15/05/2025
অনেক সময় সান্ডা ও গুইসাপকে একই প্রাণী মনে করা হয়, যা ভুল ধারণা। সান্ডা নিরীহ ও তৃণভোজী হওয়ায় ইসলামি শরিয়াহ অনুযায়ী হালাল, কিন্তু গুইসাপ মাংসাশী ও শিকারি হওয়ায় হারাম। এছাড়া, গুইসাপ বাংলাদেশের সংরক্ষিত প্রাণী হওয়ায় এর শিকার বা ভক্ষণ আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ।
নিচে দুটি ভিন্ন প্রজাতির সরীসৃপ প্রাণীর মধ্যে পার্থক্য তুলে ধরা হলো-
🦎 সান্ডা (Uromastyx) – মরুভূমির নিরীহ তৃণভোজী
-বৈজ্ঞানিক নাম: Uromastyx
-ইংরেজি নাম: Spiny-tailed lizard
-আরবি নাম: ضبّ (Dabb)
-উর্দু নাম: سانڈا
-প্রাকৃতিক আবাস: মরুভূমি অঞ্চল; বাংলাদেশে পাওয়া যায় না
-খাদ্যাভ্যাস: তৃণভোজী; ঘাস, পাতা ও ফলমূল খায়
- ইসলামি শরিয়াহ অনুযায়ী:এর মাংস খাওয়া হালাল। নবী মুহাম্মদ (সা.) নিজে না খেলেও সাহাবিরা এর মাংস খেয়েছেন, এবং তিনি তা নিষেধ করেননি ।
🐊 গুইসাপ (Monitor Lizard) – বাংলাদেশের মাংসাশী শিকারি
- বৈজ্ঞানিক নাম:Varanus
- ইংরেজি নাম: Monitor lizard
-আরবি নাম: ورل (Waral)
- প্রাকৃতিক আবাস: বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন অঞ্চল
- খাদ্যাভ্যাস: মাংসাশী; ছোট প্রাণী, পাখি, সাপ ইত্যাদি শিকার করে
-ইসলামি শরিয়াহ অনুযায়ী: এর মাংস খাওয়া হারাম। কারণ এটি শিকারি, তীক্ষ্ণ দাঁত ও বিষাক্ত লালা রয়েছে
- বাংলাদেশের আইন অনুযায়ী: বন্যপ্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইন, ২০১২ অনুযায়ী গুইসাপ ধরা, মারা, বিক্রি বা খাওয়া সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।
Collected