10/01/2026
হাদিকে কেন হত্যা করা হয়েছিল?
এখন আমাদের আর বুঝতে বাকি নেই।
কারণ হাদি শুধু একজন মানুষ ছিল না—
হাদি ছিল আয়না।
যে আয়নায় তাকালে ওদের অন্যায়, দুর্নীতি, ভণ্ডামি আর ক্ষমতার নগ্ন চেহারা দেখা যেত।
হাদি ছিল ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র, কিন্তু তার চেয়েও বড় কথা, সে ছিল লক্ষ কোটি দেশপ্রেমিক মানুষের কণ্ঠস্বর। সে একজন সৈনিক—যার ঈমান তার জীবনের চেয়েও বড়, যার বজ্রকণ্ঠে কেঁপে উঠতো ক্ষমতার মসনদ। সে আধিপত্যের বিরুদ্ধে কথা বলতো,
অন্যায়ের দরজায় একের পর এক ধাক্কা দিতো।
তাতে তাকে বাঁচিয়ে রাখলে অনেকের মাথাব্যথা বাড়তো, অনেকের ঘুম হারাম হতো।
ইনসাফ কায়েমে হাদি ছিল বলিষ্ঠ কণ্ঠ।
সে থাকলে ঘুষ, দুর্নীতি, অনিয়ম নিয়ে
একাই রাজপথ আর টকশো কাপিয়ে দিতো।
আজ যদি ২৪–এর কোনো সহযোদ্ধা প্রথম সারির কেউ নিহত হতো—
হাদি একাই “বারোটা” বাজিয়ে ছাড়তো।
অথচ দেখুন,
আজ সেই মানুষটাই নেই।
আজ তার জন্য কেউ রাজপথ কাঁপায় না,
তার দলের ছাড়া বাকীরা চোখের পানি ফেলে না।
সবাই ব্যস্ত ক্ষমতার হিসাব আর ভোটের অঙ্কে।
তার স্বপ্ন ছিল— সংসদ কাঁপবে,
দেশপ্রেমিকরা হাততালি দিয়ে তাকে অনুসরণ করবে।
কিন্তু ঘাতকরা জানতো, সে বেঁচে থাকলে অনেকের আসনে পরাজয় নিশ্চিত।
তাই ভয় থেকেই তাকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।
দেশপ্রেমিক হয়েছো? তাহলে মরে যাও—এই ছিলো শিয়াল, শকুন, হায়নাদের বার্তা।
কিন্তু তারা ভুলে গেছে, একজন হাদিকে হত্যা করে
লক্ষ হাদির জন্ম দিয়ে গেছে তারা।
আমরা হাদি হবো।
আমরা কথা বলবো।
আমরা থামবো না।
আজও কানে বাজে তার সেই কথা,
“আমাকে হত্যা করা হলে, অন্তত আমার বিচারটুকু করিয়েন।”
অথচ তার বিচার আজও ঝুলে আছে—
হাদিকে হত্যা করা হয়েছিল, কারণ সে চুপ থাকেনি।
কারণ সে মাথা নত করেনি।
কারণ সে সত্য বলেছিল।
আজ তারে নিয়ে স্ট্যাটাসটুকু দিলে রিচ কমে যায়, তবুও তারে নিয়ে স্ট্যাটাস দিয়েই যাবো! কারণ তারে আমরা ধারণ করি হৃদয়ে। প্লিজ তারে নিয়ে কমেন্টে অন্তত একটি আওয়াজ তুলে যান। ✊