সুন্নতী বিবাহ বা অর্ধেক দ্বীন সেন্টার

  • Home
  • Bangladesh
  • Dhaka
  • সুন্নতী বিবাহ বা অর্ধেক দ্বীন সেন্টার

সুন্নতী বিবাহ বা অর্ধেক দ্বীন সেন্টার সুন্নতী বিবাহ

12/07/2026
25/12/2025

💍 ডাক্তার পাত্রী চাই: ইন্জিনিয়ার পাত্রের জন্য
🇧🇩
​🤵 পাত্রের বিস্তারিত প্রোফাইল:
​বয়স ও উচ্চতা: ২৬ বছর, ৫' ৮"+
​শিক্ষা : BSc in Engineering, Public Engineering University
​বৈবাহিক অবস্থা: অবিবাহিত।
​পারিবারিক পটভূমি: শিক্ষিত পরিবার, ইসলাম ধর্মাবলম্বী।
​বর্তমান ঠিকানা - চট্টগ্রাম শহরে
/
​👰 যেমন পাত্রী খুঁজছি:
​বৈবাহিক অবস্থা: অবিবাহিত।
​উচ্চতা: সর্বনিম্ন ৫' ২"+।
​শিক্ষা: এমবিবিএস স্টুডেন্ট বা পাশ
​পছন্দের অবস্থান: সমগ্র বাংলাদেশ🇧🇩
​ধর্ম: ইসলাম।

​📞 যোগাযোগ:
​আগ্রহী ও আন্তরিক পরিবারকে অনুরোধ করা হচ্ছে, পাত্রীর সাম্প্রতিক ছবি ও সম্পূর্ণ বায়োডাটা সহ সরাসরি আমাদের WhatsApp নম্বরে যোগাযোগ করুন।
​📲 +88 01789 549102
📲 +88 01827 021697

24/11/2025

বিয়ের ক্ষেত্রে নবিজির (সা.) সুন্নাহ
যে সমাজে বিয়ে সহজ হবে,
সেই সমাজ ব্যভিচারমুক্ত হবে। পক্ষান্তরে যে সমাজে বিয়ে কঠিন হবে, সেই সমাজে ব্যভিচার সহজ হয়ে পড়বে। এজন্য বিয়ের ক্ষেত্রে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের মূল সুন্নাহ হলো বিয়ে সহজ করার প্রতি উদ্বুদ্ধ করা। এ কারণেই রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বিয়েকে সহক করতে দিকনির্দেশনা দিয়েছেন। তাহলো-

১. বিয়ের নিয়ত শুদ্ধ করা
নারী-পুরুষের উভয়ের উচিত বিয়ের মাধ্যমে নিজেকে হারামে লিপ্ত হওয়া থেকে বাঁচানোর নিয়ত করা। তাহলে উভয়ে এর দ্বারা সাদাকার সওয়াব লাভ করবে। কারণ, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন-
‘তোমাদের সবার স্ত্রীর যোনিতেও রয়েছে সাদকা। সাহাবিরা জিজ্ঞাসা করলেন ইয়া রাসুলুল্লাহ, আমাদের কেউ কি তার জৈবিক চাহিদা মেটাবে আর তার জন্য সে কি নেকী লাভ করবে? তিনি বললেন, ‘তোমরা কি মনে করো যদি সে ওই চাহিদা হারাম উপায়ে মেটাতো তাহলে তার জন্য কোনো গুনাহ হত না? (অবশ্যই হতো) অতএব তেমনি সে যখন তা হালাল উপায়ে মেটায়, তার জন্য নেকী লেখা হয়।’ (মুসলিম ১৬৭৪)

২. ইস্তিখারা করা
মুসলিম নর-নারীর জীবনে বিয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ। তাই যখন তারা বিয়ের সিদ্ধান্ত নেবেন তাদের জন্য কর্তব্য হলো ইস্তিখারা তথা আল্লাহর কাছে কল্যাণ কামনা করা। হজরত জাবির রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেছেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, ‘যখন তোমাদের কেউ গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে চায় সে যেন দু’রাকাত নফল নামাজ পড়ে অতপর বলে–
اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْتَخِيرُكَ بِعِلْمِكَ وَأَسْتَقْدِرُكَ بِقُدْرَتِكَ وَأَسْأَلُكَ مِنْ فَضْلِكَ الْعَظِيمِ فَإِنَّكَ تَقْدِرُ ، وَلاَ أَقْدِرُ وَتَعْلَمُ ، وَلاَ أَعْلَمُ وَأَنْتَ عَلاَّمُ الْغُيُوبِ اللَّهُمَّ إِنْ كُنْتَ تَعْلَمُ أَنَّ هَذَا الأَمْرَ خَيْرٌ لِي فِي دِينِي وَمَعَاشِي وَعَاقِبَةِ أَمْرِي ، أَوْ قَالَ عَاجِلِ أَمْرِي وَآجِلِهِ – فَاقْدُرْهُ لِي وَيَسِّرْهُ لِي ثُمَّ بَارِكْ لِي فِيهِ وَإِنْ كُنْتَ تَعْلَمُ أَنَّ هَذَا الأَمْرَ شَرٌّ لِي فِي دِينِي وَمَعَاشِي وَعَاقِبَةِ أَمْرِي ، أَوْ قَالَ فِي عَاجِلِ أَمْرِي وَآجِلِهِ – فَاصْرِفْهُ عَنِّي وَاصْرِفْنِي عَنْهُ وَاقْدُرْ لِي الْخَيْرَ حَيْثُ كَانَ ثُمَّ أَرْضِنِي.
‘হে আল্লাহ, আমি আপনার ইলমের মাধ্যমে আপনার নিকট কল্যাণ কামনা করছি। আপনার কুদরতের মাধ্যমে আপনার নিকট শক্তি কামনা করছি এবং আপনার মহা অনুগ্রহ কামনা করছি।‌ কেননা আপনি শক্তিধর, আমি শক্তিহীন, আপনি জ্ঞানবান, আমি জ্ঞানহীন এবং আপনি অদৃশ্য বিষয় সম্পর্কে পূর্ণ জ্ঞানী। হে আল্লাহ, এই কাজটি (এখানে উদ্দিষ্ট কাজ বা বিষয়টি উল্লেখ করবেন) আপনার জ্ঞান মোতাবেক যদি আমার দীন, আমার জীবিকা এবং আমার পরিণতির ক্ষেত্রে অথবা ইহলোক ও পরলোকে কল্যাণকর হয়, তবে তাতে আমাকে সামর্থ্য দিন। পক্ষান্তরে এই কাজটি আপনার জ্ঞান মোতাবেক যদি আমার দীন, জীবিকা ও পরিণতির দিক দিয়ে অথবা ইহকাল ও পরকালে ক্ষতিকর হয়, তবে আপনি তা আমার থেকে দূরে সরিয়ে রাখুন এবং আমাকেও তা থেকে দূরে সরিয়ে রাখুন এবং কল্যাণ যেখানেই থাকুক, আমার জন্য তা নির্ধারিত করে দিন। অত:পর তাতেই আমাকে পরিতুষ্ট রাখুন। (বুখারী ১১৬৬)

৩. পরামর্শ করা
বিয়ে ও সংশ্লিষ্ট বিষয়ে অভিজ্ঞ, পাত্রী ও তার পরিবার সম্পর্কে ভালো জানাশুনা রয়েছে এমন ব্যক্তির সঙ্গে পরামর্শ করা। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁর সাহাবিদের সঙ্গে অধিক পরিমাণে পরামর্শ করতেন।
হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন,‘আমি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের চেয়ে অন্য কাউকে আপন সাথীদের সঙ্গে বেশি পরামর্শ করতে দেখিনি।’ (তিরমিজি ১৭১৪)

৪. সৎ ও খোদাভীরু পাত্র-পাত্রীর সন্ধান করে বিয়ের পয়গাম পাঠানো এবং কোন বাহানা বা সুযোগে পাত্রী দেখা সম্ভব হলে, দেখে নেওয়া। হজরত জাবের ইবন আবদুল্লাহ রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেছেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন-
إِذَا خَطَبَ أَحَدُكُمُ الْمَرْأَةَ فَقَدَرَ عَلَى أَنْ يَرَى مِنْهَا مَا يُعْجِبُهُ وَيَدْعُوهُ إِلَيْهَا فَلْيَفْعَلْ. قَالَ جَابِرٌ : فَلَقَدْ خَطَبْتُ امْرَأَةً مِنْ بَنِى سَلِمَةَ فَكُنْتُ أَتَخَبَّأُ فِى أُصُولِ النَّخْلِ حَتَّى رَأَيْتُ مِنْهَا بَعْضَ مَا أَعْجَبَنِى فَتَزَوَّجْتُهَا
‘তোমাদের কেউ যখন নারীকে বিয়ের প্রস্তাব দেয়, অতপর তার পক্ষে যদি ওই নারীর এতটুকু সৌন্দর্য দেখা সম্ভব হয়, যা তাকে মুগ্ধ করে এবং মেয়েটিকে (বিবাহ করতে) উদ্বুদ্ধ করে, সে যেন তা দেখে নেয়।’ (বাইহাকি ১৩৮৬৯)

মনে রাখা জরুরি
আনুষ্ঠানিকভাবে ঘটা করে পাত্রী দেখানোর যে প্রথা আমাদের সমাজে প্রচলিত, তা সুন্নাতের পরিপন্থী ও পরিত্যাজ্য। (ইমদাদুল ফাতাওয়া ৪/২০০)

৫. বিয়ে হবে সাদাসিধে ও অনাড়ম্বর। আবশ্যক হল, অপচয়, অপব্যয়, বেপর্দা ও বিজাতীয় সংস্কৃতি, গান-বাদ্য, ভিডিও-অডিওমুক্ত বিয়ে হওয়া। আল্লাহ তাআলা বলেন-
إِنَّ الْمُبَذِّرِينَ كَانُوا إِخْوَانَ الشَّيَاطِينِ ۖ وَكَانَ الشَّيْطَانُ لِرَبِّهِ كَفُورًا
‘নিশ্চয় অপচয়কারী শয়তানের ভাই। আর শয়তান হচ্ছে তার প্রভুর প্রতি বড় অকৃতজ্ঞ।’ (সুরা বনি ইসরাঈল : আয়াত ২৭)

৬. সামর্থ্যের অধিক মহরানার শর্ত না থাকা; বরং মহরানা সামর্থ্যানুযায়ী ধার্য করা। কেননা হজরত আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত হাদিসে এসেছে, তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন,
إِنَّ مِنْ يُمْنِ الْمَرْأَةِ : تَيْسِيرَ خِطْبَتِهَا ، وَتَيْسِيرَ صَدَاقِهَا ، وَتَيْسِيرَ رَحِمِهَا
কনের বরকতের আলামত হচ্ছে- বিয়ের প্রস্তাবনা সহজ হওয়া, মোহরানা সহজসাধ্য হওয়া এবং গর্ভ ধারণ সহজ হওয়া। (মুসনাদে আহমাদ ২৩৯৫৭)

অন্যত্র নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, خَيْرُ الصَّدَاقِ أَيْسَرَه‘সর্বোত্তম মোহরানা হচ্ছে- সহজসাধ্য মোহরানা।’ (বাইহাকি ১৪৭২১)

৭. শাওয়াল মাসে বিয়ে সম্পাদন করা। হজরত আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা বলেন-
تَزَوّجَنِي رَسُولُ اللهِ ﷺ فِي شَوّالٍ، وَبَنَى بِي فِي شَوّالٍ، فَأَيّ نِسَاءِ رَسُولِ اللهِ ﷺ كَانَ أَحْظَى عِنْدَهُ مِنِّي؟
‘রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাকে শাওয়াল মাসেই বিয়ে করেছেন এবং শাওয়াল মাসেই আমার বাসর করেছেন। সুতরাং তার কাছে আমার চেয়ে অধিক সৌভাগ্যবতী স্ত্রী আর কে আছে?’ (মুসলিম ১৪২৩)

উল্লেখ্য, সকল মাসের যে কোন দিন বিবাহ করা জায়েয আছে।

৮. বিয়ের খবর ব্যাপকভাবে প্রচার করে বিয়ে করা এবং জুমার দিন মসজিদে (বিয়ে) সম্পাদন করা। হজরত আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত হাদিসে এসেছে, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন,
أَعْلِنُوا هَذَا النِّكَاحَ وَاجْعَلُوهُ فِي الْمَسَاجِدِ
‘তোমরা এ বিয়ের ঘোষণা দাও এবং তা মসজিদে সম্পাদন কর।’ (তিরমিজি ১০৮৯)

৯. রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের শেখানো অভিনন্দনের মাধ্যমে বর-কনে পরস্পরকে অভিনন্দন জানানো। হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেছেন, যখন কেউ বিয়ে করত তখন নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম শুভেচ্ছা জানাতেন ও তাদের জন্য এই বলে দোয়া করতেন-
بَارَكَ اللَّهُ لَكَ ، وَبَارَكَ عَلَيْكَ ، وَجَمَعَ بَيْنَكُمَا فِي خَيْرٍ
অর্থ : আল্লাহ তোমাকে বরকত দিন, তোমার ওপর বরকত ঢেলে দিন এবং তোমাদের দুইজনকে কল্যাণের ওপর একত্রিত করুন। (আবু দাউদ ২১৩০)

১০. ওয়ালিমা বা বৌভাত করা
বিয়ের ক্ষেত্রে ওয়ালিমার আয়োজন করা একটি গুরুত্বপূর্ণ সুন্নত। এটি বিয়ের প্রচারণার অন্তর্ভুক্ত এবং আনন্দ ও খুশি প্রকাশ করার শামিল।

হজরত আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেছেন, আব্দুর রহমান বিন আউফ রাদিয়াল্লাহু আনহু যখন বিয়ে করেছেন তখন নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাকে বলেন, أَوْلِمْ وَلَوْ بِشَاةٍ ‘একটি ছাগল দিয়ে হলেও তুমি ওয়ালিমার আয়োজন কর।’ (বুখারি ও মুসলিম)

উল্লেখ্য, ওয়ালিমায় অতিরিক্ত ব্যয় করা কিংবা খুব উঁচু মানের খানার ব্যবস্থা করা জরুরী নয়। বরং সামর্থ্যানুযায়ী খরচ করাই সুন্নাত আদায়ের জন্য যথেষ্ট। যে ওয়ালিমা শুধু ধনী ও দুনিয়াদার লোকদের দাওয়াত করা হয়, দীনদার ও গরীব-মিসকিনদের দাওয়াত করা হয় না, সে ওয়ালিমাকে হাদীসে নিকৃষ্টতম ওয়ালিমা বলে আখ্যায়িত করা হয়েছে। সুতরাং এ ধরনের নিকৃষ্ট ওয়ালিমার আয়োজন থেকে বিরত থাকা উচিত। (আবু দাউদ ৩৭৫৪)

 # # # 💍 বিবাহের জন্য বায়োডাটা # # # 🧩ইমার্জেন্সি পাত্র চাই **👩 নাম:** মাহিয়া ইসলাম সাফি**📍ঠিকানা:** মিরপুর, ঢাকা**🎓 শ...
07/11/2025

# # # 💍 বিবাহের জন্য বায়োডাটা

# # # 🧩ইমার্জেন্সি পাত্র চাই

**👩 নাম:** মাহিয়া ইসলাম সাফি
**📍ঠিকানা:** মিরপুর, ঢাকা

**🎓 শিক্ষা:**
বর্তমানে অনার্স ও মাস্টার্স সম্পন্নের পথে (চলমান)। শিক্ষার প্রতি আগ্রহী, পরিশ্রমী ও ভদ্র স্বভাবের একজন শিক্ষিত মেয়ে।

**👨‍👩‍👧 পরিবারিক পরিচয়:**

* পরিবারটি শিক্ষিত ও সম্মানিত।
* পিতা: হাই স্কুলের শিক্ষক।
* মাতা: গৃহিণী।
* মোট ভাইবোন: ৭ জন (চার ভাই, তিন বোন)।
* দুই বোনের বিবাহ সম্পন্ন হয়েছে।
* তিন ভাই প্রবাসী (দুইজন অস্ট্রেলিয়ায়, একজন সৌদি আরবে)।
* মাহিয়া ইসলাম সাফি সবার ছোট মেয়ে।

**💫 ব্যক্তিত্ব ও গুণাবলী:**
মাহিয়া ইসলাম সাফি একজন বিনয়ী, ধর্মপরায়ণ, পারিবারিক ও সৎ চরিত্রের অধিকারিণী। তিনি সম্মানবোধ সম্পন্ন, পরিবারের মূল্য বোঝেন এবং সবার প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তার জীবনদৃষ্টি ইতিবাচক ও সুন্দর ভবিষ্যৎ গঠনে বিশ্বাসী।

**🔹 পাত্রের জন্য চাহিদা:**
একজন শিক্ষিত, মার্জিত, ভদ্র ও দায়িত্বশীল মুসলিম পুরুষ, যিনি পারিবারিক মূল্যবোধে বিশ্বাসী এবং জীবনে সততা ও সম্মান বজায় রাখেন।

**📞 যোগাযোগ:**
👉 01976047684

*শুধুমাত্র আগ্রহী ও যোগ্য প্রার্থীরাই যোগাযোগ করবেন। অনুগ্রহ করে অপ্রয়োজনীয় মন্তব্য বা বাজে মন্তব্য থেকে বিরত থাকুন।

24/09/2025

❒ প্রার্থীর নামঃহাবিবা

❒ আসল বয়সঃ ১/১২/২০০৪

❒ উচ্চতাঃ৫'

❒ ওজনঃ ৫০

❒ বর্ণঃ, শ্যামলা

❒ শারিরিক/মানসিক কোন সমস্যা আছে কিনাঃ জি না
❒ জ্বীনগত কোনো সমস্যা আছে কিনাঃজি না

❒ পেশাঃমাদরাসার শিক্ষিকা

❒ যে বিষয়ে পড়াশুনা করেছেনঃকুরআন,হাদীস

❒ সর্বোচ্চ শিক্ষাগত যোগ্যতাঃদাওরা

❒ সর্বোচ্চ শিক্ষাগত যোগ্যতা কত সালে লাভ করেছেনঃ২২-২৩

❒ সর্বোচ্চ ডিগ্রি অর্জনে ফলাফল:জায়্যিদ

❒ (পাত্রীর ক্ষেত্রে) হিজাব/নিকাব/হাতামোজা পড়া হয় কিনাঃ জি,খাস পর্দা করি আলহামদুলিল্লাহ

❒ (পাত্রীর ক্ষেত্রে) বিবাহের পরে শ্বশুর-শ্বাশুড়ীর সাথে থাকতে ও তাদের সেবা দিতে ইচ্ছুক কিনাঃ জি ইংশা আল্লাহ

❒ নাটক/সিনেমা দেখেন কিনা বা কবে দেখা বন্ধ করেছেনঃ দেখা পরে না

❒ মাহরাম নন-মাহরাম মেনে চলা হয় কিনাঃ জি আলহামদুলিল্লাহ

❒ সালাত নিয়মিত কত বছর ধরে আদায় করছেনঃছোট থেকেই আলহামদুলিল্লাহ

❒ আপনার সালাত কি ক্বাযা হয়? হলে সপ্তাহে কত ওয়াক্ত ক্বাযা হয়ঃহয় না আলহামদুলিল্লাহ

❒ তাহাজ্জুদ সলাত আদায় করা হয় কিনা:জি আলহামদুলিল্লাহ

❒ তাহাজ্জুদ সলাত কতদিন ধরে আদায় করার অভ্যাস হয়েছে:ছাত্রী জিবন থেকেই চেষ্টা করি

❒ আপনার পছন্দের সেরা ৫ জন আলেমের নাম বলুনঃআহমাদ শফি,দেলোয়ার হোসেন সাঈদি,শায়েখ আহমাদুললাহ,মিজানুর রহমান আজহারি,

❒ কুরআন তেলাওয়াত শুদ্ধ উচ্চারনে করতে পারেন কিনা: আলহামদুলিল্লাহ

❒ কুরআন তেলাওয়াত সপ্তাহে আনুমানিক কত ঘন্টা করা হয়:পরে বলবো ইংশা আল্লাহ

❒ কুরআন তেলাওয়াত কোন সময়টায় বেশী করেন:ফজর,মাগরিব

❒ কুরআন এর কতগুলো সুরা বা আয়াত আপনার মুখস্থ আছে: আমলিয়াত সুরা,৩০ পারার কয়েকটা সুরা

❒ যুহুদ (অল্পেতুষ্ট) অবলম্বন করার মানসিকতা আছে কিনা:জি সবসময় আলহামদুলিল্লাহ

❒ আরবী ভাষা শিখার কোনো চেষ্টা করেছেন কিনা: জি

❒ বাস্তব জীবনে কি কি সুন্নাহ মেনে চলেন বা তার উপর আমল করছেন: এগুলো গোপনীয় রাখা দরকার, তাই তার কাছেই একা জানাবো

❒ ইসলামিক দাম্পত্য জীবন নিয়ে আপনার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা কি:পুরো আল্লাহর পছন্দের মতো গরে তুলবো ইংশা আল্লাহ, এই নিয়ে সপ্ন আছে অনেক কিছু

❒ নিজের সম্পর্কে (পছন্দ/অপছন্দ, নিজের ভাল/মন্দ) যা বলতে চান বিস্তারিতঃ আমি আলেম পছন্দ করি, পর্দা করতে ভালোবাসি,আরো কিছু আছে পরে জানাবো ইংশা আল্লাহ

❒ যেমন অর্ধেক দীন চানঃ ভদ্রলোক,আালেম, দীনদার,মুন্সিগনজ এর ভিতরে

Address

বাংলাদেশ
Dhaka
১২০০

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when সুন্নতী বিবাহ বা অর্ধেক দ্বীন সেন্টার posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category