24/07/2026
For Those who are Supporting students protest. প্রধানমন্ত্রী কার গর্দান ধরেছে ! যার জন্য তাদের এত রাগ হচ্ছে ? আসুন ছোট্ট করে জেনে নেওয়া যাক !
ভারত সরকার কদিন আগেই কর্ণাটকের " টিমথি ইনিসিয়েটিভ " নামে একটি মিশনারিজ সংস্থার ওপর ,UPAP ধারা দিয়ে কেস ফাইল করেছিল । আপনারা
জানেন যে , UAPA , হল ভারতের সন্ত্রাসবাদী শক্তিদের ধবংস করার জন্য মুখ্য কার্যকারী আইন ।
এবার এই " টিমথি ইনিসিয়েটিভ " সংস্থাটি তাদের ওপর
জঙ্গি দমন কানুন বা আইন তুলে নেওয়ার জন্য কোর্টের কাছেও আবেদন নিবেদন করে ।
কিন্তু কোর্ট ও এদের আবেদন খারিজ করে দিয়েছে ।
কোর্ট বলেছে --" এই রকম সংস্থার কাছে যে সব বিদেশি
ফান্ড আসে সেই গুলো এক অর্থে ভারত বিরোধী চক্রান্তেই
ব্যবহার করা হচ্ছে ।
এই ঘটনাটি তখনই সামনে এসেছিল যখন ব্যাঙ্গালুরু
এয়ারপোর্টে একটি ব্যক্তিকে 24 টা ডেবিট কার্ড সহ গ্রেফতার করা হয় । এই কার্ড গুলোর প্রত্যেকটি ই একটি লোকের নামে -- " সন্তোষ কুমার " !
তদন্ত যখন শুরু হল দেখা গেল এটা শুধু 24 টা ডেবিট কার্ডের বিষয় নয় । এই রকম কয়েক হাজার ডেবিট কার্ড বিলি করা হয়েছে এবং10 /10 হাজার টাকা করে প্রায় 100 কোটি টাকা তোলা হয়েছে !
আবার এই টাকাটা ভারতের নকশাল প্রভাবিত অঞ্চলে বা অতি সংবেদনশীল অঞ্চলে বিলি করা হয়েছে ।
একটি রিপোর্ট অনুযায়ী এই টাকা ধর্মান্তরণ এবং ভারত বিরোধী কাজে ব্যবহার করা হয়েছে ।
এবার হয়ত আপনি বুঝতে পারছেন দিল্লির এই ,CJP ,আন্দলন এবং সেই আন্দলন কে ঘিরে দিল্লিতে
উৎপাত এবং ভারত বিরোধী জমা হওয়া শুধু একটি হঠাৎ গর্জে ওঠা আন্দলন নয় ! এটি টাকা দিয়ে জমা করা , এবং ভারত বিরোধী চক্রান্ত করার জন্য মাহিনা ভুক্ত কিছু দেশ বিরোধী লোকের চক্রান্ত ।
প্রফেশন্যাল মতে এটা ,CJP , কোনো আন্দলন বা নিট পেপার লিক হওয়ার জন্য কোনো আন্দলন ই নয় এটা শুধু
কেন্দ্রীয় সরকারের ,FCRA ,বিলের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করা ।
আগামী মনসুন সত্রে ( বাদল অধিবেশন ) মোদী সরকার ,FCRA , সংশধনী কানুন বিল আনছে ।
এই আইন পাশ হয়ে গেলে সোনাম ওয়াংচুক সহ অনেক বড় বড় লোক ফেঁসে যেতে চলেছে ।
সোনাম ওয়াংচুকের একটি সংস্থাকে তো সরকার ,FCRA ,আইনে অলরেডি বন্ধ জড়ে দিয়েছে ।
প্রধানমন্ত্রী দেশে সব চেয়ে বড় সাফাই অভিয়ান শুরু করতে চলেছে দেশে । যে অভিয়ানের মুখ্য উদ্দেশ্য হল
মিশনারীদের ধর্মান্তকরনের এবং দেশের মধ্যে নকশাল , দেশ বিরোধী ক্ষমতার অর্থের উৎস টা নিষ্ক্রিয় করে দেওয়া ।
আপনাদের জানিয়ে রাখি যে সংশধনের পরে ,FCRA ,বিল মানে ফরেন কন্ট্রিবিউশন রেগুলেশন এক্ট আইনটি প্রক্রিয়া এতটাই জটিল আকার নেবে যে , এবার বিদেশ থেকে কোন ফান্ড এলে তার সোর্স মানে টাকাটা কে পাঠালো সেটা জানাতে হবে এবং এই বিদেশি ফান্ড গ্রহন করার জন্য ,এস বি আই দিল্লির মেইন ব্রাঞ্চে একাউন্ট খুলতেই হবে । অর্থাৎ বিদেশি ফান্ড যেখান থেকে , যার কাছে আসুক না কেনো , তা সরাসরি ওই দিল্লির এস বি আই একাউন্টেই আসতে হবে ।
সব থেকে বড় কথা এই মর্মে সেই সংস্থা মুছলেখা দিতে হবে যে , বিদেশ থেকে যে ফান্ড আসছে সেই অর্থ কোনো প্রকার কোনো ধর্মান্তকরণ প্রক্রিয়ায় ব্যবহৃত করা যাবে না !
আর যদি এটা না মেনে কোনো কর্ম করেন তবে সেই সংস্থার ওপর সরকার অধিকার কায়েম করবে বা সরকার দখল নিয়ে নেবে ।
তাহলে বুঝলেন , মোদী আঘাতটা কোথায় করেছে !
এর ফলে আমেরিকার ডিপ স্টেট্ মোদী সরকারের বিরুদ্ধে এজটি ,,CJP , ফানুস বানিয়ে ছেড়ে দিয়েছে । এই ,CJP ,
সাথে যারা এক হয়ে ধর্ণা বা অরাজকতা তৈরী করছে তাদের প্রত্যেকের ই কোনো না কোন সংস্থা , বা মিশনারিজ
কানেকশন আছে । এই ,FCRA , বিল পাশ হলে এদের প্রত্যেকের পেটে লাথি লাগবে ।
সেই জন্য আমেরিকান ডিপ স্টেট্ না তো মোদিকে চায় না,,FCRA , বিল সংসদে পাশ হোক চায় ।
তাই আমরেকিকার বিদেশ সচিব মার্কো রমিও ভারত সফরে এলেই সোজা কলকাতায় পৌঁছে যায় এবং মাদার টেরেজা ফেউন্ডেশনে চলে আসেন ।
আজ পর্যন্ত এটা হয় নি যে কোনো বিদেশ মন্ত্রী ভারতের সফরের প্রথমেই কোনো মিশনারিজ সংস্থায় পা রেখেছেন সে মধ্যে রাষ্ট্র নায়ক দের সাথে মুলাকাত করে ।
ইতিহাসে এই প্রথম যে আমেরিকায় ডেমোক্রেটিক
আর রিপাবলিকান রা এক সাথে এসেছে । শুধু ভারতের ,
FCRA , সংশোধনী বিল যাতে পার্লামেন্টে পাশ না হয় ।
আর এই জন্য ,CJP ,ধর্ণা মঞ্চ তে যাবতীয় ভারত বিরোধী , বিজেপি বিরোধী , এবং ,FCRA , বিরোধী দল গুলো এক জাগায় জড়ো হয়েছে ভারত কে অশান্ত করতে ।