Haarir Khobor

Haarir Khobor Welcome to Haarir Khobor, where the essence of Bengal's culinary legacy comes alive. Let's savor the magic of food together. Home Chef / Cloud Kitchen
(1)

Specializing in Bengali cuisine, lost recipes, and seasonal delights, Haarir Khobor cherishes the tradition without boundaries.

দেখতে দেখতে গরমের ছুটি প্রায় শেষ। সোমবার থেকে আবার সেই ছকে বাঁধা রুটিন; পিকুর স্কুল খুলে যাচ্ছে। তার উপর খুলেই পরীক্ষা।...
10/06/2026

দেখতে দেখতে গরমের ছুটি প্রায় শেষ। সোমবার থেকে আবার সেই ছকে বাঁধা রুটিন; পিকুর স্কুল খুলে যাচ্ছে। তার উপর খুলেই পরীক্ষা। আগে যখন চাকরি করতাম তখন কাজের জন্যই প্রচুর ট্রাভেল করতে হতো। তখন মনে হতো ওয়ার্ক লাইফ ব্যালেন্স করা কী কঠিন। আর এখন তো দেখি ব্যালেন্স করব কি? ফালক্রামটাই যে আমার লাইফে নাই!! সকাল থেকে উঠে কত কাজ থাকে। প্রথম বড় কাজ, রান্নার মেয়েটা এলেই ওকে কাজ বুঝিয়ে দেওয়া। এই যে রোজ সকালে কি রান্না হবে ভাবতে পারাটাও কিন্তু একটা হেব্বি স্কিল। ওকে কাজ বুঝিয়ে দেওয়ার পর, পাখিদের খেতে দেওয়া, পিকু কে ঘুম থেকে ডেকে তোলা, একবারে তো সে ওঠবার পাত্র নয়, আরও দু তিনবার অন্তত ভাঙ্গা রেকর্ড না বাজালে সে গুড়ে বালি! তারপর জামাকাপড় কাছো, কেচে বারান্দায় মেলো, খাট গুছাও, গাছে জল দাও, তার মধ্যেই রান্না ঠিক হচ্ছে কিনা সে দেখার জন্য রান্নাঘর থেকে দুবার ডাক পরবে। এতক্ষণে আমি এক গ্লাস জল পর্যন্ত ঠিক করে খেতে পারি না। এরপর অর্ডার এর চাপ তো আছেই। তার মধ্যে কেউ যদি আবার বেল বাজায়ে, বা অতিরিক্ত গরম পরে তো সোনায় সোহাগা। মাঝে মাঝে সত্যিই বলছি দম বন্ধ হয়ে আসে। যেন সকাল থেকে উঠেই শুধু দৌড়চ্ছি। মনে হয়, সব ছেড়েছুড়ে হিমালয়ে চলে যাই!!

আজকের অর্ডার 4 জায়গা থেকে। হালতু, গড়িয়া, গলফগ্রীন আর বেহালা। তারমধ্যে গলফগ্রিনে একটা কিট্টি পার্টির জন্য গেলো 22 প্লেট। সব কটা অর্ডার মিলিয়ে 40 জন এর খাবার। একদম শেষ ছবিতে রইলো ফিডব্যাক। মেনুতে যা যা ছিল --

কাজু বেরেস্তা পোলাও
নারকেলের চপ
এগ কোর্মা
গন্ধরাজ চিকেন
আমের চাটনি
হাড়িভাঙ্গা
মুখসুদ্ধি

জামাইষষ্ঠীর অর্ডার নেওয়া বন্ধ করে দিয়েছি। শুধু মাত্র আলা কার্টে অর্ডার আর ডাইনিং টেবিল সিরিজ এর বুকিং নেওয়া চলছে। আমাদের ফার্মে বানানো তাল পাটালির অর্ডারও নিচ্ছি , এটা এত ভালো যারা শীতের গুড় নেন আমার থেকে তাদের আর আলাদা করে বলে দিতে হবে না -- তবে খুব লিমিটেড কোয়েন্টিটি পাবেন। আমাকে যোগাযোগের নম্বর আলাদা করে নিচে অবশ্যই দিয়ে দেবো। সঙ্গে, কেউ আমার কিচেনের ফ্রি গ্রুপে জয়েন করতে চাইলে নিচে দেওয়া লিংকে ক্লিক করতে পারেন।

Follow this link to join my WhatsApp group: https://chat.whatsapp.com/FclmHQOJfMbLvCiN7gtwn8

📞 090383 26001 | Haarir Khobor

6th June, আমার মায়ের জন্মদিন। যখন চাকরি করতাম তখনও ওই দিনটা ছুটি নিতাম, আর এখনও ব্যবসাতেও সেইদিনটা কাজ রাখিনা। বাবা-মায...
09/06/2026

6th June, আমার মায়ের জন্মদিন। যখন চাকরি করতাম তখনও ওই দিনটা ছুটি নিতাম, আর এখনও ব্যবসাতেও সেইদিনটা কাজ রাখিনা। বাবা-মায়ের জন্মদিনে বিশেষ কিছু দেওয়ার থাকে না এখন আর, ওদের সাথে একটু সময় কাটানোটাই মনে হয় ওদের কাছে সবচেয়ে ভালো উপহার। একবছর, তখন আমার দিদা বেঁচে। দিদা যেহেতু আমাদের বাড়িতেই থাকতো, স্বাভাবিক ভাবেই দিদার সমস্ত রকম অসুখ বিসুখের ভার দায়িত্বও ছিল কেবল আমার মায়ের উপর। দিদার বাকি 7 ছেলেমেয়েরা এহেন ক্ষেত্রেই অনেক সময়েই নির্বিকার থাকত। তাতে অবশ্য আমার বাবা মা কখনও দীর্ঘ নিশ্বাস ফেলেনি। বাবাকে চিরকাল দেখেছি ঠিক জামাই-সুলভ না, সুপুত্রের মতো দিদার যত্ন নিতো । দিদার ঘরটাকেই একটা ছোটখাটো হাসপাতাল বানিয়ে ফেলেছিল। ওয়াটার বেড থেকে শুরু করে অক্সিজেন সিলিন্ডার এবং আরও যা যা প্রয়োজনীয় তার ব্যবস্থা করে দিয়েছিল। আমার দিদা খুব গর্ব করে আমার বাবাকে সবসময় "আমার শিব" বলে ডাকতো। একবার আমার দিদা সাংঘাতিক অসুস্থ। তখন আমি নিজেও মেডিকাতেই চাকুরিরত। দিদার কিডনি ক্যান্সার ছিল। ভীষণ পরিমিত জল ও প্রোটিন। সবচেয়ে কষ্ট পেতো এই গরমকালেই। ওই মাপের জল থেকেই চা, স্যুপ, মাছের ঝোল আবার পিপাসার জল। মা যদি একটু লক্ষ্য এদিক থেকে ওদিক করেছে কি, দিদা জল ' চুরি ' করে খেয়ে নিতো। ব্যাস! আর যায় কোথায়? সোজা হাসপাতালের ইমারজেন্সি, সেখান থেকে ICU । এইবারেও ঠিক একই ঘটনা দিদা ঘটালো। মায়ের জন্মদিন এর এক সপ্তাহ আগে এমন দৌড়াদৌড়ি শুরু হয়ে গেলো আমাদের বাড়িতে, দিদা কে নিয়ে। মা খুব বিমর্ষ। সেবারে দিদার অসুস্থতা বেশ বাড়াবাড়িই হয়েছিল। সব চিকিৎসা হয়ে, দিদার ডিসচার্জ হলো 5th June। পরের দিন মা এর জন্মদিন। কিন্তু মা এর দিদা কে নিয়ে মনখারাপ ভরা মুখটা দেখে আমার একদম ভালো লাগছিল না। চুপি চুপি একটা প্রোগ্রাম arrange করলাম। মায়ের কিছু খুব প্রিয় বন্ধুবান্ধবদের ফোন করলাম। সবাইকে 6 তারিখ সন্ধ্যে বেলাতেই মায়ের বাড়িতে নিমন্ত্রণ জানালাম আর বলে দিলাম মা যেন কিছু না জানতে পারে। ওদিকে আমাদের পাড়ারই এক রেস্তোরাঁ থেকে তাদের জন্য ডিনার এর ব্যবস্থাও করে ফেললাম। সন্ধ্যে হতেই এক এক করে যখন বন্ধুরা আসতে লাগলো, মা তো পুরো অবাক। প্রথমে ভাবছিল এরা coincidentally সবাইই কীকরে একই দিনে চলে আসছে। পরে পর্দা ফাঁস হতেই মা সাংঘাতিক খুশি। অন্তত কিছুক্ষণের জন্য একটু গল্পে আড্ডায় এক ফালি স্বর্ণালী সন্ধ্যা কাটানোর সুযোগ! মায়ের সেই হাসি মুখ আমি কোনোদিনও ভুলব না। এইবারেও 6th June কোনো অর্ডার রাখিনি। যারা অর্ডার দিতে যোগাযোগ করেছিলেন তাদের সবাইকেই সে কথা জানিয়েছি। কিন্তু ঠিক এক হপ্তা আগে এক জামাতা যোগাযোগ করলেন। যখন শুনলাম উনি ওনার শাশুড়ির জন্মদিনের খাবার নেবেন বলে যোগাযোগ করছেন সত্যি বলছি আমার তখন আমার দিদার কথা মনে পরে গেলো। সমস্ত নিরামিষ খাবার। অর্ডারটা নিলাম। নিচে সেই অর্ডারেরই ছবি। আর শেষ ছবিতে ওনার ফিডব্যাক।

মেনুতে ছিল --

আমসত্ত্ব পোলাও
ছানার পাতুরি
ছানা-ক্ষীরের পুর ভরা পটলের দোলমা
ধোকার ডালনা
আমের চাটনি
গুড়ের পায়েস

27 ও 28 শে জুন আমার বাড়িতে বসে exclusive মেনুতে একটা AC প্রাইভেট ডাইনিং এর ব্যবস্থা করেছি। লাঞ্চ ও ডিনার দুটোই। যারা এসে গপ্পো করতে করতে এক নতুন অভিজ্ঞতা নিতে চান তারা অবশ্যই আসুন। খুব সীমিত আসন।

যোগাযোগের নম্বর : 090383 26001 | Haarir Khobor

আজকাল হঠাৎ কি হয়েছে কি জানি, প্রতিদিনের অর্ডার গুলো আর পোস্ট করতেই ইচ্ছে হয় না। অনেকগুলো অর্ডার এর পোস্ট পেন্ডিং হয়ে ...
08/06/2026

আজকাল হঠাৎ কি হয়েছে কি জানি, প্রতিদিনের অর্ডার গুলো আর পোস্ট করতেই ইচ্ছে হয় না। অনেকগুলো অর্ডার এর পোস্ট পেন্ডিং হয়ে আছে বেশ কদিন ধরে। কিছুদিন আগে দুজন ক্লায়েন্ট আমাকে আলাদা আলাদা একটা স্ক্রিনশট পাঠালেন। কিন্তু স্ক্রিনশটে যাকে নিয়ে লেখা সেই মহিলা একই। কেউ একজন ক্লাউড কিচেন ওউনার -- এক মহিলা, তার নিজের কিচেনের রিচ বাড়াতে ফেসবুকে একটি অসামান্য পোস্ট করেছেন -- কিডনি স্টোনের যন্ত্রণা সহ্য করে, শুধুমাত্র ডেডিকেশনের কারণে কিভাবে তার এক কর্মচারী হাসপাতাল বেড থেকে জোর করে ডিসচার্জ নিয়ে, ওনার অর্ডার এর চাপ এসে সামলে দিয়েছেন। পোস্টটা করেছেন আমার সেই হাসপাতাল থেকে URS surgery এর পোস্ট করার পরেই। এরকম এর আগেও তিনি করেছেন, আমি জানি কিন্তু কখনও বলিনি। ডিসেম্বর মাসে আমার মা কে নিয়ে একটা ক্রাইসিসে ছিলাম, আপনারা অনেকেই জানেন। সেই সব আপডেট দিয়ে ফেইসবুকে রোজ পোস্ট করতাম। আপনারা অনেকে আমাকে যোগাযোগ করে মায়ের খোঁজ নিতেন। সেই সময়েও এই মহিলা ওইরকম কি একটা যেন পোস্ট করেছিল -- ওনার কোনো এক ক্রাইসিস এর সময় উনি কোনো ক্লায়েন্টকে নাকি বুঝতেই দেননি ওনার ক্রাইসিস, কারণ কাজ চালিয়ে যেতেই হবে, এবং ক্রাইসিস এর দোহাই দিয়ে ক্লায়েন্ট এর sympathy অর্জন করা মানে চরম unprofessionalism। Coincidentally সেটাও আমার ওই মা কে নিয়ে পোস্টগুলোর কয়েক ঘণ্টা পরেই লিখেছিলেন। সেটাও আমার দু তিনজন ক্লায়েন্ট স্ক্রিনশট পাঠিয়েছিলেন। আমার কথা এটা নয় যে উনি আমাকে নকল করে বা আমাকে ব্যঙ্গ করছেন; আমার কথা এটাই যে মানুষ কি আজকাল একেবারেই সহানুভূতিশীল হওয়া বন্ধ করে দিয়েছে? শুধুমাত্র নিজের পসরা বাড়াতে নিজেকে এতটা স্বার্থপর করে তুলতে পারা সত্যিই কি সম্ভব? আর বেশি না ভেবে, এই মহিলাকে ব্লক করলাম। কি দরকার উনার এমন 'নৈতিকতা' -য়ে অযথা ঘি ঢালার!

গতকাল খাবার গেলো তিন জায়গায়। লাঞ্চে নয়াবাদ আর রাজডাঙ্গায়ে আর ডিনারে রাজারহাট। মেনুতে অনেকটাই মিল ছিল। এরকম মিল থাকলে কাজ করতে বেশ সুবিধে হয়। কিন্তু রাজারহাটে কাল পাঠাবার সময় বেশ সমস্যা হয়েছে। অসম্ভব বৃষ্টির জন্য 7 বার রাইড ক্যান্সেল হয়েছে। যাইহোক, শেষ ছবিতে রইলো ফিডব্যাক।

মেনুতে যা যা ছিল --

কাজু বেরেস্তা পোলাও
ভেটকি ফিশ ফ্রাই
গন্ধরাজ চিকেন
মাটন রোগঞ্জোশ
আমের চাটনি
পাপড়
মুখসুদ্ধি
ক্ষীর লুচির পায়েস
গুড় ভাপা পায়েস
নারকেল দুধের পুডিং
হাড়িভাঙ্গা

জামাইষষ্ঠী প্ল্যাটার এর অর্ডার নেওয়া বন্ধ করলাম। এখন যেরকম আলা কার্টে অর্ডার নেওয়া হয় সেসব নেওয়া তো হচ্ছেই, সাথে আমার বাড়িতে লিমিটেড সিটিংয়ে আগামী 27শে ও 28শে জুন যে খাওয়া দাওয়ার আয়োজন করা হয়েছে তার বুকিংও নেওয়া চলছে। আরও জানতে আমাকে সরাসরি যোগাযোগ করে নিতে পারেন।

📞 090383 26001
Haarir Khobor

একটা টেবিল। নির্জীব, অথচ কত গল্পের সাক্ষী। তার গায়ে লেগে থাকে খাবারের সুবাস, রঙ, আর অসংখ্য স্মৃতির ছাপ। কখনও উৎসব, কখনও...
04/06/2026

একটা টেবিল। নির্জীব, অথচ কত গল্পের সাক্ষী। তার গায়ে লেগে থাকে খাবারের সুবাস, রঙ, আর অসংখ্য স্মৃতির ছাপ। কখনও উৎসব, কখনও অপেক্ষা, কখনও বা নিছক একসঙ্গে বসে থাকার আনন্দ। মনে আছে? কত দুপুর খাওয়া শেষ হয়ে যাওয়ার পরেও ওই টেবিলে আঁকড়ে বসেই গপ্পো চলেছে, এঁটো হাত শুকিয়ে কাঠ, তবু গপ্পো থামে না।

আমার বাড়ির অন্তরমহলেও ঠিক তেমনই একটা টেবিল আছে। তার চার কোণে এসে জুড়ে যায় ভিন্ন ভিন্ন মানুষ, তাদের ভিন্ন ভিন্ন জীবন, ভিন্ন ভিন্ন জীবিকা। কথার পর কথা, গল্পের পর গল্প— অচেনা মুখও ধীরে ধীরে হয়ে ওঠে পরিচিত। আর সেই পরিচয় থেকে জন্ম নেয় বন্ধুত্ব।

আচ্ছা, গ্রীষ্ম কি শুধুই একটা উত্তাপ, দাবদাহের প্রকাশ? এই ঋতুতে যে কত রঙের বাহার, ফলের মাদকতা, মাটির গন্ধ আর ঋতুভিত্তিক খাদ্যের অপার সম্ভার।

সেই সব রঙ, সুবাস আর স্বাদের গল্প নিয়েই সাজানো হয়েছে এবারের ডাইনিং সিরিজ। ONTORMOHOL এর এবারের উদযাপন - The Summer Stories।

যদি আপনারও ইচ্ছে হয় এইরকম এক টেবিলে বসে খাবারের সঙ্গে কিছু গল্প, কিছু হাসি আর কিছু নতুন মানুষের সঙ্গে পরিচয় ভাগ করে নিতে, তবে এই নিমন্ত্রণ আপনার জন্যই। কারণ ভালো খাবার শুধুই পেট ভরায় না, মানুষের মধ্যেও এক নিবিড় সেতুবন্ধন গড়ে তোলে। কি, তাই তো? অপেক্ষায় রইলাম।

ভালোবাসা সহ,
জয়ীতা

Total 16 seats | 8 seats sold out

27th June 2026, Saturday
1.30 pm Lunch : 2 seats available
7.30 pm Dinner : 1 seat available

28th June 2026, Sunday
1.30 pm Lunch : 3 seats available
7.30 pm Dinner : 2 seats available

📍 Ontormohol by Haarir Khobor
📞 090383 26001

অন্তর মহলের প্রথম ডাইনিং টেবিল সিরিজের ছবির লিংক নিচে দিয়ে রাখলাম।

https://www.facebook.com/100076406750379/posts/1011875854702630/

আজ অনেকদিন পর আবার পোস্ট করছি। একটু হাইবারনেশনে যেতে গিয়ে ঘুমিয়ে পড়েছিলাম বুঝি! গত রোববার মায়ের সাথে ফোনে কথা বলছিলা...
03/06/2026

আজ অনেকদিন পর আবার পোস্ট করছি। একটু হাইবারনেশনে যেতে গিয়ে ঘুমিয়ে পড়েছিলাম বুঝি! গত রোববার মায়ের সাথে ফোনে কথা বলছিলাম, সদ্য হাসপাতাল থেকে ফিরেছি, তাই সেদিন কাজ রাখিনি। কথা বলতে বলতেই বুঝতে পারছিলাম, মা পড়ে যাওয়ার পর থেকেই আজকাল কোথাও বোধহয় নিজের কনফিডেন্সটা বেশ অনেকটাই হারিয়ে বসেছে। একা একা কোথাও বেরোনোর কথা একেবারেই ভাবতে পারেনা আর। Vertigo এর সমস্যাও এখন মনে হচ্ছে আগের থেকে একটু বেশি। সব মিলিয়ে মানসিক ভাবে অনেকটাই হয়তো একটু জবুথবু। কথা থামিয়েই মাকে বললাম, মা আজ একটা সিনেমা যাবে? আমি নিয়ে যাব, নিজে গাড়ি ড্রাইভ করে নিয়ে যাবো -- এসব শুনে, ভেবে, মা দেখলাম রাজি হয়েই গেলো। ভরসা পেলো আসলে। একা তো নয়, পড়ে গেলে হাতটা জাপটে ধরার জন্য সাথে কেউ তো থাকবে। যে মা কিছুদিন আগে অবধিও কিটি পার্টি, স্কুল কলেজের বন্ধু বান্ধব, লেডিস ট্রিপ, দুর্গা পুজোর ব্যস্ততার মধ্যে ছিল সর্বক্ষণ , সেই মা এখন এক পা চলতে গেলেও একটা লাঠি খুঁজছে। এখন শুধু ওই লাঠিই সম্বল! তবে সিনেমা দেখে এসে মাকে বেশ কনফিডেন্ট লাগলো। জানি, হলের ভিতর ওঠানামা করতে কষ্ট হয়েছে, কিন্তু অনেক মাস পর আবার একটু বাইরের লোকজন, যানবাহন, রাস্তার জ্বলে ওঠা আলো, দোকানের গ্লো সাইনবোর্ডগুলো, রোববারের কোলাহল এ সমস্ত দেখতে পেয়ে ফুসফুসে আবার নিশ্চই অনেকটা অক্সিজেন জমেছে।

আজকের অর্ডার ঠাকুরপুকুর থেকে, একরত্তি এক "দুষ্টু" রাজপুত্রের দু'বছরের জন্মদিনের। ওর মা ছেলের সর্বক্ষণের বুদ্ধিদীপ্ত কর্মসূচিকে দুষ্টুমি বলে আখ্যা দিয়েছে। আমি যদিও একেবারেই সহমত নই। কারুর যখন বুদ্ধির পরিচয় প্রকট হয়, লোকে তাকে দুষ্টুই বলে! নরেনও তো একদিন সকলের কাছে দুষ্টু ছিল, আজ তিনি সবার স্বামীজি!

আজকের মেনুতে যা যা ছিল তার একটা ফলকনামা রইলো নীচে, সাথে একদম শেষ ছবিতে রইলো ফিডব্যাক। সব মিলিয়ে 22 জনের খাবার।
কাজু বেরেস্তা পোলাও
গয়না বড়ি ভাজা
ভেটকি ফিশ ফ্রাই
ছানার পুর ভরা নিরামিষ পটলের দোলমা
গন্ধরাজ চিকেন
হাড়িভাঙ্গা

আজকাল সকাল বেলা ঘুম থেকে উঠেই মোবাইল স্ক্রিন ট্যাপ করলেই, গুগল ওয়েদার আপডেটে ভয়ংকর এক তথ্য পাঠায় -- "আজকের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা থাকবে 37°, অনুভূত হবে 47° এর মতো!" তাই এই মারাত্মক গরমে আমি ঠিক করেছি, আজ থেকে যত ডেলিভারি ড্রাইভার খাবার পৌঁছে দেওয়ার জন্য আসবে তাদেরকে একটা করে জলের বোতল, একটা ছোট বিস্কুটের প্যাকেট আর দু চারটে লজেন্স দিয়ে দেবো, এই মারাত্মক গরমে সামান্য হলেও যদি কিছু কাজে আসে। আমি তো এক ঘর থেকে আরেক ঘর যেতে যেতেই ঘেমে যাচ্ছি, ওরা এই দাবদাহে কোথায় না কোথায় পৌঁছে যাচ্ছে আমার জিনিস নিয়ে ! আমার ও আমার কিচেনের তরফ থেকে তাই এই যৎসামান্য প্রচেষ্টা।

জামাইষষ্ঠী প্ল্যাটার এর অর্ডার প্রায় ফুল। তবু শনিবার অবধি খুলে রেখেছি যদি কেউ অর্ডার দিতে চান, খুব বেশি হলে আর এক দু প্লেট অর্ডার নিতে পারব।

আমার নম্বর : 090383 26001
Haarir Khobor

আমতেল প্রথম ব্যাচ বানানো শেষ হলো। এবারে ঘরে তৈরি সমস্ত সামান মানে আমতেল, আমের ঝুড়ি আচার, আমসত্ত্ব আমার আশানুতীত অর্ডার ...
29/05/2026

আমতেল প্রথম ব্যাচ বানানো শেষ হলো। এবারে ঘরে তৈরি সমস্ত সামান মানে আমতেল, আমের ঝুড়ি আচার, আমসত্ত্ব আমার আশানুতীত অর্ডার এসেছে। শুধু আমতেল 30 কেজি! মাঝখানে শরীর খারাপের জন্য অনেক কাজ pending হয়ে গেছে। এখন সবে আট কেজি বানানো হয়েছে। তার মধ্যে যেদিনই ভাবি আজকে তাহলে আম গুলো শুকোতে দিই, সেদিনই ঝম ঝম ঝম শুরু হয়ে যায়। আবহাওয়া দপ্তর এখন পুরোটাই জালি! তারমধ্যে এমন অনেকে আছে যার, আচার থেকে আমসত্ত্ব সব অর্ডার করা আছে। আমি সকলের কাছে ভীষণ কৃতজ্ঞ যে আপনারা আমার সাথে যে cooperation টা করছেন তা বোঝাবার জন্য কোনো ভাষা নেই। অসীম ধৈর্য্য আপনাদের। শতকোটি প্রণাম ও কৃতজ্ঞতা। আপনারা আছেন বলেই আমিও আছি। এভাবেই ভালোবেসে যান। আমার এই এক ফালি রান্নাঘরের উপর বারবার অটুট বিশ্বাস রাখার জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ। এখন কিন্তু আর নতুন করে এগুলোর অর্ডার নিচ্ছি না। অর্ডার নেওয়া অনেকদিন আগেই ক্লোজ হয়ে গেছে; এই পোস্ট দেখে অনেকেই অর্ডার দিতে চাইছেন কিন্তু এর কোনো নতুন অর্ডার নিচ্ছি না। দয়া করে আর অর্ডার নেওয়ার জন্য কেউ রিকোয়েস্ট করবেন না। আসছে বছর আবার হবে।

অন্তরমহলের দ্বিতীয় ডাইনিং টেবিল সিরিজ - The Summer Stories এর তারিখ জুন মাসের 27 ও 28 -- জুনের শেষ উইকএন্ড। এবারে দুদিন জুড়ে খোলা থাকবে ডাইনিং টেবিল, দুপুর ও সন্ধ্যে মিলিয়ে 4টে স্লটে চলবে খাওয়া দাওয়া। মূলত গ্রীষ্মের রং কেই উদযাপন করব এই খাবারের মাধ্যমে। মেনু ও অন্যান্য ডিটেইলস জানতে আমাকে 090383 26001 নম্বরে whatsapp করে নেবেন। 16 টা সিটের মধ্যে 10টা সিট ইতিমধ্যেই বুকিং হয়ে গেছে, আর মাত্র 6 টা সিট খালি। তাই পছন্দমতো স্লট বুক করার জন্য বেশি দেরি করবেন না। এর অন্তর মহলে আসার জন্য সকলকে স্বাগত।

আজ পিকুর পুরোনো স্কুলে শেষ বারের মতো যাওয়া ছিল। আজ বোর্ডের মার্কশিট এর হার্ডকপি দিলো, সাথে প্র্যাকটিক্যাল খাতা, স্কুল গ...
28/05/2026

আজ পিকুর পুরোনো স্কুলে শেষ বারের মতো যাওয়া ছিল। আজ বোর্ডের মার্কশিট এর হার্ডকপি দিলো, সাথে প্র্যাকটিক্যাল খাতা, স্কুল গ্রুপ ফটো। জমা নিয়ে নিলো স্কুল আইডি কার্ড। অ্যাপ্লিকেশন করলাম কউশন মানি রিফান্ড এর। 12 বছরের একটা যাত্রা -- শেষ! আবার শুরু একটা নতুন পথ চলার, নতুন পরিস্থিতির, নতুন দৌড়, নতুন পরিকল্পনার। আইডি কার্ড গুলো ফেরত দেওয়ার সময় মনটা একটু ভারী লাগছিল। ছোট্ট পিকুর ইন্টারভিউ এর দিনটার কথা মনে পড়ছিল। মনে পড়ছিল নার্সারিতে পড়ার দিনগুলোর কথা। প্রথম স্কুল ড্রেসের কথা। এত গুলো বছরের পরীক্ষার টেনশনের কথা। প্র্যাকটিক্যাল কপি বানানোর ঝক্কির কথা। আর তার মধ্যেই ছিল আমার চাকরি বদল - এক কর্পোরেট থেকে আরেক কর্পোরেট, পদোন্নতি, বাড়ি, গাড়ি, রিসেটেলমেন্ট, বিসনেস ... ভালোখারাপে পার হয়ে গেলো দেখতে দেখতে এই 12 বছর। এই 12 বছরের সূত্র ধরেই এক মুহূর্তের জন্য পিছিয়ে যাই স্মৃতির পাতা থেকে আরও 9টা বছরের আগের কথায়। চোখ এখনও ভিজে যায়। ভেঙে গেছি, তবু হার স্বীকার করিনি কখনও। অনেক যুদ্ধের পর, অবশেষে আমার সিঙ্গেল প্যারেন্টহুড কে মান্যতা দিয়েছে এই দেশ। পিকুর বোর্ডের রেজাল্টে, এডমিট কার্ডে, রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেটে গার্ডিয়ানের নামের জায়গায় জ্বলজ্বল করছে শুধু আমার নাম, ওর মায়ের নাম। কোনো দাপুটে বায়োলজিক্যাল বাবার নাম এর আদ্যাক্ষর পর্যন্ত নেই! অথচ একদিন সিঙ্গেল প্যারেন্ট বলে আমার নিজের স্কুল পর্যন্ত ওকে এডমিশনের সুযোগ দেয়নি। Heir Quota ডিসকোয়ালিফাই করে দিয়েছিল। রজত আমার স্বামী কম, ব্যাকবোন বেশি, আমার প্রিয়বন্ধু আর সবশেষে মনের জোর। এই সিঙ্গেল মাদার কে নিজের জীবনে আনার জন্য ওর লড়াইটাও কিছু কম ছিলনা। আমরা একে অপরের অদম্য পরিপূরক। তাই আজ নিজের জয়, এর থেকে আর কিচ্ছুটিতেই নেই। মায়ের পরিচয়ে, মায়ের পদবীতে সন্তান থাকবে দুধে ভাতে -- এই স্বাধীনতা যেন কখনও কোনও সংবিধান কোনো মায়ের থেকে কেড়ে না নিতে পারে।

গতকাল রামলালবাজারে 10জনের একটা ডিনার অর্ডার গেলো। তনুশ্রী ওর বরের জন্মদিনে অর্ডার দিয়েছিল। আমার হাসপাতাল থেকে ফেরার পর তনুশ্রী কখনও আমার খবর নিতে ভোলেনি। ভারী মিষ্টি মেয়ে, খুব মিষ্টি ব্যবহার। মেনুতে যা যা ছিল --

বাসমতি চালের ভাত
সবজি দিয়ে সোনা মুগের ডাল
5 রকম ভাজা - বেগুন, কুমড়ো, পটল, ফুলকপি, কাঁচকলা
নারকেল সরষে দিয়ে নিরামিষ কচুপাতা
ছানার পুর ভরা নিরামিষ পটলের দোলমা
থোর চিংড়ি
ভেটকি পাতুরি
ভাজা মশলায় আমের চাটনি
হাড়িভাঙ্গা

তনুশ্রী পরে জানিয়েছে, ওদের খাবার শুধু ভালোই লাগেনি, পরিমাণ নাকি এত বেশি হয়েছে যে সমস্ত খাবার অনেক বেঁচে গেছে। এরকম শুনলে মন খুব ভালো হয়ে যায়। সবশেষে ওর ফিডব্যাক আর গুগল রিভিউ টাও জুড়ে দিলাম।

অন্তরমহলের দ্বিতীয় ডাইনিং টেবিল সিরিজ - The Summer Stories এর তারিখ জুন মাসের 27 ও 28 -- জুনের শেষ উইকএন্ড। এবারে দুদিন জুড়ে খোলা থাকবে ডাইনিং টেবিল, দুপুর ও সন্ধ্যে মিলিয়ে 4টে স্লটে চলবে খাওয়া দাওয়া। মূলত গ্রীষ্মের রং কেই উদযাপন করব এই খাবারের মাধ্যমে। মেনু ও অন্যান্য ডিটেইলস জানতে আমাকে 090383 26001 নম্বরে whatsapp করে নেবেন। 16 টা সিটের মধ্যে 6টা সিট ইতিমধ্যেই বুকিং হয়ে গেছে। তাই পছন্দমতো স্লট বুক করার জন্য বেশি দেরি করবেন না। Haarir Khobor এর অন্তর মহলে আসার জন্য সকলকে স্বাগত।

ONTORMOHOL | অন্তরমহল returns with its second Dining Table Experience — The Summer Stories.An intimate air conditioned O...
26/05/2026

ONTORMOHOL | অন্তরমহল returns with its second Dining Table Experience — The Summer Stories.
An intimate air conditioned Omakase dining experience by Haarir Khobor, where strangers, stories and signature dishes come together around one table.

Menu reveal - coming soon
Until then — Save the Date | June 27 & 28, 2026 | Limited Seats ✨

শুভঙ্কর আমার স্কুলের বন্ধু। কলকাতায় থাকে না। ব্যাঙ্গালোরে থাকে। মাঝে মধ্যে ছুটিতে শহরে আসে। জানুয়ারি মাসে স্কুল রিইউনি...
25/05/2026

শুভঙ্কর আমার স্কুলের বন্ধু। কলকাতায় থাকে না। ব্যাঙ্গালোরে থাকে। মাঝে মধ্যে ছুটিতে শহরে আসে। জানুয়ারি মাসে স্কুল রিইউনিয়নে দেখা হতে বলল, হ্যাঁ রে তুই শুঁটকি বানাস? খুব শুঁটকি খেতে ইচ্ছে করে, তাই ভাবলাম তোকে জিজ্ঞেস করি। ঘটির মেয়ে, কিন্তু গর্ব করে শুঁটকি বানাই আর ভালোবাসি। আমি বানাই জেনে বলল নেক্সট বার কলকাতা এলে তোর সাথে যোগাযোগ করব। মে মাসের 10 তারিখ আমার বাড়িতে অন্তরমহলের ডাইনিং টেবিল সিরিজের প্রথম দিন ছিল। ছিল পান্তা বরণ, সঙ্গতে শুঁটকি। কাউকে সেদিন ডেলিভারি দেওয়ার কথা নয়। শুভঙ্কর বাইরে থাকে, তায় আবার ছোটবেলার বন্ধু, ওকে কীকরে না করি? ওর আবদারে হ্যাঁ তে হ্যাঁ মেলাতেই হলো। ব্যস্তবাগীশটা অবশেষে আজ রিভিউ লেখার সময় পেয়েছে। অতএব শেয়ার করকে ইতনা সা সেলিব্রেশন তো বান্তা হ্যায়!!

এবার আমতেল বানানো শুরু করব, তো সেদিন ভেন্ডর কাঁচা আম দিয়ে গেছে। ওমা! ছুলতে গিয়ে দেখি সব ভিতরে পেকে গেছে। 15 কিলো আম, 9...
24/05/2026

এবার আমতেল বানানো শুরু করব, তো সেদিন ভেন্ডর কাঁচা আম দিয়ে গেছে। ওমা! ছুলতে গিয়ে দেখি সব ভিতরে পেকে গেছে। 15 কিলো আম, 90% পাকা। খুব রেগে গিয়েছি। তক্ষুনি ফোন করে রেগেমেগে আম ফেরত নিয়ে যেতে বললাম। সে আম নয়, পুরো টাকাই ফেরত দিয়ে গেছে। এখন এই 15 কিলো আম কি মুখের কথা? আমি নিয়ে করব টা কি? এই দিয়ে আচার, তেল কোনোটাই করা যাবে না। তা ভাবলাম দু চার পিস রেখে দিয়ে বাকি সবটাই আমাদের ওই caretaker মেয়েটা আর আমার ঘরের যে রান্না করে ওই মেয়েটাকে ভাগ করে দি। যেমন ভাবনা তেমন কাজ। দুজনকেই পরের দিন সবটা ভাগ করে দিলুম। দুজনে বেশ খুশি মনে নিয়ে চলে গেলো। পরেরদিন সকাল থেকেই দেখছি ওর ছেলে, বাবু (সেই বাবু, যার মেসি হওয়ার স্বপ্নের গপ্পো আগে একদিন বলেছিলাম) একবার ফুড়ুৎ করে উপরে দৌড়চ্ছে আবার কিছুক্ষণ পর হুড়হুর করে নীচে পালাচ্ছে। সারা দুপুর অব্দি এই একবার তার ছাদ আর একবার নিচে করা চলল। তারপর 4টে নাগাদ ওর মা ওকে একটা বাটি দিয়ে পাঠিয়েছে। ওমা! দেখি এক বাটি ভর্তি আমসত্ত্ব। সেই আধ পাকা আমগুলো দিয়ে কী দারুণ আমসত্ত্ব বানিয়েছে!! টুম্পা (ওই মেয়েটি) সকালে বাড়ি বাড়ি ঠিকের কাজ করে, আর ওর বর রিক্সা চালায়। সন্ধ্যেবেলায় আমাদের ফ্ল্যাটে চলে আসে। অভাবের সংসারে caretaker এর কাজ পেলে মাথা গোঁজার ঠাঁইটুকু জোটে, সাথে জোটে জল আলো, আর ওর কথায় সব চেয়ে ভালো জোটে পরিবেশ। সন্তান নিয়ে কোন বাবা-মার না স্বপ্ন থাকে! টুম্পাও নিশ্চই তেমন কোনো স্বপ্ন দেখে। আমি টুম্পা কে বললাম -- বাহ্, এরকম আরো আমসত্ত্ব বানাবে? আমি সব জোগাড় করে দেবো, যা বিক্রি হবে টাকা সব তোমার। জানি, ওই টাকাটা ছেলের টিউশনের জন্য কতটা অপরিহার্য হবে। উত্তরে শুধু এক গাল হাসি। ব্যাস! আমসত্ত্ব এর পোস্ট দিলাম আমার whatsapp গ্রুপে। সঙ্গে সঙ্গে তিন ঘণ্টার মধ্যে 20 কিলো আমসত্ত্ব বুক হয়ে গেলো। সকলের কাছ থেকে এই সাংঘাতিক রেসপন্স পেয়ে আমি আপ্লুত। খুব লিমিটেড অর্ডার, কারণ ওর মূল কাজের থেকে সময় বের করে ওকে এই কাজটা করতে হবে। উদ্দেশ্য একটাই -- আমসত্ত্ব বুকিং এর পুরো টাকাটাই ওর ছেলের টিউশনে কিছু সাহায্য করার জন্য। পুরোটাই যাবে ওর কাছে। যারা বুকিং করেছেন, তাদের এই সাহায্য অবিস্মরণীয়। অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাদের সকলকে। আমি আপনাদের কাছে চিরকৃতজ্ঞ। 🙏

ছবিতে : টুম্পার বানানো আমসত্ত্ব, পাশের ছবিতে টুম্পা আর বাবু

Address

Purbadiganta
Kolkata
700075

Opening Hours

Monday 12pm - 8:30pm
Tuesday 12pm - 8:30pm
Wednesday 12pm - 8:30pm
Thursday 12pm - 8:30pm
Friday 12pm - 8:30pm
Saturday 12pm - 8:30pm
Sunday 12pm - 8:30pm

Telephone

+919883033468

Website

https://chat.whatsapp.com/IIlZ2dmpd0fA6NQ68SBIh9?mode=gi_t

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Haarir Khobor posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Haarir Khobor:

Share