Bishnupuriya Youth Association

Bishnupuriya Youth Association Nepaltilla. Longtharai Valley, Dhalai Tripura has been enrolled as Primary Sports Body under Tripura Sports (Registration. Cricket. b). Football. c). Volleyball.

●Reg-1923 B5 028 of 2019
●অখণ্ড বিষ্ণুপুরিয়া জাতিগোষ্ঠীর যুব সমাজ জাগ্রত হোক।
●বিষ্ণুপুরিয়া ভাষার জন্য উন্নয়নমূলক কার্যক্রমে প্রস্তুত।
●ক্রিকেট, ফুটবল, ভলিবল, বেটবেন্টন, সমাজকল্যাণমূলক কার্যকলাপ।
●বিষ্ণুপুরিয়া সাংস্কৃতিক ও ইতিহাসে উপর নির্ভরশীল। Under Tripura Sports (Registration, Recognition and Regulation of Associations) Act. 2018

Enrolment No. 19 2 3 B5 028 of 2019

I hereby certily that

Bishnupuriya Youth Association located at Bhumihin colony. Recognition and Regulation of Associations) Act, 2018. The Primary Sports Body is associated with the following sports disciplines:

a). d), Badminton. e),Social welfare

2019. Given under my hand at Ambassa, YAS office on this 17th, day of August 2019. Samir Debbarma Asstt. Director Head of Office Dhalai District YAS Office.
অখণ্ড বিষ্ণুপুরিয়া যুব সমাজ জাগ্রত হোক। BYA

📜 Proposed Message  “In 2026, ensuring legal protection for men is essential to establish true justice in society. Speci...
11/05/2026

📜 Proposed Message
“In 2026, ensuring legal protection for men is essential to establish true justice in society. Special legal provisions must be created to safeguard men against false accusations, mental stress, and discrimination. The equal rights and dignity of both men and women form the true foundation of humanity.”

২০২৬ সালের প্রেক্ষাপটে পুরুষদের জন্য আইনগত সুরক্ষা ব্যবস্থার প্রয়োজনীয়তা একটি গুরুত্বপূর্ণ সামাজিক আলোচনার বিষয়। সমাজে সমতা প্রতিষ্ঠার জন্য যেমন নারীর অধিকার রক্ষায় বিশেষ আইন রয়েছে, তেমনি পুরুষদেরও অন্যায় অভিযোগ, মানসিক নির্যাতন, পারিবারিক বিরোধ, কর্মক্ষেত্রে বৈষম্য এবং সামাজিক কলঙ্ক থেকে রক্ষার জন্য সুবিধাজনক আইনি ব্যবস্থা অপরিহার্য।

📜 প্রস্তাবিত বার্তা
“২০২৬ সালে সমাজে প্রকৃত ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার জন্য পুরুষদের আইনগত সুরক্ষা নিশ্চিত করা জরুরি। অন্যায় অভিযোগ, মানসিক চাপ ও বৈষম্যের বিরুদ্ধে পুরুষদের রক্ষার জন্য বিশেষ আইনি সুবিধা গড়ে তোলা হোক। নারী-পুরুষ উভয়ের সমান অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠাই মানবতার প্রকৃত ভিত্তি।”

🙏 ধন্যবাদান্তে 🙏
শ্রীযুক্ত- সমরজিৎ সিংহ
( সভাপতি / বিষ্ণুপুরিয়া ইয়ুথ অ্যাসোসিয়েশন )

ধন্যবাদ জ্ঞাপন বার্তাবিষ্ণুপুরিয়া যুব সমাজের পক্ষ থেকেআমরা গভীর শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতার সাথে স্মরণ করছি সেই ৭১ জন নেতৃত্বকে...
10/05/2026

ধন্যবাদ জ্ঞাপন বার্তা
বিষ্ণুপুরিয়া যুব সমাজের পক্ষ থেকে

আমরা গভীর শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতার সাথে স্মরণ করছি সেই ৭১ জন নেতৃত্বকে, যারা ১৯৬৬ সালের পঞ্চ বিষ্ণুপ্রিয়ার প্রচার সভায় পঞ্চ বিষ্ণুপ্রিয়া বা বিষ্ণুপ্রিয়া মনিপুরি চরম প্রচার সভার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করেছিল অংশগ্রহণ করে আমাদের ইতিহাস রক্ষার অঙ্গীকার করেছিলেন। তাদের দৃঢ়তা, সাহস এবং ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টা আজও আমাদের পথপ্রদর্শক।

তাদের অবদানই প্রমাণ করে যে বিষ্ণুপুরিয়া জনগোষ্ঠী কখনও ইতিহাস থেকে বিচ্ছিন্ন নয়, বরং ইতিহাসের রক্ষক হিসেবে দাঁড়িয়ে আছে।

যুব সমাজ তাদের প্রতি আন্তরিক ধন্যবাদ জ্ঞাপন করছে এবং প্রতিশ্রুতি দিচ্ছে যে আমরা তাদের আদর্শকে ধারণ করে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে ঐতিহ্য, ভাষা ও সংস্কৃতিকে পৌঁছে দেব।

“১৯৬৬ সালের পঞ্চ বিষ্ণুপ্রিয়ার চরম প্রচার সভায় পঞ্চ বিষ্ণুপ্রিয়া বা বিষ্ণুপ্রিয়া মনিপুরি চরম প্রচার সভার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করেছিল যে ৭১ জন নেতৃত্ব ইতিহাস রক্ষার জন্য প্রস্তুত হয়েছিলেন, আজও তারা আমাদের সমাজের গর্ব। তাদের সংগ্রাম, ঐক্য ও আত্মত্যাগের ফলেই বিষ্ণুপুরিয়া জনগোষ্ঠীর ইতিহাস টিকে আছে। যুবসমাজ তাদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছে। আমরা প্রতিজ্ঞাবদ্ধ—তাদের আদর্শকে ধারণ করে ঐতিহ্য রক্ষা ও আধুনিকতার পথে অগ্রসর হব।”

স্লোগান:
- “৭১ জনের ত্যাগে রক্ষিত ইতিহাস।”
- “ঐতিহ্যের রক্ষক, যুবসমাজের গর্ব।”
- “১৯৬৬ থেকে আজও জাগ্রত বিষ্ণুপুরিয়া।”

এই মোট ৭১ জন তালিকাভুক্ত নেতৃত্বের নাম সংগ্রহ করা হয়েছে। এগুলোই ১৯৬৬ সালের পঞ্চ বিষ্ণুপ্রিয়া বা বিষ্ণুপ্রিয়া মনিপুরি চরম প্রচার সভার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করেছিল বিষ্ণুপুরিয়া ইতিহাস রক্ষার অঙ্গীকারে যুক্ত ছিলেন।

তালিকাভুক্ত নামসমূহ:
(সংক্ষেপে কোনো নাম ভুল হলে বলবেন সঠিক করা হবে )

১। শ্রীনীলয়ণি সিংহ বি, এ, সভাপতি, নরসিংহপুর

২। ব্রজেন্দ্র সিংহ, এম, এ, লহঃ
হাইলাকান্দি

৩। যোগেন্দ্র সিংহ কৃষি পণ্ডিত, সেক্রেটারী নরসিংপুর

৪। চন্দ্রকুমার সিংহ সহঃ সেক্রেটারী

৫।. গোপীচাষ সিংহ শিক্ষক্ষ, কোষাধ্যক্ষ,

৬। সোনাচাদ সিংহ বি, এ,

জামিরালা

৭। মনীন্দ্র কুমার সিংহ এম, এস, সি

নরসিংহপুর

৮। - কুমার সিংহ এস, এস, লি নরসিংপুর

৯। বিনয় কুমার সিংহ এস, এস, সি

১০। নরসিং সিংহ বি, এস, লি (এপ্রি)

১১। পুলীন সিংহ যি. এস. সি

১২। সুকুমায় সিংহ এম. বি, বি, এস

১৩। ঈশ্বর চন্দ্র সিংহ বি, এ

১৪। খেলেন্দ্র সিংহ বি, এ,

১৫। ধীরেন্দ্র কুমার সিংহ বি. এ

নিত্যানন্দপুর

১৬। লাল মোহন সিংহ যি, এ

সোনাপুর

১৭। যলেখর সিংহ যি. এ

হাতীড়হাড়

১৮। গোলফ চান্দ সিংহ বি, এ

নরসিংপুর

১৯। শিশিফান্ত সিংহ যি. এস. সি

চেংকুড়ী

২০। লম্ব কুমার সিংহ বি. এ,

নরসিংপুর

২১। তুলনী সিংহ যি. এ

গোলধারপুর

২২। বহুসিংহ পণ্ডিত

চেংকুড়ী

২৩। কুলেন্দ্র সিংহ শিক্ষক

নরসিংহপুর

২৪। অসিত কুষায় সিংহ শিক্ষক

নরসিংপুর

২৫। চন্দ্র মাধব সিংহ শিক্ষক

২০। বদল সিংহ শিক্ষক

সোনাপুর

২৭। মনোহয় সিংহ শিক্ষক

মোহনপুর

২৮। গিরিজা সিংহ শিক্ষৰ

২৯। ফালাধন সিংহ শিক্ষক

৩০। শ্রীকোকিলেশ্বর সিংহ
মন্ত্রী গাও

৩১। কালাচান্দ সিংহ শিক্ষক

বিষ্ণুপুর

৩২। মণিভুয়ণ সিংহ শিক্ষক

৩০। খাবুলাল সিংহ শিক্ষক্ষ H. M. B. (হোমিও) মাছিমপুর

৩৪। চন্দ্রকান্ত সিংহ নৃত্য শিক্ষক
নরসিংহপুর

৩৫। ধনঞ্জয় সিংহ শিক্ষক
কল্যাণ পুর

৩৬। সুন্দয়মণি সিংহ শিক্ষক,
বিশালগড়

৩৭। পদ্মলোচন সিংহ শিক্ষক
ভিরিঘাট

৩৮। লাল যোহন সিংহ শিক্ষক
কাঞ্চন বাঁড়ী

৩৯। কমলাকান্ত সিংহ পোষ্ট মাষ্টার ত্রিপুরা

৪০। মদন চান্দ সিংহ পোষ্ঠ মাষ্টার নরসিংপুর

৪১। ৰাগীন্দ্র সিংহ চৌধুরী
রাজার গাও

৪২। পূর্ণ সিংহ চৌধুরী
ধর্মনগর ত্রিপুরা

৪৩। কাসেম্বর সিংহ পাটায়ায় ডি

৪৪। গৌরহরি সিংহ পাটাদার বিহাড়া

৪৫। দীনবন্ধু সিংহ, হাভীড় হাড়

৪৬। বেনী মাধব সিংহ জি, পি. মেম্বার 10 সয়সিংপুর

৪৭। কৃষ্ণমণি সিংহ

৪৮। সোলাচান্দ সিংহ

৪৯। রূপাসিংহ

৫০। বাবা সেনা সিংহ

৫১। ফাল্গুনী সিংহ

৫২। গোলাপ সিংহ

৫৩। লক্ষীনারায়ণ সিংহ, করিমগঞ্জ কলেজ বাঙ্কালটালা

৫৪। সুকোমল সিংহ, দি, সি, ফলেজ, সর'সংহপুর

৫৫। বিজয় সিংহ,

৫৬।, সতীশ সিংহ, কাছাড় কলেজ,

৫৭, সুধাংশু সিংহ,

৫৮। শ্রীনলিনীকান্ত সিংহ, ডি, এল, কলেজ, ইস্পল

৫৯। স্বধী সিংহ, গৌহাটী, ফুলিংগ

৬০। বিষল সিংহ ওভার সিয়ায়, নরসিংহপুর

৬১। অগাই সিংহ দাতা, পোদ্দার

৬২। জয়বাবু সিংহ

৬৩। ননীবাবু সিংহ

৬৪। বসন্ত কুমার সিংহ শিক্ষক,

৬৫। স্ত্রী প্রহলাদ সিংহ শিক্ষক,

৬৬। চন্দ্রকীত্তি সিংহ শিক্ষক

৬৭, মদন সিংহ শিক্ষক,

৬৮। প্রযেক্ষদর সিংহ বি, এ

৬৯। রমেন্দ্র সিংহ বি, এ, ভুবনেশ্বর নগর

৭০। কুঞ্জেশ্বর সিংহ খাদি ইন্সপেক্টার নরসিংহপুর

৭১। সোনাচার সিংহ শিক্ষক,

👨🙌🙏♥️🇮🇳🕉📖✅️🎊

বিষ্ণুপুরিয়া যুব সমাজ

লোকসভা কেন্দ্র থেকে যে নির্দেশ এসেছে, সেটি আসলে বিষ্ণুপুরিয়া ইতিহাস ও ভাষার স্বীকৃতির প্রক্রিয়াকে রাষ্ট্রীয় স্তরে এগিয...
06/05/2026

লোকসভা কেন্দ্র থেকে যে নির্দেশ এসেছে, সেটি আসলে বিষ্ণুপুরিয়া ইতিহাস ও ভাষার স্বীকৃতির প্রক্রিয়াকে রাষ্ট্রীয় স্তরে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। এই নির্দেশকে কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন করার জন্য যুব সমাজের সক্রিয় অংশগ্রহণ অপরিহার্য।

কেন যুব সমাজের জড়িত হওয়া দরকার
- 📜 ঐতিহাসিক দায়িত্ব: লোকসভা কেন্দ্রের নির্দেশ আমাদের ইতিহাসকে রাষ্ট্রীয় নথিতে তুলে ধরেছে। যুব সমাজকে এই নথি সংগ্রহ, প্রচার ও সংরক্ষণে যুক্ত হতে হবে।

- 🏛 সাংবিধানিক অধিকার রক্ষা: Article 350B অনুযায়ী ভাষাগত সংখ্যালঘুদের সুরক্ষা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। যুব সমাজকে এই অধিকার দাবি করার জন্য সংগঠিত হতে হবে।

- 🤝 ঐক্য ও নেতৃত্ব: যুব সমাজের ঐক্যবদ্ধ অংশগ্রহণ সমাজের দাবি শক্তিশালী করে। সরকারি দপ্তরে আবেদন, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, এবং সামাজিক মাধ্যমে প্রচার—সব ক্ষেত্রেই যুব নেতৃত্ব দরকার।

- 🌍 আধুনিক প্রচার মাধ্যম: ঐতিহ্যকে আধুনিকতার সাথে যুক্ত করতে যুব সমাজকে সোশ্যাল মিডিয়া, ডিজিটাল ক্যাম্পেইন এবং সাংস্কৃতিক প্রদর্শনীতে সক্রিয় হতে হবে।

👉 তাই বলা যায়, লোকসভা কেন্দ্রের নির্দেশকে বাস্তবায়ন করার জন্য বিষ্ণুপুরিয়া যুব সমাজের জড়িত হওয়া শুধু প্রয়োজন নয়, বরং এটি আমাদের ইতিহাসকে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির পথে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার মূল চালিকা শক্তি।

🙏 ধন্যবাদান্তে 🙏
শ্রীযুক্ত- সমরজিৎ সিংহ
( সভাপতি / বিষ্ণুপুরিয়া ইয়ুথ অ্যাসোসিয়েশন )

Bishnupriya, Bishnupriya Manipuri এমন কোন জাতি বা ভাষা নেই এবং বৈষ্ণব ধর্মের নাম উল্লেখ আছে প্রমাণিত বিষ্ণুপ্রিয়া। তাহল...
20/04/2026

Bishnupriya,
Bishnupriya Manipuri
এমন কোন জাতি বা ভাষা নেই এবং বৈষ্ণব ধর্মের নাম উল্লেখ আছে প্রমাণিত বিষ্ণুপ্রিয়া।
তাহলে কিভাবে এই ধরনের ভুল নামকরণ পদক্ষেপ নিয়ে গঠিত বিষ্ণুপ্রিয়া বা বিষ্ণুপ্রিয়া মনিপুরি কখনও ধর্মের অনুসারে ওবিসি পাবে না সেটাই সিদ্ধান্ত নেন ভারত সরকার।

🙏 ধন্যবাদান্তে 🙏
শ্রীযুক্ত- সমরজিৎ সিংহ
( সভাপতি / বিষ্ণুপুরিয়া ইয়ুথ অ্যাসোসিয়েশন)

During the Parliament Special Session, Amit Shah stated in the Lok Sabha that the Constitution does not permit reservation on the basis of religion.He assert...

🏏⚽🎭  বিষ্ণুপুরিয়া ইয়ুথ অ্যাসোসিয়েশন-এর বার্তা  “১২ থেকে ২৫ বছর বয়সী যুবক-যুবতিদের জন্য আমাদের প্রতিষ্ঠান সর্বদা পাশে...
18/04/2026

🏏⚽🎭
বিষ্ণুপুরিয়া ইয়ুথ অ্যাসোসিয়েশন-এর বার্তা

“১২ থেকে ২৫ বছর বয়সী যুবক-যুবতিদের জন্য আমাদের প্রতিষ্ঠান সর্বদা পাশে আছে। ক্রিকেট, ফুটবল, ভলিবল, ব্যাডমিন্টনসহ বিভিন্ন খেলাধুলা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও সমাজকল্যাণমূলক কার্যকলাপে অংশগ্রহণের সুযোগ তৈরি করে আমরা যুবসমাজকে ঐক্য, গর্ব ও দায়িত্ববোধের পথে এগিয়ে নিয়ে যেতে চাই। আমাদের লক্ষ্য—যুবশক্তিকে সঠিক পথে পরিচালিত করে বিষ্ণুপুরিয়া সমাজকে আরও শক্তিশালী ও মর্যাদাপূর্ণ করে তোলা।”

- “যুবশক্তি খেলাধুলায়, সংস্কৃতিতে, সমাজকল্যাণে—গর্বিত বিষ্ণুপুরিয়া।”
- “ঐক্য ও দায়িত্বে গড়ে উঠুক শক্তিশালী যুবসমাজ।”

🙏 ধন্যবাদান্তে 🙏
শ্রীযুক্ত- সমরজিৎ সিংহ
( সভাপতি / বিষ্ণুপুরিয়া ইয়ুথ অ্যাসোসিয়েশন )

বিষ্ণুপুরিয়া ভাষা গোষ্ঠীর মল্ল রাজারা বৈশাখ মাসের প্রথমেই মহাদেব পূজা করতেন মূলত নববর্ষের সূচনাকে শুভ করার জন্য, কৃষি ও...
15/04/2026

বিষ্ণুপুরিয়া ভাষা গোষ্ঠীর মল্ল রাজারা বৈশাখ মাসের প্রথমেই মহাদেব পূজা করতেন মূলত নববর্ষের সূচনাকে শুভ করার জন্য, কৃষি ও রাজ্যশক্তির কল্যাণ কামনায়, এবং শৈব ঐতিহ্যের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে। এটি ছিল রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিকভাবে জনগণকে একত্রিত করার একটি আচার, যেখানে মহাদেবকে নববর্ষের রক্ষাকর্তা হিসেবে মান্য করা হতো।

ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক কারণসমূহ

১. নববর্ষের শুভ সূচনা
- ১ বৈশাখ ছিল বাংলা নববর্ষের প্রথম দিন।
- নববর্ষের শুরুতে মহাদেব পূজা মানে নতুন বছরের জন্য শান্তি, সমৃদ্ধি ও কৃষি উৎপাদনের আশীর্বাদ কামনা।

২. শৈব ঐতিহ্য ও মল্ল রাজারা
- মল্ল রাজারা ঐতিহাসিকভাবে শৈবধর্মের অনুগত ছিলেন।
- মহাদেবকে তারা রাজ্যরক্ষক ও শক্তির প্রতীক হিসেবে মানতেন।
- বৈশাখ মাসের প্রথম দিনে পূজা করে তারা জনগণকে বার্তা দিতেন যে রাজ্য শিবের আশীর্বাদে পরিচালিত হচ্ছে।

৩. কৃষি ও ঋতুচক্রের গুরুত্ব
- বৈশাখ মাসে নতুন কৃষি মৌসুম শুরু হয়।
- মহাদেব পূজা ছিল কৃষি উৎপাদন, বৃষ্টি ও প্রাকৃতিক ভারসাম্যের জন্য প্রার্থনা।
- কৃষক সমাজকে উৎসাহিত করার জন্য রাজারা এই আচারকে গুরুত্ব দিতেন।

৪. সামাজিক ঐক্য ও রাজনৈতিক বার্তা
- নববর্ষের দিনে মহাদেব পূজা ছিল রাজা ও প্রজাদের মধ্যে সম্পর্ক দৃঢ় করার মাধ্যম।
- জনগণকে একত্রিত করে রাজারা তাদের শাসনের বৈধতা ও নৈতিকতা প্রদর্শন করতেন।
- পূজা ও উৎসবের মাধ্যমে বিষ্ণুপুরিয়া ভাষা গোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক পরিচয় আলাদা করে তুলে ধরা হতো।

তুলনামূলক বিশ্লেষণ

| কারণ | ব্যাখ্যা | প্রভাব |
|------|----------|--------|
| নববর্ষের শুভ সূচনা | নতুন বছরের শুরুতে মহাদেব পূজা | জনগণের মধ্যে আশাবাদ ও আধ্যাত্মিক শক্তি |
| শৈব ঐতিহ্য | মল্ল রাজাদের ধর্মীয় আনুগত্য | রাজশক্তির বৈধতা ও ধারাবাহিকতা |
| কৃষি উৎপাদন | বৈশাখে কৃষি মৌসুম শুরু | কৃষকদের উৎসাহ ও প্রাকৃতিক আশীর্বাদ |
| সামাজিক ঐক্য | রাজা-প্রজা একত্রে পূজা | সাংস্কৃতিক পরিচয় ও রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা |

ঝুঁকি ও সীমাবদ্ধতা
- এই ঐতিহ্য মূলত রাজনৈতিক ও ধর্মীয় প্রভাবের সমন্বয় ছিল, তাই সময়ের সাথে এর ব্যাখ্যা পরিবর্তিত হয়েছে।
- আধুনিক গবেষণায় দেখা যায়, অনেক ক্ষেত্রে এই পূজা রাজনৈতিক কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠার মাধ্যম হিসেবেও ব্যবহৃত হয়েছিল।

🙏 ধন্যবাদান্তে 🙏
শ্রীযুক্ত- সমরজিৎ সিংহ
( সভাপতি / বিষ্ণুপুরিয়া ইয়ুথ অ্যাসোসিয়েশন )

🌸 বিষ্ণুপুরি বা বিষ্ণুপুরিয়া সমাজের বিশেষ উৎসব: বিষু- সময়কাল: চৈত্র মাসের শেষ দিন (মধ্য এপ্রিল, সাধারণত ১৪–১৫ এপ্রিল)। ...
14/04/2026

🌸 বিষ্ণুপুরি বা বিষ্ণুপুরিয়া সমাজের বিশেষ উৎসব: বিষু
- সময়কাল: চৈত্র মাসের শেষ দিন (মধ্য এপ্রিল, সাধারণত ১৪–১৫ এপ্রিল)।
- উৎসবের তাৎপর্য: এটি নববর্ষের সূচনা, কৃষি চক্রের পরিবর্তন এবং সামাজিক মিলনমেলার প্রতীক।
- ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক দিক:
- দেব-দেবীর পূজা ও আশীর্বাদ প্রার্থনা।
- ঐতিহ্যবাহী গান ও নৃত্য পরিবেশনা।
- সমাজে ঐক্য ও পরিচয়ের পুনঃপ্রতিষ্ঠা।

🎶 উৎসবের প্রধান বৈশিষ্ট্য
- বিষু’র ভোজ: বিশেষ খাবার যেমন বিষু’র বাত পরিবেশন করা হয়।
- লোকনৃত্য ও সংগীত: তরুণ-তরুণীরা ঐতিহ্যবাহী পোশাকে নৃত্য করে, যা সাংস্কৃতিক পরিচয়কে জীবন্ত রাখে।
- সামাজিক মিলন: পরিবার ও সমাজ একত্রিত হয়ে নববর্ষকে স্বাগত জানায়।
- যুবসমাজের অংশগ্রহণ: তরুণদের সক্রিয় অংশগ্রহণ উৎসবকে প্রাণবন্ত করে তোলে এবং সাংস্কৃতিক ধারাবাহিকতা বজায় রাখে।

📜 ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক গুরুত্ব
- বিষ্ণুপুরি বা বিষ্ণুপুরিয়া পরিচয়ের প্রতীক: এই উৎসব তাদের আলাদা সাংস্কৃতিক পরিচয়কে দৃঢ় করে।
- কৃষি ও ঋতুচক্রের সঙ্গে সম্পর্ক: চৈত্র মাসের শেষ দিন কৃষি মৌসুমের পরিবর্তন নির্দেশ করে।
- আঞ্চলিক মিল: ভারতের অন্যান্য অঞ্চলের নববর্ষ উৎসবের (বৈশাখী, পয়লা বৈশাখ, পুথান্ডু, বিষু) সঙ্গে সময়ের মিল থাকলেও বিষ্ণুপুরি বা বিষ্ণুপুরিয়া সমাজের নিজস্ব রীতি ও আচার রয়েছে।

✨ সারসংক্ষেপ
চৈত্র মাসের শেষ দিনে পালিত বিষু উৎসব হলো বিষ্ণুপুরি বা বিষ্ণুপুরিয়া সমাজের সবচেয়ে বড় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। এটি নববর্ষের সূচনা, কৃষি মৌসুমের পরিবর্তন এবং সামাজিক ঐক্যের প্রতীক। ভোজ, নৃত্য, সংগীত ও ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের মাধ্যমে সমাজ তাদের ঐতিহ্য ও পরিচয়কে পুনঃপ্রতিষ্ঠা করে।

🙏 ধন্যবাদান্তে 🙏
শ্রীযুক্ত- সমরজিৎ সিংহ
( সভাপতি / বিষ্ণুপুরিয়া ইয়ুথ অ্যাসোসিয়েশন )

প্রিয় বিষ্ণুপুরিয়া সমাজবাসী,আমরা গভীর দুঃখ ও ক্ষোভের সঙ্গে লক্ষ্য করছি যে কিছু সংগঠন ও ব্যক্তি আমাদের বিষ্ণুপুরিয়া জা...
10/04/2026

প্রিয় বিষ্ণুপুরিয়া সমাজবাসী,

আমরা গভীর দুঃখ ও ক্ষোভের সঙ্গে লক্ষ্য করছি যে কিছু সংগঠন ও ব্যক্তি আমাদের বিষ্ণুপুরিয়া জাতিগোষ্ঠী ও ভাষার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে। সরকারি দপ্তরে ভুল তথ্য পাঠানো, অর্থের প্রলোভন দেখিয়ে মানুষকে বিভ্রান্ত করা—এসব কর্মকাণ্ড আমাদের ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও অস্তিত্বের উপর সরাসরি আঘাত।

আমরা স্পষ্টভাবে জানাতে চাই:
- বিষ্ণুপুরিয়া ভাষা ও সংস্কৃতি আমাদের পরিচয়ের মূল ভিত্তি। এর বিরুদ্ধে কোনো ষড়যন্ত্র আমরা মেনে নেব না।
- সমাজের ঐক্য ভাঙার চেষ্টা যারা করছে, তারা আসলে আমাদের ভবিষ্যৎকে অন্ধকারে ঠেলে দিতে চাইছে।
- আমরা চাই, সব সংগঠন স্বচ্ছতা বজায় রাখুক এবং আইন অনুযায়ী নিবন্ধন ও কার্যক্রম পরিচালনা করুক।

এই মুহূর্তে আমাদের যুবসমাজকে আহ্বান জানাই—
ঐক্যবদ্ধ হোন, গর্বের সঙ্গে নিজের ভাষা ও সংস্কৃতিকে রক্ষা করুন।
আমাদের সমাজের শক্তি হলো ঐক্য, সততা ও সাংস্কৃতিক গৌরব।

বিষ্ণুপুরিয়া জাতিগোষ্ঠী কখনো মাথা নত করবে না। আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে প্রতিটি অপপ্রচারের জবাব দেব।

🙏 ধন্যবাদান্তে 🙏
শ্রীযুক্ত- সমরজিৎ সিংহ
( সভাপতি / বিষ্ণুপুরিয়া ইয়ুথ অ্যাসোসিয়েশন )

08/04/2026

রাজা চৈতন্য সিংহের অবদান শুধু বিষ্ণুপুরিয়া ভাষার ঐতিহ্যে সীমাবদ্ধ নয়, আজকের যুবসমাজের জাগরণ ও আত্মপরিচয় গঠনে তাঁর উত্তরাধিকার বিশেষভাবে প্রভাব ফেলছে।

✨ যুবসমাজের জাগরণে তাঁর অবদান
- ভাষার মর্যাদা: রাজকীয় পৃষ্ঠপোষকতায় বিষ্ণুপুরিয়া ভাষা প্রশাসনিক ও সাংস্কৃতিক স্তরে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। আজকের তরুণরা সেই ঐতিহ্যকে গর্বের সঙ্গে বহন করছে।
- সাংস্কৃতিক ঐক্য: চৈতন্য সিংহের সময়ে উৎসব, সঙ্গীত ও শিল্পকলার বিকাশ যুবসমাজকে ঐক্যবদ্ধ করেছিল। আজও সেই উৎসবগুলো তরুণদের মধ্যে পরিচয় ও ঐতিহ্যের গর্ব জাগায়।
- আত্মপরিচয়ের দৃঢ়তা: তাঁর অবদান বিষ্ণুপুরিয়াদের আলাদা পরিচয়কে সুসংহত করেছিল। বর্তমান প্রজন্ম সেই পরিচয়কে সামাজিক মাধ্যমে, সাংস্কৃতিক আন্দোলনে ও শিক্ষাক্ষেত্রে তুলে ধরছে।

📜 আজকের প্রেক্ষাপটে তাৎপর্য
- যুবসমাজ তাঁর উত্তরাধিকারকে ভাষা সংরক্ষণ আন্দোলন, সাংস্কৃতিক উৎসব, এবং ডিজিটাল প্রচারাভিযান-এর মাধ্যমে নতুন রূপে প্রকাশ করছে।
- চৈতন্য সিংহের ঐতিহাসিক অবদান আজকের তরুণদের কাছে শুধু অতীত নয়, বরং ভবিষ্যতের দিশা।

🙏 ধন্যবাদান্তে 🙏
শ্রীযুক্ত সমরজিৎ সিংহ
( সভাপতি / বিষ্ণুপুরিয়া ইয়ুথ অ্যাসোসিয়েশন )

যে বিষ্ণুপুরিয়া জনগণের পরিচয় বা সাংস্কৃতিক স্বীকৃতিতে “মনিপুরি” শব্দটি যুক্ত না করে আলাদা ভাবে তুলে ধরা উচিত। এই দাবি ...
05/04/2026

যে বিষ্ণুপুরিয়া জনগণের পরিচয় বা সাংস্কৃতিক স্বীকৃতিতে “মনিপুরি” শব্দটি যুক্ত না করে আলাদা ভাবে তুলে ধরা উচিত। এই দাবি আসলে দীর্ঘদিনের একটি বিতর্কের অংশ—কারণ অনেকেই মনে করেন যে “বিষ্ণুপুরিয়া” জনগোষ্ঠীকে “মনিপুরি” পরিচয়ের ছায়ায় রাখা হলে তাদের নিজস্ব ভাষা, উৎসব, ইতিহাস ও সামাজিক সংগঠনগুলো আলাদা স্বীকৃতি পায় না।

কেন আলাদা পরিচয় গুরুত্বপূর্ণ
- 🗣 ভাষা: বিষ্ণুপুরিয়া ভাষা নিজস্ব ধ্বনি ও শব্দভাণ্ডার বহন করে, যা মেইতেই বা অন্য মনিপুরি ভাষার থেকে আলাদা।
- 🎉 উৎসব ও সংস্কৃতি: তাদের উৎসব পালনের ধরণ, লোকসংগীত, নৃত্য ও সামাজিক আচার-অনুষ্ঠান আলাদা ঐতিহ্য বহন করে।
- 📜 ঐতিহাসিক দলিল: অনেক সরকারি নথি ও গবেষণায় বিষ্ণুপুরিয়া জনগোষ্ঠীর আলাদা ইতিহাসের উল্লেখ আছে।
- 🌍 সামাজিক সংগঠন: সম্প্রদায়ভিত্তিক সংগঠনগুলোও আলাদা পরিচয় দাবি করে, যাতে তারা নিজেদের সমস্যাগুলো সরাসরি তুলে ধরতে পারে।

আপনার দাবিকে আরও শক্তিশালী করার উপায়
- টাইমলাইন তৈরি করুন: কবে থেকে বিষ্ণুপুরিয়া জনগণ আলাদা পরিচয় দাবি করছে, সেই ইতিহাস তুলে ধরুন।
- সরকারি নথি উদ্ধৃত করুন: যেসব নথিতে বিষ্ণুপুরিয়া জনগণের আলাদা ভাষা বা উৎসবের উল্লেখ আছে, সেগুলো ব্যবহার করুন।
- যুবসমাজকে যুক্ত করুন: সামাজিক মাধ্যমে এমন বার্তা দিন যা দায়িত্ববোধ ও সাংস্কৃতিক গর্ব জাগায়। যেমন—
- “আমরা বিষ্ণুপুরিয়া—আমাদের ভাষা, আমাদের উৎসব, আমাদের ইতিহাস।”
- “পরিচয় মুছে নয়, পরিচয় তুলে ধরেই গর্বিত হও।”



Address

Kumarghat

Opening Hours

Monday 9am - 9pm
Tuesday 9am - 9pm
Wednesday 9am - 9pm
Thursday 9am - 9pm
Friday 9am - 9pm
Saturday 9am - 9pm
Sunday 9am - 9pm

Telephone

+918787434252

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Bishnupuriya Youth Association posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Bishnupuriya Youth Association:

Share