DreamCatcher EventManagement

DreamCatcher EventManagement Our Client Base: Dhaka, Chittagong , Rajshahi , Comilla, Barisal , Khulna, Sylhet, Rangpur , Rangpur , Jessore Etc.

"DreamCatcher" A To Z Event Solutions provides high quality event design and management services. From event promotion, event sampling programs, to full event ex*****on. We service a variety of companies in areas including corporate events (product launches, press conferences, corporate meetings and conferences), marketing programs (road shows, grand opening events), and special events like concer

ts, award ceremonies, film premieres, launch/release parties, fashion shows, private (personal) events such as weddings and themed parties. "DreamCatcher" A To Z Event Solutions execute of Organizing and managing local and International trade exhibitions including opening Ceremonies, performances, receptions, conferences, symposiums and trade fairs. We have established the company with quality and expertise along with a wide range of clients to address the specific purpose of creating meaningful events for Industry. It is a team of young professionals with over professional experience in successfully organizing Trade fairs, Event, Venue Management and conferences in Bangladesh. "DreamCatcher" A To Z Event Solutions brings together people and markets for every line of business aim to create the right setting and offer excellent services. We are not the oldest but we do believe we will be the largest and the one of the best organizers of specialist trade Exhibition targeting private sector businesses and consumers. "DreamCatcher" A To Z Event Solutions has gained a wide professional experience in this realm and yet is committed and dedicated to deliver right environment to get the best business deals and contacts to our clients and exhibitors to revive dormant and emerging markets, creating high profile and highly targeted business and consumer exhibitions. "DreamCatcher" A To Z Event Solutions aims to facilitate communication around the globe amongst specialist people to present new avenues for local international trade and to forge closer links and networking between local and international enterprises through exchange of experience and expertise on best business practices and strategies. Range of Services: for Organizers for their exhibitions
Being organizers ourselves helps us to understand the requirements of an organizer completely.

* We have the resources to enter into full-fledged partnerships from concept building, marketing strategy, exhibitor catalogue, up to final site ex*****on;

* Concept development & strategy;

* Publicity & media coverage;

* Venue selection;

* Facilities, contractor & vendor negotiation;

* Complete Venue Management;

* Registrations;

* Equipment hire;

* Catering;

* Accommodation & Transportation;

* Social Events;

* Product & service base Road show, campaign; Activation

* Post-event analysis;

* Design, construction, decoration of exhibition stands, pavilions, showrooms;

* Graphic design, art work and printing;

* Consultant, research, analysis on market;

* Trade in facilities and equipment of exhibition and advertisement. If you are interested please contact with us. We will send our Marketing Executive to you. Please Mail us : [email protected]

Our contact no : +8801911114489

You can also visit our office:

"DreamCatcher"

A To Z Event Solutions...
3rd Floor, H # 38/B, R # 9/A,
Dhanmondi R/A, Dhaka, Bangladesh

Xm tym a sit plan jdi amn hoi...........
12/08/2015

Xm tym a sit plan jdi amn hoi...........

12/08/2015

একজন নাঈলা নাইম!

একটা মেয়ে একটা চা এর দোকানে পাশে বসে বসে তার কুকুরকে কে খাবার দিচ্ছিলো, হঠাৎ করে একটা মোটর সাইকেল এসে থামলে, ওই মোটর সাইকেল থেকে একটা ছেলে নামলো, মেয়েটা ছেলেটার দিকে বড় বড় চোখ করে দিকে তাকিয়ে রইলো। মনে মনে চিন্তা করলো এই এলাকাতে এতো ফিট আর স্মার্ট ছেলে কিভাবে আসলো! ছেলেটা সিগারেট নিয়ে এরপর চলে গেলো। মেয়েটা ছেলেটার চলে যাবা পর্যন্ত তাকিয়ে রইলো। যতক্ষণ পর্যন্ত না মোটর সাইকেলটা শুন্যে হারিয়ে গেলো।

এরপর প্রায় ৩ বছর হয়ে গেছে, মেয়েটা ছেলেটাকে নোটিশ করতো। সবসময় ছেলেটা মেয়াটার পাশ দিয়ে চলে যেতো ,কিন্তু একবার ওঁ মেয়েটাকে খেয়াল করতো না। প্রত্যেকবার এক এক রুপে আবির্ভাব হতো ছেলেটা, এক এক সময় এক এক চুলের কাট অথবা এক এক স্টাইলে আসতো ছেলেটা। মেয়েটা তার আরো ২ টা ফ্রেন্ডকে ছেলেটার কথা বলে, তা শুনে মেয়েটার ফ্রেন্ডরা বলে "তুই তোর নিজের পরিচয় দিয়ে কথা বলতেই পারিস ছেলেটার সাথে। মেয়েটা হেসে উড়ায় দিয়ে বলে দুর, কি বলবো? বলার কিছু নাই। একটা মানুষকে দেখতে ভালো লাগতেই পারে, এইটা আবার বলার কি আছে? আর আমিতো আর অর প্রেমে পরি নাই, যে বলতে হবে কিছু। দিন কেটে যাচ্ছে তারা এখন সবার কাছে পরিচিত মানুষ, মেয়েটা কোন না কোন ভাবে ছেলেটার নাম জানতে পারে। ওই হ্যান্ডসাম ছেলেটা মেয়েটার কাছে এখনো একজন অসাধারণ মানুষ। কিন্তু কোন দিন তার সাথে কথা বলার আকর্ষণ অনুভব করে নাই।

কিন্তু আজকে সকালবেলা মেয়েটা যখন তার ফেসবুক চেক করার সময় এক একটা ফ্রেন্ড রিকুয়েস্ট বাতিল করে দিচ্ছিলো তখন দেখলো ওই অসাধারণ ছেলেটা ফ্রেন্ড রিকুয়েস্ট পাঠিয়েছে, মেয়েটা অবাক হয়ে ওর প্রোফাইলেটা দেখলো, এরপর হেসে ফ্রেন্ড রিকুয়েস্টটা বাতিল করে দিলো। ছেলেটা কিছুই জানেনা এই গল্পের। গল্পটা এইখানেই শেষ।

ছেলেটার নাম নাই বললাম কিন্তু মেয়েটার নাম নাইলা নাইম।

[গল্পটা নাঈলা নাইম এর ১৬ই মার্চ, ২০১৪ এর বিকাল বেলার একটা স্ট্যাটাস থেকে নেয়া।]

12/08/2015

সব কিছু নিয়েই ব্যবসা হয় এখন ..."মোহনা টিভি"তে দেখলাম নতুন এক লকেট বের হইছে নাম "আল্লাহ লকেট"। এই লকেট গলায় দিলেই দুনিয়ার সব সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে।
এই লকেটের গুনগান করার জন্য এক অভিনেতারে আনা হইছে। ওই অভিনেতা নিজেরে অধিক কামেল বানানোর জন্য নকল দাঁড়ি লাগায়ে লকেটের গুনগান করতেছে ... বুঝেন অবস্থা।
-২৫০০ টাকা দিয়ে এই লকেট কিনলে আপনি কোটি টাকার মালিক হয়ে যাবেন।
-পরীক্ষায় পাশ নিশ্চিত
এক মেয়ে আবার কেঁদে কেঁদে বলতেছে,"আমার এতদিন বিয়ে হয় নাই, লকেট লাগানোর ৭ দিন পর কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ার ছেলের সাথে বিয়ে হয়ে গেছে"
(আমি মোটামুটি নিশ্চিত, এইভাবে কেঁদে কেঁদে আল্লাহ্‌র কাছে দোয়া করলে লকেট এর দরকার হইতো না)
তাও আবার বাজারের সব আল্লাহ লকেট কিনলে নাকি সুফল পাওয়া যায় না "টিটিএস ব্র্যান্ড এর আল্লাহ লকেট কিনতে" হবে ।
(এরা এখন আল্লাহ্‌র নামেরও ব্র্যান্ড বানায় দিছে )
সর্বশেষে,
কোনও ভালো ব্র্যান্ড এর লকেট এর দরকার নাই , প্রতিদিন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়েন ... সমস্যার সমাধান এমনেই হবে ... আপনি নিজেই একটা ব্র্যান্ড হয়ে যাবেন একদিন।
কালেকটেড:

09/08/2015

ঢাবি ভর্তি পরিক্ষার প্রশ্ন-২০১৫
--------------------------
১.কোন সালকে এ প্লাস এর অন্ধকার যুগ বলা হয়?
উঃ ২০১৫ সালকে।
২.কোন বোর্ডে সম্প্রতি এ প্লাস এর মহামারি দেখা দেয়?
উঃ যশোর বোর্ড।
৩."এসএসসিতে যারা এ প্লাস পাইছে এইচএসসিতে তাদের অধিকাংশই ফেল"
-এ প্লাসের বাজারে আকস্মিক ধস নামার কারণ কি?
উঃ ২০১৪ সালে ঢাবি ভিসি কর্তৃক শিক্ষা মন্ত্রীকে অপমান।
৪.আমি পাইলাম! আমি এ প্লাস পাইলাম। এটা কার উক্তি?
উঃ যশোর বোর্ডের কোন এক পরিক্ষার্থীর।
৫. "প্রশ্ন আউট হয়েছে তো কি হয়েছে? রেজাল্ট তো ভাল করতে পারে নাই। আমরা হাতে মারি না; ভাতে মারি"- উক্তিটি কার?
- উঃ শিক্ষামন্ত্রীর
৬"এইবার দেশ হইতে লক্ষ্মী ছাড়িল" - উক্তিটি কার।
- জনৈক বুদ্ধিজীবির।
৭.'এই ফলাফল মানি না মানবনা' এটা কাদের অভিমত।
উঃ বাংলাদেশ মিষ্টি দোকানদার সমিতির।
৮. এ প্লাস পাওয়ার কাম নাই; পাশ করো। বাক্যটির সাথে নিচের কোন প্রবাদটির মিল আছে?
উঃ ভিক্ষার কাম নাই কুত্তা সামলাও!
৯. "হরতাল অবরোধরে কারণে এ বছর রেজাল্ট খারাপ হইছে! " -বাক্যটিতে কয়টি উপসর্গ আছে?
উঃ ২ টি
১০. "যার যা কিছু আছে তাই নিয়ে এডমিশনের জন্য প্রস্তুত থাক"- কাদের উদ্দেশ্যে বলা হয়েছে।
উঃ ২০১৫ সালে এডমিশন সীকারদের উদ্দেশ্যে

Credit goes to: Md. Abdullah Khan

29/06/2015

শত বছর ধরে গরীবদের খাবার যেখানে ফ্রি

১৯১২ সালে প্রতিষ্ঠার পর হোটেল মালিকের বিরুদ্ধে কর ফাঁকির অভিযোগ উঠে ১৯২০ সালে তখন তিনি ৫০০ টাকা দিয়ে একটি কুকুর বিক্রয় করে তা পরিশোধ করেন। সেই শতবছর ধরেই আকবরিয়া হোটেল বগুড়া, গরীবের হোটেল। না তারা কম টাকায় গরীবদেরকে খাওয়ায় না, বিনা পয়সায় গরীবদেরকে খাওয়ায়। সেই শতবছর ধরেই গরীবদেরকে বিনা পয়সায় খাওয়ায় হোটেল আকবরিয়া।


একশ বছরেরও বেশি সময় ধরে প্রতি রাতে দরিদ্র মানুষদের বিনামূল্যে খাবার দিয়ে আসছে বগুড়ার আকবরিয়া গ্র্যান্ড হোটেল৷ ভবিষ্যতেও এই ধারা চলবে ৷শুধু ব্যবসা প্রতিষ্ঠান হিসেবে নয়, মানব সেবায় শত বর্ষ পেরিয়েছে আকবরিয়া হোটেল। ভিক্ষুকের হাতকে কর্মের হাতিয়ার করার প্রত্যয় নিয়ে প্রতিষ্ঠাকাল থেকে বিভিন্নভাবে মানব সেবায় নিয়োজিত থেকেছে বগুড়া শহরের ঐতিহ্যবাহী এ হোটেলটি।

১৯১২ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকে প্রতিদিন প্রায় একশ গরিব ও আশ্রয়হীনদের বিনামূল্যে রাতের খাবার সরববরাহ করে হোটেল কর্তৃপক্ষ। রাত সাড়ে ১০টা পেরুতেই সড়কের দুইপাশ দিয়ে জড়ো হতে থাকে কর্মহীন ও ক্ষুধার্তরা।

শুধু তাই নয়, ৫০ টিরও বেশি মসজিদ, মক্তব ও মাদ্রাসা নিজস্ব টাকায় পরিচালনা করে আকবরিয়া হোটেল কর্তৃপক্ষ।

আকবরিয়া হোটেলের মালিক ছিলেন আলহাজ্ব আকবর আলী। তিনি ১৮৯০ সালে জন্মগ্রহণের পর থেকে মৃত্যু পর্যন্ত (১৯৭৫ সাল পর্যন্ত) মানুষের সেবা করে নিজ সম্পদকে বিলিয়ে দিতে দ্বিধা করেননি। পরবর্তীতে শাজাহান আলী, সিদ্দিকুর রহমান জাহাঙ্গীর হোসেন তোতা, শাহানুর ইসলাম শাহীন, হোসেন আলী দুলাল, হাসান আলী আলালসহ অন্যান্য উত্তরাধিকারীরা আকবর আলীর দেখানো পথে চলেছেন। আকবর আলীর মানব সেবার ধারা অব্যাহত রেখেছেন তারা।

সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে ব্যবসা পরিচালনা করতে করতে এক পর্যায়ে আকবরিয়া হোটেলটি দ্রুত উত্তরাঞ্চলসহ দেশব্যাপী ব্যাপক সুনাম অর্জন করে। সীমিত লাভ রেখে ভাল ও পরিচ্ছন্ন খাবার বিক্রি করায় অল্প দিনেই আকবরিয়া হয়ে বগুড়ার হোটেল ব্যবসার একটি আদর্শ। বগুড়া রেলস্টেশন এলাকায় থেকে দীর্ঘ দিন ধরে গরীবরা এ খাবার খেয়ে রাত্রীকালীন ক্ষুধা নিবারণ করে আসছেন। ‍বগুড়া শহরের সাতমাথাস্থ আকবরিয়ার এ সেবা যেন কিয়ামত পর্যন্ত অব্যাহত থাকে, এমনটাই চাওয়া তাদের।


আকবরিয়া হোটেল নিয়ে বগুড়ার স্থানীয় মানুষের মতামত:

আকবরিয়ার খাবারও মানও সর্বজন বিদিত। স্বল্প মূল্যে পাওয়া যায় মানসম্মত খাবার। কয়জন কতটুকু লাভ নিয়ে কী মানের খাবার সরবরাহ করছেন, সেটাই ভেবে দেখার বিষয়। যেখানে বাসি ও পচা খাবার বলে কিছু পাওয়া যায় না, তার নাম হোটেল আকবরিয়া।
উত্তরাঞ্চলসহ ঢাকার বেশ কয়েকটি হোটেলে ভাত খেয়েছি। এত অল্প খরচে এত উন্নমানের খাবার কোথাও খাইনি। এখানকার আলু, মাছ, কলা ও কালোজিরা ভর্তা সত্যই অসাধারণ। রান্না করা গোশতগুলো খেলে মনে হয় হোটেল নয়, বাড়ির তৈরী খাবার খাচ্ছি।
দেশে অনেক হোটেল আছে, তাদের জানা মতে এমন কোনো হোটেল নেই, যেখানে প্রতিদিন রাতে গরীব-দুঃখী ১০০ মানুষের জন্য পৃথক খাবার রান্না করা হয়। এটা দেশে একটি বিরল ঘটনা বলেই দাবি করলেন তারা। তারা অনেকদিন রাত ৭ টা থেকে ৮ টার মধ্যে দই মিষ্টি কিনতে গিয়ে ব্যর্থ হয়েছেন আকবরিয়ায়। হোটেলে উপস্থিত কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, সন্ধ্যার আগেই সব শেষ হয়ে গেছে।

আকবরিয়া হোটেলের ইতিহাস সম্পর্কে মাহমুদ আওরঙ্গজেব বলেন, যুগে যুগে স্বীকৃতি যেটুকু পাওয়া গেছে-তা কেবল কবি, সাহিত্যিক ও সাংবাদিক মহলসহ সাধারণ কিছু মানুষের কাছে। কিন্তু রাষ্ট্রীয়ভাবে কোনো কিছুই পাওয়া হয়নি তাদের। তার মতে, আকবরিয়াকে সম্মান দেখালে হয়তো দেশের আরও ব্যবসায়ীরা মানব সেবায় কাজ করতে উৎসাহ বোধ করতেন।

বাবার শিক্ষা:

আকবরিয়া হোটেলের পরিচালক হোসেন আলী আলাল জানান, বাবার কাছ থেকে তারা শিখেছেন মানুষের জন্য কাজ করলে আল্লাহ তার জন্য করেন। তাই ছেলেবেলা থেকেই ব্যবসার পাশাপাশি মানুষের জন্য কাজ করে যচ্ছি। জীবনে কখনও কাউকে এসব প্রচারের জন্য গণমাধ্যমে বিন্দুমাত্র অনুরোধ করা হয়নি।

এভাবেই চলছে বগুড়া তথা উত্তর বঙ্গের প্রধান হোটেলটি

09/06/2015

ভালো লিখছে বোন আমার ....

মেয়েটার মিলিয়ে পরা ওড়নার ফাকে ক্লিভেজ
দেখা যাচ্ছে?? মেয়েটা জামা সরে ইনার
গার্মেন্টস এর একাংশ দেখা যাচ্ছে??
শাড়ির ফাকে আংশিক পেট দেখা যাচ্ছে??
ঘামে ভিজে বোরকা টা লেপটে গেছে পিঠের
সাথে??
তো?? ভাল্লাগলো দেখতে??? খুব মজা পেলেন??
একটু কাতুকুতু ও লাগলো বুঝি??
মনে মনে মেয়েটার চরিত্র নিয়ে তো বিশাল গল্প
ফেদে বসলেন!! মনে মনে তো অনেক কিছুই ভাবছেন,
চোখ মুখ দেখেই বোঝা যাচ্ছে সেটা। কি??
ট্রাই নিবেন নাকি একটু ফ্লার্ট করার??
এক মিনিট! থামেন!!
মেয়েটা বলিউডের নায়িকা না! কিংবা টিভি
এডের মন ভুলিয়ে সাবান বেচা মেয়ে সে না!
নিতান্তই সাধারণ মেয়ে সে। ইচ্ছা করে আপনাকে
শরীর দেখাতে পথে নামেনি সে। হয়ত অফিস/
ক্লাস/কাজে যাওয়ার পথে প্রচন্ড গরমে আলুথালু
হয়ে গেছে একটু। হয়ত সে নিজেও খেয়াল করার সময়
পায় নি ব্যাপার টা!!
সরি, টের পেয়ে গেছে, আপনার ঐ নোংরা দৃষ্টিতে
তাকানো দেখেই সে বুঝে গেছে, অনিচ্ছা আর
অজান্তে কোন ভুল না করেও সে ভুল করেছে সে।
সাথে সাথে শাড়ি/ওড়না ঠিক করে নিয়ে মনে মনে
নিজের খামখেয়ালিপনার কারণে নিজেকে গালি
দিচ্ছে সে।
অবশ্য আপনিও সেই একই কাজ টা করছেন মনে মনে।
মাগী বলে ট্যাগ দিচ্ছেন তাকে।
বাহ! কি চমতকার দৃশ্যপট!!
মনে করেন, আপনি এদিকে এই কাজ করছেন আর
ওদিকে আপনার ছোট বোন টাও সেম সিচুয়েশন ফেস
করছে। আপনি হয়ত আপনার সামনের মেয়েটার গল্প
রসায়ে রসায়ে বন্ধুর কাছে করছেন আর আপনার ছোট
বোন একই মোমেন্টে স্কুল ড্রেস টা খুলে শাওয়ারের
নিচে পানির ফোর্সের সাথে কারো নোংরা দৃষ্টি
ধুয়ে ভাসিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছে। আপনি এদিকে
হ্যা হ্যা করে হাসছেন আর আপনার আদরের ছোট
বোন টা চাপা একটা কান্না বুকে পুসে রাখছে
প্রতিনিয়ত।
শুধু সে না, এদেশের প্রতিটা মেয়েই এই চাপা
কান্না পুসে রাখে প্রতিনিয়ত। কারো কান্না টা
দুই দিন পুরানো, কারো টা দুই মাস, কারো টা দুই
বছর কিংবা কারো টা দুই যুগ।
ভুলে না, কেউ ভুলে না কিংবা ভুলতে পারে না!!!

‘দ্য সানরাইজ রুবি’ নামের এই চুনিটি বিক্রিতে বিশ্বরেকর্ড গড়েছে। মঙ্গলবার সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় এই লাল রত্নটি নিলামে তিন...
31/05/2015

‘দ্য সানরাইজ রুবি’ নামের এই চুনিটি বিক্রিতে বিশ্বরেকর্ড গড়েছে। মঙ্গলবার সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় এই লাল রত্নটি নিলামে তিন কোটি তিন লাখ ডলারের বেশি মূল্যে বিক্রি হয়েছে। ২৫.৫৯ ক্যারেটের দুষ্প্রাপ্য এই বার্মিজ চুনির নিলামের আয়োজক ছিল সদাবি’স অকশন হাউস

28/05/2015

শৃঙ্খলা দেখেছি আমি পিঁপড়ার
মধ্যে, যারা কখনো একজনকে
টপকে আরেক জন সামনে যায় না।
•একতা দেখেছি আমি কাকের ভিতর,
যারা একজন বিপদে পড়লে 100 জন
তাৎক্ষনাৎ হাজির হয়ে যায়।
• বিশ্বস্ততা দেখেছি আমি কুকুরের
মধ্যে, যারা তার প্রভুর জন্য জীবন
দিতে পারে।
•স্বচ্ছতা দেখেছি আমি পায়রার
ভিতরে, যারা তাদের সরল মনে
একজন অপরিচিত মানুষকেও অল্প
সময়ে বিশ্বাস করে।
•পরিশ্রম দেখেছি আমি ঘোড়ার
মধ্যে, যারা তার মনিবকে নিয়ে ঘন্টার
পর ঘন্টা ছুটে যায় কোন প্রতিবাদ
ছাড়াই।
•সাম্যতা দেখেছি আমি মৌমাছির
মধ্যে, যারা সবাই একত্রে মধু
সংগ্রহ করে।..............................তবে আমি হিংসা,
ক্রোধ, লোভ, নিষ্ঠুরতা, অহংকার
দেখেছি সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ জীব অনেক
মানুষের ভিতর।

শিশুকাল মানেই যা মন চায়, তাই করা...... দুষ্টামি unlimited...
25/05/2015

শিশুকাল মানেই যা মন চায়, তাই করা...... দুষ্টামি unlimited...

22/05/2015
ছবিটা দেখুন। ভাল করে দেখুন। মোটর সাইকেলের চাকার নিচে একটা শিশু ! কলিজাটা কামড় দিয়ে উঠে। মনে হয় এই শিশুটাতো আমারও হতে পার...
20/05/2015

ছবিটা দেখুন। ভাল করে দেখুন। মোটর সাইকেলের চাকার নিচে একটা শিশু ! কলিজাটা কামড় দিয়ে উঠে। মনে হয় এই শিশুটাতো আমারও হতে পারত ! হয়তো শিশুটা আহত হয়েছে। কিন্তু এইটুকুন বাচ্চার কষ্টটা অনুধাবন করেই আমি অসুস্থ অনুভব করছি। আল্লাহ আমাদেরকে হেফাজত করুন।

এই ছবিটা "হাতিরঝিল" থেকে তোলা। কোন একটা পত্রিকা থেকে নিয়েছি। ভ্রমন পিপাসুদের কাছে একটা গুরুত্বপূর্ন রাস্তা হয়ে উঠেছে "পার্ক" ! ফলে নানান দূর্ঘটনা ঘটার আশংকা তো থাকছেই সেই সাথে যোগ হয়েছে সন্ধ্যার পরে ছিনতাই সহ আরো নানান অপকর্মের ঘটনা। সুতরাং আপনি নিজে সচেতন হোন। পরিবার, আত্মীয় স্বজন, বন্ধু বান্ধবদের সতর্ক ও সচেতন করুন।

আমাদের দেশে যারা মোটর সাইকেল চালায় তারা একটা মূর্খ্য নেশাখোর লোকাল বাসের ড্রাইভারের থেকেও খারাপ। মোটর সাইকেল চালকরা প্রতিনিয়তই অনর্থক হর্ন বাজায়, ট্রাফিক সিগন্যাল ভাঙ্গে, ফুটপাথ দিয়ে বাইক চালায়, তারাতারি করার জন্যে অতিরিক্ত গতিতে বাইক চালায়। ভেবে দেখুন তো, প্রাতিষ্ঠানিক বা সামাজিক কোন শিক্ষাটা এই বাইক চালকেরা মেনে চলে ?

অধিকাংশ বাইক চালক আমার দৃষ্টিতে জানোয়ার সাদৃশ্য। জানোয়ার সম্প্রদায়ের জন্যে অন্তর থেকে তীব্র ঘৃণা। দোয়া করি, আল্লাহ তাদের হেদায়ত করুন আর নয়তো উপযুক্ত প্রতিদানের মাধ্যমে সমস্যাটুকু অনুধাবন করার ব্যবস্থা করে দিন। আমীন।

14/05/2015

আপনার পিসি কে WiFi হটস্পট করার সহজ পদ্ধতি

আপনারা যারা ল্যাপটপ ব্যাবহার করেন তারা সহজেই তাদের ল্যাপটপ কে WiFi Hotspot করতে পারেন কয়েকটি সফটওয়্যার ব্যাবহার করে। এটা সম্ভব কারন ল্যাপটপ এ Built in WiFi adapter / Lan Card থাকে । তাই কিছু সফটওয়্যার আছে সেগুলো ইন্সটল করে সহজেই ল্যাপটপ এর ইন্টারনেট কে WiFi করে ফেলা যায় ।
সফটওয়্যার গুলার নামঃ
mhotspot
mypublicwifi
connectify

কিন্তু যারা পিসি ইউজার তারা চাইলেই এই সফটওয়্যার দিয়ে তাদের পিসি কে WiFi Hotspot করতে পারবেন না। কারন পিসি তে Lan Card / Built in WiFi adapter থাকে না। তাই বলে কি WiFi ইউজ করবেন না পিসি ইউজাররা ??

হ্যাঁ অবশ্যই WiFi Hotspot করবেন কিন্তু তার জন্য আপনাকে ১টা ডিভাইস কিনতে হবে যার দাম ৫০০-৬০০ টাকা । সেই ডিভাইসটি আপনার পিসি তে LAN CARD হিসাবে কাজ করবে। ফলে আপনি মাত্র ৫০০ টাকার মধ্যে পুরো পিসি কে WiFi হটস্পট করে ফেলতে পারছেন এমন কি আপনার পুরো বাসাকে। জাস্ট USB PORT এ লাগাবেন Pendrive এর মত । Range: 1000 scrft পর্যন্ত। একসাথে ৩০ টা ডিভাইস ইউজ করা সম্ভব।

দেখুন কি কি করতে পারবেন এরকম ১ টি ডিভাইসের সাহায্যেঃ

১। পিসির যেকোন ইন্টারনেট কে WiFi hotspot করে সেটা আপনার মোবাইল / ট্যাব / ল্যাপটপ এ ইউজ করতে পারবেন।

২। আপনার মোবাইল এ ইন্টারনেট থাকলে সেটা WiFi করে / আশে পাশে WiFi থাকলে সেটা পিসি তে রিসিভ করতে পারবেন।

৩। ফাইল ট্র্যান্সফার করতে পারবেন পিসি টু মোবাইল / মোবাইল টু পিসি , SHARE IT ইউজ করতে পারবেন পিসিতেই।

Address

Dhaka
1209

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when DreamCatcher EventManagement posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to DreamCatcher EventManagement:

Share