20/01/2026
নাসির উদ্দিন পাটোয়ারি গতকাল মির্জা আব্বাসকে উদ্দেশ্য করে বলেছে, দুই টাকার কমিশনার ছিল। এখন অনেক কিছু হয়ে গেছে।
তাঁর নির্বাচনী প্রচারণা পুরোটাই হচ্ছে মির্জা আব্বাস অনেক খারাপ, তাই আমাকে ভোট দাও ।
জামাতের আমির বলেছে, বেকার ভাতা আমরা দিব না । কারন আমরা ক্ষমতায় আসলে বেকারই থাকবে না । বাংলাদেশের মত দেশে বেকার ভাতা ইটসেলফ একটা ননসেন্স আইডিয়া। তাঁর চেয়েও স্টুপিড কথা হচ্ছে বেকার থাকবে না । আপনি যেটার কাছাকাছিও যেতে পারবেন না সেটা বলেন কেন ?
তারেক রহমানের আসনে জামাতের একজন ডাক্তার দাড়াইছেন । উনি কাল বলছেন, উনার যা অবদান আছে তাঁর ৫০% অবদানও তারেক রহমানের নাই। তাই লোকজন তাকে ভোট দিবে। কতোবড় সার্টিফিকেট জালিয়াতি করছে।
নাহিদ ইসলাম কালকে বিএনপির ফ্যামিলি কার্ড, হেলথ কার্ডের সমালোচনা করে বক্তব্য দিছে। কিন্তু এর চেয়ে বেটার কোন আইডিয়ার কথা প্রপোজ করে নাই।
শেখ হাসিনা সারাক্ষণ বিএনপি বিএনপি করতে থাকতো। ৫ আগস্টের পর এই কাজটা করতেছে জামাত আর এনসিপি। নিজেদের কোন আইডিয়া নাই, প্ল্যান নাই । পুরা রাজনীতি হচ্ছে বিএনপির পলিসির সমালোচনা।
ধর্ম কার্ড খেলা ছাড়া আমরা আজ পর্যন্ত কেউ জানলামই না জামাতকে ভোট দিলে আমার লাইফে ভিজিবল কি কি পরিবর্তন আসবে। আমার জীবন ঠিক কিভাবে বদলাবে। তাদের কথা একটাই বিএনপি-আওয়ামী লীগ দেখছো । এবার আমাকে দেখো।
অথচ যে হাদিকে নিয়ে জামাত-এনসিপি রাজনীতি করতেছে সে হাদি তাঁর পুরো নির্বাচনী প্রচারণায় মির্জা আব্বাসকে নিয়ে একটা বাজে কথা বলছে ? প্রতিপক্ষকে গালি দিয়ে খারাপ কোন কথা বলছে ?
তাসনিম জারার মত একটা মেয়ে একা ফাইট দিচ্ছে। এক দিনের নোটিশে তাঁর জন্য ৫ হাজার সিগনেচারের ব্যবস্থা হয়ে যায়। এই মেয়েটা প্রতিপক্ষকে উদ্দেশ্য করে একটা বাজে কথা বলেছে ? ওয়ান ওম্যান আর্মি হয়েও তো এই মেয়ে মানুষের সমর্থন পাচ্ছে ।
আজকে হাসনাত-সার্জিস-নাহিদ-নাসিররা তাসনিম জারার মত জনসমর্থন পায় না কেন ? শিবিরের জনসমর্থন ছাড়া তারা রাজুতে আয় ডাক দিলে কয়টা মানুষ তাদের পক্ষে কথা বলার জন্য আসবে ? তারা নিজেরা কি একবার নিজেদের নিয়ে ভেবছে ?
আমার নিজের ফ্রেন্ডলিস্টে দেখেছি ৫ আগস্টের পর তারেক রহমানকে ধুমায়ে গালাগালি করা লোকজন, বিএনপিকে দুই চোক্ষে দেখতে না পারা লোকজন আজকে তাররেক রহমানের বক্তব্য শেয়ার দেয় । এতগুলা পাবলিক এপেয়ারেন্সে তারেক রহমান আসছেন। একটাবার প্রতিপক্ষকে আঘাত করে কোন বক্তব্য দিছেন ?
রাজনীতি নিয়ে কথা বলতে গেলে প্রতিপক্ষের দুর্বল দিক নিয়ে কথা বলাটা নরমাল যতক্ষণ পর্যন্ত না ব্যাপারটা নোংরামিতে যাচ্ছে। কিন্তু তাই বলে পুরো রাজনীতিটা প্রতিপক্ষের নেগেটিভিটিকে জরায়ে হতে থাকবে, নিজস্ব কোন বয়ান, নিজের কোন সেলিং পয়েন্ট থাকবে না এটা তো হয় না।
আমরা তো নতুন বন্দোবস্ত বলতে হাদি, তাসনিম জারা, বদলে যাওয়া তারেক রহমানকে বুঝেছিলাম।নতুন বোতলে পুরানো আওয়ামী লীগের মত সারাক্ষণ প্রতিপক্ষকে নিয়ে খিস্তি-খেউর করার রাজনীতি তো কেউ দেখতে চাই নাই।