Event Editor

Event Editor All kinds of Party and Wedding Planner.

Wedding & Reception Stage decoration

Photography & Cinematography

Fruit Decoration

All Kinds of Flower Decoration

Backdrops & Screens

Candle Decoration

Artificial Lights Various Lanters

Dala, Kula Etc Decoration

To make your dreams come true contact :+8801717378174

ফাল্গুন এবং ভ্যালেন্টাইন এ সাজুন Snap N Shop  এর স্পেশাল কালেকশন এ। 😍🔥অথেনটিক পার্ল,স্টোন ,সী শেল এবং বীডস এর তৈরি গহনার...
03/02/2025

ফাল্গুন এবং ভ্যালেন্টাইন এ সাজুন Snap N Shop এর স্পেশাল কালেকশন এ। 😍🔥
অথেনটিক পার্ল,স্টোন ,সী শেল এবং বীডস এর তৈরি গহনার কালেকশন।

(গহনার বিস্তারিত জানতে বা অর্ডার করতে ঘুড়ে আসুন Snap N Shop এ)

প্রিমিয়াম কোয়ালিটি পার্ল জুয়েলারি অর্ডার করতে Snap N Shop পেইজে ইনবক্স করুন। আরো কালেকশন দেখতে Snap N Shop এর গ্রুপে ভিজ...
20/01/2025

প্রিমিয়াম কোয়ালিটি পার্ল জুয়েলারি অর্ডার করতে Snap N Shop পেইজে ইনবক্স করুন। আরো কালেকশন দেখতে Snap N Shop এর গ্রুপে ভিজিট করুন।

অরিজিনাল মুক্তা/পাথরের জুয়েলারি পাচ্ছেন সবচেয়ে রিজনেবল প্রাইসে।

#মুক্তা

শিশুদের প্রধান ক্যান্সার সমূহঃ* Retinoblastoma (চোখের  ক্যান্সার)* Leukemia ( ব্লাড ক্যান্সার)* Osteosarcoma, Ewing's tu...
15/09/2020

শিশুদের প্রধান ক্যান্সার সমূহঃ
* Retinoblastoma (চোখের ক্যান্সার)
* Leukemia ( ব্লাড ক্যান্সার)
* Osteosarcoma, Ewing's tumor (হাড়ের ক্যান্সার)
* Germ cell tumor ( জনন কোষ টিউমার)
* Lymphoma ( রক্তের এক ধরণের ক্যান্সার)
* CNS tumor ( মস্তিষ্ক ও নার্ভাস সিস্টেম টিউমার)
* Willm's tumor ( কিডনির টিউমার)
#শৈশব_হোক_ক্যান্সারমুক্ত

♥ পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচিতে বাংলাদেশের রেকর্ড ♥পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচি দিয়ে ভারতের করা রেকর্ড ভাঙলো বাংলাদেশ। সেই রেকর্ড ভেঙে ...
25/09/2018

♥ পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচিতে বাংলাদেশের রেকর্ড ♥

পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচি দিয়ে ভারতের করা রেকর্ড ভাঙলো বাংলাদেশ। সেই রেকর্ড ভেঙে ‘গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ডে’ নাম লিখিয়েছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি)।

সোমবার (২৪ সেপ্টেম্বর) গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড কর্তৃপক্ষ আনুষ্ঠানিকভাবে ডিএসসিসিকে এ স্বীকৃতির কথা জানিয়েছে। এদিন এ সংক্রান্ত একটি সনদ মেয়র সাঈদ খোকনের হাতে তুলে দেওয়া হয়। ডিএসসিসির জনসংযোগ কর্মকর্তা বিয়ষটি নিশ্চিত করেছেন।

চলতি বছরের ১৩ এপ্রিল চৈত্র সংক্রান্তিতে এক পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচির আয়োজন করে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) ও রেকিট বেনকিজার। পরিচ্ছন্নতায় বিশ্বরেকর্ড গড়ার লক্ষ্যে ‘ডেটল পরিচ্ছন্ন ঢাকা’ শীর্ষক এ প্রতীকী কর্মসূচি পালন করা হয়।

এতে অংশ নিতে প্রায় ৩০ হাজারের বেশি মানুষ নিবন্ধন করেন। তবে কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছিলেন ১৫ হাজার ৩১৩ জন। তবে গিনেস বুক কর্তৃপক্ষ, গণণা করেছে ৭ হাজার ২১ জন। আর বিশ্বরেকর্ড গড়তে দরকার ছিল পাঁচ হাজার ৫৮ জন।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ভারতের আহমেদাবাদের একটি শহরে ৫ হাজার ২৬ জনকে নিয়ে এক কিলোমিটার রাস্তা পরিষ্কার করার মাধ্যমে গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে জায়গা করে নেওয়ার একটি রেকর্ড রয়েছে। সেই রেকর্ড ভাঙার পাশাপাশি পরিচ্ছন্নতায় জনগণকে সচেতন করতে গত এপ্রিলে এ উদ্যোগ নেয় ডিএনসিসি।

কর্মসূচিতে ডিএসসিসির নিজস্ব পরিচ্ছন্নতাকর্মী, কর্মকর্তা-কর্মচারীর পাশাপাশি বিভিন্ন সেবা সংস্থা, স্কুল-কলেজ, সরকারি-বেসরকারি, আধাসরকারি প্রতিষ্ঠান, সামাজিক ও পেশাজীবী সংগঠন, রাজনৈতিক দলের কর্মীসহ সাধারণ নগরবাসী অংশ নেন।

রেজিস্ট্রেশনের সময় পরিচ্ছন্নতা কাজে অংশ নেওয়ার জন্য সবার হাতে একটি করে ঝাড়ু, মাথায় ক্যাপ ও মুখে মাস্ক দেওয়া হয়। এ সময় একটি বারকোড ও একটি যন্ত্রও দেওয়া হয় তাদের। গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড কর্তৃপক্ষ ড্রোন, স্যাটেলাইট ও লাইভ ভিডিওসহ তাদের নিজস্ব পদ্ধতিতে উপস্থিতি গণনা করে।

সকালে এ পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচি আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করেন মেয়র মোহাম্মদ সাঈদ খোকন। কর্মসূচির পাঁচ মাস পর রেকর্ডটির স্বীকৃতি দিয়ে এ সংক্রান্ত একটি সনদ ডিএসসিসির কাছে পৌঁছে দিয়েছে গিনেস বুক কর্তৃপক্ষ।

দৈনিক জনকণ্ঠ
২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮

অপরুপ সৌন্দর্য্যের আধার বান্দরবন
10/09/2018

অপরুপ সৌন্দর্য্যের আধার বান্দরবন

- আইয়ুব খান মেড আ মিসটেক,  হি  শুড কিলড দ্য ----- মুজিব।কথাটা বলার  পর এক সেকেন্ড দেরি হলো না।রকিবুল হাসানের প্রচন্ড ঘুষ...
28/03/2018

- আইয়ুব খান মেড আ মিসটেক,
হি শুড কিলড দ্য ----- মুজিব।

কথাটা বলার পর এক সেকেন্ড দেরি হলো না।

রকিবুল হাসানের প্রচন্ড ঘুষি খেয়ে
মাটিতে লুটিয়ে পড়লো কামরান রশীদ ।
তারপর ভয়ংকর পিটুনি।

পেটাতে পেটাতে কামরান কে টিলার নিচে
নিয়ে এলেন রকিবুল হাসান,
হাতের কাছে যা পেলেন, তাই দিয়ে চললো
আঘাতের পর আঘাত।

অবশেষে, রক্তাত্ত কামরান জীবন ভিক্ষা
চেয়ে রকিবুলের হাত থেকে বেঁচে যান।

সময়টা ১৯৭০ ।

এই বাংলার সন্তান, বাঙালীর সন্তান
১৮ বছরের টগবগে যুবক, ক্রিকেটার
রকিবুল হাসান ।

করাচীতে পাকিস্তান অনুর্ধ - ২৫ দলের ক্যাম্পে
তখন।
ক্যাম্পের সেই সন্ধ্যায় আড্ডা চলছিল।
পাকিস্তানের রাজনীতি তখন উত্তাল।

ক্রিকেটারদের সেই আড্ডায় চলে আসে রাজনীতি।

বাঁহাতি স্পিনার পেশোয়ারের কামরান রশীদ
যখন বলে উঠে ,

- আইয়ুব খান মেড আ মিসটেক,
হি শুড কিলড দ্য মুজিব ।

তখন খোদ পশ্চিম পাকিস্তানের করাচিতে
এই দুঃসাহসী প্রতিবাদের ঘটনা ঘটিয়ে দেন
বাঙালী যুবক রকিবুল হাসান ।

করাচিতে বসে একজন বাঙালির এই রুদ্রমূর্তি
দেখে যেন বিস্ময়ে, আতংকে পাথর হয়ে রইলো
পাকিস্তানে ক্রিকেটাররা ।

পরদিন কোর্ট মার্শালে ডাক পড়ল রকিবুল
হাসানের।

মেজর সুজা জিঞ্জাসা করলেন,

- তুমি কেন এমন করেছ ?

রকিবুল মেজরের চোখে চোখ রেখে উত্তর দিল,

- ও আমার নেতা কে নিয়ে বাজে কথা বলেছে
বাঙালির নেতা কে গালি দিয়েছে।
যতবার গালি দিবে ততবার আমি এমন
করবো ।

২৬ ফেব্রুয়ারি ১৯৭১ ।

আন্তর্জাতিক একাদশের বিপক্ষে পাকিস্তানের
টেস্ট ম্যাচ, ঢাকা স্টেডিয়ামে ।

বাঙালি হওয়ার অপরাধে বার বার বঞ্চিত হয়ে
সেই টেস্ট খেলায়, পাকিস্তান টিমে
প্রথম একাদশে প্রথম ডাক পান রকিবুল হাসান ।

আনন্দে রাতে ঘুম হয় না রকিবুলের।

কিন্তু সব স্বপ্ন মাটি হয়ে গেলো ম্যাচের আগের
দিন ।

পাকিস্তান দলের সব খোলোয়ার কে দেওয়া
হয়েছে গ্রে নিকোলস ব্রান্ডের ব্যাট,
ব্যাটের উপরে লাগানো আছে আইয়ুব খানের নির্বাচনী প্রতীক তলোয়ার ।

রকিবুলের মাথায় রক্ত উঠে গেলো।

এইতো সেদিন নির্বাচনে বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ পুরো পাকিস্তানে
একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়েছে।

বাঙালির সরকার গঠনের অপেক্ষা ।

না না না, ব্যাটে আইয়ুব খানের নির্বাচনী প্রতীক নিয়ে মাঠে নামা যাবে না ।

রাতেই পূর্বাণী হোটেল থেকে বের হয়ে
বন্ধু শেখ কামালের সাথে পরামর্শে বসলো
রকিবুল

- কী করা যায় !!

২৬ ফেব্রুয়ারি সকাল, ঢাকা স্টেডিয়াম।
হাজার হাজার বাঙালি দর্শক গ্যালারীতে।

পশ্চিম পাকিস্তানি আজমত রানাকে নিয়ে
ব্যাটিং শুরু করতে নামলো রকিবুল ।

একজন ফটোগ্রাফার প্রথম খেয়াল করলো
ব্যাপারটা।
ছুটে এলেন ছবি তুলতে ।

মুহূর্তে স্টেডিয়াম জুড়ে খবর ছড়িয়ে পড়ল -

রকিবুল তার ব্যাটে তলোয়ারের বদলে
" জয় বাংলা " স্টিকার লাগিয়ে খেলছে।

স্টেডিয়াম জুড়ে আকাশ বাতাস কাঁপিয়ে
শ্লোগন উঠলো,

জয় বাংলা , জয় বাংলা ।

জ্বলে উঠলো দেশি- বিদেশি ক্যামেরার ফ্লাশ ।

পরদিন বিশ্ব জুড়ে বড় বড় করে পত্রিকার হেডিং

" পাকিস্তানের হয়ে জয়বাংলা স্টিকার নিয়ে
মাঠে নেমে দুনিয়া চমকে দিলেন
রকিবুল হাসান "

মার্চ এলেই লাল-সবুজের পতাকার দিকে
চোখ পড়তেই , স্মৃতি রকিবুল হাসান কে
নিয়ে যায় সেই ১৯৭১ সালে ।

সেই ম্যাচ পন্ড হয়ে যাওয়ার পর
পশ্চিম পাকিস্তানি খেলোয়ার জহির আব্বাস
ফিরে যাচ্ছে পশ্চিম পাকিস্তানে -

যাওয়ার সময় জহির হাত বাড়িয়ে দিয়ে বললেন,

- রকিবুল , করাচিতে দেখা হবে আবার ।

রকিবুল হাসান দৃঢ়কন্ঠে বলেছিলেন,

- অবশ্যই দেখা হবে ।
তবে আমার সঙ্গে তখন থাকবে নতুন
পাসপোর্ট ।

কথা রেখেছিলেন আমাদের রকিবুল হাসানেরা।

নয় মাস যুদ্ধ করে,
নতুন পাসপোর্টের মালিক হয়ে
তবেই ঘরে ফিরেছিলেন ।

এইসব বীরত্ব গাঁথায় গর্বিত হই।
নতুন প্রজন্ম কে জানিয়ে যেতে চাই।

প্রতি বছর ২৬ মার্চের সকালে,
পতপত করে উড়তে থাকা
লাল সবুজের পতাকার দিয়ে তাকিয়ে
চোখের কোণায় চিক চিক পানি জমে ।

লেখা: Sharif Sarker

অভিনন্দন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সিঙ্গাপুরের ‘দ্য স্ট্যাটিসটিক্স ইন্টারন্যাশনাল’ নামের একটি সংস্থার জরিপে বিশ্বে...
20/03/2018

অভিনন্দন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

সিঙ্গাপুরের ‘দ্য স্ট্যাটিসটিক্স ইন্টারন্যাশনাল’ নামের একটি সংস্থার জরিপে বিশ্বের দ্বিতীয় সেরা প্রধানমন্ত্রী হিসেবে স্থান পাওয়ায় মন্ত্রিপরিষদে অভিনন্দিত হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। নিপীড়িত রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেওয়া এবং এই ইস্যুতে বিশ্ব সম্প্রদায়ের মনোযোগ আকর্ষণ করায় আন্তর্জাতিক এই গবেষণা সংস্থাটি সম্প্রতি তাদের এক জরিপে শেখ হাসিনার নেতৃত্বগুণের প্রশংসা করে তাকে এই মর্যাদা দিয়েছে এবং তাকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে পাওয়া বাংলাদেশের জনগণের জন্য সৌভাগ্যের বলে অভিহিত করেছে।

সিঙ্গাপুরের ‘দ্য স্ট্যাটিসটিক্স ইন্টারন্যাশনাল’ নামের একটি সংস্থার জরিপে বিশ্বের দ্বিতীয় সেরা প্রধানমন্ত.....

12/03/2018

নেপালে বিদ্ধস্ত ইউএসবাংলা এয়ারলাইন্সের সেই ফ্লাইটের প্যাসেঞ্জার লিস্ট(যাত্রী তালিকা)। দেখুন পরিচিত কেউ আছে কিনা।

https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=437135566719188&id=416017508830994

বলুন তো, ভুলটা কোথায়?
22/02/2018

বলুন তো, ভুলটা কোথায়?

আগামীকালের জন্য  সংবিধিবদ্ধ সতর্কীকরণ.....
07/02/2018

আগামীকালের জন্য সংবিধিবদ্ধ সতর্কীকরণ.....

27/01/2018

#সতর্কতামূলক_পোস্ট
#ডিজিটাল_ধান্ধাবাজি

রাত ১১টা। চট্টগ্রাম শহর ছাড়িয়ে হু হু করে বাস এগিয়ে চলেছে ঢাকার দিকে।
সদ্য বানানো মসৃণ রাস্তা। বেশির ভাগ যাত্রী সিটে বসে ঢুলছে। সামনের সিটে এক বৃদ্ধ তাঁর মেয়েকে নিয়ে বসেছেন। অভিজাত জামাকাপড় পরে আছেন তাঁরা। হঠাত্ উঠে দাঁড়িয়ে অন্য সব যাত্রীর দিকে মুখ করে বলতে শুরু করলেন তিনি —
‘প্রিয় যাত্রী মহোদয়, আমার পোশাক-আশাক দেখে নিশ্চয়ই বুঝতে পারছেন যে আমি ভিখারি নই। প্রভু আমাকে অনেক দিয়েছেন, কিন্তু কেড়ে নিয়েছেন আমার স্ত্রী সাবিহাকে। বিধির বিধান কে খণ্ডাতে পেরেছে, বলুন? কিছুদিন আগে আমার ফ্যাক্টরিতে আগুন ধরে সব ছারখার হয়ে যায়। এর কিছু দিনের মধ্যে আমার এক্সপোর্ট-ইম্পোর্টের ব্যবসাও লাটে ওঠে। হঠাত্ করে এতটা ক্ষতি আমি সইতে পারিনি।
তাই হয়তো কিছুদিন পরই আমার হার্ট অ্যাটাক করে। যেসব আত্মীয়-স্বজন, বন্ধুবান্ধব আগে আমার কাছে এসে বসে থাকত, তারা আমার এই দুর্দিনে ধীরে ধীরে দূরে সরে যেতে থাকে। আমি দিন দিন হতাশ হয়ে পড়ি। শরীরও খারাপ হতে থাকে। একসময় ডাক্তার জানায়, আমার জীবনে খুব বেশি দিন অবশিষ্ট নেই। যেকোনো সময় ডাক এসে যেতে পারে। আমার এই যুবতী মেয়ে মিথিলা। দেখতেই পাচ্ছেন আপনারা। সে বেশ সুন্দরী। আমার অবর্তমানে এই মেয়ে নিষ্ঠুর পৃথিবীর বুকে একলা থাকলে তার কী যে দুর্দশা হবে, সে কথা ভেবেই আমি শিউরে উঠি!’
এই কথা কয়েকটি বলতে বলতেই বৃদ্ধের হেঁচকি ওঠা শুরু হয়। মেয়ে মিথিলা বাবাকে ধরে আবার সিটে বসিয়ে দেয়। এমন সময় বাসের পেছনের সিটে বসা এক ভদ্রলোক দাঁড়িয়ে পড়েন এবং বাসে বসে থাকা লোকদের সম্বোধন করে বলা শুরু করেন -
‘ভদ্র মহোদয়গণ, আমি পেশায় ব্যবসায়ী। আমার দুই ছেলে। বড় ছেলে ডাক্তার, বিবাহিত। এই আমার ছোট ছেলে। দুই বছর হলো ইঞ্জিনিয়ারিং পাস করে একটি প্রাইভেট কম্পানিতে চাকরি করছে। আমি এর বিয়ের জন্য পাত্রী খুঁজছি। প্রভুর অশেষ দয়া, আমি এই বাসে এক সুন্দরী সুশীলা পাত্রীর দেখা পেলাম। আমি ওই বৃদ্ধকে অনুরোধ করছি, তিনি যদি আমার ছোট ছেলেকে উপযুক্ত মনে করেন, তবে আমি তাঁর মেয়েকে নিজের পুত্রবধূ হিসেবে গ্রহণ করতে রাজি আছি। আপনাদের সবার সামনে শপথ করছি, ওনার মেয়ে আমার বাড়িতে আমার পুত্রবধূ নয়, মেয়ে হয়েই থাকবে।’
এ পর্যায়ে সুপুরুষ ছোট ছেলে নিজের সিট ছেড়ে দাঁড়িয়ে বলে উঠল, ‘মেয়ে আমার পছন্দ হয়েছে। আমি বিয়েতে রাজি।’
এক অনাবিল মুহূর্তের সাক্ষী হতে পেরে সবার ঘুম গেছে ছুটে! বাসের অন্য যাত্রীরা হাততালি দিয়ে এই সম্বন্ধকে স্বীকৃতি জানাল। এরই মধ্যে নাটকীয়ভাবে এক লোক দাঁড়িয়ে বললেন -
‘আপনাদের সবাইকে অনেক অভিনন্দন! বাসেই যদি এই বিয়ের কার্যক্রম হয়ে যায়, তাহলে এর চেয়ে আনন্দের আর কী হতে পারে। আমি পেশায় কাজি। বিয়ে পড়াই। আমি এই বিয়েটা পড়াতে পারলে মনে করব জীবনের সবচেয়ে আকর্ষণীয় বিয়ে পড়াতে পারলাম।’
যাত্রীরা একসঙ্গে বলে উঠল, দারুণ! মারহাবা...
সেই উৎসাহপূর্ণ হট্টগোলের মাঝে কাজি সাহেব বিয়ের কাজ শুরু করলেন। কিছুক্ষণের মধ্যে সব আচার-অনুষ্ঠান শেষ হয়ে গেল।
এ পর্যায়ে এক মধ্যবয়স্ক যাত্রী তাঁর সিটে দাঁড়িয়ে বললেন -
‘অনেক দিন পর আমি আমার মেয়ে-জামাইয়ের বাড়িতে যাচ্ছি। নাতি-নাতনিরা মিষ্টি পছন্দ করে। তাদের জন্য পাঁচ কেজি রসগোল্লা নিয়েছি। কিন্তু এই আনন্দের মুহূর্তে এই মিষ্টির সদ্ব্যবহার এই বাসেই হোক। পাত্রী তো আমার কন্যাসম।’
বক্তব্য শেষ করে ভদ্রলোক কন্যার বাবার দিকে চেয়ে তাঁর অনুমতির অপেক্ষা করতে লাগলেন। মেয়ের বাবা ড্রাইভারের উদ্দেশে বলেন, ‘ড্রাইভার সাহেব, পাঁচ মিনিটের জন্য গাড়ি থামান দয়া করে। সবাই আগে মিষ্টিমুখ করুন। তারপর আমরা আবার যাত্রা শুরু করব ঢাকার দিকে।’
‘ঠিক আছে স্যার’ বলে ড্রাইভার বাস থামিয়ে দিলেন। আনন্দে উদ্বেলিত মেয়ের বাবার নির্দেশে সেই মধ্যবয়সী ভদ্রলোক একে একে বাসযাত্রীদের মুখে রসগোল্লা পুরে দিলেন।
ড্রাইভার আর কন্ডাক্টর যখন চোখ মেলে তাকাল তখন ভোর ৫টা। নববিবাহিত বর-বউ, দুই পিতা, কাজি আর মিষ্টি বিতরক বাদে বাসে সবাই আছে। তবে হ্যাঁ, কারোরই মানিব্যাগ, হাতঘড়ি, গলার সোনার চেইন, হাতের বালা-চুড়ি, স্যুটকেস কোনো কিছুই আর জায়গা মতো নেই!!
Abhijit Saha স্যা‌রের ওয়াল থেকে সংগৃ‌হিত

'মুজিব যদি ধরা না দিয়ে পালিয়ে গিয়ে মুক্তিযুদ্ধ করতেন, কোন ভাঙা বেতারকেন্দ্র থেকে স্বাধীনতা ঘোষণা করতেন, তাহলে কি আমাদের ...
10/01/2018

'মুজিব যদি ধরা না দিয়ে পালিয়ে গিয়ে মুক্তিযুদ্ধ করতেন, কোন ভাঙা বেতারকেন্দ্র থেকে স্বাধীনতা ঘোষণা করতেন, তাহলে কি আমাদের মুক্তিযুদ্ধ আরো তীব্র, আরো সফল হতো? তাহলে কি তিনি মুজিব হতেন? তাহলে তো তিনি হতেন মেজর জিয়া।

মুজিব পালিয়ে গিয়ে মুক্তিযুদ্ধের ঘোষণা দিলে মুক্তিযুদ্ধ হতো না, তিনি মুজিব হতেন না, হতেন সামান্য “বিচ্ছিন্নতাবাদী”, এবং আমরা একটি বিশাল রাজনৈতিক ভাবপ্রতিমাকে হারাতাম, মুক্তিযুদ্ধে আমরা এতো অনুপ্রেরণা বোধ করতাম না। যোদ্ধা মুজিবের থেকে বন্দি মুজিব ছিলেন অনেক শক্তিশালী ও প্রেরণাদায়ক, তিনি তখন হয়ে উঠেছিলেন মহানায়ক, ঘোষকের থেকে অনেক ওপরে যাঁর স্থান।

মুক্তিযুদ্ধের সময়টি ভ’রে তিনিই ছিলেন নিয়ন্ত্রক ও প্রেরণা, তিনিই ছিলেন, এক অর্থে, মুক্তিযুদ্ধ। পাকিস্তানের কারাগারে তিনি হয়তো মুক্তিযুদ্ধের কথা জানতেনও না, পাকিস্তানিরা তাঁকে তা জানতে দেয় নি, মুক্তিযুদ্ধের রূপ কী তা হয়তো তিনি কল্পনাও করতে পারেন নি; কিন্তু সমগ্র বাঙালির রূপ ধ’রে তিনিই ক’রে চলেছিলেন মুক্তিযুদ্ধ। মুক্তিযুদ্ধে প্রতিটি বাঙালি ও মুক্তিযোদ্ধাই ছিলো মুজিবের দ্বিতীয় সত্তা। মুজিবের বন্দীত্ব মুক্তিযুদ্ধ ঘোষণার থেকে অনেক বড়ো ঘটনা।

ঘোষণা ক’রে ঘোষক হওয়া যায়, মুজিব হওয়া যায় না।'

----হুমায়ুন আজাদ
গ্রন্থঃ "আমরা কি এই বাংলাদেশ চেয়েছিলাম"

জাতির পিতার প্রত্যাবর্তন, তার সাধারণ মানুষের কাছে, তার বাংগালীর কাছে- ১০ই জানুয়ারী, ১৯৭২!

Address

Dhaka
1212

Telephone

+8801717378174

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Event Editor posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share