Korotoya group BD

Korotoya group BD We are here to serve you, you can get hajj and omrah visa, visit visa, business visa, work visa an

প্রিয় সুধী, আমরা জানি বর্তমান বিশ্বে এই মহামারি চলাকালীন অবস্থায় সবাই অচল হয়ে যাচ্ছি। কিন্তু আমাদের জীবন ব্যবস্থা কিন্তু...
14/01/2021

প্রিয় সুধী,
আমরা জানি বর্তমান বিশ্বে এই মহামারি চলাকালীন অবস্থায় সবাই অচল হয়ে যাচ্ছি। কিন্তু আমাদের জীবন ব্যবস্থা কিন্তু থেমে নেই। মনে ভয় নিয়ে জীবন যুদ্ধে প্রতিনিয়ত জয়ী হচ্ছি আমরা। এই পরিস্থিতিতে একটি আনন্দের সংবাদ জানালে কেমন হয় বলুন তো?
এই করোনা কালীন মহামারিতে আমরা(করতোয়া ট্রাভেল ইন্টারন্যাশনাল) আপনার সুরক্ষার কথা চিন্তা করে ভ্রমণ সেবা কার্যক্রম শুরূ করেছি, আপনি ঘরে বসেই আমাদের সেবা পেতে পারেন।
ঘরে বসেই জানতে পারবেন বিভিন্ন বিমান টিকিটের মূল্য এবং করতে পারবেন বুকিং/ক্রয়। ভিসা,টিকিট,হোটেল বুকিং সহ যাবতীয় তথ্য সেবা পেতে যোগাযোগ করুন আমাদের সাথে।
নম্বর- 01511518132 . +88 02 7634913

IMPORTANT:*Passengers traveling to DOHA are advised to carry Printed Hard  Copy of their Entry Permit with them.*EFFECTI...
14/01/2021

IMPORTANT:

*Passengers traveling to DOHA are advised to carry Printed Hard Copy of their Entry Permit with them.

*EFFECTIVE 06DEC20 PCR NEGATIVE CERTIFICATE IS MANDATORY FOR ARRIVING IN BANGLADESH

*ONWARD TRANSIT PASSENGERS ARE NOT ALLOWED TO TRAVEL VIA ABU DHABI AIRPORT WITH BIMAN

*The Validity of PCR Test Result will be counted from the time of Collection of the Sample

*RT PCR COVID-19 Negative Certificate issued within 72 hours of Travel to Bangladesh is mandatory.

*Flight of Dhaka-Sylhet-London-Sylhet-Dhaka on 23 & 30 January 2021 has been Cancelled

*6 (six) copies of the RT-PCR Negative Test report while travelling by Biman Flights To/From Kolkata

*Urgent and Important Notice for DXB/AUH flights
ONWARD TRANSIT PASSENGERS ARE NOT ALLOWED TO TRAVEL FROM BANGLADESH

*No passenger can travel to MCT after 180 days outside of Oman EXCEPT DEPENDENT & INVESTOR VISA

*Due COVID-19 All Intl Flights for MAN, MED, KWI, KTM Cancelled till 28 February 2021.

*AS PER DACO TRAVELERS WITH TOURIST VISA ARE NOT ALLOWED TO ENTER K S A THROUGH DAMMAM AIRPO

এই করোনাকালে দীর্ঘদিন ধরে বিশ্বের শীর্ষ ধনী ব্যক্তি থাকা জেফ বেজোস, বিল গেটসকে টপকে আসনটি দখল করেছেন ইলন মাস্ক। বিশ্বখ্য...
14/01/2021

এই করোনাকালে দীর্ঘদিন ধরে বিশ্বের শীর্ষ ধনী ব্যক্তি থাকা জেফ বেজোস, বিল গেটসকে টপকে আসনটি দখল করেছেন ইলন মাস্ক। বিশ্বখ্যাত টেসলা ও স্পেসএক্সের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী তিনি। দুনিয়ার অন্যতম এই সফল মানুষটি সম্পর্কে কিছু অজানা তথ্য জেনে নেয়া যাক একনজরে।

ইলন মাস্কের মোট সম্পদের পরিমাণ ১৯১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। তার ২০ শতাংশ শেয়ার থাকা টেসলার শেয়ার গত বছরে বেড়েছে প্রায় ৮ গুণ।

তার জন্ম দক্ষিণ আফ্রিকার প্রেটোরিয়াতে, ১৯৭১ সালে৷ পিতা-মাতার বিচ্ছেদের কারণে হাইস্কুল শেষে মায়ের সঙ্গে কানাডায় পাড়ি দেন, সঙ্গে ছিল ভাই-বোন। এর পর দেশটির অন্টারিও’র একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন। তবে পদার্থবিদ্যা ও অর্থনীতিতে মাস্টার্স সম্পন্ন করেন যুক্তরাষ্ট্রের পেনসিলভেনিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে।

পিএইচডির জন্য দেশটির স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় সুযোগ দিলেও অর্থ উপার্জনের নেশায় তা হয়ে উঠেনি। বর্তমান বিশ্বে তরুণ উদ্যোক্তাদের আইকনে পরিণত হয়েছেন তিনি।

কম্পিউটারের প্রতি আগ্রহ থেকে মাত্র ১০ বছর বয়সে প্রোগ্রামিং এবং ১২ বছর বয়সে বেসিক প্রোগ্রামিং শেখেন ইলন মাস্ক। এই সময় ব্লাস্টার ভিডিও গেম তৈরি করে পিসি অ্যান্ড অফিস টেকনোলজি ম্যাগাজিনে বিক্রি করেন ৫০০ ডলারে।

১৯৯৫ সালে নিজের ভাইকে নিয়ে জিপ-টু সফটওয়্যার কোম্পানি প্রতিষ্ঠা করেন, ১৯৯৯ সালে ২২ মিলিয়ন ডলারে বিক্রি করেন সেটি। এভাবেই উদ্যোক্তার খাতায় নাম লেখানো এই তরুণ ফ্ল্যাট নেয়ার সামর্থ না থাকায় প্রথম দিকে অফিসেই ঘুমাতেন।

পরবর্তীতে লেনদেনের ডিজিটাল সার্ভিস ‘পেপ্যাল’ চালু করে ব্যাপক সাফল্য পান ইলন মাস্ক। ১৯৯৯ সালে গড়ে তোলেন এক্স.কম, পরে সেটি পেপ্যালে একত্রিত হয়। প্রতিষ্ঠানটি ১ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলারে বিক্রি করেন ২০০২ সালে, যাতে ১৬৫ মিলিয়ন ডলার লাভ হয় তার।

২০০৩ সালে প্রতিষ্ঠিত টেসলায় ২০০৪ সালে বোর্ড অফ ডিরেক্টরস হিসেবে যোগ দেন ইলন। বৈদ্যুতিক গাড়ি নির্মাতা কোম্পানিটিতে ব্যাপক পরিবর্তন এনে সাফল্যের শীর্ষে তুলে আনেন তিনি।

হাইপারলুপ প্রযুক্তিতে আগ্রহ দেখা দিলে এর জন্য সুরঙ্গ খুঁড়তে ‘দ্য বোরিং কোম্পানি’ প্রতিষ্ঠা করেন ইলন মাস্ক। ঘণ্টায় হাজার কিলোমিটারের হাইপারলুপের প্রথম পরীক্ষা সফলভাবে সম্পন্ন করেছেন তিনি।

এরপর আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি ইলন মাস্কের, গড়ে তোলেন রকেট নির্মাণ প্রতিষ্ঠান স্পেসএক্স। গেলো বছরের ফেব্রুয়ারিতে রকেট ফ্যালকন হেভির সফল উৎক্ষেপণ করে সারা বিশ্বে শোরগোল ফেলে দেন তিনি।

ডয়চে ভেলে জানায়, স্পেসএক্স থেকে রকেট উৎক্ষেপণে বেশ কয়েকবার ব্যর্থ হন ইলন মাস্ক, কিন্তু হাল ছাড়েননি। সেই মানুষটিই এবার সফল হয়ে ২০৫০ সাল নাগাদ মঙ্গলে একটি পূর্ণাঙ্গ শহর তৈরির পরিকল্পনা করছেন।

নিউরালিঙ্ক নামে আরো একটি কোম্পানি প্রতিষ্ঠা করেন ২০১৬ সালে। সেটি একটি ব্রেইন-মেশিন ইন্টারফেস প্রকাশ করেছে সম্প্রতি। এই প্রযুক্তি কম্পিউটার ও মোবাইল ফোনের সঙ্গে মানুষের মস্তিষ্ক যুক্ত করবে বলে জানানো হয়।

মহাকাশে বাংলাদেশের বঙ্গবন্ধু-১ স্যাটেলাইটটি ইলন মাস্কের স্পেসএক্সর মাধ্যমে পাঠানো হয়েছে। ২০১৮ সালের মে মাসে এটি উৎক্ষেপণ করা হয়।

এবার আসা যাক সবচেয়ে মজার একটি বিষয়ে, তা হলো বেতন। টেসলার সিইও হিসেবে বছরে মাত্র এক ডলার বেতন নেন ইলন মাস্ক। এ ছাড়া অংশীদার থাকা বিভিন্ন কোম্পানি থেকে লভ্যাংশসহ বেশ কিছু সুযোগ-সুবিধা পান তিনি। অবশ্য, সিলিকন ভ্যালির একটা ট্রেন্ড হিসেবে বছরে ১ ডলার বেতন নেয়া হয়।

ইলন মাস্কের ‘বিতর্কিত চরিত্র’ দিয়ে শেষ করা যাক আজকের মতো। বিভিন্ন সময় নানা কারণে বিতর্কের জন্ম দিয়েছেন তিনি। এর মধ্যে রয়েছে- টুইটারে নানা মন্তব্য এবং নিজ প্রতিষ্ঠানের সহযোগীদের সাথে দ্বন্দ্বে জড়ানোর মতো বিষয়। তবে সম্প্রতি করোনা নিয়ে বেফাঁস মন্তব্য এবং সরাসরি সম্প্রচারিত অনুষ্ঠানে গাঁজা সেবন করেন তিনি।

সিএনবিসি জানায়, ইলন মাস্কের সম্পদের পরিমাণ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৮ হাজার ৫০০ কোটি মার্কিন ডলার। তার পরের অবস্থানে থাকা জেফ বেজোসের বর্তমান সম্পদের পরিমাণ ১৮ হাজার ৪০০ কোটি ডলার। ২০১৭ সাল থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত বিশ্বের সেরা ধনী ছিলেন তিনি।

ব্লুমবার্গ ও বিবিসি জানায়, গত বৃহস্পতিবার পুঁজিবাজারে টেসলার শেয়ারের দাম হঠাৎ করেই বেড়ে যায়। টেসলার শেয়ার ৪ দশমিক ৮ শতাংশ করে বাড়ায় শীর্ষ ধনী বনে যান ইলন মাস্ক। ফলে নতুন বছরে নতুন শীর্ষ ধনীর উত্থান হলো বিশ্বে। এ ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় নিজস্ব ভঙ্গিতে টুইটারে ‘কী অদ্ভুত’ বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।

অপর এক টুইটে ইলন মাস্ক জানান, তার উপার্জিত অর্থের প্রায় অর্ধেক পৃথিবীর সমস্যা মোকাবেলায় রেখেছেন। বাকি অর্ধেক দিয়ে মঙ্গলগ্রহে একটি স্বনির্ভর শহর গড়তে ব্যয় করবেন। কোনো উল্কার আঘাতে বা তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধে অথবা নিজেরাই পৃথিবীকে ধ্বংস করে ফেললে সব প্রাণীর জীবনযাপন অব্যাহত থাকবে সেই মঙ্গল শহরে।

গত বছর ইলন মাস্কের সম্পদ বেড়েছে ১৬০ বিলিয়ন ডলার। করোনাকালে তার টেসলার ইলেকট্রিক গাড়ির চাহিদা বাড়ায় হু হু করে বেড়েছে সম্পদের পরিমাণ। যদিও মাত্র দেড় বছর আগে প্রতিষ্ঠানটির শেয়ার কমায় বিশাল লোকসানে পড়েছিলেন মাস্ক।

এর আগে গত বছরের জুলাইয়ে ওয়ারেন বাফেটকে পেছনে ফেলে বিশ্বের শীর্ষ ধনীর তালিকায় সপ্তম স্থান দখল করেছিলেন ইলন মাস্ক। পরে বিল গেটসকে হটিয়ে এ তালিকার দ্বিতীয় স্থানও দখলে নেন তিনি।

বাংলাদেশের দুর্নীতি দমন কমিশন জানিয়েছে যে অর্থ আত্মসাৎ ও দুর্নীতির মামলায় অভিযুক্ত পি কে হালদারের মালিকানাধীন চারটি প্...
14/01/2021

বাংলাদেশের দুর্নীতি দমন কমিশন জানিয়েছে যে অর্থ আত্মসাৎ ও দুর্নীতির মামলায় অভিযুক্ত পি কে হালদারের মালিকানাধীন চারটি প্রতিষ্ঠানের ৯৬০ কোটি টাকা মঙ্গলবার জব্দ করা হয়েছে।

এর আগে সম্প্রতি দুর্নীতি এবং ক্যাসিনো বিরোধী আলোচিত অভিযান এবং আরও কিছু অপরাধের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার প্রক্রিয়ায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বিপুল পরিমান অর্থ জব্দ করার কথা জানিয়েছিল।

সেই সঙ্গে জ্ঞাতউৎস বহির্ভূত আয়, দুর্নীতি কিংবা মানি লন্ডারিংয়ের মত অপরাধে জড়িত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের অর্থও জব্দ করা হয় বলেও বিভিন্ন সময়ে খবর প্রকাশিত হয়েছে।

কিন্তু এই যে অর্থ বা টাকা জব্দ করা হয়, কী কারণে তা করা হয়?

বাংলাদেশে জব্দ হওয়া অর্থের প্রকৃত পরিমাণ সম্পর্কে একটি বিস্তারিত চিত্র কারও কাছ থেকেই পাওয়া যায় না।

বিষয়টি নিয়ে সরকারের কয়েকটি সংস্থা কাজ করে, আর তাই এ ব্যাপারে সম্মিলিত তথ্য পাওয়া যায় না বলে জানাচ্ছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

হাইকোর্টে উপস্থাপিত তথ্যের বরাত দিয়ে দুর্নীতি দমন কমিশনের প্রধান আইনজীবী খুরশীদ আলম খান বিবিসি বাংলাকে জানান যে ২০২০ সাল পর্যন্ত নগদ অর্থ এবং সম্পত্তি মিলিয়ে দুদকের কাছে ৬০০ থেকে ৭০০ কোটি টাকার জব্দকৃত অর্থ রয়েছে।

সাধারণভাবে বলা যায়, কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে নগদ অর্থ কিংবা ব্যাংকে থাকা অর্থ বাংলাদেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কিংবা দুর্নীতি দমন কমিশন জব্দ করতে পারে।

সেক্ষেত্রে ওই ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে কোন না কোন আনুষ্ঠানিক অভিযোগ থাকতে হবে।

সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশিদের পাচারকৃত অর্থ ফেরত আনায় দুর্বলতা কোথায়?

সংশ্লিষ্টরা বলছেন যে আইন বহির্ভূত কর্মকাণ্ডের অভিযোগে মামলা দায়েরের পরে অর্থ জব্দ করা হতে পারে, আবার কোন ক্ষেত্রে মামলা দায়েরের আগেও অভিযান চালানোর সময় অর্থ জব্দ করা হয়।

কিন্তু দ্বিতীয় ক্ষেত্রে অর্থ জব্দ করার সাথে সাথে অবশ্যই মামলা দায়ের করা হয়।

খুরশীদ আলম খান বলেন, সাধারণত জ্ঞাতউৎস বহির্ভূত আয়, সন্দেহজনক লেনদেন, দুর্নীতি এবং মানি লন্ডারিং - এমন ধরণের অভিযোগ পাওয়া গেলে আইন অনুযায়ী কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের অর্থ জব্দ করা হয়।

"দুদক কোন অনুসন্ধানের স্বার্থে মামলা দায়ের করার আগেও যদি সন্দেহজনক লেনদেন বা ঘুষের ঘটনার অভিযোগ পায়, তাহলে সেটা জব্দ করতে পারে। আর মামলা দায়েরের পরেও পারে।"

বাংলাদেশ ব্যাংকের ফাইনান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের প্রধান আবু হেনা মোহাম্মদ রাজী হাসান বলেছেন, মানি লন্ডারিং এবং টেরর ফাইনান্সিং অর্থাৎ সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের জন্য অর্থায়ন সংক্রান্ত অভিযোগের ক্ষেত্রে যেকোন ব্যাংক অ্যাকাউন্টের অর্থ জব্দ করা যায়।

তদন্ত এবং অভিযোগ প্রমাণের জন্য ওই অর্থ সাত মাস পর্যন্ত জব্দ করে রাখতে পারে ফাইনান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট।

জব্দ টাকা কোথায় নেয়া হয়, প্রক্রিয়া কী?

অর্থ জব্দের পর যখন মামলা হবে, তখন দুদক, ফাইনান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট কিংবা অন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে এই অর্থের তথ্য আদালতে উপস্থাপন করতে হয়।

নগদ অর্থ জব্দ করার ক্ষেত্রে আদালত নির্ধারণ করে যে ওই অর্থ কোথায় এবং কার জিম্মায় রাখা হবে।

দুদকের প্রধান আইনজীবী খুরশীদ আলম খান জানান, জব্দ অর্থ যে প্রতিষ্ঠানের কাছে রাখা হচ্ছে - কোন ব্যাংক বা আইনশৃঙ্খলা-বাহিনী, সেখানকার সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাকে স্বাক্ষর করে আদালতে বিষয়টি অবহিত করতে হয়।

তিনি বলেন, যতদিন পর্যন্ত মামলার সুরাহা না হচ্ছে, ততদিন পর্যন্ত ওই জব্দকৃত অর্থ কেউ ব্যবহার করতে পারবে না।

"যদি প্রমাণ হয় যে অপরাধ সংঘটিত হয়েছে এবং আদালতের সাক্ষ্য প্রমাণে সেটি প্রমাণিত হয়, তখন জব্দকৃত অর্থ রাষ্ট্র বরাবরে বাজেয়াপ্ত করা হয়।"

জব্দ করা টাকা রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা হলেও রাষ্ট্র সেই অর্থ খরচ করতে পারে না, যতক্ষণ পর্যন্ত না আদালত এ ব্যাপারে রায় দেয় এবং রাষ্ট্রকে জব্দ করা অর্থ ব্যবহারের অনুমতি দেয়।
ভিডিওর ক্যাপশান,

টাকা ব্যবস্থাপনা

অনেক ক্ষেত্রে অভিযুক্ত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান যদি প্রমাণ করতে পারে যে তারা নির্দোষ, সেক্ষেত্রে আদালতের রায় সাপেক্ষ তারা জব্দ অর্থ ফেরত পেতে পারে।

এই অর্থ কি সরকারের আয়?

জব্দ করা অর্থ সাধারণত মামলার আলামত হিসেবে উপস্থাপন করা হয়।

এক্ষেত্রে মামলার রায় যদি রাষ্ট্রের অনুকূলে যায়, তাহলে জব্দ হওয়া অর্থ রাষ্ট্রীয় অ্যাকাউন্টে বা রাষ্ট্রীয় কোষাগারে অর্থাৎ বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকে চলে যায়।

ফাইনান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের প্রধান আবু হেনা মোহাম্মদ রাজী হাসান জানান, মানি লন্ডারিং বা টেরর ফাইনান্সিংয়ের ক্ষেত্রে যদি অভিযোগ আদালতে প্রমাণিত হয়, তাহলে আইন অনুযায়ী অপরাধীর শাস্তি হয়। এক্ষেত্রে কারাদণ্ডের শাস্তি হলে অপরাধীর ৪-১২ বছর পর্যন্ত জেল হতে পারে।

তবে মানি লন্ডারিংয়ের অভিযোগ প্রমাণিত হলে জব্দ করা অর্থের দ্বিগুণ পর্যন্ত জরিমানা হতে পারে।

রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমাকৃত অর্থ রাষ্ট্রের আয় বা রাষ্ট্রের সম্পত্তি হিসেবে বিবেচিত হয়। ওই অর্থ তখন রাষ্ট্র প্রয়োজন অনুসারে খরচ করতে পারে।

বিবিসি বাংলা.

প্রেস রিলিজ21 Dec 2020কোভিড-১৯ মহামারীর কারণে সৌদি আরব সরকার নিষেধাজ্ঞা প্রদান করায় ২১ডিসেম্বর থেকে এক সপ্তাহের জন্য জেদ...
22/12/2020

প্রেস রিলিজ
21 Dec 2020

কোভিড-১৯ মহামারীর কারণে সৌদি আরব সরকার নিষেধাজ্ঞা প্রদান করায় ২১ডিসেম্বর থেকে এক সপ্তাহের জন্য জেদ্দা, রিয়াদ ও দাম্মামগামী বাংলাদেশ বিমানের সকল ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। বাতিলকৃত ফ্লাইটসমূহের সম্মানিত যাত্রীগণকে ফ্লাইট পুনরায় চালুর পর আসন খালি সাপেক্ষে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে আসন বরাদ্দ করা হবে।



তাহেরা খন্দকার,

উপমহাব্যবস্থাপক,

জনসংযোগ,

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস

ডিসেম্বর ২১, ২০২০।

The government has decided to resume regular flights to India and Bangladesh. A Cabinet meeting held on Wednesday has de...
22/12/2020

The government has decided to resume regular flights to India and Bangladesh. A Cabinet meeting held on Wednesday has decided to resume flights to the two countries, which have been closed for the last eight months.

The Ministry of Culture, Tourism and Civil Aviation has stated that it is preparing to start a diplomatic process with both the countries to resume regular flights.

আগামীকাল  ২০ ডিসেম্বর ২০২০ রোজ রবি বার শুভ উদ্বোধন হতে যাচ্ছে "এম ভি বে ওয়ান" জাহাজ টি। জাহাজ টি কক্সবাজার থেকে সেন্টমার...
21/12/2020

আগামীকাল ২০ ডিসেম্বর ২০২০ রোজ রবি বার শুভ উদ্বোধন হতে যাচ্ছে "এম ভি বে ওয়ান" জাহাজ টি। জাহাজ টি কক্সবাজার থেকে সেন্টমার্টিন সাগর পথে চলাচল করবে নিয়মিত।
কর্নফুলী শিপ বিল্ডার্স লিমিটেড কর্তৃক বিদেশ হতে আনীত "বে ওয়ান ক্রুজ শীপ" এর প্রথম সমুদ্র যাত্রা উপলক্ষে আগামী ২০ ডিসেম্বর ২০২০ রোজ রবিবার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।
জনাব খালিদ মাহমুদ চৌধুরী এমপি, মাননীয় প্রতিমন্ত্রী, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়, উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকতে সদয় সম্মতি জ্ঞাপন করেছেন।
জনাব মোঃ মাহবুব আলী, মাননীয় প্রতিমন্ত্রী, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় উদ্বোধন করতে সদয় সম্মতি জ্ঞাপন করেছেন।
ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল, মাননীয় উপমন্ত্রী, শিক্ষা মন্ত্রণালয়।
জনাব আশেক উল্লাহ রফিক, সংসদ সদস্য, কক্সবাজার ২।
জনাব সাইমুম সরওয়ার কমল, সংসদ সদস্য, কক্সবাজার ৩।
জনাব হেলালুদ্দীন আহমদ, সিনিয়র সচিব, স্থানীয় সরকার বিভাগ, স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ সচিবালয়, ঢাকা।
কমোডর আবু জাফর মোহাম্মদ জালাল উদ্দিন, সিপিসসিএম, এনডিসি, পিএসসি, বি এন, মহাপরিচালক, নৌ পরিবহন অধিদপ্তর।
কমোডর গোলাম সাদেক, চেয়ারম্যান, বি আই ডব্লিও টিএ , এনজিপি, এনডিসি, পিএসসি,বি এন।
জনাব কামাল হোসেন, জেলা প্রশাসক, কক্সবাজার।
জনাব মুজিবুর রহমান, মেয়র, কক্সবাজার পৌরসভা।
উক্ত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকতে সদয় সম্মতি জ্ঞাপন করেছেন।
তারিখঃ ২০ ডিসেম্বর, ২০২০, রোজ রবিবার।
যাত্রা স্থান ঃ ওয়াটার বাস টার্মিনাল, পতেঙ্গা, চট্টগ্রাম।
গন্তব্যঃ উদ্বোধনী গন্তব্য, কক্সবাজার।
উল্লেখ্য, এম ভি বে ওয়ান জাহাজ টির দৈর্ঘ্য ৪০০ ফুট ও প্রস্থ ৫৫ ফুট। জাহাজ টির গ্রস টনেজ ৫০১৯, জাহাজ টিতে মোট ১১২০০ বি এইচ পি সম্পন্ন মেইন প্রপালেশন ইঞ্জিন রয়েছে। যার দ্বারা জাহাজ টি প্রতি ঘন্টায় ২৪ নটিক্যাল মাইল গতিতে ছুটতে পারে। উত্তাল সমুদ্র মোকাবেলায় জাহাজ টিতে ফিন স্ট্যাবিলাইজার সংযুক্ত আছে। প্রায় ২০০০ জন যাত্রী ধারন ক্ষমতা সম্পন্ন জাহাজ টিতে অপারেটিং ক্রু রয়েছে ১৭ জন। যাত্রী সেবায় নিয়োজিত রয়েছে ১৫০ জন ক্রু। জাহাজ টিতে সাচ্ছন্দময় ভ্রমন, রাত্রি যাপন ও বিভিন্ন স্বাদ এর খাবার পরিবেশন এর ব্যাবস্থা আছে। সূত্র: কর্ণফুলী শিপ বিল্ডার্স লি: কর্তৃপক্ষ।

our services:    Hajj-Omrah package.    Private/Group tour.    Corporate package tour.    Money exchange.    Visa proces...
21/12/2020

our services:

Hajj-Omrah package.
Private/Group tour.
Corporate package tour.
Money exchange.
Visa processing ( visit visa, medical visa, bussiness visa, work visa)
Air tickets. ( domestict and international)


For ticket and flight related queries please dial:
Hotline: 01511518132 . +88 02 7634913

কেন অনলাইনে যুক্ত হবেন করতোয়ার সাথে ?যুক্ত হবেন কারণ, আপনি ঘরে বসেই জানতে পারবেন অভ্রন্তরীন এবং বহিরাগত টিকেটের মূল্য। ...
15/12/2020

কেন অনলাইনে যুক্ত হবেন করতোয়ার সাথে ?
যুক্ত হবেন কারণ, আপনি ঘরে বসেই জানতে পারবেন অভ্রন্তরীন এবং বহিরাগত টিকেটের মূল্য।
এমনকি! আপনি ঘরে বসেই কিনতে পারবেন টিকেট।
আপনার যে কোন ভ্রমণ অনুসন্ধানের জন্য সরাসরি ফোনে (০১৫১১৫১৮১৩২) বা ফেসবুকে যোগাযোগ করতে পারেন আমাদের সাথে।

ডোমেস্টিক টিকেট করুন ঘরে বসে !Dhaka to Cox's Bazar BDT 3500/-tkDhaka to Chittagong BDT 2700/-tkDhaka to Saidpur BDT 2700...
15/12/2020

ডোমেস্টিক টিকেট করুন ঘরে বসে !
Dhaka to Cox's Bazar BDT 3500/-tk
Dhaka to Chittagong BDT 2700/-tk
Dhaka to Saidpur BDT 2700/-tk
Dhaka to Jessore BDT 2700/-tk
Dhaka to Sylhet BDT 2700/-tk
Dhaka to Barishal BDT 2700/-tk
Dhaka to Rajshahi BDT 2700/-tk
⭐ Depends on availability.

For any information call us at -
Mobile: 01511518132 , +88 02 7634913

Address

Jarina Mansion (2nd Floor), 154 BB Road (golachipa Lane) (oposite Of Dipa Sweet)
Narayanganj
1400

Opening Hours

Monday 10:00 - 18:15
Tuesday 10:00 - 18:15
Wednesday 10:00 - 18:15
Thursday 10:00 - 18:15
Saturday 10:00 - 18:15
Sunday 10:00 - 18:15

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Korotoya group BD posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category