World Peace

World Peace Peace For all Human

27/09/2025

দুরুদ শরীফ পড়ার অপার ফজিলত
চারটি বিষয় মাথায় রেখে দুরুদ শরীফ পড়ুন,
আপনার দুরুদের প্রতি আকর্ষণ বাড়তেই থাকবে ইনশাআল্লাহ।
১) রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আপনার নাম জানেন!
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর ওপর যখন আপনি দুরুদ পাঠ করেন, তখন একজন বিশেষ ফেরেশতা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর কাছে গিয়ে আপনার নাম উল্লেখ করে এই দুরুদের সংবাদ পৌঁছে দেন।
রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন:
"তোমরা যেখানেই থাকো না কেন, তোমাদের দুরুদ আমার কাছে পৌঁছায়।"
(সুনান আবু দাউদ, হাদিস: ২০৪২; মুসনাদ আহমদ: ১০৫৯৪)
অন্য হাদিসে এসেছে,
"তোমাদের দুরুদ ফেরেশতারা আমার কাছে পৌঁছে দেয় এবং তোমাদের নাম উল্লেখ করে।"
(মুসনাদ আহমদ: ১৬৩০৩, সহিহ ইবনে হিব্বান: ৯১০, হাদিস সহিহ)
২) একবার দুরুদ পড়লে আল্লাহ দশগুণ রহমত বর্ষণ করেন!
রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন:
"যে ব্যক্তি আমার ওপর একবার দরুদ পাঠ করে, আল্লাহ তার ওপর দশবার রহমত বর্ষণ করেন, তার দশটি গুনাহ মাফ করে দেন এবং তার দশটি মর্যাদা বৃদ্ধি করেন।"
(সুনান আন-নাসায়ি: ১২৯৭, সহিহ ইবনে হিব্বান: ৯০৮, সহিহ হাদিস)
আর আল্লাহ তাআলা কুরআনে বলেন:
"নিশ্চয়ই আল্লাহ ও তাঁর ফেরেশতারা নবীর প্রতি দরুদ পাঠ করেন। হে বিশ্বাসীগণ! তোমরাও নবীর প্রতি দরুদ পাঠ করো এবং যথাযথভাবে সালাম প্রেরণ করো।"
(সুরা আল-আহযাব: ৫৬)
৩) দুরুদ শরীফ সমস্যার সমাধান এনে দেয়
যে ব্যক্তি দুরুদ শরীফ বেশি বেশি পড়ে, আল্লাহ তার জীবনের সকল সমস্যা সমাধানের দায়িত্ব নিয়ে নেন, এমনকি সে যদি আলাদাভাবে দোয়া নাও করে।
হাদিসে এসেছে,
"তোমাদের সমস্যার সমাধান ও গুমাহ মাফের জন্য দুরুদকে অধিক পরিমাণে নিজের উপর আবশ্যক করো।"
(সুনান আত-তিরমিজি: ২৩৮১, সহিহ হাদিস)
এক ব্যক্তি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর কাছে এসে বলল:
"হে আল্লাহর রাসূল! আমি আমার দোয়ার একাংশকে আপনার জন্য দুরুদে নির্ধারণ করেছি।"
নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন:
"তাহলে তোমার চিন্তা-ভাবনা থেকে দুঃখ-কষ্ট দূর করে দেওয়া হবে এবং তোমার গুনাহ মাফ করে দেওয়া হবে।"
(সুনান আত-তিরমিজি: ২৪৫৭, সহিহ হাদিস)
৪) তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমাদের জাহান্নাম থেকে বাঁচাতে জীবন উৎসর্গ করেছেন
রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমাদের জাহান্নাম থেকে বাঁচানোর জন্য কত কষ্ট সহ্য করেছেন! তাঁর সামনে তাঁর প্রিয় সাহাবীদেরকে নির্যাতন করা হয়েছে, তবুও তিনি উম্মতের জন্য দোয়া করেছেন।
কিয়ামতের দিনও তিনি আমাদের জন্য দোয়া করবেন:
"আমার উম্মত! আমার উম্মত!"
(সহিহ মুসলিম: ২০২, তিরমিজি: ২৪৪৩)
তিনি বলতেন:
"হে আল্লাহ! আমার উম্মতকে ক্ষমা করো, হে আল্লাহ! আমার উম্মতকে ক্ষমা করো।"
(সহিহ মুসলিম: ২৪৯)
অতিরিক্ত আমল: দুরুদের সাথে ইস্তেগফার ও দোয়া ইউনুস
দুরুদের পাশাপাশি বেশি বেশি ইস্তেগফার (আস্তাগফিরুল্লাহ) পড়লে এবং দোয়া ইউনুস (لَا إِلٰهَ إِلَّا أَنتَ سُبْحَانَكَ إِنِّي كُنتُ مِنَ الظَّالِمِينَ) পাঠ করলে জীবন থেকে বিপদ দূর হয়।
রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন:
"যে ব্যক্তি দোয়া ইউনুস পড়বে, আল্লাহ তাকে সমস্ত সংকট থেকে মুক্তি দেবেন।"
(সুনান আত-তিরমিজি: ৩৫০৫, সহিহ হাদিস)
দুরুদ শরীফ শুধু একটি আমল নয়, এটি আমাদের জীবনের জন্য রহমত, সমস্যার সমাধান এবং জান্নাতের সুসংবাদ। আল্লাহ আমাদের সবাইকে বেশি বেশি দুরুদ পড়ার তাওফিক দান করুন, আমিন!

ভালো কথা বল আর নয়তো চুপ থাক________________________________আল্লাহ সুবহা’নাহু তাআ’লা মানুষের সাথে ভালো কথা বলার নির্দেশ দ...
29/05/2025

ভালো কথা বল আর নয়তো চুপ থাক
________________________________
আল্লাহ সুবহা’নাহু তাআ’লা মানুষের সাথে ভালো কথা বলার নির্দেশ দিয়ে বলেন,
وَقُولُواْ لِلنَّاسِ حُسۡنٗا
“আর তোমরা মানুষের সাথে ভালো কথা বল।” সূরা আল-বাক্বারাহঃ ৮৩।
________________________________
রাসূলুল্লাহ ﷺ ভালো কথা বলার নির্দেশ দিয়ে বলেন,
مَنْ كَانَ يُؤْمِنُ بِاَللَّهِ وَالْيَوْمِ الْآخِرِ فَلْيَقُلْ خَيْرًا أَوْ لِيَصْمُتْ،
“যে ব্যক্তি আল্লাহর প্রতি এবং আখেরাতের প্রতি ঈমান রাখে, তার উচিত হয় ভালো কথা বলা, আর নয়তো চুপ থাকা।” সহীহ বুখারীঃ ৬০১৮, সহীহ মুসলিমঃ ৪৭।
রাসূলুল্লাহ ﷺ আরও বলেছেন,
قُولُوا خَيْرًا تَغْنَمُوا وَاسْكُتُوا عَنْ شَرٍّ تَسْلَمُوا
“তুমি ভালো কথা বল এবং লাভবান হও। আর তুমি খারাপ কথা বলা থেকে বিরত থাক এবং নিরাপদ থাক।” মুসনাদে শিহাব আল-ক্বুদাঈঃ ৬৬৬, শায়খ আলবানী রহি’মাহুল্লাহ হাদীসটি সহীহ বলেছেন, সহীহ আল-জামিঃ ৪৪১৯।
________________________________
ভালো কথা বলতে কি বুঝায়?
কুফার বিখ্যাত তাবেঈ রাবী বিন খুসায়ম (মৃত্যুঃ ৬৫ হিজরী) রহি’মাহুল্লাহ বলতেন,
“নয়টি বিষয় ছাড়া আর কোনও ভালো কথা নেইঃ
(১) তাহলীল (লা- ইলাহা ইল্লাল্লাহ বলা),
(২) তাকবীর (আল্লাহু আকবার বলা),
(৩) তাহমীদ (আলহা’মদুলিল্লাহ বলা)
(৪) তাসবীহ (সুবহা’নাল্লাহ বলা)
(৫) কল্যাণের ব্যাপারে প্রশ্ন করা,
(৬) মন্দ বিষয় থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করা,
(৭) সৎ কাজের আদেশ করা,
(৮) খারাপ কাজে নিষেধ করা এবং
(৯) ক্বুরআন তিলাওয়াত করা।”
উৎসঃ ইবনে আবি দুনিয়া রহি’মাহুল্লাহ প্রণীত “কিতাব আস-সামত” (পৃষ্ঠা-২৪৬)।

10/02/2025

Address

Ny
Khulna

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when World Peace posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share