23/08/2019
নতুন রূপে আসছে ম্যারিয়ট কনভেনশন সেন্টার
ঐতিহ্য আর আধুনিকতার মেলবন্ধন
অবস্থান, সেবা, খাবার, ও পিলার বিহীন বৃহৎ হলের নকশায় আমাদের আছে পুরনো ঐতিহ্য।
সেবা, খাবার আর সৌন্দর্যে কখনো আমাদের সমৃদ্ধ ঐতিহ্যের বাহারি ভাব, আবার কখনো দেশি ঐতিহ্যের স্নিগ্ধতা। প্রকৃত অর্থে ঐতিহ্য আর আধুনিকতা মিশেল। পাশ্চাত্যের আধুনিকতার সঙ্গে প্রাচ্যের ঐতিহ্য আর আভিজাত্যের এক শৈল্পিক সমন্বয় যেন। হল ডেকোরেশনে কখনো শুভ্র ফুলের স্নিগ্ধতা, তো কখনো রাতে জমকালো নকশা। নকশায় আছে যেমন বাহারি সৌন্দর্য আর সুবাস তেমনি আলো-ঝলকানো কাঠ ও পুঁতি পাথরের কাজও। সাদার শুভ্রতা ধরা পড়ে জীবনের অন্য রঙে আবার নকশিকাঁথার নিলে হাড়িয়ে যায় মন। সব মিলিয়ে যেন ঐতিহ্য আর আধুনিকতার এক পসরা।
আপনার জন্যই নতুন করে ঢেলে সাজানো হবে ম্যারিয়ট কনভেনশন সেন্টার আবার।ঢাকার প্রথম সারির কনভেনশন সেন্টারগুলোর মধ্যে অন্যতম ম্যারিয়ট কনভেনশন সেন্টার। আধুনিক সুযোগ-সুবিধা, পিলারবিহিন বৃহৎ হল ও ভালো পরিবেশের জন্য সকলেরকাছে এই কনভেনশন সেন্টারের যথেষ্ট আস্থা এবং গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে। হলটি শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত। এ ছাড়া আধুনিকতা,সার্ভিস,খাদ্যমান ও স্বাদ, যথেষ্ট টয়লেট, পার্কিং ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা এসব বিবেচনায় ম্যারিয়ট কনভেনশন সেন্টার দেশের প্রথম সারির হলগুলোর একটি।
সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতেই এমন পরিবর্তন ।‘সময় পাল্টেছে, সঙ্গে মানুষের রুচির পরিবর্তন হয়েছে। আমরা সব সময় দর্শক রুচির কথা চিন্তা করে ম্যারিয়ট কনভেনশন সেন্টার এর সংস্কার করেছি এর আগেও। এবার আরো একধাপ এগিয়ে যাবে হলে সেন্টার এর পরিবেশ। একজন রুচিশীল মানুষ যেন সুন্দর একটি পরিবেশে তার কাঙ্ক্ষিত অনুষ্ঠানটি পারেন, আমরা সেই পরিবেশটা দিতে চাই।’
খোলামেলা সুসজ্জিত এ সেন্টারে থাকবে থাকবে বিশেষভাবে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ও দক্ষ রন্ধনশিল্পী এবং হরেক রকম খাবারের আয়োজন।
সেন্টারটি মোটামুটি আবার নতুনভাবেই সাজানো হচ্ছে। বিশ্বের সর্বাধুনিক প্রযুক্তি, আসবাবপত্র, নকশা ও সুযোগ-সুবিধা ব্যবহার করা হবে এতে। হোটেলের অতিথিকক্ষে সূর্যের তাপ যাতে খুব বেশি প্রবেশ করতে না পারে সেই ব্যবস্থা রয়েছে। এতে করে শীতাতপ যন্ত্রের এমন প্রযুক্তি ব্যবহার করা হবে যেখানে অতিথি হলে প্রবেশের পর তার শরীরের তাপমাত্রার সঙ্গে সংগতি রেখে শীতাতপ যন্ত্র ঠান্ডা বাতাস ছড়াবে।