Evening Moon bd

Evening Moon bd Services We can Provide You :-

# Event Management.
# Brand Promotions/Activation.
# Wedding&Birthday Organize.
# Photography.
# Press&Printing.

Services We can Provide You :-

1. Event Management.

2. Brand Promotions & Activation.

3. Press & Printing.

4. Wedding, Birthday & Party Organizer.

5. Photography & Video Shoot.

6. Poster & Banner Designing.

7. Postering & Bannering.

8. Interior Design & Decoration, etc.

নির্বাচন কমিশনের সামনে রাস্তা অ'ব'রোধ করে আন্দোলন, আমি সাংবাদিক হিসেবে দায়িত্বে, উনি সেনাবাহিনীর সদস্য হিসেবে দায়িত্বে, ...
19/01/2026

নির্বাচন কমিশনের সামনে রাস্তা অ'ব'রোধ করে আন্দোলন, আমি সাংবাদিক হিসেবে দায়িত্বে, উনি সেনাবাহিনীর সদস্য হিসেবে দায়িত্বে, হুট করে দেখলাম একটা চেয়ার এক ব্যক্তির কাছ থেকে খুজে সেটা নিয়ে জোহরের নামাজ আদায় করছেন!

আমরা কাজের উছিলায় সৃষ্টিকর্তার প্রার্থনা ভুলে যাই, বছরের পর বছর কত রাকাত নামাজ ছেড়ে দিছি কত উছিলায় তার কোনো হিসেব নেই, অথচ এই ভাই দায়িত্বের ফাকে ঠিকই সৃষ্টিকর্তার আনুগত্য ভুলে যাননি!

একটা কথা আছে না, নামাজকে বলো না কাজ আছে, কাজকে বলো নামাজের সময় হয়েছে!

Salute To You Bhai 🫡❤️

শহীদ ওসমান হাদির বড় ভাই এক বক্তৃতায় বলেছেন—নির্বাচনের প্রচারণার জন্য তিনি ‘হাদি’ ভাইকে লোনে একটি গাড়ি কিনে দিতে চেয়ে...
19/01/2026

শহীদ ওসমান হাদির বড় ভাই এক বক্তৃতায় বলেছেন—
নির্বাচনের প্রচারণার জন্য তিনি ‘হাদি’ ভাইকে লোনে একটি গাড়ি কিনে দিতে চেয়েছিলেন। বিষয়টি হাদি ভাইকে বললে হাদি ভাই উত্তর দিয়েছিলেন,
“ভাইয়া, গাড়িতে তো লেখা থাকবে না যে এটা লোনের গাড়ি। মানুষ ভাববে আমি জুলাই বিক্রি করে গাড়ি কিনেছি।”

তাই হাদি ভাই বলেছিলেন- আমরা বরং
গাড়ির বদলে দুইটা ভ্যান কেনতে পারি, যাতে ইনসাফ ফিরি করে সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছানো যায়।

কি চমৎকার চিন্তা, কি অসাধারণ সততা ছিল হাদি ভাইয়ের।
আমরা এই বে*ইমান জা'তি—কি সত্যিই এমন একজন মানুষকে ডিজার্ভ করতাম? 🥺

হাদিকে কেন হত্যা করা হয়েছিল?এখন আমাদের আর বুঝতে বাকি নেই।কারণ হাদি শুধু একজন মানুষ ছিল না—হাদি ছিল আয়না।যে আয়নায় তাকালে ...
10/01/2026

হাদিকে কেন হত্যা করা হয়েছিল?
এখন আমাদের আর বুঝতে বাকি নেই।
কারণ হাদি শুধু একজন মানুষ ছিল না—
হাদি ছিল আয়না।
যে আয়নায় তাকালে ওদের অন্যায়, দুর্নীতি, ভণ্ডামি আর ক্ষমতার নগ্ন চেহারা দেখা যেত।
হাদি ছিল ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র, কিন্তু তার চেয়েও বড় কথা, সে ছিল লক্ষ কোটি দেশপ্রেমিক মানুষের কণ্ঠস্বর। সে একজন সৈনিক—যার ঈমান তার জীবনের চেয়েও বড়, যার বজ্রকণ্ঠে কেঁপে উঠতো ক্ষমতার মসনদ। সে আধিপত্যের বিরুদ্ধে কথা বলতো,
অন্যায়ের দরজায় একের পর এক ধাক্কা দিতো।
তাতে তাকে বাঁচিয়ে রাখলে অনেকের মাথাব্যথা বাড়তো, অনেকের ঘুম হারাম হতো।
ইনসাফ কায়েমে হাদি ছিল বলিষ্ঠ কণ্ঠ।
সে থাকলে ঘুষ, দুর্নীতি, অনিয়ম নিয়ে
একাই রাজপথ আর টকশো কাপিয়ে দিতো।
আজ যদি ২৪–এর কোনো সহযোদ্ধা প্রথম সারির কেউ নিহত হতো—
হাদি একাই “বারোটা” বাজিয়ে ছাড়তো।
অথচ দেখুন,
আজ সেই মানুষটাই নেই।
আজ তার জন্য কেউ রাজপথ কাঁপায় না,
তার দলের ছাড়া বাকীরা চোখের পানি ফেলে না।
সবাই ব্যস্ত ক্ষমতার হিসাব আর ভোটের অঙ্কে।
তার স্বপ্ন ছিল— সংসদ কাঁপবে,
দেশপ্রেমিকরা হাততালি দিয়ে তাকে অনুসরণ করবে।
কিন্তু ঘাতকরা জানতো, সে বেঁচে থাকলে অনেকের আসনে পরাজয় নিশ্চিত।
তাই ভয় থেকেই তাকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।
দেশপ্রেমিক হয়েছো? তাহলে মরে যাও—এই ছিলো শিয়াল, শকুন, হায়নাদের বার্তা।
কিন্তু তারা ভুলে গেছে, একজন হাদিকে হত্যা করে
লক্ষ হাদির জন্ম দিয়ে গেছে তারা।
আমরা হাদি হবো।
আমরা কথা বলবো।
আমরা থামবো না।
আজও কানে বাজে তার সেই কথা,
“আমাকে হত্যা করা হলে, অন্তত আমার বিচারটুকু করিয়েন।”
অথচ তার বিচার আজও ঝুলে আছে—
হাদিকে হত্যা করা হয়েছিল, কারণ সে চুপ থাকেনি।
কারণ সে মাথা নত করেনি।
কারণ সে সত্য বলেছিল।

আজ তারে নিয়ে স্ট্যাটাসটুকু দিলে রিচ কমে যায়, তবুও তারে নিয়ে স্ট্যাটাস দিয়েই যাবো! কারণ তারে আমরা ধারণ করি হৃদয়ে। প্লিজ তারে নিয়ে কমেন্টে অন্তত একটি আওয়াজ তুলে যান। ✊

07/10/2025
"ঘরের রাণী"এক কন্যার বিয়ে ঠিক হয়েছে। বাড়িতে আনন্দের আমেজ, কিন্তু এক কোণে বসে বাবা তার মেয়ের হাতে একটি চিঠি তুলে দিলেন। ক...
31/08/2025

"ঘরের রাণী"

এক কন্যার বিয়ে ঠিক হয়েছে। বাড়িতে আনন্দের আমেজ, কিন্তু এক কোণে বসে বাবা তার মেয়ের হাতে একটি চিঠি তুলে দিলেন। কন্যা বিস্ময় নিয়ে জিজ্ঞেস করল, "বাবা, এটা কী?"

বাবা মৃদু হেসে বললেন, "এটা তোমার জীবনের সবচেয়ে বড় পাঠ। তুমি আজ কন্যা, কাল বউ হবে, একদিন মা, তারপর একটি পরিবারের রাহবার। এই চিঠিতে আমি তোমার জন্য রেখে গেলাম সেই শিক্ষাগুলো, যেগুলো তোমার জীবনকে জান্নাতের পথে নিয়ে যাবে।"

* চিঠির ভিতরে লেখা ছিলঃ

* মেয়ের জীবনসঙ্গী তার একমাত্র বন্ধু, সাথী, অভিভাবক। তাদের সম্পর্কের গোপনীয়তা যেন কেবল তাদের মাঝেই থাকে।

* স্বামীর সাথে জেদ নয়, বরং বোঝাপড়া ও ভালোবাসা যেন হয় প্রতিটি কথায়। কারণ জেদ নারীত্বকে ক্ষয় করে, শান্তি কাড়ে।

* স্বামীর পরিবারের প্রতি সহানুভূতি, সম্মান ও সেবা যেন হয় তোমার স্বভাব। এটা স্বামীর হৃদয়ে তোমার জন্য অটুট ভালোবাসা সৃষ্টি করবে।

* উচ্চস্বরে হাসি, চিৎকার এসব যেন তোমার লজ্জা ও আদব নষ্ট না করে।

*কখনোই স্বামীর সঙ্গে মিথ্যা বলো না। এক ফোঁটা মিথ্যাও বিশ্বাসের দেয়ালে চির ধরায়।

* নিজের পরিচ্ছন্নতা, গন্ধ, পোশাক-সব কিছু যেন হয় তোমার স্বামীর চোখে আনন্দদায়ক। এতে তার মন ঘরে টিকে থাকবে।

* গীবত, পরনিন্দা-এসব যেন হয় দূরের বিষয়। একজন রত্নসম নারী এসব থেকে নিজেকে রক্ষা করে।

* স্বামীর সামনে লজ্জা ও আদব বজায় রাখো। নারীর গৌরব তার লজ্জায়।

*তুমি নারী, নারীই থাকো। পুরুষের মতো কর্তৃত্ব নয়, বরং নারীত্বের সৌন্দর্যে জীবন জয় করো।

* স্বামী যদি কখনো ঈর্ষান্বিত হয়, বুঝবে-সে ভালোবাসে। সন্দেহ নয়, বরং ভালোবাসার রূপ বুঝে তাকে শান্ত করো।

* বাবার বাড়ি কখনো ভুলে যেও না, কিন্তু মনে রেখো তোমার আসল সংসার এখন স্বামীর ঘর।

*রাগের মাথায় চিৎকার নয়, বরং মৃদু কণ্ঠে বোঝাতে শেখো।

* আল্লাহর বিধানে স্বামী তোমার অভিভাবক। নিজের মত জোর করে চাপাতে যেও না।

* ঝগড়ায় 'তালাক' শব্দ কখনোই মুখে আনো না। এটা শয়তানের ফাঁদ , ঝগড়া হলেও স্বামীর বিছানা কখনো ত্যাগ করো না। নারীর ক্ষমা বড় শক্তি।

* স্বামীকে হাসিমুখে বরণ করো-চুমু, পানি, হাসি -এটাই নারীর জাদু।

* তার অসুস্থতা, বিপদের দিনে তার পাশে থেকো।

*কষ্টে পড়লেও স্বামীর ঘর ছেড়ে যেও না। নিজের ঘরকেই জান্নাত বানাও।

* জানো তো, এক নারীর কোমলতা এক হিংস্র পুরুষকেও নরম করে। তাই জেদ নয়, ভালোবাসাই তোমার হাতিয়ার।

* সাজগোজ করে রাস্তায় নয়, সাজো স্বামীর জন্য। বাইরে নয়, নিজের ঘরের রানী হও।

* ভালোবাসা, দয়া ও ক্ষমা দিয়ে তোমার সংসারকে জান্নাতের প্রতিচ্ছবি বানাও।

কন্যা চোখের কোণে অশ্রু নিয়ে বলল, "বাবা, আমি চেষ্টা করব যেন আপনার শেখানো প্রতিটি কথা আমার জীবনে বাস্তবায়ন করতে পারি। আমি রানী হব, আমার স্বামীর ঘরের রানী।"

#বাবারভালবাসা #কন্যা #সন্তান #মেয়ে #ঘরেররাণী #ভালোবাসা #পিতামাতা #স্বামী #স্ত্রী

🔴 লোন: যে ঋণ নয়, বরং জীবনের বিষ!অনেকেই ভেবেচিন্তে ফিনানশিয়াল ইন্সটিটিউট বা ব্যাংক থেকে লোন নিয়ে থাকেন। উদ্দেশ্য থাকে বিজ...
23/08/2025

🔴 লোন: যে ঋণ নয়, বরং জীবনের বিষ!
অনেকেই ভেবেচিন্তে ফিনানশিয়াল ইন্সটিটিউট বা ব্যাংক থেকে লোন নিয়ে থাকেন। উদ্দেশ্য থাকে বিজনেস দাঁড় করানো, বাড়ি তৈরি, গাড়ি কেনা, বা অন্য কিছু। তবে একটা কথা মাথায় রাখুন—লোন মানেই শুধু টাকা ধার নয়, বরং প্রতিমাসে সুদের জ্বালায় নিঃশেষ হওয়ার শুরু!

❗ একটি উদাহরণ চিন্তা করুনঃ
ধরা যাক, আপনি ২৫ লাখ টাকার লোন নিলেন ৫ বছরের জন্য, ইন্টারেস্ট রেট ১৪.৪৯%।
EMI (প্রতিমাসের কিস্তি) দাঁড়াল প্রায় ৫৫,৫০০ টাকা।
মানে বছরে প্রায় ৬,৬৬,০০০ টাকা।

🔍 এখন আপনি ভাবলেন, “ঠিক আছে, আমি বছরে প্রায় ৬.৬ লাখ দিচ্ছি, নিশ্চয়ই অন্তত ৫ লাখ তো প্রিন্সিপালে যাচ্ছে, আর ১.৫ লাখ ইন্টারেস্টে।”
কিন্তু বাস্তব চিত্র সম্পূর্ণ ভিন্ন!

প্রথম বছরে আপনি এই ৬.৬ লাখ টাকা দিলেও আপনার মূল লোন কমে এসেছে মাত্র ৩-৩.৫ লাখ টাকার মতো।
বাকি ৩ লাখ বা তার বেশি টাকা কেটে নিয়েছে ‘সুদ’ নামে শোষণব্যবস্থা!

🤯 তখন মনে হবে, “ইন্টারেস্ট তো ১৪.৪৯% ছিল! তাহলে ৫০%-এর মতো কেটে নিচ্ছে কেন?”

✅ কারণ হলো: এটি "Reducing Balance Loan" বা "Amortized Loan"।
এই সিস্টেমে শুরুতে প্রতি মাসের কিস্তি থেকে বেশি অংশ সুদ হিসেবে কেটে নেয়, আর প্রিন্সিপালের অংশ কম রাখে। সময় যত এগোয়, সুদের অংশ কমতে থাকে, প্রিন্সিপালের অংশ বাড়ে।

📉 কিন্তু আপনি যদি মাঝপথে ইনকাম হারিয়ে ফেলেন, চাকরি যায়, রোগ-অসুস্থতা আসে, ব্যবসা ডুবে যায়—তখনো EMI আপনাকে দিতে হবে। না পারলে...

👉 লোনের ফাঁস হয়ে দাঁড়ায় আপনার পরিবার, সম্পদ, মানসিক শান্তির জন্য এক অভিশাপ।

📌 তাই কী করবেন?
1️⃣ লোন নিতে হলে আগে সম্পূর্ণ EMI Schedule বুঝে নিন।
2️⃣ কবে কবে কত টাকা ইন্টারেস্ট যাচ্ছে এবং কতটা প্রিন্সিপাল যাচ্ছে সেটা জানুন।
3️⃣ চেষ্টা করুন ১-২ বছরের মধ্যে আর্লি সেটেলমেন্টের পরিকল্পনা করতে।
4️⃣ সর্বোপরি, লোন না নিয়েই সামনের দিকে আগানোর চেষ্টা করুন।
কারণ এতে ধনী আরও ধনী হয়, গরীব আরও নিঃস্ব হয়।
সুদভিত্তিক অর্থনীতি হলো নিপীড়নের চরম রূপ—ধনীর গলায় মালা, গরীবের গলায় দড়ি!

---

✅ সতর্ক হোন। সচেতন হোন।
আপনার একটি ভুল সিদ্ধান্ত আপনার আগামী দশ বছর ছিনিয়ে নিতে পারে।

📢 দয়া করে এই পোস্টটি আপনার পরিবার, বন্ধু, আত্মীয়—সবাইকে শেয়ার করুন। অনেকে হয়তো আজই লোন নিতে যাচ্ছেন, জানেন না এর ভেতরের ভয়াবহতা!

১২টি গোপন সত্য যা ধনী লোকেরা আপনাকে জানতে দিতে চায় না.......আমরা এমন এক দুনিয়ায় বাস করি যা ধনীদের দ্বারা এবং ধনীদের জ...
23/08/2025

১২টি গোপন সত্য যা ধনী লোকেরা আপনাকে জানতে দিতে চায় না.......

আমরা এমন এক দুনিয়ায় বাস করি যা ধনীদের দ্বারা এবং ধনীদের জন্য গঠিত। আপনি যে মিডিয়া দেখেন, যে পরামর্শ শুনেন—সবকিছুই সুচিন্তিতভাবে সাজানো হয় আপনাকে কর্মজীবনের দৌড়ে ফাঁসিয়ে রাখার জন্য, যাতে তারা আরও উপরে উঠতে পারে। কিন্তু এবার পর্দা সরানোর সময় এসেছে এবং সেই সত্যগুলো জানার সময় এসেছে যা ধনী ব্যক্তিরা আপনাকে জানতে দিতে চায় না। প্রস্তুত থাকুন, কারণ এই তথ্যগুলো আপনার বিশ্বাসের অনেক ভ্রান্তি ভেঙে দিতে পারে।

১. কঠোর পরিশ্রম আপনাকে ধনী করবে না

হ্যাঁ, তারা আপনাকে কঠোর পরিশ্রম করতে বলে, কিন্তু সত্যটা জানে—ধনী হওয়ার মূল চাবিকাঠি শ্রম নয়, লেভারেজ। মানে, যখন আপনি অতিরিক্ত সময় কাজ করে আপনার শক্তি খরচ করছেন, তারা অন্যের সময়, অর্থ এবং দক্ষতাকে ব্যবহার করে বিশাল সাম্রাজ্য গড়ে তুলছে।

২. তারা চায় আপনি বিশ্বাস করুন যে টাকা খারাপ জিনিস

আপনি যদি মনে করেন টাকা লোভ এবং দুর্নীতির প্রতীক, তাহলে আপনি কখনো এটি অর্জনের জন্য আত্মবিশ্বাসী হবেন না। অথচ ধনীরা জানে যে অর্থ কেবল একটি হাতিয়ার—যা সঠিকভাবে ব্যবহার করলে প্রভাব বিস্তারের শক্তিশালী মাধ্যম হতে পারে।

৩. সঞ্চয় আপনাকে ধনী করবে না

তারা বলে "সঞ্চয় করুন এবং মিউচুয়াল ফান্ডে বিনিয়োগ করুন", কিন্তু নিজেরা তা করে না। তারা বিনিয়োগ করে বড় ঝুঁকি ও বড় লাভের সুযোগে—স্টার্টআপ, রিয়েল এস্টেট, স্টক মার্কেট এবং ব্যবসায়, যা তাদের সম্পদকে বহুগুণে বাড়িয়ে দেয়।

৪. শিক্ষাব্যবস্থা আসলে একটি ফাঁদ

শিক্ষাব্যবস্থার মূল উদ্দেশ্য হলো আপনাকে আজ্ঞাবহ কর্মচারী বানানো, উদ্যোক্তা বা ঝুঁকি গ্রহণকারী নয়। আপনাকে শেখানো হয় কীভাবে অর্থের জন্য কাজ করতে হয়, কিন্তু ধনী ব্যক্তিরা শেখে কীভাবে অর্থকে তাদের জন্য কাজ করানো যায়।

৫. কর ব্যবস্থা ধনীদের জন্য সুবিধাজনকভাবে তৈরি

তারা জানে কর কমানোর উপায়, আইনি ফাঁকফোকর এবং বিভিন্ন কর সুবিধা। কিন্তু সাধারণ মানুষ তাদের আয়ের বড় একটি অংশ কর হিসেবে পরিশোধ করতে বাধ্য হয়। ধনীরা বেতনভোগী নয়, তারা সম্পদের মালিক—আর সম্পদের ওপর করের হার ভিন্ন।

৬. ঋণ হলো শক্তিশালী অস্ত্র—যদি আপনি এটি ব্যবহার করতে জানেন

তারা চায় আপনি ঋণকে ভয় পান, কিন্তু ধনীরা ঋণকে ব্যবহার করে আরও বেশি সম্পদ অর্জন করতে। তারা অন্যের অর্থ (OPM) দিয়ে বিনিয়োগ করে এমন সম্পদ কেনে, যা তাদের জন্য নিয়মিত আয় সৃষ্টি করে এবং সেই আয় দিয়েই ঋণ শোধ হয়ে যায়।

৭. আপনার ভোগবাদ তাদের বিলাসী জীবনযাত্রার মূল কারণ

প্রতিবার যখন আপনি নতুন মোবাইল, ফ্যাশনেবল পোশাক বা দামি কফি কিনছেন, তখন আসলে আপনি তাদের পকেটেই অর্থ ঢালছেন। অন্যদিকে, তারা তাদের অর্থ ব্যয় করে এমন সম্পদে, যা সময়ের সঙ্গে আরও মূল্যবান হয়।

৮. পরিচিতি প্রতিভার চেয়েও বেশি গুরুত্বপূর্ণ

তারা চায় না আপনি জানেন যে সঠিক মানুষের সংস্পর্শ আপনার জন্য অমূল্য সুযোগ তৈরি করতে পারে। তারা নিজেদের জন্য একটি এলিট নেটওয়ার্ক গড়ে তোলে, যা তাদের ধনী থাকার সুযোগ নিশ্চিত করে এবং বাইরের লোকদের প্রবেশের পথ বন্ধ রাখে।

৯. সময় হলো তাদের সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদ

তারা সময় নষ্ট করে না। তারা এমন কাজ করে না যা অন্যরা করতে পারে। তারা মানুষ নিয়োগ করে তাদের জন্য কাজ করাতে, যাতে তারা সম্পদ গঠনের ওপর ফোকাস করতে পারে।

১০. শেয়ার বাজার তাদের সুবিধার জন্য নিয়ন্ত্রিত

আপনার শেয়ার বাজারের বিনিয়োগ থেকে নিয়মিত মুনাফার আশা থাকলেও, তারা ইন্সাইডার তথ্য, স্বয়ংক্রিয় ট্রেডিং প্রযুক্তি এবং বিশাল মূলধন ব্যবহার করে বাজারকে নিজেদের স্বার্থে নিয়ন্ত্রণ করে।

১১. ব্যর্থতা তাদের সবচেয়ে বড় শিক্ষা

তারা ব্যর্থতাকে ভয় পায় না, বরং প্রতিটি ব্যর্থতাকে শিক্ষার সুযোগ হিসেবে দেখে। কিন্তু আপনাকে শেখানো হয় নিরাপদ খেলা খেলতে, ঝুঁকি না নিতে। ধনীরা জানে বড় পুরস্কারের জন্য বড় ঝুঁকি নেওয়া লাগে।

১২. তারা চায় আপনি অজ্ঞ থাকুন

যত কম আপনি অর্থ, বিনিয়োগ এবং ব্যবসা সম্পর্কে জানবেন, তত বেশি তারা আপনার শ্রম, সময় এবং ভোক্তাস্বভাবকে কাজে লাগিয়ে নিজেদের আরও ধনী করে তুলবে।

তাহলে আপনাকে কী করতে হবে?

এই নিয়ন্ত্রিত খেলায় আর অংশ নেবেন না। টাকার ব্যাপারে জ্ঞান অর্জন করুন, ইনভেস্টরের মতো চিন্তা করতে শিখুন, এবং ভোগের পরিবর্তে সম্পদের মালিক হওয়ার দিকে মনোযোগ দিন। গড়পড়তা জীবনের শৃঙ্খল থেকে বেরিয়ে এসে নিজের সাম্রাজ্য গড়ে তুলুন। এখনই সময় এসেছে ব্যবস্থা নেওয়ার, যাতে আপনি সেই সম্পদ এবং ক্ষমতা অর্জন করতে পারেন যা ধনীরা আপনাকে পেতে দিতে চায় না।

পুরুষের সবচেয়ে বড় যুদ্ধটা চলে তার নিজের মাথার ভেতরেই।এই লড়াই চোখে দেখা যায় না,কোনো খবরের কাগজেও ছাপা হয় না।দিনের পর দিন,...
23/08/2025

পুরুষের সবচেয়ে বড় যুদ্ধটা চলে তার নিজের মাথার ভেতরেই।
এই লড়াই চোখে দেখা যায় না,
কোনো খবরের কাগজেও ছাপা হয় না।
দিনের পর দিন, নিজের চিন্তা আর দ্বন্দ্বের সাথেই সে যুদ্ধ করে।

ভাই বিশ্বাস করেন, আপনার মৃত্যুর পর আপনার সন্তান কিংবা স্ত্রী দুবেলা ঠিকমতো পেট ভরে ভাত খেতে পারছে কিনা সে খোঁজ নেয়ার লো...
19/08/2025

ভাই বিশ্বাস করেন, আপনার মৃত্যুর পর আপনার সন্তান কিংবা স্ত্রী দুবেলা ঠিকমতো পেট ভরে ভাত খেতে পারছে কিনা সে খোঁজ নেয়ার লোকের সংখ্যা খুবই কম... তাই আপনি বেঁচে থাকা অবস্থায় আপনার সাধ্য অনুযায়ী তাদের যত্ন নেওয়ার চেষ্টা করুন... স্বামী না থাকলে স্ত্রীর শখ কিংবা সন্তানদের আবদার এসবই বিলাসিতা মাত্র..কথাটা শুনতে খারাপ লাগলেও এটাই বাস্তব 🙂।

আজকে ভোলা থেকে এম ভি দোয়েল পাখি ১০ লঞ্চে করে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওয়ানা করি। এই লঞ্চেই উন্নত চিকিৎসার উদ্দেশ্যে ঢাকা যাচ্ছ...
05/08/2025

আজকে ভোলা থেকে এম ভি দোয়েল পাখি ১০ লঞ্চে করে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওয়ানা করি। এই লঞ্চেই উন্নত চিকিৎসার উদ্দেশ্যে ঢাকা যাচ্ছিলো ১ দিন বয়সী একটা বাচ্চা। বাচ্চাটার শারীরিক অবস্থা ভালো না থাকায় অক্সিজেন সিলিন্ডার সাথে করেই ঢাকার উদ্দেশ্যে রওয়ানা হয়েছিলো হয়তো। সমস্যা হয় লঞ্চ যখন মুন্সীগঞ্জ পার হয় তখন অক্সিজেন শেষ হয় যায়। বাচ্চার পরিবারের লোকজন তাৎক্ষণিক ৯৯৯ এ কল দিয়ে পুরো বিষয়টি বলে। ৯৯৯ থেকে কুইক এ্যাকশন নিয়ে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডকে জানানো হয়। কিছুক্ষণের মধ্যেই কোষ্ট গার্ডের একটা টিম অক্সিজেন সিলিন্ডারসহ প্রাথমিক চিকিৎসার জন্য প্রয়োজনীয় সব কিছু নিয়ে স্পীড বোটে করে লঞ্চে পৌঁছে যায়। এরপর কোষ্টগার্ডের দুইজন সদস্যকে লঞ্চে উঠিয়ে দিয়ে সার্বক্ষণিক বাচ্চাটার মনিটরিং এর জন্য রেখে বাকিরা লঞ্চের সাথে সাথেই সদরঘাট পর্যন্ত আসে। এরপর আগে থেকেই ঘাটে দাঁড়ানো কোষ্টগার্ডের অ্যাম্বুলেন্সে করে বাচ্চাটাকে হসপিটালে পাঠানো হয়।

অনেক অনেক নেগেটিভ নিউজের ভীড়ে এই পজিটিভ নিউজগুলোই আমাদেরকে আবার নতুন করে দেশকে ভালোবাসতে উদ্বুদ্ধ করে।

অসংখ্য ধন্যবাদ জানাতে চাই Bangladesh Coast Guard এবং National Emergency Helpline 999 কে।

ছবি এবং তথ্যঃ Mosure Rahaman Semon

১। বিমান দুর্ঘটনার পর যারা উদ্ধার করতে গিয়েছিলেন - প্রচন্ড গরমে কলেজের ক্যান্টিনে গেলে তাদের পানি কিনতে বাধ্য করা হয়। চা...
22/07/2025

১। বিমান দুর্ঘটনার পর যারা উদ্ধার করতে গিয়েছিলেন - প্রচন্ড গরমে কলেজের ক্যান্টিনে গেলে তাদের পানি কিনতে বাধ্য করা হয়। চাপ বাড়লে মাইলস্টোন কলেজের ঐ ক্যান্টিন অফ করে দেয়া হয় যখন সবচেয়ে বেশি পানির দরকার ছিল। কারণ, পানির টাকা কে দিবে?

২। ছোট ছোট বাচ্চারা যখন পো/ ড়া শরীর নিয়ে বের হচ্ছিল - তখন তাদেরকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে না দিয়ে উৎসুক জনতা মোবাইলে ভিডিও ধারণে ব্যস্ত ছিল। কারণ, ভিডিওতে যত বেশি ভিউ হবে, তত বেশি টাকা ইনকাম হবে।

৩। আ*গু*নের ফু"লকিতে ঝ"লসে যাওয়া শরীর নিয়ে বের হয়ে এলেও হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার মতো কোন সিএনজি বা রিকশা রাজি হচ্ছিল না। কাছাকাছি থাকা কোন প্রাইভেট কারকেও সাহায্যের জন্য এগিয়ে আসতে দেখা যায় নি। কারণ, এরা কেউ তার নিজের সন্তান নয়।

৪। মাইলস্টোন কলেজ থেকে উত্তরা আধুনিক হাসপাতালে সিএনজি দিয়ে আসতে ভাড়া গুনতে হয়েছে ১০০০ টাকা।

৫। উত্তরা-উত্তর মেট্রোর নিচ থেকে মনসুর আলী মেডিকেলে রিকশা দিয়ে আসতে ভাড়া গুনতে হয়েছে ১০০ টাকা।

৬। বাচ্চাদের অনেকগুলো আইডি কার্ডের ছবি ফেসবুকে ঘুরছে। বাচ্চারা হয়তো আহত হয় নি, কিন্তু এতটাই আতঙ্কিত হয়েছে যে বাসার ঠিকানা বা অভিভাবকদের ফোন নাম্বার বলতে পারছে না। কোন আইডি কার্ডেই অভিভাবকদের ফোন নাম্বার দেখতে পেলাম না।

৭। যে যু"দ্ধ বিমানটি দু'র্ঘ'টনা কবলিত হয়েছে, সেটি ১৯৭৬ সালের মডেলের।

জ্বি, এটাই বাংলাদেশের প্রকৃত চিত্র। এটাই আমাদের বিবেক আর মনস্তত্ত্ব । এই জন্যই আমরা বাঙালি ।
যে বাচ্চাগুলো মা** গেছে, আল্লাহ তাদের এই জাহান্নাম থেকে বাঁচিয়ে নিয়েছেন।

বাংলাদেশের সবাই চোর।৯৯% মানুষ চোর।৯৯% মানুষ অমানুষ জানোয়ার।সুযোগ পাইলে সবাই চুরি করে।সুযোগ পাইলে সবাই মানুষ ঠকাই,সুযোগ পাইলে সবাই নিজের পকেট গরমে ব্যস্ত।কোন মানবিকতা নেই।একেকটা আস্ত মানুষরুপি জানোয়ার।যে দেশের ৯৯% মানুষ খারাপ,বিবেকহীন সে দেশে ভালো কিছু আশা করা এক প্রকার অসম্ভব ও অবাস্তব বলে মনে করি।

📌নবাব সিরাজউদ্দৌলাকে যখন বন্দী করে টেনে হিচঁড়ে নিয়ে যাওয়া হয়, তখন অসংখ্য মানুষ হা করে নীরব দর্শকের মতো সেই দৃশ্য উপভ...
19/07/2025

📌নবাব সিরাজউদ্দৌলাকে যখন বন্দী করে টেনে হিচঁড়ে নিয়ে যাওয়া হয়, তখন অসংখ্য মানুষ হা করে নীরব দর্শকের মতো সেই দৃশ্য উপভোগ করেছিল। শুধু তাই নয়, পিঠে ছুরিকাঘাত করার পূর্বে নবাবকে কাঁটাওয়ালা সিংহাসনে বসিয়ে ও ছেঁড়া জুতা দিয়ে পিটিয়ে যখন অপমান করা হচ্ছিল, তখন হাজার হাজার মানুষ সেই তামাশা দেখে ব্যাপক বিনোদিত হয়েছিল! মাস সাইকোলজিটা একটু খেয়াল করে দেখুন, এই জাতি দুইশত বছরের গোলামি সাদরে গ্রহণ করেছিল ওভাবেই।

একটি মজার তথ্য দেই। লর্ড ক্লাইভ তার ব্যক্তিগত ডায়েরিতে লিখেছেন, নবাবকে যখন ধরে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল, তখন দাঁড়িয়ে থেকে যারা এসব প্রত্যক্ষ করেছিল তারা যদি একটি করেও ঢিল ছুঁড়ত তবে ইংরেজদের করুণ পরাজয় বরণ করতে হতো। আরো চমকপ্রদ তথ্য হচ্ছে, প্রায় ১০ হাজার অশ্বারোহী, ৩০ হাজার পদাতিক এবং অসংখ্য কামান, গোলাবারুদ সহ বিশাল সুসজ্জিত সৈন্যবাহিনী নিয়েই পলাশীর ময়দানে এসেছিলেন নবাব সিরাজউদ্দৌলা । কিন্তু তার বিপরীতে রবার্ট ক্লাইভের সৈন্যসংখ্যা ছিলো মাত্র ৩ হাজার, যার মধ্যে ৯ শত জনই ছিল হাতেপায়ে ধরে নিয়ে আসা সৌখিন ব্রিটিশ অফিসার যাদের অধিকাংশেরই তলোয়ার ধরার মতো সুপ্রশিক্ষণ ছিল না, এরা কোনোদিন যুদ্ধও করেনি।

এত কিছু জেনেও রবার্ট ক্লাইভ যুদ্ধে নেমেছিলেন এবং জিতবেন জেনেই নেমেছিলেন। কারণ, তিনি খুব ভালো করেই জানতেন একটি হীনমন্য ব্যক্তিস্বার্থলোভী দ্বিধাগ্রস্ত জাতিকে পরাস্ত করতে খুব বেশি আয়োজনের প্রয়োজন নেই, বড় সৈন্যবাহিনী এদের জন্য মশা মারতে কামান দাগার মতো। যাদেরকে সামান্য দাবার চালেই মাত করে দেয়া যায়, তাদের জন্য হাজার হাজার সৈন্যের জীবনের ঝুঁকি তিনি কেন নেবেন? এছাড়াও, মীরজাফরকে যখন নবাবীর টোপ গেলানো হয়, রবার্ট ক্লাইভ তখনই সিদ্ধান্ত নিয়ে নেন যে, সিরাজকে পরাজিত করার পর এই বদমাশটি সহ বাকিগুলোর পরিণতিও তাদের নবাবের মতোই হবে এবং হয়েছেও তাই। ইতিহাস সাক্ষ্য দেয়, মীরজাফর, উমিচাঁদ, রায়বল্লভ, ঘষেটি বেগম সহ প্রত্যেকটি বেইমানের করুণ মৃত্যু হয়েছে।

রবার্ট ক্লাইভ মীরজাফরের বেঈমানির উপর ভরসা করে যুদ্ধ করতে আসেননি। তিনি যুদ্ধে নেমেছিলেন বাঙালির মানসিকতা নিখুঁতভাবে বিশ্লেষণের মাধ্যমে ভবিষ্যৎ আন্দাজ করে। তিনি জানতন, যুদ্ধশেষে জনসম্মুখে নবাবকে হেনস্থা করলে এই জাতি বিনোদনে দাঁত কেলাবে কিংবা হা করে চেয়ে চেয়ে দেখবে। তাই বিনা দ্বিধায় সার্টিফিকেট দেয়াই যায়, বাঙালি জাতির মানসিকতা সবচেয়ে নিখুঁতভাবে মাপতে পারা ইতিহাসের প্রথম ব্যক্তিটির নাম রবার্ট ক্লাইভ!

Address

Mirpur
Dhaka
1216

Telephone

+8801535413290

Website

https://www.facebook.com/EveningMoon.bd

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Evening Moon bd posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Evening Moon bd:

Share