10/06/2026
দেখতে দেখতে গরমের ছুটি প্রায় শেষ। সোমবার থেকে আবার সেই ছকে বাঁধা রুটিন; পিকুর স্কুল খুলে যাচ্ছে। তার উপর খুলেই পরীক্ষা। আগে যখন চাকরি করতাম তখন কাজের জন্যই প্রচুর ট্রাভেল করতে হতো। তখন মনে হতো ওয়ার্ক লাইফ ব্যালেন্স করা কী কঠিন। আর এখন তো দেখি ব্যালেন্স করব কি? ফালক্রামটাই যে আমার লাইফে নাই!! সকাল থেকে উঠে কত কাজ থাকে। প্রথম বড় কাজ, রান্নার মেয়েটা এলেই ওকে কাজ বুঝিয়ে দেওয়া। এই যে রোজ সকালে কি রান্না হবে ভাবতে পারাটাও কিন্তু একটা হেব্বি স্কিল। ওকে কাজ বুঝিয়ে দেওয়ার পর, পাখিদের খেতে দেওয়া, পিকু কে ঘুম থেকে ডেকে তোলা, একবারে তো সে ওঠবার পাত্র নয়, আরও দু তিনবার অন্তত ভাঙ্গা রেকর্ড না বাজালে সে গুড়ে বালি! তারপর জামাকাপড় কাছো, কেচে বারান্দায় মেলো, খাট গুছাও, গাছে জল দাও, তার মধ্যেই রান্না ঠিক হচ্ছে কিনা সে দেখার জন্য রান্নাঘর থেকে দুবার ডাক পরবে। এতক্ষণে আমি এক গ্লাস জল পর্যন্ত ঠিক করে খেতে পারি না। এরপর অর্ডার এর চাপ তো আছেই। তার মধ্যে কেউ যদি আবার বেল বাজায়ে, বা অতিরিক্ত গরম পরে তো সোনায় সোহাগা। মাঝে মাঝে সত্যিই বলছি দম বন্ধ হয়ে আসে। যেন সকাল থেকে উঠেই শুধু দৌড়চ্ছি। মনে হয়, সব ছেড়েছুড়ে হিমালয়ে চলে যাই!!
আজকের অর্ডার 4 জায়গা থেকে। হালতু, গড়িয়া, গলফগ্রীন আর বেহালা। তারমধ্যে গলফগ্রিনে একটা কিট্টি পার্টির জন্য গেলো 22 প্লেট। সব কটা অর্ডার মিলিয়ে 40 জন এর খাবার। একদম শেষ ছবিতে রইলো ফিডব্যাক। মেনুতে যা যা ছিল --
কাজু বেরেস্তা পোলাও
নারকেলের চপ
এগ কোর্মা
গন্ধরাজ চিকেন
আমের চাটনি
হাড়িভাঙ্গা
মুখসুদ্ধি
জামাইষষ্ঠীর অর্ডার নেওয়া বন্ধ করে দিয়েছি। শুধু মাত্র আলা কার্টে অর্ডার আর ডাইনিং টেবিল সিরিজ এর বুকিং নেওয়া চলছে। আমাদের ফার্মে বানানো তাল পাটালির অর্ডারও নিচ্ছি , এটা এত ভালো যারা শীতের গুড় নেন আমার থেকে তাদের আর আলাদা করে বলে দিতে হবে না -- তবে খুব লিমিটেড কোয়েন্টিটি পাবেন। আমাকে যোগাযোগের নম্বর আলাদা করে নিচে অবশ্যই দিয়ে দেবো। সঙ্গে, কেউ আমার কিচেনের ফ্রি গ্রুপে জয়েন করতে চাইলে নিচে দেওয়া লিংকে ক্লিক করতে পারেন।
Follow this link to join my WhatsApp group: https://chat.whatsapp.com/FclmHQOJfMbLvCiN7gtwn8
📞 090383 26001 | Haarir Khobor