বাংলাদেশের কৃষি

বাংলাদেশের কৃষি কৃষি উদ্যোগ, কৃষি বানিজ্য

চমৎকার আইডিয়া
15/03/2026

চমৎকার আইডিয়া

03/01/2026

তেলাপিয়া মাছের ফিডে প্রাণিজ প্রোটিন কত % রাখা উত্তম

তেলাপিয়া মাছের ফিডে প্রাণিজ প্রোটিন (যেমন ফিশমিল বা পোল্ট্রি বাই-প্রোডাক্ট মিল) এর অপটিমাল লেভেল মাছের পর্যায় (নার্সারি, গ্রোয়ার, ফিনিশার), ফিডের অন্যান্য উপাদান এবং কস্ট-ইফেকটিভনেসের উপর নির্ভর করে। সাধারণত, প্রাণিজ প্রোটিনের ব্যবহার কমিয়ে প্ল্যান্ট প্রোটিন (যেমন সয়াবিন মিল) দিয়ে রিপ্লেস করা যায়, কারণ তেলাপিয়া হার্বিভোরাস এবং অমনিভোরাস প্রকৃতির। নিচে পর্যায় অনুসারে অপটিমাল রেকমেন্ডেশন (ফিডের মোট ওজনের পার্সেন্টেজ হিসেবে):

> নার্সারি (ছোট মাছ, ১-৫০ গ্রাম): ১০-২০% প্রাণিজ প্রোটিন (যেমন ফিশমিল)। এতে মাছের দ্রুত গ্রোথ এবং সারভাইভাল রেট ভালো হয়। অতিরিক্ত ব্যবহার না করলে কস্ট বাড়ে, কিন্তু কম হলে প্রোটিন ডেফিসিয়েন্সি হতে পারে।
> গ্রোয়ার (৫০-২০০ গ্রাম): ৫-১৫% প্রাণিজ প্রোটিন। এখানে প্ল্যান্ট প্রোটিন দিয়ে রিপ্লেস করে ১০% এর নিচে রাখা যায়, যাতে ফিড কনভার্শন রেশিও (FCR) ভালো থাকে।
> ফিনিশার (২০০ গ্রামের উপরে): ০-১০% প্রাণিজ প্রোটিন। অনেক রিসার্চে দেখা গেছে যে ফিশমিল-ফ্রি ফিড (০%) দিয়েও ভালো গ্রোথ পাওয়া যায়, যদি অ্যামিনো অ্যাসিড ব্যালেন্সড হয়। অপটিমাল ৫% এর কাছাকাছি।

সামগ্রিকভাবে, আইডিয়াল প্রোটিন কনসেপ্ট অনুসরণ করে প্রাণিজ প্রোটিন ৫-১৫% রাখলে ভালো, কারণ এতে অ্যামিনো অ্যাসিড (যেমন লাইসিন, মেথিওনিন) এর ব্যালেন্স থাকে এবং পরিবেশ দূষণ কম হয়। যদি ফিশমিল ব্যবহার করেন, তাহলে ১০% এর উপর না যাওয়াই উত্তম, কারণ অতিরিক্ত নাইট্রোজেন এক্সক্রিশন হয়। বাস্তবে, উপাদানের গুণমান এবং স্থানীয় প্রাপ্যতা অনুসারে অ্যাডজাস্ট করুন।

19/10/2025

Epsom salt (এপসম লবণ)

যার রাসায়নিক নাম Magnesium sulfate (MgSO₄·7H₂O) — উদ্ভিদের জন্য খুবই উপকারী, তবে সঠিকভাবে ব্যবহার করা জরুরি।

নিচে এর উপকারিতা ও ব্যবহারবিধি বিস্তারিতভাবে দেওয়া হলো 👇

🌿 Epsom salt-এর উপকারিতা উদ্ভিদের জন্য

1. ম্যাগনেসিয়াম সরবরাহ করে (Mg):
ম্যাগনেসিয়াম হলো ক্লোরোফিল তৈরির মূল উপাদান। ক্লোরোফিল ছাড়া উদ্ভিদে পাতার সবুজ রঙ নষ্ট হয় এবং ফটোসিন্থেসিস দুর্বল হয়ে যায়।
→ ফলে পাতার হলদে ভাব দূর করে, সবুজ উজ্জ্বলতা বাড়ায়।
2. গাছের বৃদ্ধি ও ফলন বাড়ায়:
বিশেষ করে টমেটো, মরিচ, আলু, ফুল ও পাতাবহুল গাছে এটি ফলন বৃদ্ধি করে।
3. ফুল ও ফলের গুণমান উন্নত করে:
ফুলের রঙ উজ্জ্বল হয় এবং ফলের স্বাদ ভালো হয়।
4. পাতা ঝরা ও ক্লোরোসিস রোধ করে:
যদি গাছের পুরনো পাতাগুলো মাঝখান থেকে হলুদ হয়ে যায় (vein সবুজ থাকে), তাহলে ম্যাগনেসিয়াম ঘাটতি — Epsom salt এতে দ্রুত কাজ করে।
5. গাছকে শক্তিশালী করে ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।



⚗️ ব্যবহারবিধি

🪴 স্প্রে করার জন্য (পাতায় ছিটানোর দ্রবণ)
• ১ লিটার পানিতে ১ চা চামচ Epsom salt মিশিয়ে নিন।
• সপ্তাহে ১ বার সকালে বা বিকেলে (রোদে নয়) পাতায় স্প্রে করুন।

🌱 মাটিতে দেওয়ার জন্য
• ছোট টবের গাছে: প্রতি মাসে ১ চা চামচ মাটিতে ছিটিয়ে পানি দিন।
• বড় গাছে বা বাগানে: প্রতি গাছে ১ টেবিল চামচ করে ব্যবহার করতে পারেন, ৩০ দিনে একবার।



⚠️ সতর্কতা
• অতিরিক্ত দিলে গাছের শিকড়ে লবণ জমে ক্ষতি করতে পারে।
• আগে নিশ্চিত হন যে গাছে সত্যিই ম্যাগনেসিয়ামের ঘাটতি আছে।
• এটি সার নয়, বরং একটি মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট সাপ্লিমেন্ট হিসেবে ব্যবহার করতে হবে।

06/03/2025

"যে লোক ইসলাম ছাড়া অন্য কোন ধর্ম তালাশ করে, কস্মিণকালেও তা গ্রহণ করা হবে না এবং আখেরাতে সে ক্ষতিগ্রস্ত"। (সূরা আলে ইমরান-৮৫)

মেনি মাছের কৃত্রিম প্রজনন ও চাষ ব্যবস্থাপনাবাংলাদেশে বিভিন্ন প্রজাতির ছোট মাছের আবাসস্থল হিসেবে প্লাবনভূমি অন্যতম। কিন্ত...
15/02/2025

মেনি মাছের কৃত্রিম প্রজনন ও চাষ ব্যবস্থাপনা

বাংলাদেশে বিভিন্ন প্রজাতির ছোট মাছের আবাসস্থল হিসেবে প্লাবনভূমি অন্যতম। কিন্তু মৎস্যসম্পদের উৎস এই প্লাবনভূমি হতে মৎস্য উৎপাদন আজ পানি দূষণ, কীটনাশক প্রয়োগ, বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ নির্মান, নির্বিচারে মৎস্য আহরণসহ জলবায়ুর বিরূপ প্রভাবের কারণে হুমকির সম্মুখীন। এসব কারণে ইতোমধ্যে বিভিন্ন মৎস্য প্রজাতির প্রাকৃতিক প্রজনন ক্ষেত্র ধ্বংস হয়েছে। বিপন্ন হয়ে গেছে বাংলাদেশের ৬৪ প্রজাতির মাছ (আইইউসিএন ২০১৫)। বিপন্ন প্রজাতির এসব মাছের মধ্যে মেনি বা ভেদা অন্যতম। অত্যন্ত সুস্বাদু ও জনপ্রিয় এই মাছটি স্থানীয়ভাবে নন্দাই, ধ্যান্দা, নুইন্যা প্রভৃতি নামে পরিচিত। পূর্বে এই মাছটি আমাদের দেশে প্রাকৃতিক জলাশয়ে প্রচুর পরিমাণে পাওয়া যেত। ঈষৎ ধূসর ও কালচে বাদামী রঙের ডোরাকাটা ছোপ ছোপ বিন্যাসকৃত এই মাছটিকে বিলুপ্তির হাত থেকে রক্ষা করতে বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট এর প্লাবনভূমি উপকেন্দ্র, সান্তাহার বগুড়ায় গবেষণার মাধ্যমে এর কৃত্রিম প্রজনন, পোনা উৎপাদন ও চাষ ব্যবস্থাপনার প্রযুক্তি উদ্ভাবন করেছে।

মেনি বা ভেদা মাছের বৈশিষ্ট্য

✓ ঈষৎ ধূসর ও কালচে বাদামী রঙের ডোরাকাটা ছোপ ছোপ বিন্যাসকৃত

✓ বর্ষাকালে বিল, হাওর-বাঁওড়, নদী, প্লাবনভূমি এবং ধানক্ষেতে দেখা যায়।

✓ কর্দমাক্ত জলাশয় এদের বেশি পছন্দ

✓ আগাছা, কচুরিপানা, ডালপালা অধ্যুষিত জলাশয়ে থাকে

কৃত্রিম প্রজনন ও পোনা উৎপাদন

মেনি বা ভেদা মাছের কৃত্রিম প্রজনন ও পোনা উৎপাদন কৌশল নিম্নে বর্ণনা করা হলো:

ব্রুড মাছ সংগ্রহ ও পরিচর্যা কৃত্রিম প্রজননের জন্য প্রাকৃতিক জলাশয় (বিল, প্লাবনভূমি, হাওর-বাঁওড়, নদী) হতে ভেদা মাছ সংগ্রহ করা যেতে পারে। এ মাছের প্রজননকাল এপ্রিল হতে আগস্ট মাস পর্যন্ত। প্রজনন মৌসুমের পূর্বে ভেদা মাছ সংগ্রহ করে পুকুরে পরিচর্যার মাধ্যমে ব্রুড মাছ তৈরি করা হয়। নিম্নে ভেদা মাছের ব্রুড পরিচর্যার বিষয়সমূহ বর্ণনা করা হলো।

✓ প্রজনন মৌসুমের ৩-৪ মাস পূর্বে অর্থাৎ জানুয়ারি/ফেব্রুয়ারি মাসে প্রাকৃতিক উৎস হতে ভেদা মাছ সংগ্রহ করতে হবে।

✓ ব্রুড প্রতিপালন পুকুরের আয়তন ৮-১০ শতাংশ এবং গভীরতা ৩-৪ ফুট হলে ভালো।

✓ ব্রুড মাছের মজুদ পুকুর পরিমিত চুন ও সার (ইউরিয়া, টিএসপি ও কম্পোষ্ট) দিয়ে প্রস্তুত করতে হয়।

✓ পরিপক্ক ব্রুড মাছ তৈরির জন্য প্রতি শতাংশে ২৫-৩৫ গ্রাম ওজনের ভেদা মাছ ৭০-৮০ টি হারে মজুদ করা যেতে পারে।

✓ ভেদা মাছ যেহেতু জীবিত মাছ, চিংড়ি, জলজ পোকামাকড় ও জুওপ্লাংটন খেয়ে থাকে তাই পুকুরে এদের পর্যাপ্ততা নিশ্চিত করতে হবে।

✓ এই পদ্ধতিতে ৩-৪ মাস পালনের পর ভেদা মাছ প্রজননক্ষম হয়ে থাকে।

প্রজননক্ষম মাছ সনাক্তকরণ

✓ পুরুষ মাছ স্ত্রী মাছের তুলনায় আকারে ছোট হয়ে থাকে।

✓ প্রজনন মৌসুমে স্ত্রী মাছের পেট ডিমে ভর্তি থাকে বিধায় ফোলা দেখা যায় অন্যদিকে পুরুষ মাছ খানিকটা সরু ও পেট চ্যাপ্টা থাকে।

✓ প্রজনন মৌসুমে পুরুষ মাছের তুলনায় স্ত্রী মাছের দেহ উজ্জ্বল বর্ণ ধারণ করে।

মেনি বা ভেদা মাছ এপ্রিল হতে আগস্ট মাস পর্যন্ত প্রজনন করে থাকে। নিম্নোক্ত পদ্ধতিতে এ মাছের কৃত্রিম প্রজনন করা হয়।

✓ সংগৃহীত পরিপক্ক ব্রুড (স্ত্রী ও পুরুষ) মাছকে ভাসমান জলজ উদ্ভিদপূর্ণ ও কাদাযুক্ত সিস্টার্ণে রাখা হয়।

✓ সিস্টার্নে অক্সিজেন নিশ্চিত করতে কৃত্রিম ঝর্ণা ব্যবহার করতে হয়।

✓ খাবার হিসাবে ছোট মাছ, কেঁচো ও মাছের রেণু পোনা সরবরাহ করা হয়।

✔ প্রায় ২০ দিন পর দেহের রঙ ও আকৃতি দেখে মাছের প্রজনন সক্ষমতা নিশ্চিত করা হয়।

✓ স্ত্রী ভেদা মাছের ক্ষেত্রে ২-৪ মিগ্রা,/কেজি ও পুরুষের ক্ষেত্রে ১-২ মিগ্রা./কেজি হারে পিজি বক্ষ পাখনার নীচে মাংসল অংশে ইনজেকশন দিতে হয়।

✓ পুরুষ ও স্ত্রী মাছকে ১:২ অনুপাতে হাপায় স্থানান্তর করা হয়।

✓ হরমোন ইনজেকশন প্রয়োগ করার ৭-৮ ঘণ্টা পর মাছ প্রাকৃতিক প্রজননের মাধ্যমে ডিম দিয়ে থাকে।

✓ নিষিক্ত ডিম ফুটে ২০-২৪ ঘন্টা পর রেণু পোনা বের হয়।

✓ রেনু পোনার বয়স ৩০-৩৬ ঘন্টা হলে সিদ্ধ ডিমের কুসুমের দ্রবণ দিনে ৪ বার খাবার হিসেবে দিতে হয়।

✓ হাপাতে রেণু পোনাকে এভাবে ৪-৫ দিন রাখতে হয়।

✓ হাপায় লালাকালে ৬ষ্ঠ দিনে রেণু পোনা নার্সারি পুকুরে স্থানান্তরের ব্যবস্থা নিতে হবে।

নার্সারি পুকুরে পোনা লালন

পুকুর নির্বাচন ও প্রস্তুতি

✓ নার্সারি পুকুরের আয়তন ১৫-২০ শতাংশ এবং গভীরতা ১-১.৫ মিটার হলে ভালো হয়।

✓ পুকুরের পানি শুকিয়ে অবাঞ্চিত মাছ ও প্রাণি দূর করতে হবে।

✓ পুকুরের চারপাশে নাইলনের জাল দিয়ে ৩-৪ ফুট উচু করে বেষ্টনী দিতে হবে। যাতে ব্যাঙ বা সাপ পুকুরে প্রবেশ করতে না পারে।

✓ শুকনো পুকুরে প্রতি শতাংশে ১ কেজি হারে চুন দিয়ে ভালোভাবে মই দিয়ে সমান করতে হবে।

✓ চুন প্রয়োগের ২-৩ দিন পর পুকুর ৩-৪ ফুট বিশুদ্ধ পানি দিয়ে পূর্ণ করে শতাংশে ৮-১০ কেজি জৈব সার প্রয়োগ করতে হবে।

✓ চুন প্রয়োগের ৪-৫ দিন পর প্রাকৃতিক খাদ্য জন্মানোর জন্য শতাংশে ১০০ গ্রাম ইউরিয়া ও ৫০ গ্রাম টিএসপি সার প্রয়োগ করতে হবে।

✓ রেণু পোনা ছাড়ার ২৪ ঘন্টা আগে শতাংশ প্রতি ১০ মিলি, (২-৩ ফুট গভীরতার জন্য) সুমিথিয়ন অল্প পানিতে মিশিয়ে সমস্ত পুকুরে ছিটিয়ে দিতে হবে।

পোনা মজুদ ✓ প্রস্তুতকৃত পুকুরে ৪-৫ দিন বয়সের রেণু পোনা শতাংশে ২০,০০০-২৫,০০০ টি হারে মজুদ করা যেতে পারে।

✓ রেণু ছাড়ার পর প্রতি শতাংশে ১-২টি সিদ্ধ ডিম সকাল, দুপুর ও বিকাল এভাবে ৩ দিন পর্যন্ত প্রয়োগ করতে হবে।

✓ খাবার হিসেবে ১৫-২০ দিন পর প্রতি শতাংশে ৫০ গ্রাম কার্প জাতীয় মাছের রেণু দিতে হবে।

✓ অতঃপর প্রতি শতাংশে ১০০ গ্রাম খৈল ও ১০০ গ্রাম আটা দিতে হবে।

✓ মেনি মাছ যেহেতু জীবিত মাছ, চিংড়ি, জলজ পোকা মাকড় ও জুওপ্লাংটন খেয়ে থাকে তাই পুকুরে অন্যান্য মাছের রেণু ও জুওপ্লাংটন পর্যাপ্ত রাখতে হবে।

✓ উল্লিখিত খাবারের পাশাপাশি প্রাকৃতিক খাবার তৈরির জন্য পুকুরে পরিমানমত জৈব ও অজৈব সার প্রয়োগ করতে হবে।

✓ রেনু পোনা ছাড়ার ৩০ দিন পর চারা পোনায় পরিণত হয়, অর্থাৎ পোনার ওজন গড়ে ৪-৫ গ্রাম হলে চারা পুকুরে স্থানান্তর করতে হবে।

মেনি মাছের চাষ ব্যবস্থাপনা

পুকুর নির্বাচন ও প্রস্তুতি

✔ চাষের জন্য ২৫-৩০ শতাংশ আয়তনের পুকুর নির্বাচন করতে হবে, যেখানে বছরে কমপক্ষে ৬-৭ মাস ৩ ফুট পানি থাকে

✓ পুকুরের পাড় মেরামত ও জলজ আগাছা পরিস্কার করতে হবে

✓ পুকুর শুকিয়ে অবাঞ্চিত মাছ ও প্রাণি দূর করতে হবে

✓ পুকুরে প্রতি শতাংশে ১ কেজি হারে চুন ও ১০ কেজি হারে জৈব সার ছিটিয়ে দিতে হবে।

✔ প্রাকৃতিক খাদ্য তৈরির জন্য ৫-৭ দিন পর পুকুরে প্রতি শতাংশে ২০০ গ্রাম ইউরিয়া ও ১০০ গ্রাম টিএসপি প্রয়োগ করতে হবে।

✓ রাক্ষুসে ও ক্ষতিকর প্রাণি যেন পুকুরে প্রবেশ করতে না পারে, সেজন্য ৩-৪ ফুট উঁচু করে নাইলন জাল দিয়ে পুকুরের চারপাশ ঘিরে দিতে হবে।

পোনা সংগ্রহ ও মজুদ

✓ মেনি মাছের পোনা সংবেদনশীল হওয়ায় অত্যন্ত সতর্কতার সাথে পোনা সংগ্রহ ও মজুদ করতে হয়।

✓ পোনা মজুদের পূর্বে পোনাকে মজুদকৃত পুকুরের পানির সাথে ভালোভাবে কন্ডিশনিং করে তারপর ছাড়তে হবে।

✓ প্রতি শতাংশে ৭০০ টি ৪-৫ গ্রাম ওজনের মেনি মাছের পোনা মজুদ করা যেতে পারে

✓ মেনি মাছের সাথে প্রতি শতাংশে ৫০-৬০ গ্রাম কার্প জাতীয় মাছের ধানী পোনা ছাড়তে হবে

✔ মেনি মাছের স্বভোজী বৈশিষ্ট্য থাকায় এক পুকুরে একই সাইজের পোনা ছাড়তে হবে, অন্যথায় বড় মাছ ছোট গুলোকে খেয়ে ফেলবে।

ব্যবস্থাপনা ও পরিচর্যা

✓ মজুদের দিন থেকে প্রাকৃতিক খাবারের পাশাপাশি পোনার দৈহিক ওজনের ২০০ ৫% হারে দিনে দুই বার ৩৫-৪০% আমিষ সমৃদ্ধ সম্পূরক খাবার সরবরাহ করতে হবে

✓ মেনি মাছ যেহেতু জীবিত মাছ, পোকা-মাকড়, জুওপ্লাংটন প্রভৃতি খেয়ে থাকে, তাই প্রাকৃতিক খাবার উৎপাদনের জন্য পুকুরে নিয়মিত সার প্রয়োগ করতে হবে

✔ মেনি পোনার বাড়তি খাবার হিসেবে পুকুরে প্রতি শতাংশে ৫০-৬০ গ্রাম কাপ জাতীয় মাছের রেনু পোনা ছাড়তে হবে

✓ প্রতি ১০-১৫ দিন পরপর জাল টেনে মাছের বৃদ্ধি পর্যবেক্ষণ করে খাবারের পরিমান নির্ধারণ করতে হবে।

✓ চাষকালীন যদি মাছের আকার ছোট-বড় হয়ে যায় তবে বড় মাছকে আলাদা করে ফেলতে হবে

✓ মেনি মাছ সাধারণত পুকুরের নীচের স্তরে থাকে তাই ফাইটোপ্লাংটনের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করার জন্য অন্যান্য মাছ যেমন রুই, কাতলা ও সরপুঁটির সাথে মিশ্র চাষ করা যেতে পারে

✓ পানির গুণাগুণ ঠিক রাখার জন্য পোনা মজুদের ৩০ দিন পর পর চুন ও সার প্রয়োগ করতে হবে

✓ প্রয়োজনে বাহির হতে পুকুরে বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ করার ব্যবস্থা নিতে হবে।

মাছ আহরণ ও উৎপাদন

উল্লিখিত পদ্ধতিতে মেনি মাছ চাষ করলে ৪-৫ মাসের মধ্যে ৫০-৬০ গ্রাম ওজনের হবে। এ সময় জাল টেনে ও পুকুরের সমস্ত পানি শুকিয়ে মাছ ধরার ব্যবস্থা করতে হবে।

পরামর্শ

✓ সুস্থ-সবল মাছ সংগ্রহ করে নিবিড় পরিচর্যার মাধ্যমে ব্রুড মাছ তৈরি করতে হবে

✓ খাবারের জন্য জীবিত মাছ ও জলজ পোকামাকড়ের পাশাপাশি পুকুরে পর্যাপ্ত প্রাকৃতিক খাবার তৈরির জন্য নিয়মিত সার ও জৈব সার প্রয়োগ করতে হবে

✓ যেহেতু মেনি মাছের রেনু মারা যাওয়ার আশঙ্কা বেশি থাকে, তাই অত্যন্ত সতর্কতার সহিত রেনুপোনার নার্সারি ব্যবস্থাপনা করতে হবে

✓ পুকুরে খাবারের উপস্থিতি ও পানির গুণাগুণ ঠিক আছে কিনা তা ১৫ দিন পরপর পর্যবেক্ষণ করতে হবে।

31/12/2024
06/08/2024

মৎস্যচাষে নতুন প্রযুক্তি

জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (এফএও) ‘দ্য স্টেট অব ওয়ার্ল্ড ফিশারিজ অ্যান্ড অ্যাকুয়াকালচার-২০২২’ বৈশ্বিক প্রতিবেদন মতে স্বাদুপানির মাছ উৎপাদনে বাংলাদেশের অবস্থান পৃথিবীতে তৃতীয়। শুধু তেলাপিয়া উৎপাদনে বিশ্বে চতুর্থ। সারা বিশ্বে মোট মাছের চাহিদা ১৭৮.৮ মিলিয়ন টন এবং এর এক-তৃতীয়াংশ জোগান দেয় চীন। সে হিসাবে বিশ্বের বৃহত্তম মাছ উৎপাদনকারী দেশ হলো চীন। চাহিদার ৮ শতাংশ মাছ উৎপাদন করে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে ভারত। অন্য শীর্ষ দেশগুলো হলো ইন্দোনেশিয়া, পেরু, রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্র। এ তালিকায় মিসর, ভিয়েতনাম ও বাংলাদেশের নামও আছে। বাংলাদেশ প্রতিবছর সমুদ্র থেকে ৬ লাখ ৭০ হাজার টন মাছ সংগ্রহ করা ছাড়াও পুকুর ও হাওড়-বাঁওড়ে মৎস্য উৎপাদন প্রতিনিয়ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। সঙ্গে সঙ্গে মাছের সাইজ, ওজন, রং ও স্বাদ সবকিছুই বেড়েছে। দেশে মৎস্যচাষে এ সফলতার পেছনে আছে মৎস্য বিভাগের বহুমুখী গবেষণা, আধুনিক পদ্ধতি এবং প্রযুক্তির সহায়তা। এসব প্রযুক্তির মধ্যে অন্যতম হলো রাস, আইপিআরএস এবং বায়োফ্লক পদ্ধতি।

রাস পদ্ধতি : মাছ চাষে যান্ত্রিকীকরণের জন্য আমদানিনির্ভরতা কমিয়ে দেশীয় প্রযুক্তিতে বিদ্যমান সম্পদ ব্যবহার করে কম খরচে আধুনিক পদ্ধতির নাম রিসারকুলেটিং একোয়াকালচার সিস্টেম (রাস)। এ পদ্ধতিতে বিদ্যমান মাছ চাষের চেয়ে ৮০-১০০ গুণ বেশি মাছ উৎপাদন সম্ভব। তাছাড়া দেশীয় সম্পদ ও কারিগরি দক্ষতা ব্যবহার করে অত্যন্ত কম মূল্যে এ প্রযুক্তি ব্যবহারযোগ্য। যে কোনো বদ্ধ জলাশয়ে এক শতকে ২-৩ কেজি এবং নিবিড় চাষ করা গেলে সর্বোচ্চ ২০-৩০ কেজির মতো মাছ চাষ করা যায়। এভাবে প্রতি ঘনমিটার জায়গায় ১ হাজার লিটার পানিতে ‘রাস’ পদ্ধতি ব্যবহার করে ৮০-৯০ কেজি মাছ উৎপাদন সম্ভব। এ পদ্ধতিতে ব্যবহৃত প্রতিটি ট্যাংক সাড়ে ৩ হাজার থেকে ১০ হাজার লিটার পানি ধারণ করতে পারে। সে হিসাবে একটি ১০ হাজার লিটার সম্পন্ন প্রতি ট্যাংকে উৎপাদন করা যায় ৮০০ কেজি মাছ। ‘রাস’ পদ্ধতিতে মাছের মল স্বয়ংক্রিয়ভাবে ট্যাংক থেকে ফিল্টারিং করে একেবারে তলানিতে নিয়ে আসা হয়। এজন্য এ পদ্ধতিকে রেসওয়ে বটমক্লিন পদ্ধতি বলা হয়। পরবর্তী সময়ে এ মল বের করে একুয়াফনিক্সসহ বিভিন্ন কৃষিকাজে ব্যবহার করা যায়। ট্যাংকে নতুন পানি সরবরাহের জন্য ছোট একটি মোটরের প্রয়োজন হয়, যেটিকে সোলার সিস্টেমের মাধ্যমে ব্যবহার করা যায়। আর বাতাসের অক্সিজেন পানিতে মিশিয়ে বুদ্বুদ তৈরির মাধ্যমে মাছের অক্সিজেন সরবরাহ করা হয়।

বায়োফ্লক পদ্ধতি : দেশীয় আবহাওয়ার উপযোগী করে পুকুর না কেটে স্বল্প খরচে অধিক মাছ চাষের নতুন এক প্রযুক্তির নাম ‘বায়োফ্লক’। পরিবেশবান্ধব পদ্ধতি যা ক্রমাগতভাবে পানিতে বিদ্যমান পুষ্টি উপাদানগুলোকে পুনরাবর্তনের মাধ্যমে পুনর্ব্যবহার নিশ্চিত করে। সাধারণত মাছের জন্য পুকুরে যে খাবার দেওয়া হয়, তার উচ্ছিষ্ট পুকুরে দূষিত অ্যামোনিয়া তৈরি করে, যা মাছের জন্য ক্ষতিকর। বায়োফ্লক পদ্ধতিতে অ্যামোনিয়া থেকেও প্রোটিন তৈরি করে মাছের খাদ্য হিসাবে পুনর্ব্যবহার করা যায়। এতে মাছের খাবার খরচ কমে যায়। এ প্রযুক্তির সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য দিক হলো মাছের মজুত ঘনত্ব দ্রুত বাড়ে। সনাতন পদ্ধতিতে যেখানে ১০টি মাছ চাষ করা যায়, এ পদ্ধতিতে সেখানে ৩০টি পর্যন্ত মাছ চাষ করা যায়। এ প্রযুক্তি পানিতে বিদ্যমান কার্বন ও নাইট্রোজেনের সাম্যবস্থা নিশ্চিত করে পানির গুণাগুণ বৃদ্ধি ও ক্ষতিকর জীবাণু নিয়ন্ত্রণ করে। এ পদ্ধতিতে বাড়ির আঙিনায়, ছাদে, অল্প জায়গায় এমনকি সবজি ও মাছ একসঙ্গে চাষ করা যায়। মাছ চাষের জন্য ট্যাংক, অক্সিজেন সরবারাহের পাম্প ও সার্বক্ষণিক বিদ্যুৎ প্রয়োজন হয়। প্রথমে ট্যাংকে পানি দিয়ে এক সপ্তাহ অক্সিজেন সরবরাহ করতে হয়। এতে আয়রন বা অন্য ভারী পদার্থ থাকলে ওপরে জমা হয়। এরপর প্রতি ১ হাজার লিটারে ১ কেজি হারে আয়োডিনমুক্ত সাধারণ লবণ প্রয়োগ করতে হয়। অতঃপর টিডিএস ১২০০-এর ওপরে হলে প্রতি ১ হাজার লিটারে ১০ গ্রাম চুন প্রয়োগ করতে হয়। পিএইচ ৭.৫-এর কাছাকাছি হলে ভালো ব্যাকটেরিয়া নির্দিষ্ট অনুপাতে পানিতে দিতে হয়। সঙ্গে কার্বন সোর্স হিসাবে মোলাসেস ৫০-১০০ গ্রাম দিতে হয়। সব সময় অক্সিজেনের সরবরাহ রাখা জরুরি। দুসপ্তাহ পর এতে ব্যাকটেরিয়া, প্রোটোজোয়া, শৈবাল তৈরি হয়, যা মাছের জন্য খুবই উপকারী। এ পদ্ধতিতে অল্প জায়গায় বেশি পরিমাণ মাছ চাষ করা যায়, তাই অধিক লাভজনক। বাড়িতে যে কেউ সামান্য প্রশিক্ষণ নিয়ে ১০-১২টি ট্যাংকে সহজেই মাছ চাষ করতে পারে।

আইপিআরএস-ইন-পন্ড রেসওয়ে সিস্টেম (আইপিআরএস) : যুক্তরাষ্ট্রে উদ্ভাবিত মাছ চাষের সর্বাধুনিক একটি প্রযুক্তি। যুক্তরাষ্ট্রের অ্যালাবামা রাজ্যে অবস্থিত অ’বার্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০০৫ সালে প্রথম উদ্ভাবন করা হয়। তবে ২০১৩-১৪ সালের দিকে চীনে এ প্রযুক্তির ব্যাপক ব্যবহার শুরু হয়। পরবর্তী সময়ে থাইল্যান্ড, ভিয়েতনাম, ভারত এবং পাকিস্তানেও এ প্রযুক্তি ব্যবহার করে মাছ চাষ শুরু হয়। বর্তমানে বাংলাদেশেও এর ব্যবহার অনেক। এটি হলো মাছ চাষের ক্ষেত্রে পুকুর, খাঁচা, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং অক্সিজেন-খাদ্যের সুষম বণ্টনের একটি প্রযুক্তিগত ব্যবস্থাপনা। এর মাধ্যমে আধুনিক যন্ত্রপাতি, বিদ্যুৎ ও কৌশল ব্যবহার করে স্বল্প জায়গায় অনেক বেশি পরিমাণে মাছ চাষ করা হয়। এ প্রযুক্তিতে বড় আকারের পুকুরে কংক্রিটের ছোট ছোট চ্যানেল তৈরি করা হয়। সেখানে কৃত্রিম স্রোত তৈরি করে অনেকটা নদী বা প্রাকৃতিক জলাশয়ের মতো পরিবেশ তৈরি হয়। এ ধরনের প্রকল্পে পুকুরের মাঝে রেসওয়ে বা কংক্রিটের ছোট ছোট সেল তৈরি করা হয় এবং সেলের মধ্যে থাকা মাছগুলো স্রোতে ক্রমাগত নদীর মতো সাঁতার কাটতে থাকে। এ কারণে আইপিআরএস পদ্ধতিতে উৎপাদিত মাছের স্বাদ ও রং একেবারে নদীর মাছের মতোই হয়। এভাবে স্বল্প জায়গায় অনেক বেশি পরিমাণ (প্রায় ১০ গুণ) মাছ উৎপাদন করা যায়।

আন্তর্জাতিক আদালতে বাংলাদেশের সমুদ্রসীমা নির্ধারিত হওয়ায় ১ লাখ ১৮ হাজার ৮১৩ বর্গকিলোমিটার এলাকায় মাছ ধরার আইনগত অধিকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এদিকে স্থলভাগের মোট কৃষিজ আয়ের শতকরা ২৪ ভাগের বেশি অবদান মৎস্য খাতে। আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের ফলে এ হার আরও বেড়েই চলেছে, যুক্ত হচ্ছে শিক্ষিত বেকার জনগোষ্ঠীও। বিবিএসের সর্বশেষ শুমারি অনুযায়ী প্রায় পৌনে দুই কোটি মানুষ মৎস্য কাজে নিয়োজিত এবং তাদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় বছরে গড়ে ৩৫ লাখ ৪৮ হাজার টন মাছ উৎপাদিত হচ্ছে। যার বাজারমূল্য প্রায় ৫৩ হাজার কোটি টাকা। এর মধ্যে চাষ করা মাছের পরিমাণই প্রায় ২০ লাখ টন। ইলিশের উৎপাদন প্রায় চার লাখ টন। সরকার মাছ রপ্তানি করে বছরে প্রায় চার হাজার কোটি টাকা আয় করছে। চিংড়ি এখন দেশের দ্বিতীয় প্রধান রপ্তানি পণ্য। মুক্ত জলাশয়ে প্রাকৃতিক এবং ব্যক্তি উদ্যোগে গড়ে ওঠা লাখ লাখ পুকুরে মাছ চাষে দেশে রুপালি বিপ্লব ঘটে চলেছে। আর বাঙালি ফিরে পেয়েছে সেই পুরোনো প্রবাদ ‘মাছে-ভাতে বাঙালি’। আশা করা যাচ্ছে খুব শিগ্গির বাংলাদেশ চীনকে পেছনে ফেলে শীর্ষস্থানে পৌঁছে যাবে। সাফল্যের এ ধারা অব্যাহত রাখতে হলে নিত্যনতুন প্রযুক্তির সঙ্গে দেশের মৎস্যচাষিদের সম্পৃক্ত করতে হবে, ব্যবস্থা করতে হবে নিয়মিত প্রশিক্ষণ ও হাতেকলমে দক্ষতা অর্জনের। খামারগুলোয় সরকারি-বেসরকারি বিশেষজ্ঞদের নিয়মিত পরিদর্শন, পর্যবেক্ষণ ও তদানুযায়ী কারিগরি সহায়তার ব্যবস্থা করা, উৎপাদিত মাছ দ্রুত পরিবহণে এবং বাজারজাতকরণে সহায়তা করা, মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে খামারিদের তথ্যের আদান-প্রদানে সহায়তা করা, সহজ শর্তে ব্যাংক লোনের ব্যবস্থা করে নতুন নতুন উদ্যোক্তা তৈরি (বেকারত্ব মোচন) এবং সর্বোপরি দেশের চাহিদা মিটিয়ে আন্তর্জাতিক বাজারে মৎস্য রপ্তানি করে বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের পথ সুগম হতে পারে।

ড. এম মেসবাহউদ্দিন সরকার : অধ্যাপক ও তথ্যপ্রযুক্তিবিদ, আইআইটি, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়

- যুগান্তর

গাছগুলো দেখতে খুবই চমৎকার। অথচ এগুলো নাকি এক আওয়ামীলীগ নেতা বিষ দিয়ে ধ্বংশ করার অপচেষ্ট চালায়।
04/07/2023

গাছগুলো দেখতে খুবই চমৎকার। অথচ এগুলো নাকি এক আওয়ামীলীগ নেতা বিষ দিয়ে ধ্বংশ করার অপচেষ্ট চালায়।

Address

Dhaka
1230

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when বাংলাদেশের কৃষি posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category