22/08/2023
#আমন ধান আবাদে রোগ ও পোকা দমনে স্প্রে সিডিউল:
#প্রথম পর্যায়ে-
ধানের চারা রোপনের ৪০-৪৫ দিনেঃ
#মাজরা পোকা+পাতা মোড়ানো পোকার আক্রমণ হলে বা সম্ভাবনা থাকলে নিচের যে কোন একটি কীটনাশক
বেল্ট এক্সপার্ট/
ইনসিপিও/
মাইনেকট্রো এক্সট্রা যে কোন একটি কীটনাশক অনুমোদিত মাত্রায় স্প্রে করতে পারেন। #অথবা
#সানসালফন ২০ ইসি/
#মারর্শাল ২০ ইসি/
#এডভান্টেজ ২০ ইসি প্রতি লিটার পানিতে ৩ মিলি হারে মিশিয়ে স্প্রে করতে পারেন #অথবা
#কারটাপ গ্রুপের কীটনাশক
#ব্রাভো ৫০ এসপি
#সানটাপ ৫০ এসপি
ফরাটাপ ৫০ এসপি
কার্টাপ ৫০ এসপি
মিমটাপ ৫০ এসপি যে কোন একটি কীটনাশক প্রতি লিটার পানিতে ৩ গ্রাম হারে মিশিয়ে স্প্রে করতে পারেন।
#সাথে খোলপোড়া ও পাতা ব্লাষ্ট দমনের জন্য আগাম প্রতিষেধক হিসেবে স্ট্রবিন জাতীয় ছত্রাকনাশক যেমন-
#এজোক্সিস্ট্রোবিন+সিপ্রোকোনাজল) গ্রুপের ছত্রাকনাশক যেমন:
#কারিশমা/
#নাভারা/
#তারেদ/
#এসিবিন/
টিপঅফ ২৮ এসসি প্রতি লিটার পানিতে ১ মিলি হারে মিশিয়ে বিকেলে স্প্রে করতে পারেন। #অথবা
#এজোক্সিস্ট্রোবিন+ডাইফেনাকোনাজল) গ্রুপের ছত্রাকনাশক যেমন: #এমিস্টার টপ/এমিকোর/এমিস্কোর সানজক্সি/এজকর/ এনডোভার ৩২.৫ ইসি প্রতি লিটার পানিতে ১ এমএল হারে মিশিয়ে বিকেলে স্প্রে করতে পারেন।
#দ্বিতীয় পর্যায়ে:
চারা রোপনের ৪৫-৫০ দিনে ধানের ফলন বৃদ্ধির জন্য প্রতি লিটার পানিতে কুইকপটাশ ৫ গ্রাম, সলুবর বোরন ১.৫০ গ্রাম ও চিলেটেড জিংক ০.২৫ গ্রাম হারে মিশিয়ে স্প্রে করতে পারেন।
#তৃতীয় পর্যায়ে:
এছাড়াও জাতভেদে চারা রোপনের ৫০-৯০ দিনের মধ্যে যদি বোরো ধানের পাতার কিনারা হলুদ হয়ে যায়/ব্যাকটেরিয়াজনিত পাতা পোড়া (বিএলবি) রোগ দেখা যায় তাহলেঃ
#করণীয়:
ক) জমির পানি বের করে দিয়ে জমি ভেদে ৭-১০ দিন শুকনো রাখতে হবে।
খ) রোগাক্রান্ত ক্ষেতে বিঘা প্রতি (৩৩ শতাংশ) ৫-৭ কেজি এমওপি (পটাশ) সার উপরি প্রয়োগ করতে হবে।
গ) এ সময় ইউরিয়া সার প্রয়োগ করা যাবে না।
এবং
প্রতি লিটার পানিতে ৫ গ্রাম সালফার (থিয়োভিট/কুমুলাস/ফসলভিট/সালফেক্স/গেইভেট/হাদিয়াভিট/ম্যাকসালফার/ মাইক্রোথিয়ল স্পেশাল ৮০ ডাব্লিউপি) সাথে+
প্রতি লিটার পানিতে ৫ গ্রাম কুইক পটাশ/ফাষ্ট পটাশ সার এবং +
প্রতি লিটার পানিতে চিলেটেড জিংক ০.২৫ গ্রাম (১০ লিটারে ২.৫ গ্রাম) হারে একত্রে মিশিয়ে স্প্রে করতে পারেন।