Adhira,s Kitchen and Catering Service

Adhira,s Kitchen and Catering Service Purify my personality and I give the World's Most Valuable believers service providers ����

রমজান স্পেসাল সস রেসিপি ১. গার্লিক মেয়ো সসউপকরণ• মেয়োনিজ• রসুন কোয়া (কুচি করা)• লেবুর রস• লবণপ্রণালি১. একটি বাটিতে মে...
23/01/2026

রমজান স্পেসাল সস রেসিপি

১. গার্লিক মেয়ো সস
উপকরণ

• মেয়োনিজ
• রসুন কোয়া (কুচি করা)
• লেবুর রস
• লবণ

প্রণালি

১. একটি বাটিতে মেয়োনিজ নিন।
২. এতে কুচি করা রসুন ও লেবুর রস যোগ করুন।
৩. স্বাদ অনুযায়ী লবণ দিন।
৪. ভালোভাবে মিশিয়ে মসৃণ করুন।
৫. পরিবেশনের আগে ১৫ মিনিট ফ্রিজে রাখুন।

২. চিজ সস
উপকরণ

• মাখন
• ময়দা
• দুধ
• চিজ (চেডার বা প্রসেসড)
• লবণ

প্রণালি

১. অল্প আঁচে প্যানে মাখন গলান।
২. ময়দা দিয়ে ১ মিনিট নাড়ুন।
৩. ধীরে ধীরে দুধ ঢেলে নাড়তে থাকুন।
৪. সস ঘন হওয়া পর্যন্ত রান্না করুন।
৫. চিজ ও লবণ দিন।
৬. চিজ পুরো গলে যাওয়া পর্যন্ত নাড়ুন।
৭. গরম অবস্থায় পরিবেশন করুন।

৩. টমেটো পিজা সস
উপকরণ

• টমেটো (পিউরি করা)
• রসুন (কুচি)
• পেঁয়াজ (কাটা)
• অলিভ অয়েল
• ওরেগানো
• বেসিল
• চিনি
• লবণ
• গোলমরিচ গুঁড়া

প্রণালি

১. প্যানে অলিভ অয়েল গরম করুন।
২. পেঁয়াজ ও রসুন দিয়ে নরম হওয়া পর্যন্ত ভাজুন।
৩. টমেটো পিউরি দিন।
৪. লবণ, চিনি, গোলমরিচ, ওরেগানো ও বেসিল যোগ করুন।
৫. কম আঁচে ১৫–২০ মিনিট রান্না করুন।
৬. ঠান্ডা করে পিজা বা পাস্তায় ব্যবহার করুন।

৪. চিলি গার্লিক সস
উপকরণ

• শুকনা লাল মরিচ (কাটা)
• রসুন (কাটা)
• ভিনেগার
• চিনি
• লবণ
• তেল

প্রণালি

১. লাল মরিচ ও রসুন ব্লেন্ড করে পেস্ট বানান।
২. প্যানে তেল গরম করুন।
৩. পেস্ট দিয়ে ২–৩ মিনিট রান্না করুন।
৪. ভিনেগার, চিনি ও লবণ যোগ করুন।
৫. হালকা ঘন হওয়া পর্যন্ত রান্না করুন।
৬. ঠান্ডা করে জারে সংরক্ষণ করুন।

৫. হানি মাস্টার্ড সস
উপকরণ

• মেয়োনিজ
• মাস্টার্ড সস
• মধু
• ভিনেগার
• লবণ

প্রণালি

১. একটি বাটিতে মেয়োনিজ, মাস্টার্ড ও মধু নিন।
২. ভিনেগার ও লবণ যোগ করুন।
৩. ভালোভাবে ফেটিয়ে মসৃণ করুন।
৪. স্বাদ অনুযায়ী মিষ্টতা ঠিক করুন।
৫. পরিবেশনের আগে ঠান্ডা করুন।

৬. বিবিকিউ (BBQ) সস
উপকরণ

• কেচাপ
• ব্রাউন সুগার
• ভিনেগার
• ওরচেস্টারশায়ার সস
• স্মোকড পাপরিকা
• রসুন গুঁড়া
• লবণ
• গোলমরিচ

প্রণালি

১. সব উপকরণ একটি সসপ্যানে নিন।
২. কম আঁচে ১৫ মিনিট রান্না করুন।
৩. মাঝে মাঝে নাড়ুন।
৪. স্বাদ পরীক্ষা করে মসলা ঠিক করুন।
৫. ঠান্ডা করে বোতলে সংরক্ষণ করুন।

06/01/2026

৩০ জনের বিরিয়ানি রান্নার এস্টিমেট খরচ সহ

৪ কেজি চাল এবং ৬ কেজি গরুর মাংস দিয়ে বিরিয়ানি রান্নার লিস্ট

চাল ৪ কেজি(৬০০৳)
মাংস ৬ কেজি (৪,৫০০৳)
তেল ১.৫ কেজি (২৯৫৳)
আদা ১৫০ গ্রাম(২৫৳)
রসুন ১৫০ গ্রাম(১৫৳)
কাঠবাদাম ২৫ গ্রাম(৪০৳)
চিনাবাদাম ৫০ গ্রাম(৩০৳)
পেস্তা বাদাম ২৫ গ্রাম(৫০৳)
গোল মরিচ ১০ গ্রাম(১৫৳)
যয়েত্রি ৫ গ্রাম(১৭৳)
পেয়াজ ৭০০ গ্রাম (ভাজা+বেরেস্তার)(৪০৳)
কাচা মরিচ ২৫০ গ্রাম(২৫৳)
মরিচ গুঁড়ো ২৫ গ্রাম(১৫৳)
গরম মসলা ৫০ টাকার(৫০৳)
লবন ১৫০-২০০ গ্রাম ( স্বাদ অনুযায়ী কম বেশি হতে পারে) (৮৳)
টমেটো সস ১৫০ গ্রাম(২৫)
তেজ পাতা ৪-৫ টি(দোকানের থেকে কয়ে ফ্রি)
গুড়ো দুধ ২০০ গ্রাম(১০০)
কিসমিস ২৫ গ্রাম(২৫৳)
আলুবোখারা ৫০ গ্রাম(৩০৳)
বিরিয়ানির মসলা ১ প্যাকেট ( ঐচ্ছিক )(৬০৳)
টক দই ২০০ গ্রাম(২০৳)
জিরা ২৫ গ্রাম(১৫৳)
জয়ফল ১ টা (১০৳)
ঘি ৫০ এম এল(৬০৳)
গরম পানি ১.৬ লিটার প্রতি কেজি চালের জন্য

খরচ হবে আনুমানিক ৮-১০ হাজার টাকার মত
600+4500+295+15+25+40+30+50+15+17+40+25+15+50+8+25+100+25+30+60+20+15+10+60=6070

বন্ধু তো এমন হওয়া উচিত❤️💗🥲ছবিতে কাঁদতে থাকা এই ব্যক্তি হলেন একটি বানর এবং হাঁসের মালিক।তারা জন্ম থেকেই ভাল বন্ধু ছিল। বা...
12/10/2025

বন্ধু তো এমন হওয়া উচিত❤️💗🥲ছবিতে কাঁদতে থাকা এই ব্যক্তি হলেন একটি বানর এবং হাঁসের মালিক।
তারা জন্ম থেকেই ভাল বন্ধু ছিল। বানরটি যখন মাটিতে একটি বৈদ্যুতিক তারের সংস্পর্শে আসল এবং বিদ্যুতায়িত হয়ে পড়ল তখন হাঁসটি চারপাশে খেলা করছিল।
হাঁসটি বানরটির চি/ৎকা/র শুনেছিল এবং বানরের কাছে এসে তারটি সরিয়ে ফেলে তাকে সাহায্য করার চেষ্টা করেছিল, ফলপ্রসূতে সেও বৈদ্যুতিক সংযোগে চলে আসে।।
দু'জনেই জন্মগ্রহণ করেছিল সেরা বন্ধু হয়ে এবং মৃ/ত্যুও তাদের আলাদা করতে পারেনি?এমন বন্ধুত্বের কাছে হার মানে মানুষ।🙂

বি.দ্র. এটা কয়েকবছর আগের ঘটনা।

26/07/2025

কি ভাবছেন?
জিতে গেছেন
জিততে হলে ৩ টা লাশের উপর দিয়ে জিততে হবে।
পারবেন না
চেলেনজ নেন
হুমকি না

বাবার কর্মফল প্রায়ই মেয়ের জীবনেই এসে পড়ে। বলা হয়, মেয়ে সন্তান শুধু বাবার নামই বহন করে না—কখনো কখনো তার বোঝাও বইতে হ...
14/07/2025

বাবার কর্মফল প্রায়ই মেয়ের জীবনেই এসে পড়ে। বলা হয়, মেয়ে সন্তান শুধু বাবার নামই বহন করে না—কখনো কখনো তার বোঝাও বইতে হয়।

দেখা যায় না এমনভাবে, বাবার কাজ, ভালোবাসা, বিশ্বস্ততা, টাকা-পয়সা আর নৈতিকতার বেছে নেওয়া পথ—এসবই প্রভাব ফেলতে পারে তার মেয়ের জীবনে।

যে প্রতিশ্রুতি তিনি একদিন কোনো নারীর কাছে ভেঙেছিলেন, তার প্রতিফলন ঘটতে পারে মেয়ের চোখের জল হয়ে—নিজের সম্পর্কে, নিজের প্রেমে।

যে ঋণ তিনি উপেক্ষা করেছিলেন বা যে লোভকে তিনি স্থান দিয়েছিলেন, তা পরবর্তীতে মেয়ের অর্থনৈতিক নিরাপত্তাহীনতায় এসে ধরা দেয়।

এটা কোনো শা*স্তি নয়—এটা একটা চক্র। জন্মে জন্মে বয়ে চলে ব্যথা, অ*শান্তি আর অপ*রাধবোধের শক্তি।

এই কারণেই "হিলিং" বা আত্মোপচার জরুরি। এই কারণেই একজন বাবাকে সততার সঙ্গে জীবন কাটাতে হবে। কারণ তার মেয়ে সেই তরঙ্গের স্পন্দন অনুভব করবে—মন থেকে, আত্মা থেকে, এমনকি চুপচাপ, তার জীবনের একান্ত কোণেও।

তাই প্রতিটি বাবাকে বলি, চক্রটা ভে*ঙে দাও তার আগেই, যা তোমার মেয়েকে ভে*ঙে দিতে পারে। তেমন মানুষ হও—যেমন মানুষ তুমি চাও, তোমার মেয়ের জীবনে আসুক।

✍️ Fairy Tales of Madhurjya Megh

💓❤️💗💚
07/07/2025

💓❤️💗💚

29/06/2025

পুরুষের অহংকার, বউয়ের সততায় চুরমার-:
করিশমা কাপুরের প্রাক্তন স্বামী সঞ্জয় কাপুরের মৃত্যুর পর তার এক বন্ধু তার ফ্ল্যাটে কিছু প্রয়োজনীয় কাগজপত্র আনতে যান। যেহেতু সঞ্জয় কাপুর আমেরিকার নাগরিক ছিলেন, তিনি থাকতেন লন্ডনে আর তার পরিবার দিল্লিতে থাকে। সে কারণে শেষকৃত্য করার জন্য তার পার্থিব শরীর ভারতে আনার সময় অনেক জটিলতার সৃষ্টি হয়। সেই সমস্ত প্রক্রিয়াকরণের জন্য যখন তার বন্ধু তার ফ্ল্যাটে গিয়ে কাগজপত্র উদ্ধারের চেষ্টা করেন তখন তার হাতে সঞ্জয় কাপুরের লেখা একটা ডায়েরী, একটা ওয়াটারপ্রুফ লকড ল্যাপটপ আসে। সেই ডাইরির ছত্রে ছত্রে দুটি নাম লেখা ছিল কারিশমা আর প্রিয়া।
ডায়েরির প্রত্যেকটা কথা লিখতে গেলে এই লেখাটা অনেক বড় হয়ে যাবে শুধু সংক্ষেপে এটুকু বলি তিনি লিখেছিলেন, তার জীবন থেকে করিশমার চলে যাওয়াটা অপূরণীয় ক্ষতি। করিশমার প্রতি তিনি অন্যায় অত্যাচার করে তিনি দগ্ধ, অনুতপ্ত। তিনি লিখেছিলেন কারিশমা হলেন সুখ শান্তিপূর্ণ একটি গৃহকোণ এর মতো আর প্রিয়া হলেন ঝাঁ চকচকে সব রকম সুবিধে যুক্ত হোটেলে রুমের মত যেখান থেকে সার্ভিস নিতে গেলে পেমেন্ট করতে হয় এবং এরকম আরো অনেক কিছু লেখা ছিল। আর বন্ধ ল্যাপটপে পাসওয়ার্ড প্রটেক্টেড করে সযত্নে রাখা ছিল তাদের ডিভোর্সের পরের সেই সব ফটো যেখানে দুজন বাচ্চার সাথে সঞ্জয় এবং কারিশমা তাদের বিশেষ দিনগুলি এবং ছুটির দিন কাটিয়েছিলেন। তাছাড়া স্পেশালি কারিশমা কাপুরের জন্য একটা ফোল্ডার রাখা আছে পাসওয়ার্ড প্রটেক্টেড করে যেটা লন্ডন পুলিশ খোলার চেষ্টা করছিল। তার ওয়ালেটে দুই সন্তানের সাথে কারিশমা একটা ফটো রাখা ছিল। কারিশমা তার জীবন থেকে চলে যাওয়ার পরে তার সমস্ত অহংকার দম্ভ একেবারেই চূর্ণ হয়ে গেছিল প্রিয়ার আচরণে। তিনি স্পষ্টভাবে বুঝতে পেরেছিলেন প্রিয়া তাকে শুধুমাত্র সম্পত্তির জন্য বিয়ে করেছেন। ডায়েরির একটা জায়গায় তিনি লিখেছেন প্রত্যেকদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে মনে হতো একটা বিজনেস ডিল সেরে উঠলাম। যেটা তিনি সমস্ত পৃথিবী থেকে লুকোতেন, সব সময় হাসি খুশি থাকার চেষ্টা করে সবকিছু স্বাভাবিক দেখাতেন। অর্থের জন্য কারিশমা কাপুর তাকে বিয়ে করেছেন এই অভিযোগ তিনি ডিভোর্সের সময় এনেছিলেন। অথচ কারিশমা কে ঠকিয়ে অত্যাচার করে, বাড়িছাড়া করে যাকে আনলেন আসলে সে এসেছিলেন অর্থের লোভে....অদৃষ্টের কি পরিহাস। তার ডাইরি এবং ল্যাপটপ এটা প্রমাণ করে যে বাহ্যিকভাবে করিশমার সাথে সম্পর্ক শেষ হলেও অন্তর থেকে তিনি কোনদিনই এই সম্পর্কটা শেষ করতে পারেননি অথচ কারিশমার প্রতি দুর্বলতার কথাও তিনি কোনদিন তাকে জানাতে পারেননি। প্রতিটি মুহূর্তে তিনি কারিশমা এবং তার দুই সন্তানের অভাব বোধ করেছেন। তদন্ত করে সমস্ত দেখে লন্ডন পুলিশের মনে হয়েছে তিনি হয়তো মৃত্যুভয় পাচ্ছিলেন সে কারণে এই কেসটাকে ক্রিমিনাল অ্যাঙ্গেল থেকেও তদন্ত করা হয়েছে।
দিল্লির লোধি রোডের শ্মশানে উনিশে জুন সঞ্জয় কাপুরের পার্থিব শরীর পৌঁছয়। গত ১২ ই জুন সকালবেলা লন্ডনে পোলো গ্রাউন্ডে পোলো খেলার সময় মৌমাছি গিলে সঞ্জয় কাপুর ঘোড়ার পিঠ থেকে পড়ে যান এবং অল্প সময়ের মধ্যে তার মৃত্যু ঘটে এ ঘটনার কথা মোটামুটি সবাই জানে। যাই হোক লোধী রোডের শ্মশান ঘাটে জমে থাকা ভিড়ের মধ্যে সবার নজর ছিল কারিশমা কাপুর এর উপর। প্রাক্তন স্বামী, তার দুই সন্তানের পিতার আকস্মিক মৃত্যুতে বিষাদে পূর্ণ চোখ দুটি কালো চশমায় ঢাকা ছিল। না, তিনি কোন সম্পর্কের দাবিতে আসেননি শুধুমাত্র একজন দায়িত্ববান মা, তার দুই সন্তানকে তাদের পিতার শেষযাত্রায় সামিল করার তাগিদে এসেছিলেন। অত্যন্ত ধীর স্থির শান্ত করিশমা নিজের আবেগকে সংযত রেখে সন্তানদের সামলাচ্ছিলেন। এবং সবচেয়ে অবাক করার বিষয় হলো অন্তোস্টি ক্রিয়ার সময় সমস্ত নিয়ম কানুন পুরোহিতের থেকে জেনে নিজের পুত্র সন্তানের হাত দিয়ে স্বামীর মুখাগ্নি কারিশমা নিজের তদারকিকে দায়িত্বপূর্ণভাবে সম্পন্ন করেছেন। সঞ্জয়ের বর্তমান স্ত্রী প্রিয়া নাকি শোকে ম্যুহমান থাকার কারণে কারিশমা অন্তিম কার্যে স্ত্রীর সমস্ত দায়িত্ব পালন করেছেন। প্রিয়া শোকে মূহ্যমান ছিলেন নাকি এই বন্ধ ডায়েরী, ল্যাপটপে তার স্বামীর তার প্রতি দৃষ্টিভঙ্গি দেখে ভয়ে, লজ্জায় মুখ ঢেকে ছিলেন সেটাই বা কে বলতে পারে। কারণ এই প্রিয়ার সাথে অবৈধ সম্পর্কের কারণে সঞ্জয় এবং সঞ্জয়ের পরিবারের লোক কারিশমা কে বাড়িছাড়া করেছিলেন। ডাইরিতে সঞ্জয় লিখেছেন জীবনের অশান্তি থেকে নিস্তার পেতে তিনি রাতে তাড়াতাড়ি ঘুমানোর চেষ্টা করতেন কিন্তু ঘুমোতে কি পারতেন। তিনি আরো লিখেছেন কারিশমার প্রতি, বাচ্চাদের অধিকার যদি কেউ খর্ব করার চেষ্টা করে তাহলে যেন তিনি আইনি লড়াই লড়েন। কারিশমা চলে যাওয়ার পরে সঞ্জয়ের জীবনে সব ছিল কিন্তু শান্তি, স্বস্তি ছিল না। তাছাড়া সঞ্জয়ের পরিবারের তরফ থেকে তার বড় ভাই সংবাদ মাধ্যমকে জানিয়েছেন ঘটনার আকস্মিকতায় তাদের পরিবার একেবারে শোকে কিংকর্তব্যবিমূঢ় হয়ে গেছিলেন। এই বিপদের সময় করিশমা একেবারে বাড়ির ছাদের মত এসে সবকিছু সামলেছেন অথচ এই পরিবারই একদিন প্রিয়ার কারণে কারিশমা কে বাড়িছাড়া করেছিল।
ঘনিষ্ঠরা বলেন এই সবকিছু জানার পরে করিসমা কোন প্রতিক্রিয়া না দেখিয়ে দুজন সন্তানকে নিয়ে ঘরে ঢুকে দরজা বন্ধ করেন। সেরকমই শ্মশানেও তাকে দেখে কোন ভাবে বোঝার উপায় ছিল না যে তাদের সম্পর্কটার সমাপ্তি অত্যন্ত তিক্তভাবে হয়েছিল। শোনা যায় কোর্ট রুমে কারিশমা আর সঞ্জয়ের মধ্যে তীব্র কাঁদা ছোড়াছড়ি হয়েছিল কিন্তু তখনও করিশমা মারাত্মক সংযম দেখিয়েছিলেন, তিনি সংবাদ মাধ্যমের সামনে এসে কোনদিনও তার স্বামীর বিরুদ্ধে অথবা তার বিচ্ছেদ সম্পর্কে কোন কথা বলেননি। সন্তানদের স্বাভাবিক জীবন দেওয়ার চেষ্টায় সমস্ত তিক্ততা অন্তরের অন্তস্থলে রেখে করিশমা বাচ্চাদের নিয়ে সঞ্জয়ের সাথে তাদের সন্তানদের ছুটি অথবা বিশেষ দিনগুলিতে একসাথে কাটাতেন। কিন্তু সঞ্জয়ের শেষ কৃত্য করার সময় হয়তো তার প্রতি আর কোন তিক্ততা ছিল না কারিশমার। কারণ ততক্ষণে তিনি জেনে গেছেন তার স্বামী তার প্রতি করা অন্যায় অত্যাচারের কারণে কতখানি দগ্ধ অনুতপ্ত ছিলেন। একদিন অন্যায় অত্যাচারের শিকার হয়ে তার হৃদয়ের যে দরজা সঞ্জয়ের জন্য তিনি বন্ধ করেছিলেন, সঞ্জয়ের ওয়ালেটের থেকে পাওয়া দুই সন্তানের সঙ্গে তার ফটোটাকে ফ্রেম করিয়ে তার শোবার ঘরে রেখে আবার তিনি সঞ্জয়ের জন্য তার হৃদয়ের দরজা খুলে দিয়েছেন….. কিন্তু সঞ্জয় সেটা জানতে পারলেন না, যেরকম সঞ্জয়ের মৃত্যুর আগে পর্যন্ত করিশ্মা তার মনের কথাটা জানতে পারেননি অথবা সঞ্জয় জানাতে পারেননি।
পৌরুষের দম্ভে অহংকারে সৎ স্ত্রীর প্রতি অন্যায় অত্যাচার করার পরে সব স্বামী কি এইভাবে দগ্ধ অনুতপ্ত হন এবং সেটা মুখে প্রকাশ করতে পারেন না….. ঈশ্বরই জানেন….. কিন্তু সঞ্জয়ের বিষয়টা তার ডায়েরী এবং ল্যাপটপ থেকে জানা গেল…. সব পুরুষ পরকীয়া করার সময় যদি সঞ্জয়ের মত বুঝতে পারতেন যে সৎ স্ত্রীরা হল সুখী শান্ত গৃহকোণ আর পরকীয়ার প্রেমিকারা হল সুবিধা প্রাপ্ত হোটেল যার জন্য মোটা অংকের অর্থ ব্যয় করতে হয়….. আবার কখনো হয়তো অর্থ ব্যয় করতে হয় না উল্টে অর্থ পাওয়াও যেতে পারে কিন্তু তার জন্য নিজের সুখ, শান্তি, পারিবারিক সম্মানকে পরকীয়ার নৈবিদ্য হিসেবে উৎসর্গ করতে হয়....😊

(সংগৃহীত)

08/05/2025

I got 10 reactions and comments on one of my posts last week! Thanks everyone for your support! 🎉

আমার কন্যা🧡বলেন মাশাল্লাহ 💚
04/05/2025

আমার কন্যা🧡
বলেন মাশাল্লাহ 💚

Address

Mathpara, Sadar
Munshiganj
1500

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Adhira,s Kitchen and Catering Service posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Adhira,s Kitchen and Catering Service:

Share