার্স রুমেপ্রতিদিনের মতো।
আমি টিচার্স রুমে রেস্ট নিচ্ছি তখন দুপুর ১ টা ১১ মিনিটে আমার ছেলের ফর্ম মাস্টার বাবুল স্যার আমাকে ফোন দিয়ে বললেন -ম্যাডাম আজকের সিনানের ছুটি হবে ১ টা 40 মিনিটে ।আমি বললাম ক্লাস শেষ হলে৭ নং ভবনের দোতালায় পাঠিয়ে দিবেন টিচার্স রুমে। আমি ওকে স্যার বলেই ফোনটা কেটে দিলাম। সাথে সাথে বোম ব্রাস্ট হওয়ার মত একটা সাউন্ড হইল --আমি মাঠের পাশে টিচার্স রুম থেকে দেখতে পেলাম আমার ছেলের ভবনের সামনে আগুন।
আমার টিচার্স রুমে আমার সামনে আমার একজন সিনিয়র সহকর্মী জনাব এজাজ মাসুদ স্যার বসা ছিলেন। আমি এক চিৎকারে বললাম স্যার আমার ছেলের ভবনে তো আগুন লাগছে।
উনার ছেলে ওই ভবনেই পড়ে কোন কারণে সে আজকে আসে নাই।
আমি চিৎকার করে দৌড়াচ্ছি স্যার আমাকে বলছেন দোয়া করেন আল্লাহকে ডাকেন। ৪০ সেকেন্ডের মধ্যেই ঘটনাস্থলে পৌঁছে যাই।
দৌড়াতে দৌড়াতে আমার হাজব্যান্ড কে ফোন দিয়ে বলেছি আমার ছেলের ভবনে আগুন লাগছে।
যেখানে আগুন লাগছে সেখানে গিয়ে দেখি তিনটা গলিত লাশ। শুধু আইডি কার্ড টা পড়ে আছে।
একটা বাচ্চার গায়ে কাপড় নাই পুরো শরীর ঝলসে গেছে।
সামনে গিয়ে দেখি যে ভবনে আমার ছেলে ক্লাস করে যেই রুমে আমার ছেলে ক্লাস করে সেই রুমের চারদিকে ধোঁয়া।
ছেলের ক্লাসরুমে আগুন আমি বাইরে থেকে কি বুঝবো তাই ক্লাসে ঢুকতে চাইলাম। সেনাবাহিনীর দুইজন আর আমার কলেজের বিএনসিসি ছাত্ররা আমাকে ঢুকতে দিলো না ---
আমি বারবার ঢুকতে চাইলাম জোর করে ঢুকতে চাইলাম আমাকে বাধা দিল দুজন আমাকে জোর করে এক পাশে নিয়ে গেল। আমি ডানপাশে ঘুরেই দেখি আমার ছেলের ফোন মাস্টার বাবুল স্যার।
জিজ্ঞেস করলাম স্যার আপনি এখানে আমার ছেলে কই???
শুধু হাতটা ধরে বলল ওরা উপরে দুই তালায়।
বিশ্বাস করলাম না তারপর আমার একজন ছাত্র এসে বলল ম্যাডাম কিছু হয় নাই এই পাশে আসেন। ক্যান্টিনের পাশে উপরে ৭ থেকে আটজন মেয়ে বাচ্চাকে দেখা যাচ্ছিল। আমি আল্লাহর কাছে কি দোয়া পড়ছিলাম আমার কিছুই মনে নাই।
আমার বিভাগের আমার একজন সহকর্মী মুকুল স্যার এর ভাগ্নিও ঐ ভবনে আটকা পড়ছেন। সে পাশ থেকে ওপার দৌড়াচ্ছেন আর চিৎকার করতেছেন।
আমাকে দুইজন সেনাবাহিনী বসায় দিয়ে ধরে রাখলেন একপাশ থেকে। যেন আমি সামনে না যাই।
তারপর দোতলার সামনে গাছ ছিল আম গাছ কেটে ফেলা হলো।
গ্রিলের তালা ভাঙ্গা হলো একপাশ ভেঙে ফেলা হলো।
আমি শুধু দেখতে পাচ্ছি কিছু ছাত্রী গ্রিলের নিচ দিয়ে দিয়ে বের হয়ে আসছে।
৮ থেকে ১০ জন ছাত্রী এবং একজন ম্যাডাম বের হওয়ার পর হঠাৎ আমার ছেলের চেহারা ভেসে উঠলো।
ওই মুহূর্তটা একজন মায়ের জন্য কি মুহূর্ত সেটা বলে বোঝানো যাবে না লিখেও শেষ করা যাবে না।
মুকুল স্যার যদি পারতো তাকে দোতলা থেকেই টেনে বের করত।আমার ছেলেকে দেখার সাথে সাথে সে দৌড়ে গিয়ে জড়ায় ধরছে বাবা রে তুই তাড়াতাড়ি আয়।
আমার মানিককে আমার সন্তানকে আমি জড়াইয়া ধরলাম।

যারা আমার ছেলের ক্লাসে আটকে ছিল তারা কেউ বেঁচে ফিরে নাই। সবাই পুরে কয়লা হয়ে গেছে।

একজন মা বলতেছিল বাবারে তুই আজকে আমার হাতের শেষ খাওয়াটা খাইয়া গেলি বাবা --আমি তো তোরে শেষ দেখা দেখতে পারলাম না।

মূলত বিমান ক্রাশ হয়ে ক্লাসরুমের ভিতরে ঢুকে গেছে।
বিমান ক্রাশ হওয়ার সাথে সাথেই ১৫ মিনিটের মধ্যেই যা ধ্বংস হওয়ার যা ক্ষতি হওয়ার হয়ে গেছে।
যাতে শরীর পুড়ে গেছে তাদেরকে বাঁচানো খুবই অসম্ভব খুব খারাপভাবে শরীর পুড়ে গেছে।
এত কাছ থেকে কখনো দেখিনি। এত ভয়ঙ্কর!!

আমি রাত আটটা দশ মিনিটে সেই দুর্ঘটনাস্থলে আবার যাই।আমার ফরমের দুইটা মেয়ে অসুস্থ তাদেরকে দেখার জন্য।
সেই ভবনের সামনে কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে ছিলাম।
রাত ৮ টা ১৫ মিনিটের সময় বিজিবির একজন সদস্য নাম মাসুদ , তিনি ফোনে কাউকে বলছিলেন আরও একটি লাশ পাওয়া গেছে কিন্তু কয়েকটি পুড়ে যাওয়া খন্ড বিখন্ড অংশ।
হে রাব্বুল আলামিন, রাহমানুর রাহিম তুমি উত্তম পরিকল্পনাকারী --শিশুদের এমন মৃত্যু তুমি দিয়েছো বাবা মা তাদের গলে যাওয়া লাশের শেষ চিহ্নটুকু দেখতে পাবেনা।

তাসলিমা আকতার
প্রভাষক, ব্যবস্থাপনা বিভাগ
মাইলস্টোন কলেজ
২১/০৭/২০২৫, সোমবার

অর্থবিত্ত থাকা সত্ত্বেও আমি আমার একমাত্র ছেলেকে কখনো দশ টাকার বেশি টিফিন খরচ দিইনি। সে তার বন্ধুদের দেখিয়ে বলত, "বাবা দে...
21/07/2025

অর্থবিত্ত থাকা সত্ত্বেও আমি আমার একমাত্র ছেলেকে কখনো দশ টাকার বেশি টিফিন খরচ দিইনি। সে তার বন্ধুদের দেখিয়ে বলত, "বাবা দেখো, সুমন আজ ব্রাণ্ডেড ঘড়ি পরে এসেছে। বাবা দেখো, রাজুর স্কুল ব্যাগটা ইম্পোর্টেড। সুন্দর না বাবা!"

আমি চুপ করে থাকতাম। আমার ছেলের সাহস হয়নি কখনোই আমার কাছে ওই জিনিসগুলো চাওয়ার। একদিন ও খেলতে খেলতে পায়ে ব্যথা পেল। পরদিন স্কুলে যাওয়ার সময় আমাকে বলল, "বাবা, আমাকে তোমার সাথে অফিসের গাড়িতে করে স্কুলে নামিয়ে দেবে?"

আমি ওর অবস্থা দেখে বললাম, "ঠিক আছে।"

এরপর সপ্তাহখানেক ও আমার সাথেই গেল — আমার অফিসের গাড়িতে। আমি ওকে স্কুলের গেটে নামিয়ে দিতাম। এরপর থেকে ছেলের আর স্কুলে হেঁটে যেতে ইচ্ছে করে না! বাধ্য হয়ে আমি বলেই দিলাম, "অফিসিয়াল জিনিস ব্যক্তিগত ব্যবহারের জন্য নয়। বাড়ি থেকে স্কুল দশ মিনিটের পথ। স্কুল টাইমের খানিকক্ষণ আগে বের হবে, তাহলে সময়মতো পৌঁছে যাবে।"

ছেলে আমার প্রচন্ড মন খারাপ করে বসে রইল। ছেলের মায়েরও মুখ গোমড়া। আমি এমন করি কেন? সবাই তো অফিসের গাড়ি ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহার করে। তাহলে আমার সমস্যা কোথায়?

সেদিন সন্ধ্যায় ছেলে বাড়িতে এসে বলল, "জানো, আমার বন্ধু শহরের সবচেয়ে সেরা স্কুলে ভর্তি হয়েছে। আমিও.....।"

এর বেশি কিছু বলার আগেই তাকে থামিয়ে দিয়ে আমি বললাম, "বাবা, প্রতিষ্ঠান সেরা হয় নাকি ছাত্র? ধরো আমি তোমাকে সেই স্কুলে দিলাম, কিন্তু তুমি ফেল করলে। তাহলে আমি কি বলব, তুমি ফেল নাকি তোমার স্কুল?"

ছেলে বলল, "বুঝেছি বাবা!"

আমি ওর মাথায় হাত রেখে বললাম, "এই পর্যন্ত তোমার ক্লাসের কোনো ছেলেই তোমাকে টপকে যেতে পারেনি। বরাবর তুমিই ফার্স্ট হয়েছ। সুতরাং, তুমি যেখানে পড়বে, সেই স্কুলই শহরের সেরা স্কুল।"

এরপর সে আর কিছু বলেনি।

এক বিকেলে ছেলে বলল, "বাবা, আমার এক্সট্রা টিউটর দরকার। ম্যাথ আর ইংলিশে একটু সমস্যা হচ্ছে।"

জবাবে আমি বললাম, "রাতে যখন আমি বাড়িতে ফিরব, আমার কাছেই তুমি ম্যাথ আর ইংলিশ শিখবে।"

ছেলে বলল, "বাবা, তুমি অনেক পরিশ্রম করে বাড়িতে আসো, তাইনা?"

আমি হেসে বললাম, "বাবা, আমার এত সামর্থ্য নেই তোমাকে এক্সট্রা টিউটর দেওয়ার। আমি বরং একটু কষ্ট করি, কি বলো?"

ছেলে আমাকে জড়িয়ে ধরে বলল, "ঠিক আছে বাবা।"

আমার স্ত্রী রাতে ঘুমাতে গিয়ে আমাকে জিজ্ঞাসা করল, "তুমি এরকম দশটা টিউটর রাখতে পারো, তাহলে ছেলেকে ওই কথাগুলো বললে কেন?

আমি বললাম, "আমি চাই আমার সন্তান বুঝুক আরাম করে কিছু পাওয়া যায় না। মানুষের জীবনে অভাব আসলে তা কিভাবে মোকাবিলা করতে হয় সেটা শিখুক।"

আমার স্ত্রী চুপ হয়ে গেল।

মাঝে মাঝে আমার ছেলেকে নিয়ে আমি ফুটপাতে হাঁটি। পথশিশু থেকে শুরু করে বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষের সম্পর্কে ধারণা দিই। সে জানুক, পৃথিবী শুধু চিন্তায় সুন্দর, বাস্তবে খুব কঠিন! চাওয়া মাত্রই কিছু তাকে আমি কখনও দেই না। একদিন সে বলেছিল, "বাবা, তুমি এরকম কেন?" আমি জবাব দিয়েছিলাম, "সময় হলে বুঝবে!"

একবার সে বায়না ধরল ইলিশ মাছ খাবে। আমি বললাম, "টাকা তো কম! তোমার কাছে কিছু আছে? থাকলে ইলিশ আনা যাবে।"

ছেলে আমার হাতে পঞ্চাশটা দশ টাকার নোট বের করে দিল। আমি অবাক হয়ে বললাম, "তুমি খরচ করনি!" সে মুচকি হেসে বলল, "না বাবা! জমিয়েছি। আমার এক বন্ধু মাঝে মাঝে স্কুলে না খেয়ে আসে। আসলে ও খুব অসহায়। আমি ওকে ক্ষুধার্ত দেখলেই বুঝতে পারি। তখন ওকে সাথে নিয়ে খাই। অন্যান্য দিন সব টাকা খরচ করি না, জমিয়ে রাখি, কারণ বাড়ি থেকে তোমরা যা দাও তা প্রয়োজনের চেয়ে অনেক বেশি। কিছু মানুষ তো সামান্যটুকুও পায় না!"

আমি ছেলের দিকে অবাক হয়ে তাকিয়ে ছিলাম। সেই জমানো টাকা দিয়ে সেদিন বাজার থেকে ইলিশ এনে ছেলেকে খাওয়ালাম। এভাবে ইচ্ছে করেই মাঝে মাঝে ছেলেকে অভাব অনুভব করাতাম, যাতে সে বোঝে জীবনটা কঠিন, অনেক কঠিন।

একবার মার্কেটে গিয়ে তাকে বললাম সাধ্যের মধ্যে কিনতে। সে একটা প্যান্ট নিল শুধু। আর কিছু লাগবে কিনা জিজ্ঞাসা করলে বলল, "তোমার জন্য পাঞ্জাবি আর মায়ের জন্য শাড়ি নাও।"

আমি হাসলাম।

সে বুঝতে শিখেছে টাকা কিভাবে খরচ করতে হয়। একদিন সন্ধ্যায় আমি চা খাচ্ছিলাম। ও বলল, "বাবা, সায়নটা আর মানুষ হলো না! অথচ আংকেল ওর জন্য নিজেকে উজাড় করে দিয়েছেন। যখন যা চেয়েছে, তাই পেয়েছে।" আমি ছেলেকে বললাম, "আমি তো তোমাকে কিছুই দিতে পারিনি!" ছেলে আমার কোলে মাথা রেখে বলল, "প্রতিটা চাহিদা পূরণ না করে তুমি শিখিয়েছ অভাবে যেন স্বভাব নষ্ট না হয়। তুমি জীবনে যে শিক্ষা দিয়েছ, তা সবকিছুর উর্ধ্বে। তুমি শিখিয়েছ, অভাবকে কিভাবে ভালবাসতে হয়। আমি এখন জানি, আমার বাবার আমি ছাড়া আর কিছু নেই। বাকিটা আমাকে গড়ে নিতে হবে। আমি সাধারণ জামাকাপড়েও হীনমন্যতায় ভুগি না। কারণ আমি জানি আমি কে! তোমার দেওয়া শিক্ষা আমি সারাজীবন ধরে রাখব বাবা। চাওয়া মাত্রই পেয়ে গেলে আমি কখনো জানতামই না পঞ্চাশ দিন না খেয়ে টিফিনের টাকা জমালে পাঁচশো টাকা হয়। তুমি ছিলে বলেই সবকিছু সম্ভব হয়েছে। আমি মানুষকে মানুষের চোখে দেখি। আমি বুঝি জীবন কত কঠিন!"

আমার স্ত্রী এখন নিজে থেকেই অনেক খুশি। সে বুঝতে পেরেছে আমার উদ্দেশ্যটা। ছেলে নিজের রোজগারে প্রাইভেট কার কিনে আমাকে হাসতে হাসতে বলল, "দুই বছর ধরে টাকা জমিয়ে কিনেছি এটা!" তখন বুঝেছিলাম ছেলে আমার সঞ্চয়ী হয়েছে। আমার শিক্ষা বৃথা যায়নি।

সেদিন যাবতীয় সম্পত্তি ওকে বুঝিয়ে দিয়ে বললাম, "সামলে রেখো।" ছেলে দলিলগুলো আমার হাতে ফিরিয়ে দিয়ে বলল, "তোমরা সাথে থেকো, আর কিছু লাগবে না।"

ছেলেকে বুকে জড়িয়ে ধরে ছেলের মাকে বললাম, "দেখেছ, আমি ভুল করিনি। আমি আমার সন্তানকে মানুষ করতে গিয়ে জীবনের শ্রেষ্ঠ শিক্ষাটাই দিয়েছি — যেমনটা আমার বাবা আমাকে দিয়েছিলেন। আমি ওকে অভাবে লজ্জিত হওয়া নয়, বরং দৃঢ় থাকতে শিখিয়েছি। ওকে আমি নিজের পায়ে দাঁড়াতে শিখিয়েছি, কারো উপর নির্ভর না করে চলতে শিখিয়েছি। ছেলে আমার মানুষের মতো মানুষ হয়েছে। এর চেয়ে বড় সম্পদ আর কি হতে পারে!"
(সত্য ঘটনা অবলম্বনে)

Address

Talaimari
Rajshahi

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Sororitu Tv posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Sororitu Tv:

Share