Gharoa Caterer

Gharoa Caterer Homely Event Catering & Cloud Kitchen: Delightful Dishes, Delivered.

ঘর থেকে বেরিয়ে এসে ও যদি পান ঘরের ছোঁয়াকেমন হয় বলুন তো??একেবারেই ঠিক দেখছেন।এবার ঘরোয়া নিয়ে এলো আপনাদের জন্য একেবারে ঘরের তৈরি সুস্বাদু খাবার। বসন্ত হোক কিংবা পৌষ পর্যটকদের সব সময়ের পছন্দের জায়গা কিন্তু বোলপুর।কেউ আসেন এখানে শান্তিনিকেতন দেখতে আবার কেউ বা আসেন সোনাঝুরি। কিন্তু চেনা জানা না থাকলে পড়তে হয় সমস্যায়,কোথায় খাবেন আর খেলেও ঘরের তৈরি জিনিস কোথায় পাবেন?আসলে বাঙ্গালীদের একটা ব্য

াপার ই আলাদা বাইরে গেলেও ঘরের পরিবেশটাকে কোথাও যেনো মিস করে।এবার আপনি এসেছেন বন্ধুদের সঙ্গে ছুটি কাটাতে বা পরিবারের সঙ্গে সময় কাটাতে, এখানে এসেও যদি নিজেকে রান্না করে খেতে হয় তাহলে ঘুরবেন কখন আর যদি বাইরে খান ও পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন সুস্বাদু খাবার পাবেন কোথায়?আপনাদের এই সমস্যা দূর করতে বোলপুরে ঘরোয়া নিয়ে এলো আপনাদের জন্য ঘরের তৈরি হাতের বানানো সুস্বাদু খাবার। আর সব থেকে খুশির বিষয় হলো আপনি যেমন বা যে ধরনের পদ খেতে চান, সেই খাবার ই ঘরোয়া হাজির করবে আপনাদের সামনে।অল্প সংখ্যক অর্থাৎ ছোটো গ্রুপ গুলি যারা বেড়াতে আসেন বোলপুরে,তাদের চাহিদা অনুযায়ী একেবারে ঘরের মতন করে পরিবেশন করবে ঘরোয়া।এছাড়াও ঘরোয়া দিচ্ছে আরো এক সুবিধা, জন্মদিন ও বিবাহ বার্ষিকীর মতন অনুষ্ঠানগুলিতেও আপনারা পাচ্ছেন ঘরে বসে ঘরোয়ার সুস্বাদু খাবার।তাহলে আর চিন্তা কিসের?এবার ঘর থেকে বাইরে এসেও উপভোগ করুন ঘরের ছোঁয়া।

|| চিকেন টিক্কা মশালা ||বলুন দেখি কী জ্বালা! একটা জমকালো বিষয় নিয়ে আলোচনা চলছিল, সতেরো বয়সের যুবক রবীন্দ্রনাথ দেখতে ব...
08/02/2026

|| চিকেন টিক্কা মশালা ||

বলুন দেখি কী জ্বালা! একটা জমকালো বিষয় নিয়ে আলোচনা চলছিল, সতেরো বয়সের যুবক রবীন্দ্রনাথ দেখতে বেশি সুন্দর নাকি ষাটোর্ধ্ব পাকা চুল-দাড়িওয়ালা রবীন্দ্রনাথ? শীতের মধ্যে চায়ে চুমুক দিয়ে নিজেদের গরম করে করে আমার বাড়িতে আড্ডাটা জমে উঠেছিল, হঠাৎ অনিন্দ্যের দাবি তার চিকেন টিক্কা মাশালা চাই। ফেসবুক থেকে ওর চক্ষুতে ওই চিকেন টিক্কা মশালা পড়া মাত্রই ও আমাদের আড্ডা আর আর রবীন্দ্রনাথ কারুর তোয়াক্কা করল না। ওর প্রাণ আর চক্ষু একসাথে নাকি চিকেন টিক্কা মশালা চাইতে লাগলো। ফেসবুক ঘাঁটতে ঘাঁটতে আমাদের আড্ডাটাই ঘেঁটে দিল অনিন্দ্য।

অনেক করে বুঝালাম, কিন্তু কে আর শোনে কার কথা। শিশ মহলে গ্রাহকের অভিযোগ মেটাতে গিয়ে আলি আহমেদ আসলাম চিকেন টিক্কা মশালা বানালো আর এখন সেটা খাওয়ার দাবি মেটাতে গিয়ে আমায় আমার গরম মহল থেকে বেরোতে হচ্ছে।

এই শীতে পাগলের প্রলাপ বকছি ভাবছেন তাই তো! আজ্ঞে না।
এই চিকেন টিক্কা মশালা আজকে যেমন আমার জীবনে ঝামেলা বাধিয়েছে ঠিক তেমন এর জন্ম লগ্ন থেকেই ঝামেলা হয়ে আসছে।

১৯৭০ এর দশকে গ্লাসগোতে 'শিশ মহল' নামের একটা রেস্টুরেন্ট ছিলো। একদিন একজন গ্রাহক ওই রেস্টুরেন্টের শুকনো চিকেন টিক্কা খেয়ে ওখানকার মালিক আলি আহমেদ আসলামকে বলেন টিক্কাটা তার ভালো লাগেনি। আলি আহমেদ আসলামের মনে হয় গ্রাহকের যখন ভালো লাগছে না তখন টিক্কাটা অন্য ভাবে রান্না করে দেখা যাক। সেই মতো তিনি টমেটো, ক্রিম এবং মশলা মিশিয়ে একটা সস তৈরি করেন, এবং সেটা ওই শুকনো টিক্কায় মেশায়, তারপর সেটা গ্রাহকদের দেয়। শুকনো টিক্কার থেকে সস দেওয়া টিক্কাটা গ্রাহকদের বেশি পছন্দ হয়।
অনেকেই মনে করে এটাই চিকেন টিক্কা মশালার পূর্বপুরুষ।
কিন্তু ওই যে ঝামেলাটা এখানেই বাধলো। ইতিহাসে কী হয়েছে তা তো কেউ দেখেনি। তাই অনেকেই মনে করেন, এটি উত্তর ভারতের, মানে মূলত পাঞ্জাবের 'বাটার চিকেন' এর একটা পরিবর্তিত রূপ, ওই ভাই ভাই সম্পর্ক।
তাদের মতে, ব্রিটিশরা আমিষ খেতে বেশি পছন্দ করতো, তাই তাদের স্বাদ অনুযায়ী বাটার চিকেনকে একটু অন্য ভাবে অন্য মশলা ব্যবহার করে রান্না করে তৈরি হয় চিকেন টিক্কা মশালা।

সে যাইহোক, আমার জীবনে এখন ঝামেলা হলো, এই শীতের সন্ধ্যায় চিকেন আনতে যাওয়া। যাইহোক, যেতে হবে।

আপনারা যদি রেসিপিটা চান আমাদের কমেন্ট করুন। আমরা আপনাকে রেসিপি দিয়ে দেবো। আর আপনাদের কি মনে হয় যুবক রবীন্দ্রনাথ বেশি সুন্দর দেখতে নাকি ষাটোর্ধ্ব ঋষি সুলভ রবীন্দ্রনাথ? কমেন্টে জানাবেন।

সরস্বতী পুজোর শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাই।
23/01/2026

সরস্বতী পুজোর শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাই।

||পমফ্রেট ফ্রাই||সেদিন বিকেলে ঝমঝমিয়ে বৃষ্টি পড়ছে,জানালার বাইরে মেঘে আর ভেতরে রান্নাঘর থেকে আসছে ভাজা মশলা আর তেল পোড়...
21/10/2025

||পমফ্রেট ফ্রাই||

সেদিন বিকেলে ঝমঝমিয়ে বৃষ্টি পড়ছে,জানালার বাইরে মেঘে আর ভেতরে রান্নাঘর থেকে আসছে ভাজা মশলা আর তেল পোড়া গন্ধ। কিচেনের ভেন্টিলেটর ফুঁ দিয়ে যখন সেই গন্ধ ছড়িয়ে দিল, ঘরের মধ্যে, তখন যেন মন বলল, “আহা…কখন ঐ Pomfret Fry যে পাবো!”

ঠিক তখনই মনে পড়ে গেল এক পুরনো গল্প। "Pomfret"—নামটা একেবারেই ভারতীয় নয়। এর জন্ম পর্তুগিজ জাহাজে, নাম ছিল “Pampo”।

পর্তুগিজরা গোয়ার বন্দরে এসে পা রাখতেই, এই রূপালি মাছ প্রথমবার মশলার ছোঁয়া পেল—ভিনেগার, শুকনো লঙ্কা আর রসুনে মেখে এমন গন্ধ ছড়ালো, যে এখনও সমুদ্রের বাতাসে নাক ডোবালে সেই গন্ধ পাওয়া যায়।

গোয়া থেকে মহারাষ্ট্র, কেরালা থেকে কলকাতা—এই মাছ চলতে শুরু করল ইতিহাসের গলিপথ ধরে।

কখনও সেমোলিনা কোটিং নিয়ে মহারাষ্ট্রের রেস্তোরাঁয়, কখনও নারকেল তেলে ভাজা হয়ে কেরালার দুপুরে, কখনও আবার সর্ষে–কাঁচালঙ্কা মেখে বাঙালির সাদা ভাতের পাশে টুপ করে বসে পড়তে শুরু করল।

জওহরলাল নেহরুর পাতে পমফ্রেট ফ্রাই উঠত অতিথি আপ্যায়নে,

ইন্দিরা গান্ধী পছন্দ করতেন গোয়ান স্টাইলের recheado pomfret—

আর জামশেদজি টাটার পারসি রান্নাঘরে রোববার মানেই পমফ্রেট।

একটা মাছ, যাকে কোনো পুরাণ চেনে না, কোনো বেদে যার নাম নেই, এমনকি ফ্রাই হওয়ার জন্য একটা মোটা ফিলেও নেই,

তবু সে পৌঁছে গেছে রাষ্ট্রপ্রধানের পাতে, অভিজাত ক্লাবের প্লেটে,

আর এখন… আপনার টেবিলে প্রতিদিনের রান্না হোক কিম্বা অনুষ্ঠানের আয়োজনে সমুদ্রের গান গাইতে গাইতে তিনি আপনার পাতে হাজির হয়।

স্বাস্থ্যকর খাবার খান, ভালো থাকুন।

20/10/2025

আপনাদের সকলকে জানাই শুভ দীপাবলির শুভেচ্ছা, ভালোবাসা ও অভিনন্দন...

ll হিং-এর পরোটা llলাস্ট সেমের লাস্ট ক্লাস। আজ সিলেবাসের কোন টপিক পড়ানো হবে না—স্যার অমলকান্তি মিশ্রের লাস্ট ক্লাসে সব সম...
13/10/2025

ll হিং-এর পরোটা ll

লাস্ট সেমের লাস্ট ক্লাস। আজ সিলেবাসের কোন টপিক পড়ানো হবে না—স্যার অমলকান্তি মিশ্রের লাস্ট ক্লাসে সব সময় টুইস্ট থাকে ।গত ৩০ বছর ধরে প্রতিটি ছাত্রের ভীষণ প্রিয় প্রফেসর। এই বছর তার কর্ম জীবনের শেষ বছর, এখনও তার ক্লাস করানোর এনার্জি বহু নবীনদের তুলনায় অনেক বেশি। একটা থালা হাতে করে ক্লাসে ঢুকলেন স্যার, থালা টেবিলে রাখার আগেই ঘি আর হিং-এর গন্ধে প্রায় সমস্ত কলেজ জেগে উঠেছে। ক্লাসে আসার আগে থেকেই এই নিয়ে ফ্যাকাল্টি রুমে একপ্রস্থ খিল্লির ঝর উঠেছি্ল আরেক ঝড় উঠল ক্লাসে ঢোকার সঙ্গে সঙ্গেই উঠল।

“আজ আমরা ইতিহাস খাবো,” হাসতে হাসতে বললেন তিনি।

ছাত্রদের মধ্যে গুঞ্জন শুরু হল। কেউ কেউ ভাবছে, স্যারের মাথা গেছে। কেউ মোবাইল বের করে ভিডিও তুলছিল।

-আচ্ছা, তোরা কি জানিস, ১৫৯০ সালে আবুল ফজলের লেখা Ain-i-Akbari তে ‘chapati’ নামের এক পরোটার উল্লেখ ছিল। সবথেকে বড় বিষয় হল ওটা সম্রাট আকবরের প্রিয় খাবারের তালিকায় ছিল, ঘি আর চিনি দিয়ে ভাজা গমের রুটি।

ছাত্ররা বলে উঠল -আরিব্বাস আকবর তাহলে পরোটাও খেত! পরোটা তো এইতিহাসিক ডিশ।

স্যার বললেন -শুধু আকবর নয় অরঙ্গজেব ও খেত।

ছাত্র- “স্যার, আপনি কেমিস্ট্রি পড়ান , তাহলে রান্নার ইতিহাসে এলেন কেমন করে?”

তখন মুচকি হেসে স্যার বললেন - তোদের কি মনে হয় পড়াশোনা করে আমার মাথার চুলগুল পেকে গেছে ! না না পেটের গণ্ডগোল হয়ে হয়ে আমার মাথার চুলগুল সাদা হয়ে গেছে।

সারা ক্লাস হেসে উঠল। তার মধ্যেই জিজ্ঞাসা করলো কিন্তু স্যার এই গন্ধ টা কীসের?

“ওরে ওটা হিং বা হিঙ্গু বা asfoetida. তবে এটা শুধুমাত্র একটা মশলা নয়। এটা একটা সময়। এটা একটা সংস্কৃতি এবং একটা ভীষণ কার্যকারী ওষুধ। চরক সংহিতা, সুশ্রুত সংহিতা, কাশ্যপ সংহিতা এবং ভবপ্রকাশ সংহিতাতেও বলা হয়েছে হিং বাত, পেটের অসুখ, ক্রিমি, হিক্কা, কফ, হজমের একটা মোক্ষম ওষুধ।

-কিন্তু স্যার এই দিয়া ওষুধ না বানিয়ে আমরা ডাল পরোটা এসব এ দিয়ে দি কেন?

- কোন ধর্মগ্রন্থে পড়লি এতা তুই? Ferula assa-foetida–এর কিছু নির্যাস বা সক্রিয় উপাদান আধুনিক ওষুধ গবেষণায় ব্যবহার হচ্ছে, তবে এখনো হিং প্রধান উপাদান হিসেবে প্রচলিত আধুনিক ওষুধে I mean allopathic drugs বাণিজ্যিকভাবে খুব বেশি ব্যবহৃত হয় না। তবে একে ঘিরে প্রচুর গবেষণা হচ্ছে।

-তবে খাবার হচ্ছে আমাদের শরীরের প্রধান উপাদান যা দিয়ে শরীর গঠন হয়। তাই আগেকার দিনে এবং এখনও খাবারের প্রতি জোর বেশি দেওয়া হয়। এই যে তোমরা এত diet করো এত ধরনের খাবার খাও ক্যালরি বার্ন কর। সেসব তো আজক থেকে হচ্ছে না। পরোটা একটা তেল জাতীয় জিনিষ তাই acid হওয়ার সম্ভবনা বেশি তাই পরোটায় হিং দেওয়া হত যাতে পেটের গণ্ডগোল না হয়। এই অন্তিম ঘণ্টা বেজে গেল, ব্যস তোমাদের জীবনে আমার ক্লাস শেষ হল। আজ শেষ বারের মত বলি, সবসময় মনে রাখবে এই জীবনে তুমি কত বড় হলে, কত টাকা পেলে সেটা গুরুত্বপূর্ণ নয় তুমি কত ভাল মানুষ হলে সেটাই আসল। শান্তি শান্তি শান্তি।

স্যার প্রণাম নেন না তাই সকলে ভিজে চোখে জরিয়া ধরল স্যারকে।

05/10/2025

We had the pleasure of arranging food for Adi’s 5th Birthday Celebration 🎉
The event was held at Lougde Moonshine, Bolpur, with 300 happy guests enjoying the feast!

📞 Book us for your next event — call 9674008262 for catering services.

শুভ বিজয়া আপনারা প্রত্যেকে খুব ভালো থাকবেন
04/10/2025

শুভ বিজয়া
আপনারা প্রত্যেকে খুব ভালো থাকবেন

আজ বছরের প্রতীক্ষিত সেই মুহূর্ত—মহালয়া।“আশ্বিনের শারদপ্রাতে,ফুচকার বাটি বাঙালির হাতে।”দুর্গাপুজোর কাউন্টডাউন আজ থেকেই শ...
21/09/2025

আজ বছরের প্রতীক্ষিত সেই মুহূর্ত—মহালয়া।
“আশ্বিনের শারদপ্রাতে,
ফুচকার বাটি বাঙালির হাতে।”
দুর্গাপুজোর কাউন্টডাউন আজ থেকেই শুরু। আর তার সঙ্গে জড়িয়ে আছে এই বিস্তর কেনাকাটার ডেডলাইনও। কেনাকাটা হবে আর মহানগরী কলকাতার নাম উঠবে না তা কি হয়! গড়িয়াহাট, হাতিবাগান, নিউ মার্কেট—এই সময় শহরের বুকে একেবারে অন্য রূপে ধরা দেয়। কেনাকাটার ভিড়ের মাঝে স্ট্রিট ফুডের আনন্দ তো থাকবেই কারণ বাঙালিরা তাদের উৎসবের উদযাপন করে খাওয়া-দাওয়া দিয়েই, একেবারে জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত টোটাল ফুড প্যাকেজ থাকে ঘরে ঘরে। তাই শারদ-প্রাতে না হলেও, শারদ-সন্ধ্যায় ফুচকার বাটি বাঙালি ধরবেই। আসলে মহালয়া হচ্ছে পুজোর খাওয়া-দাওয়ার স্টার্টিং পয়েন্ট।
কলকাতার অন্যতম ব্যস্ত শপিং হাব হল গড়িয়াহাট। পুজোর শাড়ি, গয়না, জুতো—সবকিছুর সঙ্গে এখানে পাওয়া যায় বিখ্যাত ফুচকার নানা ভ্যারাইটি, ফিশ ব্যাটার ফ্রাই, চিকেন চিজ ফ্রাই-এর মতো লোভনীয় আইটেম। পাশাপাশি মটন রোল, ফিশ রোল, এগ রোল, কাবুল রোল—কলকাতার রোল কালচারের অন্যতম কেন্দ্রস্থল হল এই গড়িয়াহাট। কালো রঙের তাওয়ার ওপরে তেল দিয়ে কড়া করে ভাজা পরোটার ওপরে ডিমের প্রলেপ, তারপরেই বিভিন্ন মতামতের গুরুত্ব বজায় রেখে ফিলিং, এই তো জীবন কালিদা! আর বিশেষভাবে জনপ্রিয় মটন ঘুগনি—ঝাল মশলা মাখানো, টাটকা ধনেপাতা ছড়ানো, তেঁতুলের টক দেওয়া এই ঘুগনির স্বাদ যেন অমৃত।
এরপর চলুন হাতিবাগানের দিকে। উত্তর কলকাতার জুয়েলারি হাব, যেখানে মেয়েদের প্রিয় চাটের স্টল সবসময় জমজমাট—পাপড়ি চাট, বাদাম চাট, আলু চাটের সাথে রঙ বেরঙের সবজি দিয়ে সাজানো স্টলটা যেন ডিডিএলজের শাহরুখ খানের মতো দু’হাত বাড়িয়ে ডাকে। এখানের বিখ্যাত স্ট্রিট ফুডের মধ্যে রয়েছে ঢাকাই পরোটা, বিরিয়ানি, টিকিয়া, প্রন কাটলেট। এছাড়া মুগ ডালের চিলা, পনির স্যান্ডউইচ এবং বড়া পাও-এর মতো জনপ্রিয় খাবার তো আছেই। আর অবশ্যই দইটা খেয়ে দেখতেই হবে।
এদিকে ধর্মতলা–নিউ মার্কেটের দিকে আসা যাক। এখানে খেতে পারেন মুঘলাই পরোটা আর আলুর দম। তাছাড়া যারা ডায়েটে আছেন তাদের জন্য যে একেবারেই মুখ শুকনো তা নয়, আছে হরেক রকমের সরবত, লস্যি, ফ্রুট চাট আর বিখ্যাত সব কাবাব। তারপর বাটার টোস্ট আর গোলমরিচ দেওয়া চিকেন স্ট্যু খাওয়ার পরে আইকনিক ফুড কাঠি রোল নিউ মার্কেটে চেখে নিতেই হবে একবার। শেষে ডেজার্ট হিসেবে থাকছে কেক, পেস্ট্রি এবং প্লাম কেক—যা ১৯০২ সাল থেকে কলকাতার উৎসবের অবিচ্ছেদ্য অংশ।
শেষে বাড়ি ফেরার পথে যদি শ্রীরামপুরে একটু হোঁচট খান, তবে কেশর কুলফি ফালুদা খেয়ে যাবেন। শালপাতার প্লেটে কুচোনো কুলফির ওপরে ভারমিসেলি দিয়ে হালকা হাতে খেতে খেতে বাড়ি ফিরুন। সামনেই পুজো, সারা রাত ধরে ঠাকুর দেখার সাথে থাকবে আরও বিভিন্ন রকমের আইটেম—আলাদা করে একটু রেস্টও নিতে হবে তো এবার!

||কাতলা'র পাতুরি|| পাতুরি বললেই বাঙালির মাথায় একেবারে ফিল্মি পোস্টার ভেসে ওঠে—নায়িকা ইলিশ, নায়ক ভেটকি। এরা দুজন যেন পাতু...
07/09/2025

||কাতলা'র পাতুরি||

পাতুরি বললেই বাঙালির মাথায় একেবারে ফিল্মি পোস্টার ভেসে ওঠে—নায়িকা ইলিশ, নায়ক ভেটকি। এরা দুজন যেন পাতুরির অমিতাভ-শ্রীদেবী—প্রথম সারির ক্রেডিট, মেনুর কভারে নাম, ফুড ব্লগে স্টার মার্কা রিভিউ।কিন্তু বাকি মাছেরা? কাতলা, রুই, পুঁটি? তারা যেন চিরকালীন সাইড ক্যারেক্টার। এক ফ্রেমে ঢুকেই গলা খাঁকারি দিয়ে বেরিয়ে যায় এদিকে ইতিহাস কিন্তু অন্য গল্প বলে। পাতুরির আদি জন্মদাতা কোনো ইলিশ-ভেটকি নয়, বরং গৃহস্থের হাঁড়ি থেকে ওঠা সাধারণ পুঁটি। কবি চন্দ্র মুকুন্দ মিশ্রের বাশুলিমঙ্গল বা বিশালোচনী গীত-এ রুক্মিনীর ঘরে অতিথি আপ্যায়নের মেন্যুতে লেখা আছে—
“পুঁটি মাছ দিয়া রান্ধে শর্ষা পাতুড়ি, খোসলার ঘণ্ট, তথি দুলিয়া চিংড়ী।”
মানে তখন পাতুরি মানেই ছিল ছোট মাছ—পুঁটি। যেটা সহজে পুকুরে পাওয়া যায়, সেটাই পাতায় মুড়ে ভোগে বা অতিথির পাতে দেওয়া। বড় মাছ তখনও লটারির মতো। ধরা পড়ল তো পুকুরে শাঁখ বাজল, না হলে খালি জালে হতাশা। আর ধরা পড়লেও পাতুরির মতো "পাতা-মোড়ানো" পদে সে যেত না—বরং যেত ঝোল-ঝালে, অম্বলে।
তারপর মধ্যযুগের কাহিনীর পাতা ঘেঁটে এল কাতলার পাতুরি। কিন্তু কাতলার মতো ফেমাস মাছ ও ইলিশ-ভেটকির রমরমিয়া বাজারে পেল কেবলই প্রান্তিকতা। হোটেলের মেনুতে পাতুরি মানেই আজও ইলিশ বা ভেটকি আর কাতলা আন্ডার রেটেড । ইতিহাসের কোন না কোন কোনায় সবার নাম থাকলেও কোনকিছুতেই ঠাঁই হল না কাতলা পাতুরির। লোকাল ট্রেনের ভিড়ে চাপা পড়ে যাওয়া নিম্ন মধবিত্ত ভদ্রলোকের মতো গ্রাম থেকে শহর আর শহর থেকে গ্রাম হল তার ডেস্টিনি —আছে, অথচ নেই।

আপনাদের সকলকে জন্মাষ্টমীর শুভেচ্ছা জানাই...
16/08/2025

আপনাদের সকলকে জন্মাষ্টমীর শুভেচ্ছা জানাই...

আপনাদের সকলকে রাখি পূর্ণিমার শুভেচ্ছা।
09/08/2025

আপনাদের সকলকে রাখি পূর্ণিমার শুভেচ্ছা।

|| পনীর মিক্সড ভেজ ll“এই কালকে কিন্তু তোরা তাড়াতাড়ি চলে যাবি আমার নতুন ট্যাব টা দেখাব তোদের,“  বলেই দুহাত নেড়ে টাটা করে ...
20/07/2025

|| পনীর মিক্সড ভেজ ll

“এই কালকে কিন্তু তোরা তাড়াতাড়ি চলে যাবি আমার নতুন ট্যাব টা দেখাব তোদের,“ বলেই দুহাত নেড়ে টাটা করে বাস থেকে নেমে গেল বছর দশের মান্তু,
মান্তু টা ওর ডাকনাম,ভালোনাম স্রোতস্বিনী মজুমদার, আইসিএসসি বোর্ডের ক্লাস ফাইভের স্টুডেন্ট । কালকে ওদের বাড়িতে অন্নপূর্ণা পুজোর অন্নকূট । তাই ওর সব বন্ধুদের নেমতন্ন করার অনুমতি পেয়েছে। বাড়ির ভেতরে জোর কদমে আগামীকালের প্রস্তুতি চলছে, বাসন ধোয়া, সবজি কাটা আরও কত রকমের ব্যস্ততা। মজুমদার বাড়ির নাম এই এলাকায় মোটামটি পরিচিত তাদের বহু পুরনো অন্নপূর্ণা হোটেলের নামে।সেখানের বিশেষ মেনু পনীর মিক্সড ভেজ হল এই অন্নকূট ভোগের মূল আকর্ষণ। আসলে প্রাচীন ভারতীয় রান্নায় বহু রকমের সবজি একসাথে হত। আয়ুর্বেদ বলে, নানা ধরনের সবজি একসাথে খেলে শরীরের নানা দিকের ভারসাম্য রক্ষা হয়। বৌদ্ধ ও জৈন প্রভাবিত অঞ্চলে শাকাহার ভিত্তিক খাবারগুলো অনেক পুরনো, যেখানে সবজি ভিত্তিক থালির গুরুত্ব ছিল একসময় । সেইভাবেই কোন পথে এদের ভোগের থালায় এসে পরেছে পনীর মিক্সড ভেজ।
পরদিন সকালে মান্তুর সমস্ত বন্ধুরা এলেও হাবিবা এলো না, এত করে কালকে বলে আসার পরেও হাবিবার না আসা যেন শরতের সাদা আকাশে কিউমূলোনিম্বাস মেঘ তৈরি করল মান্তুর মনে। বন্ধুদের গসিপ কনভারসেশনে জানা গেল হাবিবা কে নাকি ওর বাড়ি থেকে আসতে দেয়নি, ওর মায়ের প্রথম থেকেই এই নিয়ে আপত্তি তা মান্তু শুনেছে , ও এলে নাকি সব ছোঁয়াছুঁয়ি হয়ে যাবে। যাইহোক, সবাইকে ওর নতুন ট্যাব দেখায়। পুজো শেষে ভোগ দেওয়া হলে বন্ধুরা সবাই খেয়ে যে যার বাড়ি চলে যায়। সমস্ত কাজ মিটিয়ে ওরা বাড়ির সকলে যখন খেতে বসে, তখন ওদের বিশেষ ভোগ পনীর মিক্সড ভেজ পাতে দিতে এলে মান্তু হাত নাড়িয়ে না করে দেয়। তাই দেখে দাদু বলে ওঠেন - এটা কী হল ! জানো, এই রান্না কবে থেকে শুরু হয়েছে! বলি শোন। আমাদের দেশে প্রথম মুঘলরা ভারতীয় রান্নায় নানা ধরনের সবজির মিশ্রণ করেছিল। তারপর এল ব্রিটিশরা, ওদের সময় থেকে "মিশ্র সবজি" বা "stew" ধরনের কিছু খাবার জনপ্রিয় হল, যার ধারাবাহিকতায় “মিক্সড ভেজ”এল নতুন এক রেসিপি হয়ে ওঠে ।১৯৫০-এর দশকের পর রেস্তোরাঁ সংস্কৃতি যখন শহরাঞ্চলে বিস্তার পায়, তখন থেকেই "মিক্সড ভেজ" নামক একটি নির্দিষ্ট ডিস জনপ্রিয় হতে শুরু করে। এবার তখনও কিন্তু পনীর দেওয়া হত না কারণ গরুর দুধ থেকে তৈরি হত তাই ভারতীয়রা পনীর খেত না। কিন্তু মুঘলরা আসার পর সেই পনীরের স্বাদ বুঝে এই ভারতীয়রাই পনীরকে যুক্তরাজ্য, কানাডা, আমেরিকা সহ বিশ্বের নানা দেশে পরিচয় করালো । আর এই মিক্সড ভেজ-এ পনীর যোগ হল ৮০-৯০ দশকে, যখন নর্থ ইন্ডিয়ান থালি ও “মালাই কোফতা” জাতীয় পনীর -নির্ভর খাবারগুলো সারা দেশে জনপ্রিয় হল। সবথেকে মজার এবং গর্বের বিষয় হল আমাদের বাড়িতে ১৯৫০-এর অনেক আগে থেকেই এই ভোগ হত। বাবারা বলতেন, মুঘলিয় কায়দায় নাকি রান্না করা হত এই ভোগ ।এখনও সেই রীতি মেনেই রান্না চলছে আর ১৯৫২ এ যখন আমাদের রেস্তোরাঁ ‘অন্নপূর্ণা’ খোলা হল আর তার বিশেষ পদ হিসেবে রাখা হল এই পনীর মিক্সড ভেজ , সেই বছর থেকে শুরু হল নরনারায়ণ সেবা, কত দূর দুরান্ত থেকে লোক আসত এই ভোগ খেতে।“ কথাটা শুনে খানিক ভেবে মান্তু প্রশ্ন করল- “আচ্ছা দাদু! মুঘল মানে তো মুসলিম তাই নাহ! মুসলিমরা কি নরনারায়ণ হয় না?
সবাই মান্তুর মুখের দিকে তাকিয়ে রইল সত্যিই তো তাই নরনারায়ণ মানে যদি মানুষ হয় তাহলে ওরা নয় কেন!
তারপর ও আবার বলল, আমর বেস্টফেন্ডকে মা আসতে বারন করল কেন তাহলে? ও কি নরনারায়ণ নয়! এই কথা শুনে অমল মজুমদার ওরফে মান্তুর দাদু উত্তর দিলেন- এমা তা কেন হবে । ওদের ভগবান তো অন্য তাই ওরা আমাদের পুজতে আসতে পারে না।
কথাটা শেষ করতে পারল না দাদু। দাদুর কথার ওপরেই কথা চাপিয়ে মান্তু বলল, তাহলে আমাদের ভগবান আমাদের কথা শোনে আর ওদের ভগবান ওদের কথা! ইস আমি যদি আগে জানতাম তাহলে তো আল্লা-র কাছের বলতাম যে ওকে যেন আমাদের পুজোয় ওর মা আসতে দেয়।
বাড়ি শুদ্ধ সবার মুখে এক প্রাগৈতিহাসিক দ্বন্ধের ছাপ পরে গেল।

Address

Bolpur

Telephone

+919674008262

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Gharoa Caterer posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Gharoa Caterer:

Share

Category