05/04/2013
হযরত আবু যর (রা) বলেন, একবার
আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু
আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর খেদমতে উপস্থিত
হলাম। এরপর তিনি দীর্ঘ হাদিস
বর্ণনা করলেন!শেষ পর্যায়ে আমি আরয করলাম-
ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমাকে কিছু উপদেশ দিন। তিনি বললেনঃ আমি তোমাকে খোদা-ভীতির
উপদেশ দিচ্ছি। কেননা এটা তোমার যাবতীয়
কাজকে অধিক সৌন্দর্যমণ্ডিত করবে।
আমি বললাম, আরও অধিক কিছু বলুন।
তিনি বললেনঃ কোরাআন তেলাওয়াত ও
মহাপরাক্রমশালী আল্লাহ্ তা'আলার যিকিরকে নিজের জন্য বাধ্যতামূলক করে নাও।
এটা তোমার ঊর্ধ্ব আকাশে স্মরণযোগ্য
এবং পৃথিবীতে তোমার জন্য আলো হবে।
আমি পুনরায় বললাম, আরও বেশী কিছু বলুন!
তিনি বললেনঃ নীরবতা দীর্ঘ কর।
কেননা এটা শয়তানকে দূরে সরিয়ে দিবে এবং দীনী কাজে তোমার সহায়ক হবে। আমি আরয করলাম, আরও বেশী কিছু
বলুন! তিনি বললেনঃ অধিক
হাসা থেকে নিজেকে নিয়ন্ত্রণ কর।
কেননা এটা অন্তরকে মেরে ফেলে এবং চেহারার
জ্যোতি বিদূরিত করে দেয়। আমি আরয করলাম,
আরো বেশী কিছু বলুন! তিনি বললেনঃ ন্যায় কথা বল! যদিও তা (কারো কাছে) তিক্ত হয়।
আরয করলাম, আরো বেশী কিছু বলুন!
তিনি বললেনঃ আল্লাহর রাস্তায় কাজ
করতে কোনো নিন্দুকের নিন্দাকে ভয় করো না।
আরয করলাম, আরো বেশী কিছু বলুন!
তিনি বললেনঃ তোমার মধ্যে যে দোষ- ত্রুটি তুমি জান , তা যেন তোমাকে অন্য লোকের
দোষ-ত্রুটি বর্ণনা থেকে তোমাকে বিরত
রাখে। { বায়হাকী, মিশকাতঃ ৪১৫}
পোস্টটি ভালো লাগলে ইসলামের শাশ্বত
বাণী শেয়ার/ট্যাগ/ লাইক করতে ভুলবেন না কিন্তু।