Rajib Basak.

Rajib Basak. Professional Magic Entertainer of Bangladesh

আমি জীবনে প্রায় দশ হাজার খাতা দেখেছি। বাংলা পরীক্ষার খাতা। লাল কালির কলম দিয়ে নম্বর দিয়েছি। কোথাও আট। কোথাও বারো। কোথাও ...
22/09/2026

আমি জীবনে প্রায় দশ হাজার খাতা দেখেছি। বাংলা পরীক্ষার খাতা। লাল কালির কলম দিয়ে নম্বর দিয়েছি। কোথাও আট। কোথাও বারো। কোথাও পঁচিশ। কোথাও শূন্য। মানুষের লেখা দেখে মানুষকে বিচার করা আমার পেশা ছিল। কখনো ভাবিনি, একদিন একটা খাতা আমার নিজের জীবনটাকেই বিচার করবে।
ঘটনাটা আজ থেকে প্রায় বাইশ বছর আগের।
তখন আমি মোহনগঞ্জ হাই স্কুলের শিক্ষক। নবম শ্রেণির খাতা দেখতাম। সেবার একটা রচনা ছিল, “আমার দেখা একটি বর্ষার দিন।”
বেশিরভাগ ছাত্র একই কথা লিখেছিল। বৃষ্টি। কাদামাটি। ছাতা। ভেজা রাস্তা। খিচুড়ি। নদী। কারও কারও লেখায় রবীন্দ্রনাথও এসেছিলেন। কারও লেখায় নজরুল। কেউ লিখেছিল, “বর্ষা আমার প্রিয় ঋতু।” কেউ লিখেছিল, “বর্ষার সৌন্দর্য অপরূপ।” সবই পরিচিত কথা।

তারপর একটা খাতা পেলাম। খাতাটা অন্যগুলোর মতো ছিল না। ছেলেটা লিখেছিল,
“আমাদের বাড়িতে বৃষ্টি হলে মা হাঁড়ির নিচে আরেকটা হাঁড়ি বসায়। কারণ ছাদ দিয়ে পানি পড়ে।”
আমি পড়তে থাকলাম।
“আমার মা বলে, বৃষ্টি ভালো। কারণ বৃষ্টি হলে ধুলো কমে।”
তারপর,
“আমি বৃষ্টি পছন্দ করি না।”
পরের লাইনে কারণ লিখেছে,
“বৃষ্টির দিনে বাবার মেজাজ খারাপ থাকে।”
আমি একটু থেমে গেলাম।
ছেলেটা লিখেছে,
“বাবা রিকশা চালায়। বৃষ্টি হলে মানুষ রিকশায় কম ওঠে। তাই সেদিন আমাদের ভাত কম হয়।”
তারপর শেষ দিকে একটা লাইন,
“আমি বড় হয়ে এমন একটা কাজ করতে চাই, যেদিন বৃষ্টি হলে কারও ভাত কমবে না।”

আমি অবাক হয়ে দেখলাম, ছেলেটা সবগুলো প্রশ্নের উত্তর লেখেনি। মাত্র তিনটা প্রশ্নের উত্তর লিখেছে। বাকী দুইটাতে তেরো পেয়েছে। অর্থাৎ রচনায় বিশের মধ্যে বিশ না পেলে ছেলেটা ফেইল করবে।

জানি না কেন, আমি আমার শিক্ষাগত জীবনে প্রথমবারের মতো নিয়ম ভাঙলাম। আমি খাতাটা বন্ধ করলাম। উপরে নম্বর দিলাম, ৩৩।
৩৩ খুব বেশি নম্বর না। ছেলেটা ভালো লিখেছিল।
আমি খাতার উপর ছোট করে লিখে দিলাম,
“ভাষা ভালো। নিজের অভিজ্ঞতা ধরে রাখবে।”

সেদিন প্রায় একশো বিশটা খাতা দেখেছিলাম। রাতে বাসায় ফিরে খাতাটার কথা ভুলে গেলাম।

বারোদিন পর স্কুল থেকে একটা চিঠি এলো। কয়েকটা খাতা পুনর্মূল্যায়নের জন্য পাঠানো হয়েছে। একটা খাতায় অভিযোগ, নম্বর বেশি দেওয়া হয়েছে। খাতাটা আমার হাতে এলো। আমি নাম দেখে চিনতে পারলাম। সেই ছেলেটা। নাম,
সাইফুল ইসলাম। তার নম্বর ৩৩ থেকে ২০ করার সুপারিশ করা হয়েছে।
কারণ হিসেবে হেডস্যার লিখেছেন,
“অতিরিক্ত আবেগপ্রবণ। প্রশ্নের বিষয়বস্তু যথাযথভাবে উপস্থাপিত হয়নি।”

আমি আবার খাতাটা পড়লাম। একই লেখা। একই বৃষ্টি। একই ভাঙা ছাদ। একই রিকশাওয়ালা বাবা। আমি ৩৩ ই রাখলাম।

হেডস্যার আমার উপর প্রচন্ড ক্ষিপ্ত হলেন। এই কারণেই কি-না, মাসখানেক পর আমাকে রাঙামাটি সরকারি হাইস্কুলে বদলি করা হলো।

তারপর অনেক বছর কেটে গেল।

আমি অবসর নিলাম। আমার ছাত্ররা দেশের নানা জায়গায় ছড়িয়ে গেল। কেউ ডাক্তার। কেউ ব্যাংকার। কেউ শিক্ষক। কেউ বিদেশে। কেউ আর কোনোদিন যোগাযোগ করেনি। এটাই স্বাভাবিক। শিক্ষকের জীবনে ছাত্ররা আসে। থাকে।তারপর চলে যায়। শুধু কিছু খাতা থেকে যায়। কিছু বাক্য থেকে যায়।

একদিন দুপুরে আমার বাসায় একজন যুবক এল। বয়স পয়ত্রিশের কাছাকাছি। পরনে খুব সাধারণ শার্ট। হাতে একটা ফাইল।
সে বলল,
“স্যার, আমাকে চিনেছেন?”
আমি বললাম,
“চেহারা পরিচিত লাগছে।”
সে হাসল।
“চিনবেন না।”
তারপর ফাইল খুলে একটা পুরোনো কাগজ বের করল।
আমার লেখা।
লাল কালিতে।
“ভাষা ভালো। নিজের অভিজ্ঞতা ধরে রাখবে।”
আমি অনেকক্ষণ কাগজটার দিকে তাকিয়ে থাকলাম।
তারপর বললাম,
“সাইফুল?”
সে মাথা নেড়ে হাসল।
“জি।”
আমি অবাক হয়ে বললাম,
“এত বছর পর?”
“আপনাকে একটা জিনিস দেখাতে আসছি।”

সে ফাইল থেকে একটা ছবি বের করল। ছবিতে একটা বড় ঘর। অনেকগুলো মেশিন।
দেয়ালে লেখা,
“বৃষ্টির দিনেও কাজ বন্ধ হবে না।”
আমি ছবিটার দিকে তাকিয়ে বললাম,
“এটা কী?”
সে বলল,
“আমার কারখানা।”
“তুমি কারখানা করেছ?”
“জি।”
“কী তৈরি করো?”
“রেইনকোট।”
আমি হেসে ফেললাম।

সে মাথা নিচু করে দাঁড়িয়ে রইল।
আমি তাকে চা দিলাম।
সে বলল,
“স্যার, আমি একটা কথা বলতে চাই।”
“বলো।”
“আপনি যদি ঐ খাতায় ৩৩ না দিতেন!”
সে থেমে গেল।
“তাহলে?”
“বাবা আমার লেখাপড়া বন্ধ করে দিতো।”
তারপর একটা লম্বা দীর্ঘশ্বাস ছাড়লো।
”হয়তো বাবার মতো আমাকেও রিকশা চালাতে হতো।”
আমি জিজ্ঞেস করলাম,
“তুমি সবগুলো প্রশ্নের উত্তর দাওনি কেন?”
সে একটু নিচের দিকে তাকাল।
“আমার মা খুব অসুস্থ ছিল।”
আমি চুপ করে শুনছিলাম।
“নেত্রকোনা হাসপাতালে ভর্তি ছিল। পরীক্ষা দিতে যাওয়ার সময়ও জানতাম না মা বাঁচবে কি না। হলের মধ্যে বসে বারবার মনে হচ্ছিল, আমি এখানে কী করছি?”
সে একটু থামল।
“সেদিন আমার মাথায় পরীক্ষা ছিল না, স্যার। শুধু মনে হচ্ছিল, মা একা শুয়ে আছে।”
“তোমার মা?”
“একমাস পর মারা গেছেন।”
আমি কিছুক্ষণ চুপ করে রইলাম।
বললাম,
“কলেজে ভর্তি হয়েছিলে?”
“জি”
“বিশ্ববিদ্যালয়?”
“জি?”
“কী নিয়ে পড়েছো?
“টেক্সটাইল।”
আমি হেসে বললাম,
“তাহলে রেইনকোটের সঙ্গে সম্পর্ক আছে।”
সে বলল,
“আছে।”
তারপর কিছুক্ষণ চুপ করে থাকল।
“কিন্তু আমার আসল কাজ অন্য।”
“কী?”
সে জানালার দিকে তাকিয়ে বলল,
“আমি এমন কাপড় বানানোর চেষ্টা করি যেটা খুব সস্তায় মানুষের শরীর শুকনো রাখতে পারে।”
আমি বললাম,
“কেন?”
সে আমার দিকে তাকাল।
“কারণ আমি বৃষ্টিতে ভাত কম খেয়েছি।”

আমি আর কথা বললাম না। তারপর সে আমাকে কারখানায় নিয়ে গেল। বিশাল কারখানা। হাজারের উপর কর্মী। বেশিরভাগই নারী।
একটা মেশিনের সামনে দাঁড়িয়ে সাইফুল বলল,
“বৃষ্টি হলে এখানে কারো ভাতের অভাব হয় না।”
আমি বললাম,
“তুমি কি সব কর্মীকে বৃষ্টির দিনে বাড়তি টাকা দাও?”
সে বলল,
“না।”
“তাহলে?”
“বৃষ্টি হলে কাজ বেশি দিই।”
আমি বুঝলাম না।
সে বলল,
“বাইরে যারা রাস্তায় কাজ করতে পারে না, তাদের জন্য এই কারখানাটা খোলা থাকে।”

তারপর আরেকটা মেশিনের পাশে গিয়ে দাঁড়াল।
একজন মহিলা সেলাই করছিল।
সাইফুল তাকে বলল,
“খালা, আজ কয়টা?”
মহিলা বললো,
“বত্রিশ।”
সাইফুল হেসে বলল,
“ঠিক আছে।”
আমি জিজ্ঞেস করলাম,
“তার নাম?”
“শাহিদা।”
“কতদিন ধরে কাজ করে?”
“দুই বছর।”
শাহিদা আমাদের দিকে তাকিয়ে একটু হাসলো।
তারপর আবার কাজ করতে লাগলো।

বাড়ি ফেরার আগে সে আমাকে একটা ছোট প্যাকেট দিল।
আমি বললাম,
“এটা কী?”
“পড়ে খুলে দেখবেন।”
“কেন?”
“আমার সামনে খুললে আমি লজ্জা পাব।”
আমি হেসে প্যাকেটটা নিলাম।

বাড়ি ফেরার পথে খুলে দেখি, একটা রেইনকোট। খুব সুন্দর। ভেতরে ছোট একটা কাগজ। তাতে লেখা- “স্যার, আপনি আমাকে নম্বর দিয়েছিলেন। আমি শুধু চেষ্টা করেছি, নম্বরটার মান রাখতে।”
আমি অনেকক্ষণ কাগজটা হাতে নিয়ে বসে থাকলাম। সময়টা উদযাপন করতেই কি-না, বৃষ্টি পড়তে শুরু করলো। আমি রেইনকোটটা ব্যাগ থেকে বের করে গায়ে দিলাম। রাস্তা ভিজে যাচ্ছিল। রিকশাগুলো ধীরে চলছিল। দোকানের টিনের চাল থেকে পানি পড়ছিল। একটা বাচ্চা রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে বৃষ্টির দিকে তাকিয়ে ছিল। তার হাতে ছাতা নেই। কিন্তু সে ভয় পাচ্ছিল না। আমি কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে তাকে দেখলাম। তারপর হঠাৎ মনে হলো, মাঝে মাঝে পৃথিবীর এক প্রান্তে নিয়ম ভাঙতে হয়, যেন পৃথিবীর আরেক প্রান্তে দারুণ কিছু গড়ে ওঠে।

আমি হয়তো সারা জীবন খাতায় নম্বর দিয়েছি। কিন্তু সেদিন প্রথমবারের মতো বুঝতে পেরেছি, কখনো কখনো একজন শিক্ষক শুধুমাত্র ছাত্রের খাতা দেখেন না। তার সামনে পড়ে থাকে একজন মানুষের ভবিষ্যৎ। আর সেই ভবিষ্যৎকে পাশ করিয়ে দেওয়ার জন্য সামান্য কয়টা নম্বরই যথেষ্ট!

© লেখা: সোহেল আর রানা।

18/09/2026

আসসালামু আলাইকুম!!!

বেতন কত ?
- - - - - - - - - - - - - -
আমার ভাই রোডস অ্যান্ড হাইওয়েতে আছে। ৩ কোটি টাকা দিয়ে আমাদের গ্রামের বাড়িতে বাড়ি করছে!

আমি বললাম, আপনার ভাইয়ের বেতন কত?
গর্বে ভরা চেহারাটা মুহূর্তে ছাই হয়ে গেলো।

দোস্তো বলিস না, এই শালা ট্রাফিক পুলিশ, শালারা দুই টাকারও ঘুষ খায়!

দোস্তো, তোদের ফ্লাটে কত খরচ পড়েছে?
-এই সব মিলে ৯৭ লাখ।

তোর বাবা তো ট্যাক্সে আছে, বেতন কত? চেহারা আবারও ছাই।

ওদিকে লায়লা তার বয়ফ্রেন্ডকে বলছে, কাবিন কিন্তু ৩০ লাখ টাকা হতে হবে। (বয়ফ্রেন্ড ২৮ হাজার টাকার বেতনের চাকুরি করে!) না হলে আমার প্রেস্টিজ পাংকচার! ফেবুতে পোস্ট দিয়েছে, "যে ছেলে যৌতুক চায়, তাদের না বলুন!"

এদিকে মেয়ের জন্য বিয়ের প্রস্তাব এসেছে। ছেলে কলেজের টিচার, আরেকজন পিডাব্লিউতে চাকুরি করে। মেয়ের বাবা পরেরজনে মত দেয়ায় মেয়ে বলছে, " বাবা তোমার পছন্দ সেরা"!

এক আত্মীয়ের বাসায় গেলাম। সারা জীবন সততার বুলি আউড়িয়েছেন। মেয়ের জামাই চাকুরি করেন সিটি কর্পোরেশনে। খুব গর্ব করে বলছেন, তার মেয়ে ঘরের ফার্নিচার ৪/৫ বছর পরেই পাল্টায়। মেয়ে খুব সৌখিন। ৮০ লাখ টাকায় ফ্লাট কিনে আরও ৫০ লাখ টাকা খরচ করছে ইন্টেরিয়র কাজে!

জিজ্ঞেস করলাম, ভাইজান, জামাইয়ের বেতন কতো?

অফিসে বসে আছি। একটা ছেলে সালাম দিয়ে ট্রেনের সময় জানতে চাইল। কথায় কথায় বলল তার ভাইও রেলওয়েতে জব করে।
-জিগ্যেস করলাম কোন পোস্ট?

ও বলল ইঞ্জিনিয়ার, ডিপ্লোমা। তার ভাই নাকি ৬/৭বছরে অনেক কিছু করেছে।

জিগ্যেস করলাম,তোমার ভাইয়ের বেতন কত?
আর কোন উত্তর নাই...।

আমরা এত নষ্ট হয়েছি, এত নষ্ট হয়েছি যে, আমাদের কোন লজ্জা নেই। ঘুষ আমার অধিকার, কিন্তু কন্ডাকটর ১৫ টাকার ভাড়া ১৫ টাকা চাইলেই, "এগুলা মানুষ না। এই টাকা খেয়ে এরা কিছুই করতে পারে না। মানুষের টাকা মেরে কিছুই করতে পারে না।" অথচ একটু আগেই বাসে মোবাইলে আলাপ করছিল, একটা বেসরকারি ব্যাংকে চাকুরির জন্য ৯ লাখ আর ১০ লাখের ঘুষের আলাপ!!

কন্ডাকটর গলা কাটছে। গলা কাটছে শিক্ষিত দুর্বৃত্তরাও। শিক্ষিতদের গলাকাটা বড় নির্মম, দেশটাকে এফোঁড় ওফোঁড় করে দেয়।
কন্ডাকটররা একটা নিদারুণ সত্যি কথা বলে,
"আফনেরা যে কলমের খোচায় কুটি কুটি টাকা মাইরা খান, হেই হিসাব তো আমরা নেই না!"

কথা সত্যি এবং নিদারুণ সত্যি।

কিছু অসভ্য শ্রমিকদের দেখলাম অ্যাম্বুলেন্সেও কালি দিচ্ছে, আটকাচ্ছে।

সেই অ্যাম্বুলেন্স দেখে মনে পড়ে গেলো এর চেয়ে ভয়াবহ অসভ্য গোষ্ঠীর কথা। বিভিন্ন ঔষধ কোম্পানির দালালদের কথা, যারা অতি উচ্চ শিক্ষিত ডাক্তার এবং যাদের পেছনে রাষ্ট্রের কোটি টাকা খরচ হয়। মেয়াদউত্তীর্ণ ঔষধ, আইসিইউতে রেখে গলা কাটার সেই সব অমানুষদের কথা।

মানুষ হয়তো আছে। সংখ্যাটা কম।
মেয়ের বিয়ে ঠিক হয়েছে।
তা কোথায় হলো, ছেলে কী করে?
যদি ঘুষের ডিপার্টমেন্টের হয়,
দেখবেন মেয়ের বাবা মা, ভাই বোন আর মেয়ের চেহারা খুশিতে কেমন চকচক করে!!

অথচ এই যে অরাজকতা, এই যে ভেজাল জিনিস, এই যে উচ্চমূল্য, এই যে গলাকাটা সেবা, এই যে পেনশনের টাকা তুলতে ফাইলের পেছনে দৌড়াতে দৌড়াতে জুতার তলা ক্ষয় হয়ে যাওয়া, এই যে পরীক্ষায় ভালো করলেও চাকুরি না হওয়া, এই সবের মূলে তো ওই যে যেখান থেকে বিয়ের প্রস্তাব এলে জিহবা চকচক করে, চেহারায় (নোংরা) খুশির ঢেউ উঠে, সেই দুর্নীতিবাজ শুয়োরদের কারণে।

বিখ্যাত এক অর্থনীতিবিদ বলেছিলেন, "শুয়োরের বাচ্চাদের অর্থনীতি"! এই শুয়োরের বাচ্চারা কারা?

এই লেখা পড়ে পরে যাদের চেহারায় চপেটাঘাত পড়বে, ছাই হয়ে যাবে, তারা৷"

#সংগৃহিত
ধন্যবাদ খাজা নিজাম উদ্দিন ভাইকে, তার অসাধারণ লেখাটির জন্য।

আগামীকাল চট্টগ্রামে SSC '26 GPA-5 উদযাপনের সবচেয়ে বড় সেলিব্রেশন।তোমাদের সাথে থাকছি আমিও।www.magicianofbangladesh.com   #...
12/09/2026

আগামীকাল চট্টগ্রামে
SSC '26 GPA-5 উদযাপনের
সবচেয়ে বড় সেলিব্রেশন।
তোমাদের সাথে থাকছি আমিও।
www.magicianofbangladesh.com
#রাজীববসাক #প্রথমআলো

আজ সকালের কথা। ঘড়ির কাঁটা তখন দশটা ছুঁই ছুঁই। ভিভিআইপি লাউন্জে অপেক্ষা করছিলাম। খানিক বাদেই হাসি হাসি মুখ নিয়ে প্রবেশ ...
09/09/2026

আজ সকালের কথা। ঘড়ির কাঁটা তখন দশটা ছুঁই ছুঁই। ভিভিআইপি লাউন্জে অপেক্ষা করছিলাম। খানিক বাদেই হাসি হাসি মুখ নিয়ে প্রবেশ করলেন পৃথিবীর সবচাইতে ক্ষমতাধর ব্যক্তি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
কুশল বিনিময়ের পর স্বভাবজাত হাসি মুখে নিয়েই প্রশ্ন করলেন- কি মনে করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে আসা ?
বললাম- নিউইয়র্কে 'শো ছিল। সাথে নিজে থেকেই জুড়ে দিলাম- ওয়াসিংটন ডিসি'তে আমার বোন আর জামাই দাদা'র বাড়ীতে বেড়াতে আসবার কথাটাও।
বেশ আগ্রহ প্রকাশ করলেন আমি একজন পেশাদার জাদুকর শুনে। দুই-চারটা জাদুও তাই সুযোগ বুঝে দেখিয়ে দিলাম উনাকে।
শুভাশীষ জানালেন আমাকে। সাথে প্রশ্নমাখা দৃষ্টি মিশিয়ে জিজ্ঞেস করলেন সে দেশে থেকে যাচ্ছি নাকি ? সজোরে মাথা নাড়ালাম।
রাজ্যের বিষ্ময় মুখে ঝুলিয়ে 'কেন' জানতে চাইলেন।
বললাম- আপনার দেশে অনেক কিছুই নেই, যেটা আমার দেশে আছে। রাজ্যের বিষ্ময় চেপে রেখে ভ্রু কুঁচকে একসাথে বেশ অনেকগুলো প্রশ্নই তিনি ছুঁড়ে দিলেন আমার দিকে। 'এত এত বড় দালান-কোঠা আছে তোমার দেশে ?'
'এমন সুনিপুণ চওড়া রাস্তা-ঘাট ?'
'এমন শৃঙ্খলা, কর্মস্পৃহা... ইত্যাদি, ইত্যাদি ?'
আমি শুধু না সূচক মাথা নাড়ালাম দেখে উত্তেজনায় আমার হাত দু'টো চেপে ধরলেন।
চোখ নীচের দিকে নামিয়ে আমি কেবল শান্ত কন্ঠে জবাব দিলাম- 'আমার মাটির শোদা গন্ধ তোমার মাটিতে নেই, নেই সকালবেলায় পাখির কলতানও।'
তারপর গুটি গুটি পা ফেলে উঠান মাড়িয়ে পার্কের ভেতর দিয়ে বেরিয়ে আসার মুহুর্তে সেলিব্রেটি হিসেবে আমার সাথে একটা সেল্ফিও তুলতে চাইলেন। কিন্তু ...
পা না থামিয়েই আমি উঠে এলাম মূল রাস্তায় আমার পার্কিং করা গাড়ীটার কাছে।
www.magicianofbangladesh.com
www.bangladeshimagician.com

30/08/2026

ম্যাজিক এমনই ❤️

নায়ক জসিম, সোলায়মান সুখননাকি জাদুকর রাজীব বসাক। / 🤔🤔🤔"সকাল বেলা নিজেকে মনে হয় সােলায়মান সুখন। মােটিভেটেড। মার্ক জাকারব...
24/08/2026

নায়ক জসিম, সোলায়মান সুখন
নাকি জাদুকর রাজীব বসাক। / 🤔🤔🤔

"সকাল বেলা নিজেকে মনে হয় সােলায়মান সুখন। মােটিভেটেড। মার্ক জাকারবার্গ, বিল গেটস- এরা পারলে আমিও পারবো! তুফানের বেগে কাজ শুরু করি।

দুপুরে ভাত খাওয়ার পর মনে হয় আমি আসলে কুদ্দুস বয়াতি। কী হবে এতকিছু করে? এই দিন দিন না। সবই তো শেষ হবে একদিন। এই লােভ লালসার দুনিয়া ত্যাগ করে গা টা চেয়ারে এলিয়ে দিয়ে সুফি সাধক হয়ে যেতে মন চায়।

বিকাল নাগাদ মনে হতে থাকে আমি আসলে অনন্ত জলিল। স্মার্ট। তাছাড়া একটু ধান্দাবাজ না হলে টেকা খুব মুশকিল। চা/কফি খেতে খেতে শেয়ার মার্কেট, ই-কমার্স, নানা ধান্দা মাথায় ঘােরে।

সন্ধায় রাস্তায় বেরিয়ে বুঝতে পারি আমি আসলে আব্দুল্লাহ আবু সাইদ। কাওরানবাজারের সিগনালে বুটভাজা খেতে খেতে ভাবি, নাহ, আলােকিত মানুষ হতে চাই। বই টই পড়তে হবে। প্রচুর জ্ঞান অর্জন করতে হবে, তবে না সাফল্য আসবে। সফল তাে চোরাও হয়, আমার দরকার সাফল্য।

রাত নয়টার দিকে ট্রাফিক জ্যামে বসে থাকতে থাকতে মনে হয় - আরে, আমি তো জাদুকর রাজীব বসাক। আমার আশেপাশে, উপরেনিচে সবাই কেবল দর্শক।

বাসায় ফিরে মনে হয় সব ভুল। আমি আসলে নায়ক জসিম। সারাদিন ঠেলাগাড়ি চালিয়ে ভাত খেতে বসি, আর আমার শাবানা আমাকে ভাত বেড়ে দেয়। মনে মনে ভাবি, এই তাে আর ক'দিন মাত্র। তারপরই লটারি পেয়ে চৌধুরি গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজের মালিক হলাম বলে!"

- সংগৃহীত ও পরিমার্জিত

জেলা প্রশাসক যখন শিক্ষক!বিস্ময়কর খবরটি পড়ে আরেকবার বুঝে নিলাম এমন মানুষ আছে বলেই তো পৃথিবী ও মানবসভ্যতা এখনও টিকে আছে।...
18/08/2026

জেলা প্রশাসক যখন শিক্ষক!

বিস্ময়কর খবরটি পড়ে আরেকবার বুঝে নিলাম এমন মানুষ আছে বলেই তো পৃথিবী ও মানবসভ্যতা এখনও টিকে আছে।

প্রথম আলো খবরটি দিয়েছে, স্কুলছাত্রী সাদিয়া আফরিনের পড়াশোনার খরচ চালাতে না পেরে জেলা প্রশাসকের কাছে আবেদন করেছিলেন মা আরফা বেগম। আবেদনে সাড়া দিলেও তাৎক্ষণিক আর্থিক সহায়তা করলেন না জেলা প্রশাসক। তিনি ডেকে নিয়ে সাদিয়াকে এক সপ্তাহের বাড়ির কাজ (পড়া) দিলেন, ঠিক করে দিলেন পড়াশোনার রুটিনও। বললেন, পরের সপ্তাহে এসে সেই পড়া বুঝিয়ে দিতে হবে।

নির্ধারিত পড়া শেষ করে দিনাজপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে হাজির হয় সাদিয়া। জেলা প্রশাসক মো. রফিকুল ইসলাম পড়া বুঝে নিয়ে আবার পরের সপ্তাহের পড়া ঠিক করে দেন। এই রুটিনে সপ্তাহ থেকে মাস, মাস থেকে এক বছর পেরিয়ে যায়। এসএসসি পরীক্ষা দেয় সাদিয়া আফরিন। গত ১০ আগস্ট প্রকাশিত ফলাফলে দেখা গেছে, সে বিজ্ঞান বিভাগ থেকে জিপিএ-৫ পেয়েছে। সাদিয়াদের বাড়ি দিনাজপুর সদর উপজেলার মাসিমপুর সরকারপাড়া এলাকায়। সে স্থানীয় কাদের বকস মেমোরিয়াল হাই স্কুলের শিক্ষার্থী ছিল। এবারের এসএসসি পরীক্ষায় বিদ্যালয়টি থেকে ৪৩ জন অংশ নেয়। এর মধ্যে ২২ জন পাস করেছে। তাদের মধ্যে একমাত্র সাদিয়া আফরিনই জিপিএ-৫ পেয়েছে।

মেয়ের এমন সাফল্যে খুশি মা আরফা বেগম। নিজে পড়ালেখা করতে না পালেও কষ্ট করে মেয়েদের পড়ালেখা করাতে চান তিনি। আরফা বেগম প্রথম আলোকে বলেন, ‘মেয়ের বই কেনার জন্য আর্থিক সহযোগিতা চেয়ে ডিসি স্যারের কাছে আবেদন করেছিলাম। স্যার আমাদের সহযোগিতা করেছেন। শুধু অর্থ দিয়ে নয়, মেয়েকে নিয়মিত পড়া দিয়েছেন, পড়া নিয়েছেন, খোঁজখবর নিয়েছেন। আজকে মেয়েটা ভালো রেজাল্ট করেছে!’

গেল শনিবার (১৫ আগস্ট) মাসিমপুর সরকারপাড়া এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, সাদিয়াদের বাড়িতে যাওয়ার জন্য আলাদা সড়ক নেই। অন্যের লিচুবাগানের ভেতর দিয়ে সরু পথ পেরিয়ে টিনের ছাপরায় পৌঁছাতে হয়।

দুই শতক জমির ওপর অবস্থিত ঘরের মাঝখানে বেড়া দিয়ে দুই ভাগ করা হয়েছে। এক পাশে সাদিয়ার মা–বাবা ও ছোট বোনের ঘুমানোর জায়গা। অন্য পাশে সাদিয়া ও তার মেঝ বোনের থাকার জায়গা। একটি আলমিরার ওপরে সাজানো সাদিয়ার বইপত্র। ঘরের পাশেই ছোট্ট একটি রান্নাঘর। রান্নাঘরের টিনের চালে লকলকে লতার ফাঁকে ঝুলছে চালকুমড়া। পড়ার একটি টেবলও নেই সাদিয়ার।

বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের শত ব্যস্ততা থাকে। সেখান থেকে সময় বের করে একজন প্রান্তিক মানুষের মাথার ছায়া হয়ে উঠা খুব বড় ব্যাপার। আমাদের শিক্ষকরা এই জেলা প্রশাসককে নির্দ্বিধায় ও অসঙ্কোচে তাদের আদর্শ মানতে পারে।

আন্তরিক শুভকামনা জানাই জেলা প্রশাসক মহোদয়ের প্রতি।
অভিনন্দন সাদিয়া। তোমার শ্রম, একাগ্রতা ও অধ্যবসায় সার্থক হয়েছে।

গার্মেন্টস বা যে কোন অফিসে খুব বেশি বিনয়ী হবেন না। বিনয়ী লোক পেলেই সবাই তার উপর চেপে বসে।আসুন কর্মক্ষেত্রে কিভাবে নিজেকে...
27/07/2026

গার্মেন্টস বা যে কোন অফিসে খুব বেশি বিনয়ী হবেন না।

বিনয়ী লোক পেলেই সবাই তার উপর চেপে বসে।

আসুন কর্মক্ষেত্রে কিভাবে নিজেকে মানিয়ে নিবেন জেনে নেই।

যারা নতুন জবে ঢুকেছেন বা জয়েন করবেন, তাদের জন্য ১৬টি টিপস।

১। কোন নতুন অফিসে জয়েন করলে নিজ থেকে কারো সাথে পরিচত হতে যাবেন না। কোন সিনিয়র যদি সবার সাথে পরিচিত করান, তবেই যাবেন।

২। আগ বাড়িয়ে নিজেকে জাহির করে নিজের পরিচয় দিতে যাবেন না। অফিসে ঢুকুন, জানুন, মানুষগুলোকে বোঝার চেষ্টা করুন।

৩। পোশাক পরিধানে সচেতন হোন।

৪। বস এবং সিনিয়রদের সাথে সুসম্পর্ক বজায় রাখুন। তবে সবসময় "ইয়েস স্যার", " জ্বি স্যার" করবেন না।

৫। সঠিক সময়ে সঠিক জায়গায় না বলতে শিখুন। না বলতে পারাটাও আপনার জন্য একটা এচিভমেন্ট।

৬। সকালে ঠিক টাইমে কর্মস্থলে প্রবেশ করুন। অফিস টাইম শেষ হলে অফিস থেকে প্রস্থান করুন। ছুটি শেষে বসকে দেখানোর জন্য বসে থাকবেন না। এতে যেমন নিজের ক্ষতি, তেমনি অন্যেরও ক্ষতি করছেন।

৭। নতুন অফিসে জয়েন করা মানেই আপনি সুন্দরবনে ঢুকে গেছেন। এইখানে বাঘ তাড়া করবে। সচেতন হোন, কার চরিত্র কি রকম বুঝার চেষ্টা করুন। কে কিভাবে এট্যাক্ করতে চায় বোঝার চেষ্টা করুন। কেবল সচেতন হলেই কেউ আপনার ক্ষতি করতে পারবে না।

৮। অফিসের কেউই আপনার বন্ধু নন। কারো সাথে ভাল সম্পর্ক হলে খুশি হওয়ার কিছু নেই। দেখবেন উনিই হয়তো আপনাকে সরাতে আগে থেকেই চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।

৯। এক কলিগের নামে অন্য কলিগকে কিছু বলতে যাবেন না। কথা পাস হবে৷ মনে রাখবেন - দেয়ালের না শুধু, অফিসের চেয়ার টেবিলেরও কান আছে।

১০। পারিবারিক কোন অনুষ্ঠানে অফিস কলিগদের দাওয়াত করবেন না, কেবলমাত্র নিজের বিয়ের দাওয়াত ছাড়া।

১১। তেল মারতে না পারলে কাজের উপর ফোকাস দিন। দিন শেষে আপনার কাজ ও যোগ্যতাই আপনাকে কর্মক্ষেত্রে টিকিয়ে রাখবে।

১২। দিনশেষে আফসোস করবেন না। অফিসে কাজ শেষে অফিসের চিন্তা অফিসেই ফেলে আসুন। অফিস কখনোই আপনার চিন্তা করে না।

১৩৷ চাকরির পাশাপাশি অন্য কোন আর্থিক সাইট তৈরি করে রাখুন, যাতে চাকরি হারালেও পথে বসতে না হয়। মনে রাখবেন, রিজিকের মালিক একজনই।

১৪। অফিসের পিয়ন, দারোয়ান, ড্রাইভার - এদেরকে কখনোই ছোট ভাববেন না। এদের আপনার বসের সমপর্যায়ে ভাবুন। কেন জানেন? এরাই অফিসের ইনফরমেশন বা আপনি কি করছেন তা যথাসময়ে বসের কাছে পৌঁছে দেয়। তাই এদের দুধ কলায় পোষার চেষ্টা করুন। তাতে আখেরে আপনারই লাভ৷

১৫। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অফিস কলিগদের কখনোই এ্যাড করবেন না। বিষয়টি ভীষণ ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ। প্রয়োজনে নতুন আইডি খুলুন শুধু মাত্র তাদের জন্য।

১৬৷ অফিস শেষে নিজেকে নিজেই প্রশ্ন করুন - "কিরে কেমন আছিস?"

সবশেষে মনে রাখবেন - বসের সামনে এবং ঘোড়ার পেছনে অহেতুক ঘোরাঘুরি করতে যাবেন না। কেননা, এতে করে আপনি নির্ঘাৎ নিজের বিপদই ডেকে আনবেন।

www.magicianofbangladesh.com

18/07/2026

দেশের প্রথম ও একমাত্র
জাদু বিষয়ক রিয়েলিটি 'শো,
ছোটদের সবচাইতে প্রিয় অনুষ্ঠান
"সোনার কাঠি রুপার কাঠি"
সপ্তাহের রবিবার থেকে বৃহস্পতিবার,
নিয়মিত প্রচারিত হচ্ছে
দুপুর দুইটা বেজে ত্রিশ মিনিটে এবং
রাত নয়টায়
শুধুমাত্র দুরন্ত টেলিভিশন এ।
দেখতে চোখ রাখুন।।
www.magicianofbangladesh.com
www.bangladeshimagician.com
#জাদুকর

অসাধারণ একটা মুগ্ধ জাগানিয়া জাদু প্রদর্শন করলাম আজ, পাবনার ইশ্বরদী'র দাশুরিয়াস্থ 'ফ্যালকন ক্যাফে এন্ড রেস্টুরেন্ট' এ।উপ...
22/06/2026

অসাধারণ একটা মুগ্ধ জাগানিয়া জাদু প্রদর্শন করলাম আজ, পাবনার ইশ্বরদী'র দাশুরিয়াস্থ 'ফ্যালকন ক্যাফে এন্ড রেস্টুরেন্ট' এ।
উপলক্ষ ছিল জন্মদিন।
একটু পেছনটাই যাওয়া যাক।
ক্যাচনার নামের মিষ্টি এক রাশিয়ান তরুণী। তার ভালোবাসা'র মানুষটির আজ ছিল জন্মদিন। সারপ্রাইজ প্রেজেন্টেশন হিসেবে ছিলাম আমি, ছিল আমার জাদুও।
শুধুমাত্র দু'জন দর্শক। বিদেশের মাটিতে মেইন স্ট্রীমে এমন প্রদর্শনী আকছার থাকলেও আমাদের দেশে এটার প্রচলন নেই বললেই চলে।
ক্যাচনার রাশিয়ান হলেও কর্মসূত্রে 'রুপপুর পারমানবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র'এ কর্মরত।।
www.magicianofbangladesh.com
www.bangladeshimagician.com
#রাজীববসাক

Address

Garden Enclave, Momin Road
Chittagong
4000

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Rajib Basak. posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Rajib Basak.:

Shortcuts

Share

Category