DD Events

DD Events "Dhol Dholakia"" iz a EVENT MANAGEMENT & Wedding Planner..... WE PROVIDE THE TEST OF EVENT THAT U HAVE NEVER TESTED BEFORE ........... ........>>> mOmEn

We want to change the trends of wedding events in CHITTAGONG by introducing new ideas and creativeness. A group of highly talented and creative young person are always dedicated to provide the very best quality, elegant and classy services. We opened a brand new door for you. We say "WE CREATE UR OWN IMAGINATION" just imagine.......We'll make it happen. "DHOL DHOLAKIA" is a wedding events manageme

nt firm operating by some very young creative professionals. DD EVENTS covers almost every sector of wedding events like:
Photography
Cinematography
Stage and hall management
Lighting
Live View,
LED,
Projector

Entertainment: Sounds, music and dance, DJ, Solo Artist Band Party, PALKI, Ghora, Tomtom Mehedi Make up Flowers Decorator Car service

DD EVENTS is a group of 4 creative wedding specialist photographers and a learned group of associate photographers , interior designers, a cinematographers, creative stage and art designers. DD EVENTS runs under the supervision of a creative head and a CEO. Please contact for the Packages list for Photography, Cinematography, Stage and other events. . For detail packages call us: 01673614923(mOmEn)

 #বিয়ের_জন্য_ঋণ_দিচ্ছে_বাংলাদেশের_৯টি_ব্যাংক!জেনে নিন বিস্তারিত-বিয়ে ঠিক হয়ে গিয়েছে। কিন্তু খুশির এ আয়োজনে অনেক বড় একট...
22/01/2018

#বিয়ের_জন্য_ঋণ_দিচ্ছে_বাংলাদেশের_৯টি_ব্যাংক!
জেনে নিন বিস্তারিত-

বিয়ে ঠিক হয়ে গিয়েছে। কিন্তু খুশির এ আয়োজনে অনেক বড় একটি দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে বিয়ের খরচ খরচা। পরিবার-পরিজন, বন্ধুবান্ধব, আত্মীয়স্বজন—কেউই এ দুশ্চিন্তা দূর করতে এগিয়ে আসছে না বা আসতে পারছে না বা হতে পারে আপনিও তাতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করছেন না। তাহলে বিয়ের আয়োজনে কি কাটছাঁট করবেন? টাকার অভাবে বিয়ে পিছিয়ে দিবেন? হয়তো আপনার ভাগ্য এতটা সুপ্রসন্ন নয় যে টাকা ভূতে জুগিয়ে দিবে। এমন হলে সাহস করে পা বাড়াতে পারেন ‘বিয়ের ঋণের’ পথে। বিয়ে-সংক্রান্ত প্রয়োজন মিটাতে দেশের বেশ কয়েকটি বেসরকারি ব্যাংক ‘বিয়ে ঋণ’ চালু করেছে।

বিয়ের জন্যও ঋণ! খবরটা শুনে নিশ্চেই চিন্তায় পরে গেলেন? এ আবার কেমন কথা, বিয়ে করবো আমি আর টাকা দিবে ব্যাংক! ঘটনা সত্যি। তাহলে এবার জেনে নিন কারা দিচ্ছে এ ঋণ।
প্রাইম ব্যাংক, ব্যাংক এশিয়া, আইএফআইসি ব্যাংক, এইচএসবিসি ব্যাংক, ট্রাস্ট ব্যাংক, ডাচ্-বাংলা ব্যাংক, ইস্টার্ন ব্যাংক, স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক, সিটি ব্যাংক।

#প্রাইম_ব্যাংক: প্রাইম ব্যাংকের বর্ণনা অনুযায়ী, সরকারি, আধা সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, বেসরকারি সংস্থা, বিদেশি সংস্থা এবং ক্ষুদ্র ও মাঝারি প্রতিষ্ঠানের চাকুরিজীবী, ব্যবসায়ী, বাড়ির মালিক—সবার জন্য ‘বিয়ের ঋণের’ ব্যবস্থা রয়েছে। ১৫ হাজার থেকে ৩৫ হাজার টাকা মাসিক আয় বা বেতনের যে কেউ এ ঋণ নিতে পারবেন। প্রাইম ব্যাংক গ্রাহক-ভেদে এ ঋণের পরিমাণ সর্বনিম্ন ৫০ হাজার টাকা থেকে সর্বোচ্চ ৩ লাখ টাকা পর্যন্ত এই ঋণ দিচ্ছে। এই ঋণ মাসিক কিস্তিতে পরিশোধযোগ্য যার মেয়াদ সর্বোচ্চ পাঁচ বছর। ঋণের বার্ষিক সুদের হার ১২% থেকে ১৫%।

#ব্যাংক_এশিয়া: এই ব্যাংকের বিয়ের জন্য সরাসরি কোনো ঋণ-সুবিধা নেই। কিন্তু ব্যক্তিগত ঋণের আওতায় ঋণ নিয়ে তা বিয়ের খরচ হিসেবে ব্যবহার করা যাবে। ব্যাংকটি সর্বনিম্ন ৫০ হাজার টাকা থেকে সর্বোচ্চ ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ দিচ্ছে। ১৫ হাজার টাকা মাসিক আয়ের বিভিন্ন পেশাজীবীদের এ ঋণ দেওয়া হয় থাকে যার বার্ষিক সুদের হার (১২-১৫)%।

#আইএফআইসি_ব্যাংক: এই ব্যাংকটিও গ্রাহক-ভেদে সর্বোচ্চ তিন লাখ টাকা পর্যন্ত ‘বিয়ের ঋণ’ দিয়ে থাকে। এর ঋণের মেয়াদ সর্বনিম্ন এক থেকে সর্বোচ্চ তিন বছর পর্যন্ত। বার্ষিক সুদের হার সাড়ে ১৬ শতাংশ।

#ট্রাস্ট_ব্যাংক: ব্যাংকটি ব্যক্তিগত ঋণের আওতায় বিয়ের ঋণ-সুবিধা দেয়। তবে ‘বিয়ের ঋণ’ নামে সরাসরি কোনো ঋণ পণ্য নেই। বিয়ের ঋণ যদি অভিভাবক নিতে চান, তবে তাঁর বয়স ২৫ থেকে ৬০ বছর এবং যিনি বিয়ে করবেন তিনি যদি নিজেই আবেদনকারী হন, তাহলে তাঁর বয়স ২৫ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে হতে হবে। গ্রাহকের চাহিদা-ভেদে সর্বনিম্ন ৫০ হাজার থেকে সর্বোচ্চ ১০ লাখ টাকার ঋণ দেয় এই ব্যাংক। (১-৫) বছর মেয়াদি এর ঋণের সুদের হার দুই ধরনের। সরকারি চাকরিজীবীদের ক্ষেত্রে ন্যূনতম ১৫ হাজার টাকা ও বেসরকারি চাকরিজীবীদের ক্ষেত্রে ন্যূনতম ৩০ হাজার টাকা মাসিক বেতনের ব্যক্তিদের এ ঋণ-সুবিধা দেওয়া হয়। চাকরিজীবীদের জন্য যে ঋণ-সুবিধা দেওয়া হয়, তার বার্ষিক সুদের হার ১৪.৫%। আর ব্যবসায়ীসহ অন্যদের ক্ষেত্রে এই ঋণের বার্ষিক সুদের হার ১৬.৫%।

#এইচএসবিসি_ব্যাংক: এই ব্যাংকের ঋণ পেতে চাকরিজীবী হলে তাঁর আয় কমপক্ষে ৪০ হাজার টাকা এবং ব্যবসায়ীদের ক্ষেত্রে আয়ের প্রমাণসাপেক্ষে কমপক্ষে ৫০ হাজার টাকা হতে হবে। যদি আবেদনকারী অটো পে অথবা সেপস গ্রাহক হন, তবে মাসিক আয় ১৫ হাজার টাকা হতে হবে। আবেদনকারীর বয়স ২৩ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে হতে হবে। আবেদনকারী অটো পে গ্রাহক হয়ে থাকলে, তবে মাসিক আয়ের ৬(ছয়) গুণ এবং সেপস গ্রাহক হয়ে থাকলে, মাসিক আয়ের ১০ গুণ পর্যন্ত ঋণ নেওয়া যাবে। বার্ষিক সুদের হার ১৯%। প্রতিটি ঋণই মাসিক কিস্তিতে চার বছরের মধ্যে পরিশোধ করতে হয়। কোনো ব্যক্তিগত গ্যারান্টার বা নগদ জামানতের প্রয়োজন হয় না।

#ডাচ্_বাংলা_ব্যাংক: ডাচ-বাংলা ব্যাংকে ব্যক্তিগত ঋণের সাব-প্রোডাক্ট হলো ‘বিয়ের ঋণ’। ঋণের আবেদনকারী চাকুরীজীবী হলে তাঁর মাসিক আয় কমপক্ষে ১০ হাজার টাকা এবং ব্যবসায়ী হলে তাঁর মাসিক আয় ৩০ হাজার টাকা হতে হবে। বিয়ের আনুষ্ঠানিক খরচের জন্য ব্যাংকটি সর্বোচ্চ ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ দেয় যা (১-৫) বছরের মধ্যে পরিশোধ করতে হয়। এবং সুদের হার ১৭.৫%।

#ইস্টার্ন_ব্যাংক: এই ব্যাংক সরাসরি বিয়ের জন্য ঋণ দেয় না। এর ব্যক্তিগত ঋণের এনি পারপাসের আওতায় যে ঋণ দেওয়া হয়, তাতে আবেদন ফরম পূরণের সময় বিয়ের উদ্দেশ্যে ঋণ নেওয়া হচ্ছে, তা উল্লেখ করতে হবে। ঋণ আবেদনকারীর বয়স ২২ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে হতে হবে। আবেদনকারী চাকুরীজীবী হলে তাঁর আয় ১৫ হাজার এবং ব্যবসায়ী হলে তাঁর আয় ২৫ হাজার টাকা হতে হবে। সর্বোচ্চ ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত এ ঋণ দেওয়া হয়ে থাকে যার সুদের হার ১৫%। ঋণ পরিশোধের মেয়াদ (১-৫)বছর পর্যন্ত।

#সিটি_ব্যাংক: এই ব্যাংক থেকে বিয়ের উদ্দেশ্যে ঋণ নেওয়া যাবে ‘সিটি সলিউশনের’ মাধ্যমে। সর্বোচ্চ তিন লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ নেওয়া যাবে কোনো গ্যারান্টার ছাড়াই। ৫০ হাজার থেকে ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ পাওয়া যাবে। ঋণ পরিশোধ করতে হবে ১২ থেকে ৬০ মাসের মধ্যেই। প্রসেসিং ফি ১.৫%।
আবেদনকারী যদি চাকুরীজীবী হয় তবে তাঁর মাসিক আয় ১৫ হাজার টাকা, আত্মকর্ম-সংস্থানকারী হলে তাঁর মাসিক আয় ২৫ হাজার টাকা এবং ব্যবসায়ী হলে তাঁর মাসিক আয় ৩০ হাজার টাকা হতে হবে।

#স্ট্যান্ডার্ড_চার্টার্ড_ব্যাংক: পারসোনাল লোনের আওতায় এ ব্যাংক থেকে ঋণ নেওয়া যাবে। তবে আবেদন ফরমে বিয়ের উদ্দেশ্যে ঋণ নেওয়া হচ্ছে উল্লেখ করতে হবে। সর্বোচ্চ ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত এ ঋণ দেওয়া হয়ে থাকে এই ব্যাংক থেকে। (১-৫) বছরের মধ্যে ঋণ পরিশোধ করতে হয়। সুদের হার পরিবর্তনশীল। প্রসেসিং ফি ঋণের পরিমাণের ২%। আবেদনকারীর আয় সর্বনিম্ন ১৫ হাজার টাকা হতে হবে।

প্রতিটি মানুষের জীবনে বিয়ে একটি অতি আনন্দের বিষয় যার আয়োজন করা সহজ কথা নয়। আবার ধুমধাম করে বিয়ে করার শখটা তো টাকার অভাবে জলাঞ্জলি দেওয়া যায় না। তাই পরিশোধ করার সামর্থ্য থাকলে ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে বিয়ের আয়োজন করতে পারেন। জীবনের একমাত্র এই একটি মুহূর্তকে স্মরণীয় করে রাখতে না হয় করলেন ঋণ করে ঘি খাওয়ার আয়োজন।

এ যেন রূপকথার বিয়ে। স্বপ্নের নায়ক আর রাজকন্যার বিলেতের রাজবাড়িতে বিয়ে।বিয়ের ছবিটা বড্ড মিষ্টি। যেমন দারুণ বরকে লাগছে তেম...
13/12/2017

এ যেন রূপকথার বিয়ে। স্বপ্নের নায়ক আর রাজকন্যার বিলেতের রাজবাড়িতে বিয়ে।
বিয়ের ছবিটা বড্ড মিষ্টি। যেমন দারুণ বরকে লাগছে তেমন সুন্দর বউকে। ঝকঝকে এক নবদম্পতি। দেখলেই মন ভালো হয়ে যাওয়া। আসুন কিছু অজানা তথ্য দিই এই বিয়ে নিয়ে। শেষে ভয়ের কারন।

১). এলব্যামের সব ছবি তুলেছেন পৃথিবী বিখ্যাত ওয়েডিং ফটোগ্রাফার জোসেফ রাধিক। প্রতিদিনের শ্যুটে সাধারণত পাঁচ লাখ করে হাঁকেন দিল্লি বা বম্বে হলে, বাইরে হলে ডবল। এইক্ষেত্রে বিয়ে হল টাসকানি ইটালিতে, প্রায় দুকোটি খরচা হয়েছে কেবল ছবি ও ভিডিওফিল্মিং এ। ‘ফিল্ম’ই বটে।

২). অনুষ্কা ও বিরাটের বিয়ে ও বউভাতের সব ছবির এক্সক্লুসিভ রাইট বেচে দেওয়া হবে নির্দিষ্ট ম্যাগাজিন ও বিনোদন চ্যানেলকে। দুকোটির অনেকটা উঠে আসবে ওখান থেকে।

৩). বিয়ের পর বউভাত হবে দিল্লির তাজ ডিপ্লোম্যাটিক এনক্লেভ এ। রিসেপশনের নিমন্ত্রণপত্র ছাড়াও একটা মস্ত মিষ্টির বাক্স ও ড্রাই ফ্রুটসের ঝুড়ি উপহার দেওয়া হয়েছে। নিমন্ত্রণপত্রতে একটা ইউনিক QR Code আছে। সেটি স্ক্যান করা আবশ্যিক। নচেৎ নয়।

৪). সব্যসাচী মুখার্জী অনুষ্কার পোষাক ও গয়নার দ্বায়িত্বে ছিলেন। সব্যসাচী হেরিটেজ জুয়েলারি কালেকশন থেকে কেনা দশ লাখি হিরের নেকলেস পড়েছিল নায়িকা। আনকাট ডায়মন্ড, মাঝে চুনি ও নিচে মুক্তো বসানো। সাথে একই রকম ঝুমকো।

৫). বিয়ের পোষাক ছিল গুলকন্দ বারগেন্ডি রঙের। কলকাতার শ্রেষ্ঠ কারিগর দ্বারা হাতে বোঁনা জরদৌসি ও মারোরি লহেংগা, মাঝে মুক্তোদানা বসানো।

৬). বিরাট দিল্লির পাঞ্জাবি ছেলে। তার জন্য ছিল হাতে বোঁনা বেনারসি কাজের নকশী করা শেরওয়ানি যাতে গোলাপ কাঠের বোতাম লাগানো। সাথে গোলাপি রঙের কোটা সিল্কের পাগড়ী। বুকে পিতলের ব্রোচ। একটিও মান্যবর থেকে কেনা নয়।

৭). পুরো বিয়ের অনুষ্ঠানের ব্যবস্থাপনায় ছিল শাদিস্কোয়াড নামক সংস্থা। চার মাস ধরে প্ল্যানিং চলেছে। টপ বস ছাড়া বাকি সদস্যরা ঘুণাক্ষরেও টের পায়নি। সবাই জানতো বড়লোক কোন ক্লায়েন্ট এর বিয়ে হবে বিদেশে। সেই মতো সেট ডিজাইন, লজিস্টিক সাজানো হয়।

৮). হানিমুনে ভিরুষ্কা যাচ্ছে দক্ষিণ আফ্রিকা। প্রায় একমাস দুজনের কেউ কাজে যোগ দেবে না।
এ তো গেল বিয়ের পুঙ্খানুপুঙ্খ বিবরণ। পাঠক গোগ্রাসে গিললো। এবার ভয় পাচ্ছি যা নিয়ে তা শুনুন নাকি?
ভয়টা অনুষ্কার মত ওই অসম্ভব সুন্দর মেয়েটা আর বিরাটের মত চঞ্চল একরোখা ছেলেটাকে নিয়ে। হাজার ওয়াটের আলো, নিউজপ্রিন্ট, বাইট, জয়ধ্বনি, ফ্যানক্লাব, স্টেডিয়াম এর আওয়াজ এর মাঝে টিকিয়ে রাখা একটা দাম্পত্য নিয়ে। কারন
আজ থেকে রোজ, প্রতিবার, প্রতি ম্যাচে, প্রত্যেকটা টুর্নামেন্ট এ বিরাট একটা বোঝা নিয়ে মাঠে নামবে। ওকে ভালো রান করতেই হবে। জিততেই হবে। অন্তত বিয়ের এক বছর। নয়তো নববধূকে “ডাইনি” “অপয়া” “পানৌতি” “কালমুহি” সহ একাধিক নামে ডাকা হবে। বলা হবে যবে থেকে বিয়ে হল, বিরাটের ফর্ম নেই।

অন্যদিকে অনুষ্কা যে ছবিই করুক, বলা হবে কেরিয়ার শেষ, জরিপ করা হবে কতো কেজি ওজন বাড়লো। ঠোঁটে চর্বি জমলো?ছবি ফ্লপ হলে তো কথাই নেই। এবার বাচ্চা টাচ্চা করে বাড়িতে থাকুক না বাপ!
ডবল সেঞ্চুরি, রেকর্ড ভাঙা ইনিংস খেলেছে বিরাট। এবার আসল ইনিংস। সমাজের সাথে লড়াই করে, ঘরেবাইরে মানিয়ে চলে, অনেক খারাপ লাগা আপোষ করে ভীরুষ্কার সেঞ্চুরির জন্য অপেক্ষারত দেশ। শুভাকাঙ্ক্ষী।
দুজনেই মধ্যবিত্ত পরিবার থেকে উঠে আসা, মধ্যবিত্ত ভালোলাগা, পাড়ার ছেলে, পাশের বাড়ির মেয়ে থেকে একদিন রাজপুত্তুর আর রাজকন্যা হওয়া। অনেক অল্প বয়েসে অনেক কিছু পাওয়া। যত্নে থাকুক এই ভালোবাসা। হাজার পাপারাজ্জি আর গুজব আর মশলামাখা নিউজপ্রিন্টের মুখে ঝামা ঘোঁষে।

এত গেল বিয়ের তথ্য, খুঁটিনাটি, ভয়। এবার শেষ পাতের টুইস্ট টা হল, মান্যবর ওয়েডিং কালেকশনের বিজ্ঞাপণী ছবিটা মনে আছে নিশ্চই? বিয়ের পর কি কি করবে তার প্রতিজ্ঞা নিচ্ছে দুজন? এবার মান্যবর দ্বিতীয় একটা ভিডিও নাকি বের করছে যেখানে দুজনের সাতপাক ও অগ্নিসাক্ষী রাখার দৃশ্য দেখা যাবে। বিয়ে করার দৃশ্য তখনই শুটিং করে নেওয়া। তুখোড় বিপণনী বুদ্ধি দিন গুনছিল বিয়ের। এবার সেই ভিডিও গাঁক গাঁক করে চলবে। খুনের খবরের মাঝে, ধর্ষণের খবরের মাঝে, খারাপ খবরের মাঝে।
রূপকথা দেখতে কার না ভালো লাগে? সবকিছু ঝকঝকে, গ্লানি নেই, দারিদ্র নেই, ক্ষোভ নেই। থাকার মধ্যে আছে একটা বাজার নির্ধারিত গুড লাইফ। অনেকটা বড় পকেট আর এক আকাশ ভোগবাদ।

( লেখক দিল্লিনিবাসী ইংলিশ নিউজ চ্যানেল এর সাংবাদিক ও বাংলা ব্লগার। রাজনীতি, বিনোদন ও সমাজের আনাচ কানাচ নিয়ে লিখে থাকেন। মতামত ব্যক্তিগত)

গরু, টালির ছাদ, মেঠো রাস্তা সবই আছে। আবার এ সবের মধ্যে একটা রাজকীয় ব্যাপারও আছে। ঠিক আর পাঁচটা সাধারণ গ্রামের মতো নয়, এক...
18/11/2016

গরু, টালির ছাদ, মেঠো রাস্তা সবই আছে। আবার এ সবের মধ্যে একটা রাজকীয় ব্যাপারও আছে। ঠিক আর পাঁচটা সাধারণ গ্রামের মতো নয়, একটু আলাদা। যেন কোনও রাজকীয় গ্রাম। ব্লারির আভিজাত প্যালেস গ্রাউন্ডের চেহারাটা এখন এ রকমই। ঝাঁ চকচকে সেই প্যালেস এখন আস্ত একটা গ্রাম। রাতারাতিই সেই গ্রাম লোকে লোকারণ্য। আলোয় ঝলমল বিশাল সেই গ্রামের ইতি উতি ঘুরে বেড়াতে দেখা গেল ৫০ হাজার লোককে। ঘুরে বেড়ালেন সেলিব্রেটি থেকে তাবড় তাবড় নেতা মন্ত্রীরাও। কবজি ডুবিয়ে খাওয়া দাওয়া, বিনোদনের আয়োজন কী নেই সেই গ্রামে! এই গ্রামের আয়ু অবশ্য মাত্র কয়েক দিনের। বিয়ে মিটলেই গ্রামও উধাও! এই রাজকীয় গ্রাম আসলে কর্নাটকের বিজেপি নেতা, প্রাক্তন মন্ত্রী তথা খনি মাফিয়া জি জনার্দন রেড্ডির মেয়ের বিয়ের মণ্ডপ। খবর বিডিনিউজের।
ইতোমধ্যেই যার রাজকীয়তায় নজর পড়েছে আয়কর দফতরেরও। হইচই শুরু হতেই বিষয়টি থেকে অবশ্য দূরত্ব বজায় রাখার যথাসম্ভব চেষ্টা করছে বিজেপি। দলের প্রথম সারির নেতারা বিয়েতে যাবেন না বলে ঠিক হয়। নয়াদিল্লি থেকেও নাকি তেমনই নির্দেশ আসে। কিন্তু বিয়ের দিনই বিজেপির অনেক নেতাকেই বিয়ের অনুষ্ঠানে যোগ দিতে দেখা যায়। বিয়ের দিনই প্যালেসে পৌঁছে যান তাঁদের অনেকেই। নবদম্পতিকে আশীর্বাদ জানাতে যান কর্নাটক রাজ্য বিজেপি সভাপতি ইয়েদুরিয়াপ্পা। যান রাজ্যপাল ভাদু ভালা, এবং কর্নাটকের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পরমেশ্বরা। উপস্থিত ছিলেন শিবকুমার, এইচ কে পাতিল এবং রামালিঙ্গ রেড্ডির মতো কংগ্রেসের প্রায় সমস্ত সারির নেতা-মন্ত্রীরাও। পুনীত রাজকুমার এবং জশ রাজের মতো অনেক বলিউডির দেখা মিলেছে। সব মিলিয়ে আমন্ত্রিত অতিথির সংখ্যা ছাড়িয়ে যায় ৫০ হাজার। বুধবারই জনার্দনের মেয়ে ব্রাহ্মণীর সঙ্গে বিয়ে হয়েছে রাজীব রেড্ডি নামে এক ব্যবসায়ীর। রাজীবের দক্ষিণ আফ্রিকা ও অন্যত্র হিরে ও সোনার খনি রয়েছে। বিয়েতে খরচ হয়েছে ৫০০ কোটি টাকা। মেয়ের বিয়ের জন্য অভিনব বিয়ের নিমন্ত্রণ পত্র বানিয়েই চমকে দিয়েছিলেন এই প্রাক্তন মন্ত্রী। এলসিডি স্ক্রিনে সপরিবারে গান এবং অভিনয় করে রীতিমতো ফিল্মি কায়দায় আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল অতিথিদের। তা দেখেই বিয়ের রাজকীয়তা বিষয়ে বেশ অনুমান করা গিয়েছিল। যা চাক্ষুস করা গেল বুধবারই। তাঁর মেয়ের বিয়ে যেখানে হচ্ছে, সেই প্যালেস গ্রাউন্ডকে একটা গোটা নকল গ্রাম বানিয়ে ফেলা হয়েছে। বল্কারিতে রেড্ডির বাড়ি এবং স্কুলের আদলে তৈরি করা হয়েছে সব কিছু। রাজকীয় সেই গ্রামে অতিথিদের স্বাগত জানানোর প্রথাও ছিল নজরকাড়া। সোনালি রঙের বিশাল প্রবেশদ্বার পেরিয়ে ঢুকলেই গ্রামের রীতি মেনে সব অতিথির হাতে একটা করে তুলসী এবং চন্দন চারাগাছ ধরিয়ে দেওয়া হয়। মেঠো রাস্তার মধ্য দিয়ে মণ্ডপের দিকে এগোলেই চোখে পড়বে সুসজ্জিত গরু, টালির ছাদের ঘর। রয়েছে কর্নাটকের হাম্পির মন্দিরের আদলে তৈরি মন্দিরও। হুবহু যেন একটা গ্রাম। এক ফিল্ম আর্ট ডিরেক্টরের হাতের ছোঁয়ায় প্যালেসের ৩৫ একর জমি এই ভাবেই পরিণত হয়েছিল আস্ত একটা গ্রামে। সেই গ্রামে প্রবেশের পর গরুর গাড়ি করে সমস্ত অতিথিদের পৌঁছে দেওয়া হয় বিয়ের মণ্ডপে। মণ্ডপের সাজসজ্জা এবং রেড্ডির মেয়ের ডিজাইনার পোশাক বা গয়নাও ছিল তাক লাগানো।
কীভাবে আয়কর দফতরের নজর এড়িয়ে এত কিছু করলেন জনার্দন রেড্ডি? প্রশ্নটা তুলেছিলেন আরটিআই কর্মী এবং আইনজীবীটি নরসিংহ মূর্তি। গত কাল তিনি এ নিয়ে অভিযোগ জানান আয়কর দফতরে। বিষয়টি উঠেছিল রাজ্যসভাতেও। শেষ পর্যন্ত নড়েচড়ে বসেছে আয়কর দফতরও। রেড্ডি কীভাবে বিয়েতে এই বিপুল পরিমাণ টাকা খরচ করছেন, তা নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে তারা। নরসিংহ মূর্তি জানিয়েছেন, সাড়ে তিন বছর জেল খেটে ২০১৫ সালে জেল থেকে ছাড়া পান রেড্ডি। বেআইনি খননের অভিযোগে জেলে যেতে হয়েছিল তাঁকে। তখন দামি গাড়ি, চপারসহ রেড্ডি এবং তাঁর স্ত্রীর অন্তত ৭০ কোটির স্থাবর সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। মূর্তির প্রশ্ন, তার পরেও রেড্ডির মতো এমন এক জন ‘দাগি অপরাধী’ নিজের মেয়ের বিয়েতে কী ভাবে ৫০০ কোটি টাকা খরচ করছেন? ওই আইনজীবীর দাবি, বিপুল পরিমাণ করের টাকা ফাঁকি দিয়েছেন এই খনি মাফিয়া। মূর্তির দাবি অনুযায়ী, রেড্ডির মেয়ের বিয়ের আগে-পরে বিভিন্ন অনুষ্ঠান মিলিয়ে চার দিনে মোট খরচ ৫০০ কোটি পেরিয়ে ৬৫০ কোটি ছুঁতে চলেছে। বিষয়টি নিয়ে সংবাদমাধ্যমে তোলপাড় হচ্ছে দেখেও আয়কর দফতর পদক্ষেপ গ্রহণ করছে না কেন, জানতে চান মূর্তি।

 #ডাল_জামাল এর মেয়ের বিয়ে!!!!জামাল উল্লাহ খাতুনগঞ্জের বিখ্যাত ডাল আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান বিসমিল্লাহ স্টোরের মালিক।  ধনাঢ্...
02/10/2016

#ডাল_জামাল এর মেয়ের বিয়ে!!!!
জামাল উল্লাহ খাতুনগঞ্জের বিখ্যাত ডাল আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান বিসমিল্লাহ স্টোরের মালিক। ধনাঢ্য এই ব্যক্তি চট্টগ্রামের ব্যবসায়ী মহলে ‘ডাল জামাল’ হিসেবে পরিচিত। তার মেয়ে ফারিয়ার বিয়েতে শুক্রবার রাতে হাজির হয়েছিলেন দেশের কর্পোরেট জগতের প্রায় সব রথী-মহারথীরা।

এ যেন নবাব শাহীর আমল ! হচ্ছে কোনো নবাবজাদীর বিয়ে ! মূল ফটক থেকে বর-কনের মঞ্চ পর্যন্ত তাকালে প্রথমে অবশ্য বিয়ে বলে মনেই হবে না।  মনে হবে যেন কোন নবাবজাদীর সিংহাসনে অভিষেক হচ্ছে !

For booking just call :+88 01673 614923+88 01842 614923  :) :)
14/09/2016

For booking
just call :
+88 01673 614923
+88 01842 614923
:) :)

Eid Mubarak....
13/09/2016

Eid Mubarak....

03/08/2016

for booking jst call :
+88 01673 614923
+88 01842 614923
:) :)

08/03/2016
বসন্ত বরনপিঠা মেলাফুচকামেহেদি উৎসবসাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানমিলনমেলা
13/02/2016

বসন্ত বরন
পিঠা মেলা
ফুচকা
মেহেদি উৎসব
সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান
মিলনমেলা

বসন্ত উৎসব ১৪২২New Castle Law AcademyEvent Management by : DD Events
13/02/2016

বসন্ত উৎসব ১৪২২
New Castle Law Academy
Event Management by : DD Events

Address

Halishahar
Chittagong
40000

Opening Hours

Monday 10:00 - 23:00
Tuesday 10:00 - 23:00
Wednesday 10:00 - 23:00
Thursday 10:00 - 23:00
Friday 10:00 - 23:00
Saturday 10:00 - 23:00
Sunday 10:00 - 23:00

Telephone

01673614923

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when DD Events posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to DD Events:

Share

Category