04/02/2026
পুরো শহর যখন কুয়াশার চাদরে ঢাকা পড়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে, ঠিক তখনই রংপুর গলফ অ্যান্ড কান্ট্রি ক্লাবের বিশাল হলরুমটা সেজে উঠেছিল এক উৎসবের আমেজে। সেনাবাহিনীর এই আভিজাত্যপূর্ণ ভেন্যুতে ৩১শে জানুয়ারি ছিল 'ব্যাংকারস ক্লাব ফ্যামিলি নাইট ২০২৬'। আর এই পুরো আয়োজনের পেছনের কারিগর হওয়ার সুযোগ হয়েছিল আমাদের।
গল্পটা শুরু হয়েছিল প্রবেশ পথ থেকেই... অতিথিরা যখন প্রবেশ করছিলেন, তাঁদের অভ্যর্থনা জানানো হচ্ছিল আমাদের বিশেষ ভাবে তৈরি ব্যাজ আর ব্রান্ডিং করা চকলেটের মিষ্টি হাসিতে। প্রায় ২০০ জনের এই বড় পরিবারটির প্রতিটি সদস্যের জন্য ছিল আমাদের আন্তরিক ছোঁয়া।
কী ছিল সেই আয়োজনে? হলরুমের আভিজাত্যের সাথে মিল রেখে আমরা সাজিয়েছিলাম প্রতিটি কোণ। এক পাশে ধোঁয়া ওঠা পিঠার স্টল আর অন্য পাশে মুখরোচক ফুচকার বুথ ছিল সবার আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু। স্নিগ্ধ আলোকসজ্জা আর চমৎকার সাউন্ড সিস্টেমের সাথে কর্ডলেস মাইক্রোফোনের সুর—সব মিলিয়ে পরিবেশটা ছিল একদম জম্পেশ। শুধু আড্ডা আর খাওয়া নয়, ছোট-বড় সবার জন্য ছিল মজার সব স্পোর্টস ইভেন্ট। বিশাল এই হলরুমে ব্যাংকার ভাই-বোনদের সেই হাসি আর পরিবারের সাথে কাটানো মুহূর্তগুলোই ছিল আমাদের কাজের আসল সার্থকতা।
কিছু কাজের তৃপ্তি শুধু পেশাদারিত্বে থাকে না, থাকে আত্মিক টানে। এই আয়োজনের পুরো দায়িত্ব আমাদের ওপর ভরসা করে তুলে দেওয়ার জন্য আমি বিশেষভাবে কৃতজ্ঞতা জানাই আমার স্কুলের বন্ধু এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের জয়েন্ট ডিরেক্টর মোস্তফা সা'দী সাবেরিন তৌহিদ-এর প্রতি। বন্ধুর এই বিশ্বাস আমার কাছে অনেক বড় অনুপ্রেরণা। সেই সাথে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই ইসলামী ব্যাংক রংপুর-এর ম্যানেজার রাশেদুল ইসলাম ভাই-কে, তাঁর সহযোগিতা ও ভরসা ছাড়া এই সুন্দর আয়োজনটি সফল করা সম্ভব হতো না।
খাবার থেকে শুরু করে লাইটিং, ডেকোরেশন আর পুরো ম্যানেজমেন্ট—আমরা চেষ্টা করেছি সবকিছুতে আভিজাত্য ও নিখুঁত ছোঁয়া বজায় রাখতে। আয়োজনটা শেষ হয়েছে ঠিকই, কিন্তু স্মৃতির পাতায় রয়ে গেছে একরাশ মুগ্ধতা।
সবসময় পাশে থাকার জন্য ধন্যবাদ ব্যাংকারস ক্লাব, রংপুর।