ত্ব-হা যিন নূরাঈন দ্বীনি হালাকা

  • Home
  • Bangladesh
  • Rangpur
  • ত্ব-হা যিন নূরাঈন দ্বীনি হালাকা

ত্ব-হা যিন নূরাঈন দ্বীনি হালাকা এই পেজে থেকে উস্তায আবু ত্ব-হা মুহাম্মাদ আদনানের প্রোগ্রামের সিডিউল এবং প্রোগ্রামের সম্পর্কে তথ্য পাবেন ইনশাআল্লাহ।

আপনারা কি দাবি করেন যে আপনারা মুসলিম প্রধান দেশে থাকেন!? না! এটা ইসলামিক স্টেইট নয়!বরং এটা একটা চরম সেক্যুলার স্টেইট!যেখ...
20/11/2024

আপনারা কি দাবি করেন যে আপনারা মুসলিম প্রধান দেশে থাকেন!?
না! এটা ইসলামিক স্টেইট নয়!

বরং এটা একটা চরম সেক্যুলার স্টেইট!

যেখানে নামাজ, রোজা, হজ্জ, যাকাত, তাসবীহ, তাহলীলের মাঝেই ইসলামকে সীমাবদ্ধ করা হয়েছে।

অন্যদিকে শিক্ষা, অর্থনীতি, রাজনীতি, সংস্কৃতি এগুলো থেকে ইসলামকে মাইনাস করে দেয়া হয়েছে।

এটাই এ জাতীর সবচেয়ে বড় দুঃখ, সবচেয়ে বড় দুর্দশা।

إِنَّا كُنَّا أَذَلَّ قَوْمٍ، فَأَعَزَّنَا اللهُ بِالْإِسْلَامِ، فَمَهْمَا نَطْلُبُ الْعِزَّةَ بِغَيْرِ مَا أَعَزَّنَا اللهُ بِهِ، أَذَلَّنَا اللهُ.

আমরা ছিলাম অপদস্থ জাতি। আল্লাহ ইসলামের মাধ্যমে আমাদের সম্মানিত করেছেন। আমরা যদি ইসলাম ছাড়া অন্যভাবে সম্মান খুঁজি তাহলে তিনি আমাদের অপদস্থ করে ছাড়বেন।

মুসতাদরাকে হাকেম ১/১১৯-১২০

Taw Haa Zin Nurain Online Madrasa

20/11/2024

আইয়ামে জাহেলিয়াতের পরিচয় ও ব্যাখ্যা
🎙️ আবু ত্ব-হা মুহাম্মাদ আদনান

08/11/2024

জুমার বয়ান (সারাংশ): বাইতুল মুকাররম জাতীয় মসজিদ।

খতীব: মুফতি আব্দুল মালেক হাফিযাহুল্লাহ।
০৮ নভেম্বর ২০২৪।

সংকলক: মুহাম্মাদ লুতফেরাব্বী আফনান

হামদ ও সানার পর বয়ানের শুরুতে তিনি মজলিসের আদব সম্পর্কে কিছু আলোচনা করেন। এরপর বলেন, রাসুলুল্লাহ সাঃ তার অধিকাংশ খুতবার শুরুতে তাকওয়া বিষয়ক কয়েকটি আয়াত তেলাওয়াত করতেন।

এরমধ্যে সুরা আলে ইমরান, নিসা, আহযাব ও হাশর অন্যতম। গত সপ্তাহে সুরা হাশরের আয়াত এবং সূরা নিসার আয়াতের কিছু অংশ আলোচনা হয়েছে।

আজকে সূরা আহযাব এর আয়াতের সংক্ষিপ্ত ব্যাখ্যা জানবো ইনশাআল্লাহ।

يا ايها الذين امنوا اتقوا الله وقولوا قولا سديدا يصلح لكم أعمالكم ويغفر لكم ذنوبكم، ومن يطع الله ورسوله فقد فاز فوزا عظيما
আল্লাহ তাআলা এই আয়াতে মুমিনদেরকে তাকওয়া অর্জন করতে বলেছেন। এরপর একটি গুরুত্বপূর্ণ বিধান দিয়েছেন, তাহলো সঠিক কথা বলা।

সঠিক কথা মানে হচ্ছে, মিথ্যার মিশ্রণ এবং ভুলের মিশ্রণ ছাড়া সঠিক সত্য কথা।

এই আদেশের ব্যাখ্যা অন্য আয়াতে এসেছে,
ولا تقف ما ليس لك به علم، إن السمع والبصر والفؤاد كل اولئك كان عنه مسؤولا.
অর্থাৎ যে বিষয়ে তোমার জানা নেই তার পিছনে পড়ো না। কারণ তোমার কান, চোখ এবং অন্তর সব বিষয়েই কেয়ামতের দিন তোমাকে প্রশ্ন করা হবে।

মানুষের কথা বলার বিধান ও পদ্ধতি কি এই দুই আয়াতে বলে দেওয়া হয়েছে।

আজকে আধুনিক সমাজে সাংবাদিকতা ও গণমাধ্যম, সোশ্যাল মিডিয়া বা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে যেভাবে অন্যায় কথা, অসত্য কথা, বিকৃত কথা, বিদ্বেষ ও সম্মানহানির কথা প্রচার করা হচ্ছে, তা শরীয়তের দৃষ্টিকোণে নিন্দনীয় জঘন্য কাজ।

আমি নিয়োগের পরে প্রথম জুমা পড়াইনি, তবুও সোশ্যাল মিডিয়ায় আমার জুমার বয়ান নামে কি আলোচনা ছড়িয়ে পড়েছে। প্রথম জুমার দিনও যে আলোচনা করেছি তার পরিবর্তে অন্য একটি আলোচনাকে প্রথম জুমার বয়ান নামে চালিয়ে দেওয়া হয়েছে। এগুলো ইচ্ছাকৃতভাবে মানুষকে বিভ্রান্ত করার নামান্তর।

অনেকে ভাবতে পারে আধুনিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহারে শরীয়তের কোন নীতিমালা নেই। অথচ সাড়ে ১৪০০ বছর আগে এ সকল বিধান কোরআন এবং সুন্নাহয় দিয়ে দেওয়া হয়েছে। আমাদের কর্তব্য হলো, যখন যে সমাজে যে অবস্থা ও পরিস্থিতি আসে তার বিধান ও নীতিমালা কোরআন এবং সুন্নাহ থেকে জেনে নেওয়া।

কোন কথা শেয়ার করার বিধান কি?
যেকোনো কথা পেলেই বা তথ্য জানলেই তা অন্যদেরকে জানিয়ে দেওয়া বা শেয়ার করা মুমিনের আলামত নয়, এটি মিথ্যাবাদী হওয়া, গুনাহগার হওয়ার জন্য যথেষ্ট। হাদিসে এই বিষয়ে কঠিন নিষেধাজ্ঞা এসেছে।

বরং এক্ষেত্রে মূলনীতি হল..
১- তথ্যসূত্র যাচাই করা।
২- তথ্যের বিষয়বস্তুর সত্যতা ও বিশুদ্ধতা যাচাই করা।
৩- সঠিক ও বিশুদ্ধ হলেও তথ্যটি সাধারণ জনগণের জন্য উপকারী কিনা তা বুঝা।
৪- যদি কোন বিশেষ আমানতের তথ্য থাকে, তবে তাকে ছাড়া অন্য কাউকে না জানানো।

যদি সত্যিকার অর্থেই কোন বিষয় সকলের জন্য উপকারী হয় তাহলে তা শেয়ার করা অন্যথায় চুপ থাকা।

হাদিসে বলা হয়েছে, যে ব্যক্তি আল্লাহর উপর ঈমান এনেছে এবং কিয়ামত দিবসের উপর বিশ্বাস রাখে সে যেন তম কথা বলে, অথবা চুপ থাকে। কারণ চুপ থাকলে তার সওয়াব না হলেও গুনাহ হবে না।

এখানে আরেকটি বিষয় লক্ষ্যণীয়, যার যে বিষয়ে জ্ঞান নেই,পাণ্ডিত্য নেই, বিশেষজ্ঞতা নেই, সে যেন সেই বিষয়ে কোন কথা না বলে না লিখে।

আরেকটি হাদিসে এই বিষয়ে গুরুত্ব বোঝাতে গিয়ে বলা হয়েছে, المسلم من سلم المسلمون من لسانه ويده অর্থ: মুসলিম হলো ওই ব্যক্তি যার জিহবা ও হাত থেকে মুসলমানগন নিরাপদ থাকে।

এই জিব্বা আকৃতিতে ছোট কিন্তু তার অপরাধ অনেক বড়। আজকের আধুনিক যুগে গণমাধ্যম ও যোগাযোগ মাধ্যমে এই জিহবা ও হাত দ্বারা অনেক রকম অপরাধ সংগঠিত হচ্ছে। মোবাইলে টাচ করা হোক, কম্পিউটারে কিবোর্ডে লেখা হোক, বা মুখেও মাইকে আলোচনা করা হোক সকল ক্ষেত্রেই আমাদেরকে সতর্ক থাকতে হবে।

এ সময় জুমার আদব সম্পর্কে বলেন,
জুমার দিন অনেকেই ধাক্কাধাক্কি করে, সামনে আসার জন্য অন্যদেরকে কষ্ট দেয়, এটি গুনাহের কাজ। বিদায় হজের সময় আল্লাহর রাসূল বলেছিলেন لا طرد ولا اذا إيذاء মানে কাউকে ধাক্কা দিও না কষ্ট দিওনা। বিশেষ করে কোন একজন বিশেষ ব্যক্তিকে সম্মান দেওয়ার জন্য বা এগিয়ে নেওয়ার জন্য রাস্তা ফাঁক করতে যেয়ে অন্যকে কষ্ট দেওয়া বা ধাক্কা দেওয়া নিন্দনীয় কাজ।

একবার একটি রাসূলুল্লাহর মজলিসে মানুষকে ডিঙিয়ে আসছিল তখন তিনি তাকে বলেছেন اجلس فانك آذيت وآنيت। তুমি যেখানে আছো সেখানে বসে পড়ো, তুমি দেরিতে এসে আবার মানুষকে কষ্ট দিচ্ছ। এজন্য এগুলো আমাদের লক্ষ্য রাখতে হবে।

يصلح لكم أعمالكم ويغفر لكم ذنوبكم
মানুষ যখন তার অন্তরে আল্লাহকে ভয় করবে এবং সঠিক ও সত্য কথা বলবে, আল্লাহ তার গুনাহ মাফ করে দিবেন এবং এবং তাঁর আমলকে সুন্দর করে দিবেন।

এরপর আল্লাহ তায়ালা বলেন,
ومن يطع الله ورسوله فقد فاز فوزا عظيما
যে আল্লাহকে এবং তার রাসূলকে অনুসরণ করবে সে সফলকাম হয়ে গেল।

আল্লাহকে অনুসরণ করার অর্থ হচ্ছে, আল্লাহর উপর বিশ্বাস স্থাপন করত: আল্লাহর আদেশকৃত সকল বিধানকে মানা এবং সকল নিষেধকৃত কাছ থেকে বিরত থাকা।

রাসূলকে অনুসরণ করার অর্থ হচ্ছে, রাসুলের সুন্নাহকে পরিপূর্ণভাবে অনুসরণ করা।

আজকে এই সময় এই শহরে এই সমাজে এমন কিছু মানুষ আছেন যারা হাদিসকে অনুসরণ করতে চায় না মানতে চায় না। অথচ রাসুলের হাদিসকে অস্বীকার করা সুন্নাহকে অস্বীকার করা রসূলকে অবমাননার নামান্তর। রাসুলের সুন্নাহকে অস্বীকার করলে এবং তাকে শরীয়তের বিধান মনে না করলে তার ঈমান থাকবে না।

কেউ যদি সুন্নতের পরিবর্তে বিদাতকে গ্রহণ করে, অথবা সুন্নত পরিপন্থী কোন মতাদর্শ লালন করে তাহলে সে প্রকৃত রাসুলের অনুসারী হবে না।
আল্লাহ তাআলা আমাদেরকে আমাদের জবান ও হাতকে হেফাজত করে উত্তম কথা ও কাজের মাধ্যমে আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের পরিপূর্ণ অনুসারি হওয়ার তাওফিক দান করুন। .....
জুমার আরবি খুতবাতে উপরোক্ত আলোচনার সারাংশ হৃদয়গ্রাহী আরবীতে উপস্থাপন করেন।
নামাজের পরে দোয়াতে সারা পৃথিবীর ইসলাম ও মুসলমানের জন্য , বাংলাদেশের সকল মানুষের শান্তি সমৃদ্ধি সুস্থতা ও ইহকালীন ও পরকালীন কল্যাণের জন্য দোয়া করেন।

দাওয়াত, তালিম, তাজকিয়া, জি.হা.দ ফি সা.বিলি.ল্লাহ সহ দ্বীনের সকল শাখার মানুষের মাঝে অনৈক্য ও অনৈতিক কাজ থেকে বিরত থেকে মহাব্বত, ইকরাম ও ঐক্যের সাথে কাজ করার জন্য দোয়া করেন।

সংকলিত।

আলহামদুলিল্লাহ। আজকের সিরাতুন্নাবি (স) সেমিনার!পাটগ্রাম, লালমনিরহাট! মহান আল্লাহ আমাদের সিরাতের সুন্নাতে দ্বীন কায়েমের ত...
05/11/2024

আলহামদুলিল্লাহ। আজকের সিরাতুন্নাবি (স) সেমিনার!
পাটগ্রাম, লালমনিরহাট!

মহান আল্লাহ আমাদের সিরাতের সুন্নাতে দ্বীন কায়েমের তাওফিক দান করুন। আমিন।

আল্লাহুম্মা সল্লি আ'লা মুহাম্মাদ ওয়া সাল্লিম।

 #আজকের_খুতবা  #উস্তাদ_আব্দুল_মালেক_দামাত_বারাকাতুহুজাতীয় মসজিদ বাইতুল মুকাররমের আজকের জুমার বয়ানের সারাংশ৷ খতীব: মুফতি ...
01/11/2024

#আজকের_খুতবা
#উস্তাদ_আব্দুল_মালেক_দামাত_বারাকাতুহু

জাতীয় মসজিদ বাইতুল মুকাররমের আজকের জুমার বয়ানের সারাংশ৷
খতীব: মুফতি আব্দুল মালেক হাফিযাহুল্লাহ।
১লা নভেম্বর ২০২৪

হামদ ও সানার পর বয়ানের শুরুতে তিনি জুমার দিনের ফজিলত আলোচনা করেন। এরপর বলেন, রাসুলুল্লাহ সাঃ তার অধিকাংশ খুতবার শুরুতে তাকওয়া বিষয়ক কয়েকটি আয়াত তেলাওয়াত করতেন। এরমধ্যে সুরা আলে ইমরান, নিসা, আহযাব ও হাশর অন্যতম। আজকে সুরা হাশরের আয়াতের সংক্ষিপ্ত ব্যাখ্যা জানবো ইনশাআল্লাহ।

আল্লাহ তায়ালা আয়াতের শুরু করেছেন 'হে মুমিনগণ' বলে। এটি অত্যন্ত মোহাব্বত ও আবেদনপূর্ণ আহবান। এই আহ্বানের মাধ্যমে তিনি মুমিনদেরকে ঈমানের গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন বিষয়ে দিকনির্দেশনা দিচ্ছেন। ঈমানের অন্যতম দিকনির্দেশনা হলো, তাকওয়া অর্জন করা।

তাকওয়া মানে কি, তাকওয়া হচ্ছে আল্লাহর নেয়ামতকে স্মরণ করে, তার সামনে উপস্থিত হওয়ার বিষয়কে মনে ধারণ করে, আল্লাহর নির্দেশিত সকল বিধান পালন করা এবং নিষেধকৃত সকল কাজ থেকে বিরত থাকা।

তাকওয়া মানে শুধু ভয় নয়, কারণ যে ভয়ের পরে করণীয় না থাকে তাকে তাকওয়া বলে না। আরবি
শব্দ ওয়াও, কাফ, ইয়া এই মূল ধাতুর অর্থই হচ্ছে বেঁচে থাকা। অর্থাৎ আল্লাহর নিষেধকৃত সকল কাজ থেকে বেঁচে থাকা।

পাশাপাশি আল্লাহ এই আয়াতে মুমিনদেরকে কিয়ামত দিবসের জন্য কী প্রেরণ করেছে, তা চিন্তা করার আদেশ দিয়েছেন। মুমিনের আসল জীবন হচ্ছে আখেরাতে জীবন। এই আয়াতে আগামীকাল বলা হয়েছে, কারণ আখেরাতের দীর্ঘ জীবনের তুলনায় পুরো দুনিয়ার সময় একদিনের মতোই বা তার চেয়েও কম।

এজন্য প্রতিটি মুমিনের কর্তব্য হল, কবরে যাওয়ার আগে কবরের প্রশ্নের উত্তর তৈরি করে নিয়ে যাওয়া।
কবরে যে তিন প্রশ্ন করা হবে তার উত্তর শুধু মুখস্ত করে গেলেই হবে না, বরং যদি সত্যিকার অর্থে নিজের জীবনে তা বাস্তবায়ন করা যায় তাহলে আরবি না জানলেও কবরে গিয়ে আরবিতে উত্তর দেওয়া সম্ভব হবে।

কবরের প্রশ্ন সমূহের সারমর্ম হচ্ছে, আল্লাহর উপর বিশুদ্ধভাবে পরিপূর্ণ বিশ্বাস এবং ইসলামকে একমাত্র ধর্ম হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া এবং মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে শেষনবী শ্রেষ্ঠনবী বিশ্বনবী মেনে তার জীবন বিধানকে বাস্তবায়িত করা। বেদাত এবং জাহিলিয়াতমুক্ত জীবন গঠন করা।

এরপর তিনি তাকওয়ার বিভিন্ন প্রকাশক্ষেত্রের মধ্যে থেকে দুইটি প্রকাশ ক্ষেত্র আলোচনা করেছেন।
প্রথম হলো, জুলুম থেকে বেঁচে থাকা। হাদিসে আল্লাহ রাসুল বলেন, তোমরা জুলুম থেকে বেঁচে থাকো। কারণ জুলুম কেয়ামতের দিন গভীর এবং অনেক অন্ধকারের কারণ হবে। 'একটি জুলুম' বা 'একটু জুলুম' যেটাই হোক না কেন, একজনের উপর জুলুম বা একাধিক ব্যক্তির উপর জুলুম সর্বক্ষেত্রেই জালেমের জন্য হবে, তার জীবনে কোন আলো থাকবে না।

জুলুমের অন্যতম প্রকাশক্ষেত্র হলো, দ্রব্যমূল্য বাড়িয়ে দেওয়া। বর্তমানে অন্যায়ভাবে সিন্ডিকেট করে যেভাবে দ্রব্যমূল্য বাড়িয়ে পুরো দেশের মানুষকে কষ্ট দেওয়া হচ্ছে পূর্বে কখনোই এমন ছিল না। তারপরও দ্রব্যমূল্য বাড়ানো এবং এভাবে বাজার নিয়ন্ত্রণ করে মানুষকে কষ্ট দেওয়ার ব্যাপারে কঠিন শাস্তির কথা বলা হয়েছে। মুসনাদে আহমদে বর্ণিত হাদিসে এসেছে, যে ব্যক্তি কোন বাজারে অন্যায় ভাবে পণ্যের মূল্য বাড়িয়ে দেয়, আল্লাহ কেয়ামতের দিন তাকে আগুনের বড় জায়গায় বসিয়ে শাস্তি দিবেন।

আজকে যারা সিন্ডিকেট করছে তাদের অপরাধ চোর ডাকাত বা অর্থ আত্মসাৎকারীদের মতই ভয়ংকর এবং তাদের এই অতিরিক্ত উপার্জন পরিষ্কার হারাম।

তাকওয়ার দ্বিতীয় প্রকাশক্ষেত্র হলো, সূরা নিসার প্রথম আয়াতে আল্লাহ বলেছেন, আদম এবং হাওয়া থেকে তিনি পুরুষ এবং নারী সৃষ্টি করেছেন।

তাই পুরুষের পুরুষ থাকা এবং পুরুষের জন্য আল্লাহর প্রদত্ত সকল বিধান পালন করা ফরজ। নারীর জন্য নারী থাকা এবং নারী হিসাবে আল্লাহ প্রদত্ত সকল বিধান পালন করা ফরজ।

কোন পুরুষ নারীতে রূপান্তর হওয়া অথবা নিজেকে নারী মনে করা, অনুরূপভাবে কোন নারী নিজেকে পুরুষে রূপান্তরিত করা অথবা নিজেকে পুরুষ ভাবা হারাম এবং কবিরা গুনাহ। এটা আল্লাহর সাথে যুদ্ধ করার সমতুল্য। এল জি বি টি বা সমকামিতা একটি রুচিবিরুদ্ধ ঘৃণ্য অপরাধ। এই অপরাধকে সমর্থন কোন মুসলমান দিতে পারে না।

আজকে বাংলাদেশে জাতিসংঘের মানবাধিকার কমিশনের অফিস খোলার কথা গণমাধ্যমে এসেছে, যতটুকু জানি বাংলাদেশ সরকার এখনো এই সিদ্ধান্ত নেননি। আমরা আশা করব সরকার এই সিদ্ধান্ত নিবেন না এবং এই মুসলিম দেশে তারা সেটা বাস্তবায়ন করতে পারবেন না।

যে জাতিসংঘ ইজরায়েলের জুলুম থেকে ফিলিস্তিনের শিশুদের রক্ষা করতে পারিনি, যুদ্ধ বন্ধ করতে পারেনি এমনকি ঔষধ ও খাবার পর্যন্ত অনুরোধ করেও ঢুকাতে পারেনি তারা কিভাবে মানবাধিকারের কথা বলে...!
মানবাধিকার শিখতে হবে আল্লাহর কোরআন এবং রাসূলের সুন্নাহ থেকে। আমরা রাসূলের আদর্শ নিজেরা বাস্তবায়ন করব এবং এর দাওয়াত সর্বত্র ছড়িয়ে দিব।

মহান আল্লাহ আমাদের সবাইকে আমলের তাওফিক দান করুন। আমিন।

Abu Taw Haa Muhammad Adnan

Address

Jummapara
Rangpur
5400

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ত্ব-হা যিন নূরাঈন দ্বীনি হালাকা posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category