FLEXI Service BD

FLEXI Service BD ঘরে বসেই আপনার প্রতিদিনের প্রয়োজনীয় সব সেবা এখন হাতের মুঠোয়!

21/06/2025

"আব্বু, আমি বড় হয়ে তোমার মতো বিয়ে করব..."
১২ বছর আগে আমার ছোট্ট রুবিনা আমাকে এই কথা বলেছিল। আজ সে ২২ বছরের এক সুন্দর মেয়ে, আর কাল তার বিয়ে।
গতকাল রাতে ঘুমাতে পারিনি। মনে পড়ছিল সেই দিনগুলোর কথা...
সে যখন ৫ বছরের ছিল, আমার সাথে মসজিদে যেত। নামাজের পর বলত, "আব্বু, আল্লাহ তায়ালা কি আমার জন্যও একটা ভালো মানুষ পাঠাবেন?" আমি বলতাম, "অবশ্যই মা। আল্লাহ সবার জন্য ভালো পার্টনার পাঠান।"
সে যখন ১০ বছরের ছিল, আমাদের প্রতিবেশী আন্টির মেয়ের বিয়ে দেখে এসে বলেছিল, "আব্বু, আমার বিয়েতেও কি এত সুন্দর সাজসজ্জা হবে?" আমি প্রমিস করেছিলাম, "তোর বিয়ে হবে রাজকন্যার মতো।"
সে যখন ১৬ বছরের ছিল, কলেজে ভর্তি হওয়ার দিন কেঁদেছিল। বলেছিল, "আব্বু, আমি বড় হয়ে যাচ্ছি। তুমি আমাকে এক দিন অন্য কারো কাছে দিয়ে দেবে।" আমার চোখ ভিজে গিয়েছিল। বলেছিলাম, "তুই আমার কাছেই থাকবি সারাজীবন, শুধু একটা ভালো সংসার পাবি।"
আর আজ সে ২২। কাল তার বিয়ে।
গত ৩ মাস ধরে ওর বিয়ের প্রস্তুতি চলছে। কতবার আমি রাতে জেগে ভেবেছি - "সব ঠিক হবে তো? মেহমানরা খুশি হবে তো? ছবিগুলো সুন্দর হবে তো?"
আমি একজন সাধারণ চাকরিজীবী মানুষ। মাসিক বেতন ৩৫ হাজার টাকা। কিন্তু মেয়ের বিয়ে নিয়ে আমার স্বপ্ন কোটিপতির মতো।
যখন Flexi Service BD এর সাথে প্রথম দেখা করি, আমি সোজা বলেছিলাম, "ভাই, আমার বাজেট খুব কম। কিন্তু মেয়ের বিয়েটা মনে রাখার মতো করতে চাই।"
তারা যা বলেছিল, সেটা আমি কখনো ভুলব না:
"চাচা, মেয়ের বিয়ে মানে বাবার স্বপ্ন। আমরা স্বপ্ন ভাঙি না, বানাই। আপনার বাজেট অনুযায়ী আমরা এমন একটা বিয়ে দেব যেটা দেখে সবাই মনে করবে এটা কোনো ধনী পরিবারের বিয়ে।"
আর সত্যি তাই হয়েছে।
আজ সকালে যখন আমি বিয়ের হলে গেলাম, আমার চোখ ছানাবড়া।
🌺 স্টেজটা দেখে মনে হচ্ছিল স্বর্গের কোনো অংশ। লাল, সোনালী আর সাদা রঙের কম্বিনেশন। ফুলের কাজ এত সুন্দর যে মনে হচ্ছিল কোনো রাজপ্রাসাদ। আমার বাজেট ২ লাখ টাকা, কিন্তু সাজসজ্জা দেখে মনে হচ্ছে ১০ লাখ টাকার।
🎥 ফটোগ্রাফার ভাই এমনভাবে ছবি তুলছেন যেন কোনো সিনেমার শুটিং হচ্ছে। রুবিনার প্রতিটি হাসি, আমার প্রতিটি গর্বের মুহূর্ত - সব ধরে রাখছেন। ভিডিওগ্রাফিও এত প্রফেশনাল যে মনে হচ্ছে টিভির কোনো প্রোগ্রাম।
🚗 বরের বাড়ি থেকে যে সাজানো গাড়ি এসেছে, সেটা দেখে পাড়ার সবাই বাইরে বেরিয়ে এসেছে। গাড়িতে এত সুন্দর ফুলের কাজ, রিবনের কাজ যে মনে হচ্ছে কোনো রাজকুমার এসেছে আমার মেয়েকে নিয়ে যেতে।
🍽️ খাবারের কথা আলাদা। বিরিয়ানি, কোর্মা, পোলাও, রোস্ট, কাবাব - সব এত টেস্টি যে মেহমানরা বার বার প্লেট ভরছে। মিষ্টির ব্যবস্থাও দারুণ। কেউ অভিযোগ করার সুযোগ নেই।
কিন্তু আসল কথা এখানে নয়।
আসল কথা হলো, আমি যখন দেখলাম আমার রুবিনা লাল লেহেঙ্গা পরে স্টেজে বসে আছে, তার চোখে খুশির জল, আর আমার চোখেও।
আমি ভাবছিলাম, "হে আল্লাহ, আমার সাধ্য অনুযায়ী যতটুকু পেরেছি, ততটুকু দিয়েছি। আর বাকিটা তুমি সাহায্য করেছ।"
প্রিয় মা-বোনেরা,
আপনারা যারা মেয়ের বিয়ে নিয়ে চিন্তায় আছেন, যারা ভাবছেন "আমার সাধ্য কি হবে?", তাদের বলি - আমার মতো একজন সাধারণ মানুষের স্বপ্ন যদি সত্যি হতে পারে, আপনারও পারবে।
আমাদের দেশে সব ধর্মের, সব পেশার মানুষ আছে। কেউ মুসলিম, কেউ হিন্দু, কেউ খ্রিস্টান, কেউ বৌদ্ধ। কেউ ব্যবসায়ী, কেউ চাকরিজীবী, কেউ কৃষক। কিন্তু একটা জিনিস সবার এক - মেয়ের বিয়ে নিয়ে স্বপ্ন।
Flexi Service BD তে আমরা বুঝি:

একজন হিন্দু বাবার কন্যাদানের আবেগ
একজন মুসলিম আব্বুর নিকাহর মুহূর্তের গর্ব
একজন খ্রিস্টান ফাদারের Holy Matrimony এর আনন্দ
একজন বৌদ্ধ পিতার সংসার শুরুর আশীর্বাদ

আমাদের কাছে সব বিয়েই পবিত্র। সব স্বপ্নই সম্মানের।
🎪 আমাদের সার্ভিস সমূহ (সব বাজেটে):
💐 প্রিমিয়াম স্টেজ ডেকোরেশন:

আপনার ধর্ম ও পছন্দ অনুযায়ী থিম
দেশি-বিদেশি ফুলের অপূর্ব কাজ
লাইটিং যা মনে রাখার মতো
৫০ হাজার থেকে ৫ লাখ - সব বাজেটে ব্যবস্থা

📸 প্রফেশনাল ফটোগ্রাফি + সিনেমাটোগ্রাফি:

HD ভিডিও + ছবি
Same Day Editing (দ্রুত ছবি দেখতে চান?)
ড্রোন শুটিং (আকাশ থেকে দেখুন আপনার অনুষ্ঠান)
১০ বছর পর দেখেও কাঁদবেন আনন্দে

🚗 বিলাসবহুল গাড়ি ভাড়া:

সাজানো ব্রাইডাল কার
পারিবারিক গাড়ির ব্যবস্থা
AC বাস (অতিথিদের জন্য)
রাজার মতো আসা-যাওয়া

🍽️ মুখরোচক ক্যাটারিং:

দেশি খাবার (বিরিয়ানি, পোলাও, কোর্মা)
চাইনিজ আইটেম
মিষ্টি ও পানীয়
আপনার বাজেট = আমাদের প্ল্যানিং

⏰ ২৪/৭ কাস্টমার সাপোর্ট:

বিয়ের আগের দিন রাত ২টায় সমস্যা? আমরা আছি
বিয়ের দিন যেকোনো ইমার্জেন্সি? আমরা হ্যান্ডেল করব
বিয়ের পরেও ছবি-ভিডিও নিয়ে সাপোর্ট

💰 স্পেশাল অফার:

৮০ হাজার টাকার প্যাকেজ = পূর্ণাঙ্গ সার্ভিস
১ লাখ টাকার প্যাকেজ = প্রিমিয়াম সার্ভিস
২ লাখ+ = VIP ট্রিটমেন্ট
কাস্টমাইজড প্যাকেজ আপনার বাজেট অনুযায়ী

আমি রুবিনার আব্বু হিসেবে আপনাদের গ্যারান্টি দিচ্ছি - Flexi Service BD আপনার সাথে প্রতারণা করবে না। আপনার স্বপ্ন নিয়ে খেলা করবে না।
কারণ আমাদের কাছে আপনার মেয়ের বিয়ে মানে আমাদের নিজেদের বোনের বিয়ে।
যারা এখনও ভাবছেন, যাদের মন থেকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি, তাদের বলি - একবার আমাদের সাথে কথা বলুন। আপনার সমস্যা, আপনার চাহিদা, আপনার বাজেট - সব খুলে বলুন।
আমরা প্রমিস করছি, আপনি হতাশ হবেন না।
📞 যোগাযোগ করুন এখনই
💬 ফেসবুক মেসেজ করুন
🕐 কনসালটেশন টাইম: সকাল ৯টা থেকে রাত ১০টা (সপ্তাহের ৭ দিন)

#বাজেট_ফ্রেন্ডলি_বিয়ে #পূর্ণাঙ্গ_ওয়েডিং_সলিউশন #ড্রিম_ওয়েডিং_ঢাকা #প্রিমিয়াম_স্টেজ_ডেকোর #সিনেমাটিক_ওয়েডিং_ভিডিও #লাক্সারি_ব্রাইডাল_কার #ওয়ানস্টপ_ওয়েডিং_সার্ভিস

18/06/2025

আপনার অফিস/বাসা শিফটিং প্ল্যান চলছে?
এক্সপার্ট সাপোর্ট দরকার?
Flexi Service BD – অফিস মুভিংয়ে কর্পোরেট প্রফেশনালদের প্রথম পছন্দ।
📦 কম সময়, কম ঝামেলা

17/06/2025

স্মার্ট লোকেরা শুধু ফ্ল্যাট বা অফিস না, সার্ভিসও বেছে নেয় স্মার্টলি!
Flexi Service BD – ঢাকার যেকোন এলাকায় এখনো সেরা শিফটিং পার্টনার!
🎯 Flexi Service BD – অফিস মুভিংয়ে কর্পোরেট প্রফেশনালদের প্রথম পছন্দ।
📦 কম সময়, কম ঝামেলা
🚚 অফিস/হোম—উই কভার অল
📲 মেসেজ দিন আর শিফটিং স্ট্রেস বাদ দিন!

🌧️☀️ বৃষ্টি তো হচ্ছে, কিন্তু গরম কমছে কই? এসি চালিয়ে শান্তিও পাই না!এই বর্ষাকালে ঢাকায় যে গরমটা পড়ে, সেটা শুধু তাপ না — ...
11/06/2025

🌧️☀️ বৃষ্টি তো হচ্ছে, কিন্তু গরম কমছে কই? এসি চালিয়ে শান্তিও পাই না!

এই বর্ষাকালে ঢাকায় যে গরমটা পড়ে, সেটা শুধু তাপ না — সেটা ভ্যাপসা, ঘাম, আর বিরক্তির নাম।
আর সবচেয়ে কষ্টের কথা?
এসি চালিয়ে রাখলেও মনে হয় কাজ করছে না!

আমি নিজেই ভুক্তভোগী ছিলাম। এসি চালাই, কিন্তু ঠান্ডা আসে না, হালকা কুয়াশা হয় আর ভেতরটা গন্ধ করে। তারপর বুঝলাম—বৃষ্টি আসলেই এসি’র যত্ন নেওয়া সবচেয়ে জরুরি!

আজকে আমি আপনাদের সঙ্গে ৭টা আসল কারণ শেয়ার করছি, কেন এখনই এসি মাস্টার ক্লিনিং দরকার, বিশেষ করে এই বৃষ্টির দিনে ⤵️
১. বৃষ্টির পানি না কমায় গরম, বরং বাড়ায় ধুলাবালি!

👉 বাইরে থেকে আসা ভেজা ধুলা, ঘরের আদ্রতা, এগুলো এসির ভিতরে আটকে যায়।
🛠️ মাস্টার ক্লিনিং করলে ফিল্টার, ফ্যান, কনডেনসার সব পরিষ্কার হয় — ঠান্ডা হাওয়া ফেরে আগের মতোই!
২. ভেজা এসি = ব্যাকটেরিয়া-ছত্রাকের আস্তানা!

👉 ঠান্ডা বাতাসের বদলে আপনি পাচ্ছেন অ্যালার্জি, কাশি, আর বাচ্চাদের সর্দি।
🛠️ জীবাণুনাশক ক্লিনিংয়ে ফাঙ্গাস, গন্ধ আর অস্বাস্থ্যকর বাতাস থেকে মুক্তি!
৩. কাজ কম, বিল বেশি!

👉 ধুলায় বন্ধ হয়ে গেলে এসি ঠিকমতো ঠান্ডা করে না, শুধু বিদ্যুৎ টানে।
🛠️ মাস্টার ক্লিনিংয়ের পর কুলিং বাড়ে, আর বিদ্যুৎ বিল কমে যায়।
৪. রিমোট চাপলেও ঠান্ডা আসে না? সমস্যা ভিতরে!

👉 সেন্সর, ফিল্টার আর ফ্যান ঠিক না থাকলে আপনি যাই সেট করেন, এসি তার কাজ করে না।
🛠️ সার্ভিসিং করলে সবকিছু ক্যালিব্রেট হয়ে যায় — এক চাপেই ঠান্ডা বাতাস!
৫. ঘরের মেঝেতে পানি পড়ে?

👉 ড্রেন লাইন বা পাইপ জ্যাম হলে এই সমস্যা হয়।
🛠️ মাস্টার ক্লিনিংয়ে পাইপ-ড্রেন সব ক্লিয়ার — আর কোনো পানির ঝামেলা নেই।
৬. শব্দ করে বিরক্ত করছে?

👉 ময়লা জমলে ফ্যান আর মোটরে আওয়াজ করে।
🛠️ ক্লিনিং করলে এসি চলে নিঃশব্দে — শান্তিতে ঘুমাতে পারবেন।
৭. এসি’র আয়ু কমছে, আপনি টেরও পাচ্ছেন না!

👉 বছরের পর বছর পরিষ্কার না করলে এসি অকালে নষ্ট হয়।
🛠️ মাস্টার ক্লিনিং মানেই মেশিনের আয়ু আরও ৫-৬ বছর বাড়ানো।

💬 আমি নিজের ঘরের এসি ক্লিনিং করানোর পরই বুঝেছি – এতোদিন ঠান্ডা বাতাসের নামে গরম হাওয়া খাচ্ছিলাম!

👉 তাই বলছি, আপনি যদি এই বর্ষায় শান্তিতে থাকতে চান —
একবার প্রফেশনাল মাস্টার ক্লিনিং করিয়ে নিন।

📞 ইনবক্স করুন
📍 ঢাকা শহরে হোম সার্ভিস — বিশ্বস্ত টিম দিয়ে।
⏳ দ্রুত অ্যাপয়েন্টমেন্ট, ঝামেলামুক্ত পরিসেবা।

গরম থাকবে, বৃষ্টি থাকবে — কিন্তু আপনার ঘরে থাকবে ঠান্ডা, শান্তি আর স্বাস্থ্য। ইনশাআল্লাহ!

10/06/2025

🥵 কুরবানির ঈদের পর গন্ধ, ধুলোবালি আর অতিরিক্ত তাপমাত্রায় এসি যদি আগের মতো ঠাণ্ডা না দেয়, তাহলে বুঝে নিন AC সার্ভিসিং এখন আবশ্যক!
🌬️ বিশ্রামের ঘর হোক একদম ফ্রেশ – পরিবারের স্বাস্থ্য, স্বস্তি আর এনার্জির জন্য আজই সার্ভিস করান আপনার এসি!
✅ পাকা টেকনিশিয়ান | দ্রুত সেবা | বাজেট ফ্রেন্ডলি ✅
📞 ইনবক্স করুন এখনই!
#ঈদপরবর্তী_ফ্রেশলিভিং

#গরমে_স্বস্তিরনাম_এসি

10/06/2025

🥵 কুরবানির ঈদের পর গন্ধ, ধুলোবালি আর অতিরিক্ত তাপমাত্রায় এসি যদি আগের মতো ঠাণ্ডা না দেয়, তাহলে বুঝে নিন AC সার্ভিসিং এখন আবশ্যক!

🌬️ বিশ্রামের ঘর হোক একদম ফ্রেশ – পরিবারের স্বাস্থ্য, স্বস্তি আর এনার্জির জন্য আজই সার্ভিস করান আপনার এসি!

✅ পাকা টেকনিশিয়ান | দ্রুত সেবা | বাজেট ফ্রেন্ডলি ✅
📞 ইনবক্স করুন এখনই!

#ঈদপরবর্তী_ফ্রেশলিভিং

#গরমে_স্বস্তিরনাম_এসি

           🌙 ঈদ উল আযহা মোবারক! 🌙Flexi Service BD এর পক্ষ থেকে সবাইকে জানাই পবিত্র ঈদ-উল-আযহার আন্তরিক শুভেচ্ছা ও মোবারক...
06/06/2025







🌙 ঈদ উল আযহা মোবারক! 🌙
Flexi Service BD এর পক্ষ থেকে সবাইকে জানাই পবিত্র ঈদ-উল-আযহার আন্তরিক শুভেচ্ছা ও মোবারকবাদ। আল্লাহ আমাদের কুরবানিকে কবুল করুন এবং আমাদের জীবনে ত্যাগের শিক্ষা বাস্তবায়ন করার তাওফিক দিন। 🤲🏻

📖 রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:
"কিয়ামতের দিনে কুরবানির পশু তার শিং, লোম ও খুরসহ নিয়ে হাজির হবে, এবং কুরবানির রক্ত মাটিতে পড়ার আগেই তা আল্লাহর দরবারে পৌঁছে যায়।"
(তিরমিজি, হাদীস: ১৪৯৩)

🚨 বিশেষ ঘোষণা:
আলহামদুলিল্লাহ! আমরা আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে, Flexi Service BD-এর ঈদের ১ম দিনের সমস্ত কুরবানির জবাই সার্ভিসের বুকিং ইতিমধ্যেই সম্পূর্ণ হয়ে গেছে!

যারা এখনো আমাদের কল করছেন ও খোঁজ নিচ্ছেন, অনুগ্রহ করে বিষয়টি জেনে রাখুন – ১ম দিনের জন্য আর কোনো বুকিং নেওয়া সম্ভব নয়।

🎁 তবে দুশ্চিন্তার কিছু নেই!
যারা ঈদের ২য় দিনে কুরবানি করতে চান, তাদের জন্য রয়েছে Flexi Service BD এর পক্ষ থেকে স্পেশাল ঈদ অফার!
বিশ্বস্ত, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন ও পেশাদার কুরবানি সার্ভিস – এখন আরও সাশ্রয়ী মূল্যে।

📞 বুকিং দিতে ইনবক্স করুন অথবা কল করুন এখনই!
⏰ স্লট সীমিত – আগেই নিশ্চিত করুন আপনার জায়গা।

🤝 Flexi Service BD – Move Expert, Choose Expert.
আপনার কুরবানির ত্যাগ যেন হয় নিখুঁত, সঠিক ও সওয়াবের উপযোগী – সেটাই আমাদের অঙ্গীকার।






















































04/06/2025

গাবতলী হাটে গেলে এখন আর আগের মতো “ভাই দাম কত?” বলে কেউ আপনার সঙ্গে খেলা শুরু করে না। এখন তারা আপনাকেই মনে করিয়ে দেয়, আপনি যেন দালালের গেম বুঝতেই না পারেন।

চলুন দেখে নিই এই নতুন যুগের দালাল সিন্ডিকেটের ৭টা ভয়ংকর টেকনিক – আর আপনি কীভাবে এই ফাঁদ ফাটাবেন।
🎭 ১. ভুয়া মালিক, আসল অভিনয়

দালাল এখন গরুর পাশে একটা “ভাই” বসিয়ে রাখে। মুখে টুপি, চেহারায় ক্লান্তি। বলবে: “ভাই আমি রাজশাহী থেকে আনছি, নিজের পালিত।”
➡️ আপনি ভাববেন আসল মালিক।

🧠 ভাঙার টিপস:
তিনটা প্রশ্ন করুন – গরুর খাওয়ানোর রুটিন, কয় মাস বয়স, কোন গ্রামে লালন করা হয়েছে। আসল মালিক ১০০% পারবে, দালাল গুলিয়ে যাবে।
💰 ২. দুই দামে খেলা: আপনি দেখছেন এক, শুনছেন আরেক

দালাল আগে থেকেই আরেক ক্রেতার মতো লোক রেখে দেয়, সে গরু দেখে, দাম বলার ভান করে।
➡️ আপনি চাপ খাচ্ছেন: “ভাই না কিনলে নিয়ে নেবে।”

🧠 ভাঙার টিপস:
চুপচাপ অন্য পাশে গিয়ে দাঁড়ান। ৫ মিনিট দেখুন, সেই “ক্রেতা” আর থাকলো না, বা আবার অন্য গরু দেখছে কিনা। সিন্ডিকেট স্পট হবে।
🔗 ৩. বিকাশে "সিন্ডিকেট অ্যাকাউন্ট"

টাকা নেওয়ার সময় বলে, “এই নাম্বারে বিকাশ দেন, আমার বড় ভাইয়ের।”
➡️ আসলে দালালের নাম্বার। পরে আর কাউকে পাবেন না।

🧠 ভাঙার টিপস:
বিকাশ নাম্বারে “Send Money” দিয়ে আগে নাম দেখুন। গরুর মালিককে বলুন, “ভাই, আইডি দিন – নাম মিলিয়ে বিকাশ দিবো।” ৯০% দালাল এখানেই ব্যাকফুটে চলে যায়।
🎬 ৪. “নাটকীয় মালিক রাগ” স্ক্রিপ্ট

দরদামে একটু কম বললেই পাশ থেকে কেউ বলবে: “ভাই মালিক রেগে গেছে, এখন আর দামে হবে না।”
➡️ আপনি ভয় পান, দালালের নাটকে ইনভেস্ট করেন।

🧠 ভাঙার টিপস:
শুধু বলুন: “ঠিক আছে, রাগ করলে যান – আমি ভিডিও করে রাখছি মালিকের কথা।” দালালরা নাটক থামাবে।
📸 ৫. ভুয়া আগ্রহী ভিড়

এক গরুর পাশে ৫-৬ জন দাঁড়িয়ে থাকে “কিনবে কিনবে” এমন ভান করে।
➡️ আপনি ভাবেন, “ভালো গরু – আগে কিনি।”

🧠 ভাঙার টিপস:
যত দামই হোক, একটু ঘুরে আবার ঐ গরুর পাশে যান। দেখবেন, সেই লোকগুলো আর নাই – এটাই স্ক্রিপ্ট।
✅ তাহলে আপনি করবেন কী?

১. 🎥 ভিডিও রেকর্ড অন রাখুন – মালিকের পরিচয় সহ।
২. 📄 আইডি কার্ড বা এনআইডি দিয়ে যাচাই করুন।
3. 📱 বিকাশ নাম ও মালিকের নাম ১০০% মিলিয়ে নিন।
4. 👬 দুইজন মিলে যান – একজন দরদাম করুন, একজন পর্যবেক্ষণ করুক।
5. 🧠 একটু “উল্টা প্রশ্ন” করুন – দালাল গুলাবে, মালিক স্মার্ট উত্তর দিবে।



































#গরুকাটা (gorukata)

#কোরবানিসেবা (qurbaniseba)

#ঢাকা (dhaka)

#কোরবানি (qurbani)

#গরু (goru)

#কসাই (kasai)

#কোরবানিরগরু (qurbanirgoru)

#কোরবানিরমাংস (qurbanirmangsho)

ঈদুল আযহার প্রকৃত শিক্ষাহযরত ইবরাহিম (আ.) এর ত্যাগের মহান আদর্শ এবং আমাদের বর্তমান অবস্থাধানমন্ডির বাইতুল মামুর জামে মসজ...
01/06/2025

ঈদুল আযহার প্রকৃত শিক্ষা
হযরত ইবরাহিম (আ.) এর ত্যাগের মহান আদর্শ এবং আমাদের বর্তমান অবস্থা

ধানমন্ডির বাইতুল মামুর জামে মসজিদে জুমার নামাযের পর
মুয়াযযিন সাহেব মাইকে ঘোষণা দিচ্ছিলেন, "আগামীকাল পবিত্র ঈদুল আযহা। সবাই নিজ নিজ পশু কোরবানির ব্যবস্থা সম্পন্ন করুন।"
মসজিদের বাইরে দাঁড়িয়ে থাকা রফিক সাহেব তার বন্ধু করিম সাহেবকে বললেন, "এই যে করিম ভাই, এবার কোন গরু কিনবেন? দাম তো আকাশ ছোঁয়া!"
করিম সাহেব গভীর নিঃশ্বাস ফেলে বললেন, "কী আর করব ভাই! পাড়ার সবাই কোরবানি দেয়, তাই আমাকেও দিতে হবে। তবে সত্যি কথা বলতে কি, এই কোরবানির আসল অর্থ কী সেটা ভালো করে জানি না। শুধু জানি যে আমাদের পূর্বপুরুষরা করতেন, তাই আমরাও করি।"
এই কথা শুনে মসজিদের ইমাম সাহেব, হাফেজ আবদুল্লাহ তাদের কাছে এগিয়ে এলেন। তিনি একজন বিজ্ঞ আলেম এবং কুরআন-হাদিসের গভীর জ্ঞান রাখেন।
"আসসালামু আলাইকুম ভাইয়েরা," ইমাম সাহেব বললেন। "করিম ভাইয়ের কথা শুনলাম। আপনারা কি চান যে আমি ঈদুল আযহার প্রকৃত ইতিহাস এবং তাৎপর্য বলি?"
দুজনেই আগ্রহের সাথে বললেন, "জী হ্যাঁ, ইমাম সাহেব! অবশ্যই শুনতে চাই।"

হযরত ইবরাহিম (আ.) এর মহান পরীক্ষা
ইমাম সাহেব বসে পড়লেন এবং শুরু করলেন:
"ভাইয়েরা, আজ থেকে প্রায় চার হাজার বছর আগের কথা। হযরত ইবরাহিম (আ.) ছিলেন আল্লাহর একজন মনোনীত বান্দা এবং নবী। তিনি সারা জীবন আল্লাহর পথে ত্যাগ স্বীকার করেছেন।
আল্লাহ তায়ালা পবিত্র কুরআনে বলেছেন:
'যখন তিনি (ইবরাহিম) তার প্রতিপালকের কাছে নিবেদন করলেন একটি পবিত্র অন্তর নিয়ে।' (সূরা আস-সাফ্ফাত: ৮৪)
ইবরাহিম (আ.) এর বয়স যখন ৮৬ বছর, তখন আল্লাহ তাকে একটি পুত্র সন্তান দান করলেন - হযরত ইসমাইল (আ.)। কী আনন্দের ছিল সেই মুহূর্ত! বার্ধক্যে পাওয়া এই সন্তানের জন্য তার অন্তর ছিল কৃতজ্ঞতায় ভরপুর।"
রফিক সাহেব বললেন, "তাহলে তো খুব খুশি ছিলেন তিনি।"
"হ্যাঁ, অবশ্যই। কিন্তু আল্লাহর পরীক্ষা ছিল আরও কঠিন," ইমাম সাহেব চালিয়ে গেলেন।

স্বপ্নের মাধ্যমে আল্লাহর নির্দেশ
"যখন ইসমাইল (আ.) বড় হয়ে তার বাবার সাথে চলাফেরা করার মতো বয়স হলো, তখন একদিন ইবরাহিম (আ.) একটি স্বপ্ন দেখলেন। স্বপ্নে তিনি দেখলেন যে তিনি তার প্রিয় পুত্রকে আল্লাহর নামে কোরবানি দিচ্ছেন।
নবীদের স্বপ্ন হলো ওহী। এটা আল্লাহর পক্ষ থেকে নির্দেশ। কুরআনে আল্লাহ বলেছেন:
'যখন সে (ইসমাইল) তার সাথে চলাফেরা করার বয়সে পৌঁছাল, তখন ইবরাহিম বলল: হে আমার প্রিয় পুত্র! আমি স্বপ্নে দেখেছি যে আমি তোমাকে কোরবানি করছি। এখন তুমি ভেবে দেখ, তোমার মতামত কী?' (সূরা আস-সাফ্ফাত: ১০২)
ভাবুন তো, একজন বাবার জন্য এর চেয়ে কঠিন পরীক্ষা আর কী হতে পারে? নিজের প্রাণপ্রিয় পুত্রকে, যার জন্য সারা জীবন অপেক্ষা করেছেন, তাকেই আল্লাহর নামে কোরবানি দিতে হবে!"
করিম সাহেবের চোখে পানি এসে গেল। "তাহলে তিনি কী করলেন?"

পিতা-পুত্রের অভূতপূর্ব আত্মসমর্পণ
"ইবরাহিম (আ.) তার পুত্রের কাছে গিয়ে পুরো বিষয়টি খুলে বললেন। আর দেখুন ইসমাইল (আ.) কী উত্তর দিলেন:
'সে (ইসমাইল) বলল: হে আমার পিতা! আপনাকে যা আদেশ করা হয়েছে তা পালন করুন। আল্লাহ চাইলে আপনি আমাকে ধৈর্যশীলদের মধ্যে পাবেন।' (সূরা আস-সাফ্ফাত: ১০২)
কী অভূতপূর্ব দৃশ্য! একজন কিশোর তার বাবাকে বলছে, 'বাবা, আল্লাহর নির্দেশ পালন করুন। আমি প্রস্তুত।'
এরপর পবিত্র কুরআনে আল্লাহ বলেছেন:
'অতঃপর যখন তারা উভয়ে আত্মসমর্পণ করল এবং ইবরাহিম তাকে কপালের উপর শায়িত করল।' (সূরা আস-সাফ্ফাত: ১০৩)
এই 'আত্মসমর্পণ' শব্দটি খেয়াল করুন ভাইয়েরা। এটাই হলো 'ইসলাম'। পূর্ণ আত্মসমর্পণ আল্লাহর কাছে।"

আল্লাহর রহমত এবং মুক্তি
"কিন্তু আল্লাহ তো দয়ালু। তিনি প্রকৃতপক্ষে ইবরাহিম (আ.) থেকে তার পুত্রকে নিয়ে নিতে চাননি। তিনি শুধু দেখতে চেয়েছিলেন যে ইবরাহিম (আ.) সত্যিই আল্লাহর জন্য সবকিছু ত্যাগ করতে প্রস্তুত কিনা।
পবিত্র কুরআনে আল্লাহ বলেছেন:
'আর আমি তাকে ডেকে বললাম: হে ইবরাহিম! তুমি স্বপ্নকে সত্য করে দেখিয়েছ। আমি এভাবেই সৎকর্মশীলদের পুরস্কৃত করে থাকি।' (সূরা আস-সাফ্ফাত: ১০৪-১০৫)
'আর আমি তার (ইসমাইলের) পরিবর্তে এক মহান কোরবানি (একটি দুম্বা) দিলাম।' (সূরা আস-সাফ্ফাত: ১০৭)
এভাবেই আল্লাহ ইবরাহিম (আ.) এর ত্যাগের পরীক্ষা নিলেন এবং তাকে সফল করলেন।"

হাদিসে কোরবানির গুরুত্ব
ইমাম সাহেব একটু থামলেন, তারপর বললেন:
"রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন:
'কোরবানির দিন আদম সন্তান এমন কোনো আমল করে না যা আল্লাহর কাছে রক্ত প্রবাহিত করা (কোরবানি) অপেক্ষা অধিক প্রিয়।' (তিরমিজি)
আরেকটি হাদিসে এসেছে:
'যে ব্যক্তি সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও কোরবানি করে না, সে যেন আমাদের ঈদগাহের কাছেও না আসে।' (ইবনে মাজাহ)
কিন্তু মনে রাখবেন, শুধুমাত্র পশু কোরবানি করলেই হবে না। আসল কথা হলো আল্লাহর কাছে পৌঁছায় আমাদের তাকওয়া, আমাদের আত্মসমর্পণ।
কুরআনে আল্লাহ স্পষ্ট করে বলেছেন:
'আল্লাহর কাছে ওগুলোর মাংস পৌঁছায় না এবং রক্তও পৌঁছায় না, কিন্তু তাঁর কাছে পৌঁছায় তোমাদের তাকওয়া।' (সূরা হজ: ৩৭)"

আমাদের বর্তমান অবস্থা - একটি বেদনাদায়ক চিত্র
ইমাম সাহেব একটু গম্ভীর হয়ে বললেন:
"কিন্তু আফসোসের বিষয় হলো, আজকাল আমাদের ঢাকা শহরে, এমনকি পুরো বাংলাদেশেই অনেকে কোরবানির প্রকৃত শিক্ষা ভুলে গেছেন।
দেখুন আমাদের চারপাশে কী হচ্ছে:
১. প্রদর্শনীর জন্য কোরবানি: অনেকে কোরবানি দেন শুধুমাত্র সমাজে নিজের অবস্থান দেখানোর জন্য। কে কত বড় গরু কিনল, কার গরু কত দামি - এই নিয়ে প্রতিযোগিতা চলে। ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে লাইক সংগ্রহ করা হয়।
২. ঋণ করে কোরবানি: অনেকে ঋণ করে, এমনকি সুদী ঋণ নিয়েও কোরবানি দেন শুধুমাত্র সামাজিক মর্যাদার জন্য। অথচ ইসলামে সুদ হারাম। আবার অনেকে জাকাত না দিয়ে কোরবানি দেন।
৩. আত্মত্যাগের অভাব: আমরা পশু কোরবানি দিই, কিন্তু নিজেদের অহংকার, রাগ, পাপাচার কোরবানি দিই না। ঈদের দিনও অনেকে মিথ্যা বলেন, ধোকাবাজি করেন।
৪. গরিবদের হক নষ্ট: কোরবানির মাংস বিতরণের সময় অনেকে গরিবদের প্রাপ্য অংশ সঠিকভাবে দেন না। নিজেদের বন্ধু-বান্ধবদের মধ্যেই বিতরণ করেন।
৫. পরিবেশ নষ্ট: রাস্তায় যেখানে সেখানে পশু জবাই করে পরিবেশ নষ্ট করা হয়। ড্রেনে রক্ত-নাড়িভুঁড়ি ফেলা হয়। অথচ ইসলাম পরিচ্ছন্নতা এবং পরিবেশ রক্ষার কথা বলে।
৬. পারিবারিক বিভেদ: ঈদের দিনও অনেক পরিবারে ঝগড়া-বিবাদ লেগে থাকে। কোরবানির খরচ নিয়ে, মাংস বিতরণ নিয়ে দ্বন্দ্ব হয়।"
করিম সাহেব লজ্জিত হয়ে বললেন, "আমিও তো এভাবেই ভাবতাম যে কোরবানি দিলেই হলো।"

প্রকৃত কোরবানির শিক্ষা
ইমাম সাহেব সান্ত্বনার স্বরে বললেন:
"করিম ভাই, লজ্জা পাওয়ার কিছু নেই। আমরা শিখতে এসেছি। এখন দেখুন প্রকৃত কোরবানি কী:
১. আত্মার কোরবানি: প্রথমে আমাদের খারাপ স্বভাব, অহংকার, লোভ, হিংসা, রাগ - এগুলো কোরবানি দিতে হবে। যেমন আল্লাহ বলেছেন: 'যে নিজের মনের কুপ্রবৃত্তি থেকে বিরত থাকল, জান্নাতই তার আবাস।' (সূরা নাজিয়াত: ৪০-৪১)
২. আল্লাহর জন্য ত্যাগ: যেমন ইবরাহিম (আ.) তার সবচেয়ে প্রিয় বস্তু কোরবানি দিতে প্রস্তুত ছিলেন, তেমনি আমাদেরও আল্লাহর জন্য আমাদের প্রিয় জিনিস ত্যাগ করার মানসিকতা থাকতে হবে। হয়তো সেটা অতিরিক্ত ঘুম, মোবাইল আসক্তি, কিংবা অন্যায় উপার্জন।
৩. গরিবদের সেবা: কোরবানির মাংসের এক-তৃতীয়াংশ গরিব-দুঃখীদের মধ্যে বিতরণ করতে হবে। এটা তাদের হক। রাসূল (সা.) বলেছেন: 'তোমরা খাও, খাওয়াও এবং সংরক্ষণ করো।' (বুখারি)
৪. পারিবারিক বন্ধন: ঈদের দিন আত্মীয়স্বজনদের সাথে দেখা করা, সম্পর্ক মজবুত করা। বিশেষ করে যাদের সাথে সম্পর্কে ভাঙন আছে, তাদের সাথে মিলিত হওয়া।
৫. সামাজিক দায়বদ্ধতা: আমাদের সমাজের যারা পিছিয়ে পড়া, তাদের প্রতি দায়িত্ব পালন করা। প্রতিবেশীদের খোঁজ নেওয়া।
৬. আল্লাহর স্মরণ: এই দিনে বেশি বেশি তাকবীর পাঠ করা। আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার ওয়া লিল্লাহিল হামদ।"

একটি হৃদয়স্পর্শী ঘটনা
ইমাম সাহেব বললেন:
"গত বছর আমাদের এলাকায় একটি ঘটনা ঘটেছিল। রহিম সাহেব নামে একজন ব্যবসায়ী প্রতি বছর বড় বড় গরু কিনে কোরবানি দিতেন। সবাই তার প্রশংসা করত। কিন্তু গত বছর তার ব্যবসায় লোকসান হলো। তিনি একটি ছোট ছাগল কিনলেন।
পাড়ার কিছু লোক তাকে নিয়ে হাসাহাসি করল। 'এই বছর রহিম ভাইয়ের অবস্থা খারাপ, তাই ছাগল কিনেছেন' - এমন কথা শুনতে পেলেন তিনি।
কিন্তু রহিম সাহেব সেই ছাগলের মাংসের দুই-তৃতীয়াংশ গরিব পরিবারগুলোর মধ্যে বিতরণ করে দিলেন। তার নিজের পরিবারের জন্য রাখলেন খুবই সামান্য। আমি নিজে দেখেছি, তিনি রাতের অন্ধকারে চুপচাপ গরিব পরিবারগুলোর দরজায় মাংস পৌঁছে দিয়েছেন।
আল্লাহর কাছে কোন কোরবানি অধিক গ্রহণীয় হলো? বড় গরু কোরবানিদাতাদের নাকি রহিম সাহেবের?
রাসূল (সা.) বলেছেন:
'নিশ্চয় আল্লাহ তোমাদের শরীর ও ধন-সম্পদের দিকে তাকান না, বরং তিনি তাকান তোমাদের অন্তর ও আমলের দিকে।' (মুসলিম)"

আরেকটি মর্মস্পর্শী ঘটনা
"এই বছরের শুরুতে আমাদের মসজিদে একটি ঘটনা ঘটল। সাকিব নামে একটি ছেলে আমার কাছে এসে বলল, 'ইমাম সাহেব, আমার বাবা আমাকে অনেক মারধর করেন। তিনি মদ খান, জুয়া খেলেন। কিন্তু ঈদে কোরবানি দেন। এটা কি ঠিক?'
আমি ছেলেটিকে বুঝিয়ে বললাম যে, কোরবানি দেওয়া ভালো কাজ, কিন্তু একসাথে পাপ কাজ করলে সেই কোরবানি আল্লাহর কাছে কবুল হয় না।
পরে আমি সাকিবের বাবার সাথে কথা বললাম। তাকে বললাম, 'ভাই, আপনি কোরবানি দিয়ে আল্লাহর নৈকট্য চান, অথচ একই সাথে তাঁর অবাধ্যতাও করেন। এটা তো ইবরাহিম (আ.) এর শিক্ষার বিপরীত।'
আল্লাহর রহমতে সেই ভাই এখন নিয়মিত নামায পড়েন, মদ-জুয়া ছেড়ে দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, 'এবার আমি প্রকৃত কোরবানি দিয়েছি - নিজের খারাপ অভ্যাসগুলো কোরবানি দিয়েছি।'"

আমাদের করণীয়
ইমাম সাহেব উপদেশের সুরে বললেন:
"ভাইয়েরা, এই ঈদুল আযহায় আসুন আমরা প্রকৃত কোরবানির শিক্ষা গ্রহণ করি:
১. নিয়্যত শুদ্ধ করি: শুধুমাত্র আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য কোরবানি দিই, প্রদর্শনীর জন্য নয়। রাসূল (সা.) বলেছেন: 'সমস্ত কাজ নিয়্যতের উপর নির্ভরশীল।' (বুখারি)
২. সামর্থ্য অনুযায়ী: যার যেমন সামর্থ্য, সেভাবে কোরবানি দিই। ঋণ করে বা সুদ নিয়ে কোরবানি দেওয়া ঠিক নয়। আল্লাহ বলেছেন: 'আল্লাহ কাউকে তার সাধ্যের অতিরিক্ত দায়িত্ব দেন না।' (সূরা বাকারা: ২৮৬)
৩. আত্মশুদ্ধি: পশু কোরবানির পাশাপাশি নিজেদের মনের পশুত্বও কোরবানি দিই। রাগ, হিংসা, অহংকার, লোভ - এগুলো ত্যাগ করি।
৪. গরিবদের হক: কোরবানির মাংস সঠিকভাবে তিন ভাগে বিতরণ করি - এক ভাগ নিজের পরিবারের জন্য, এক ভাগ আত্মীয়-স্বজনের জন্য, এক ভাগ গরিব-দুঃখীদের জন্য।
৫. পরিবেশ রক্ষা: নিয়মতান্ত্রিকভাবে এবং পরিচ্ছন্ন জায়গায় কোরবানি করি। রাসূল (সা.) বলেছেন: 'পরিচ্ছন্নতা ঈমানের অংশ।' (মুসলিম)
৬. পারস্পরিক ভালোবাসা: ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবার সাথে ভালো ব্যবহার করি। প্রতিবেশীদের খোঁজ নিই, এমনকি তারা অমুসলিম হলেও।
৭. আত্মীয়তার বন্ধন: ঈদের দিন সবার সাথে দেখা করি। যাদের সাথে সম্পর্ক খারাপ, তাদের সাথে মিলিত হওয়ার চেষ্টা করি।
৮. তাওবা ও ইস্তিগফার: এই পবিত্র দিনে আল্লাহর কাছে তাওবা করি। অতীতের পাপের জন্য ক্ষমা চাই।"

#ঈদের_কসাই_সার্ভিস
#গরু_কাটার_কসাই
#গরু_প্রেমী
#কোরবানির_দায়িত্ব
#সেরা_কসাই_ঢাকা





#কোরবানির_যত্ন
#গরুর_সেবা
#ঢাকায়_কসাই
#কোরবানির_স্মার্ট_সার্ভিস
#কোরবানির_কসাই
#কসাই_সার্ভিস_ঢাকা
#কোরবানির_গরু_কাটার_লোক
#কসাই_দরকার
#প্রফেশনাল_কসাই

 #কোরবানির_কসাই   #কসাই_সার্ভিস_ঢাকা   #কোরবানির_গরু_কাটার_লোক   #কসাই_দরকার   #প্রফেশনাল_কসাইসারাদেশের গরুর হাটের তালিক...
01/06/2025

#কোরবানির_কসাই
#কসাই_সার্ভিস_ঢাকা
#কোরবানির_গরু_কাটার_লোক
#কসাই_দরকার
#প্রফেশনাল_কসাই
সারাদেশের গরুর হাটের তালিকা ----

(ভূল সংশোধন করে এবং কমেন্টে নতুন হাটের নাম যুক্ত করে তালিকাটি সমৃদ্ধ করুন)।

গরু বেচাকেনার জন্য হাটের কোন বিকল্প নাই। হাটের ঠিকানা এবং কোথায় কেমন গরু পাওয়া যায়, এটা নিয়ে অনেকেই সমস্যায় পড়েন। তাদের জন্য এই লেখাটি উপকারে আসবে . . .

#কোথায়_কোন_গরু : ---

(১) আপনার বাজেট যদি ৩৫-৪০ হাজার টাকার মধ্যে হয় তাহলে আপনি কুড়িগ্রামের ভুরুংগামারী, নাগেশ্বরী, যাত্রাপুরা, লালমনিরহাটের বড়বাড়ী হাট থেকে নিতে পারেন। এখানকার বেশীরভাগ বাছুর লাল খুব সুন্দর কিন্তু ১২ থেকে ১৮ মাস মেয়াদী প্রজেক্ট হলে ওখান থেকে বাছুর কিনা ভাল।

(২) আপনি যদি ৫০-৫৫ হাজার টাকার মধ্যে শাহীওয়াল ষাড় কিনতে চান তাহলে বগুড়ার বুড়িগন্জ, ঘোড়াধাপ, মহাস্থান, ডাকুমারা, জয়পুরহাট, পাবনার চতুর্বাজার।

(৩) বাজেট যদি ৫৫ হাজার টাকার উপরে হয়, তাহলে অবশ্যই চুয়াডাংগার আলমডাঙ্গার, বালিয়াপাড়া হাট।

(৪) শুধু গাভীন গাভী কিনতে চাইলে বগুড়ার দুপচাচিয়া থানার ধাপের হাট উত্তম।প্র‌তি র‌বিবার ও বৃহঃস্প‌তি বার।

(৫) শুধু ইন্ডিয়ান বলদ ও নেপালী বড় বড় গরু কিনতে চাইলে অবশ্যই বেনাপোলের পুটখালী এবং সাতক্ষীরার বৈখালী যেতে হবে।

(৬) যদি দেশী লাল বলদ গরু কিনতে চান তাহলে প্রতি শনিবার জয়পুরহাট।

(৭) যদি শুধু দেশী বাছুর কিনতে চান তাহলে যেতে হবে চাঁপাই এর সোনাইচন্ডী ও তর্তিপুর হাট।

(৮) মহিষ কিনতে হলে চুয়াডাংগার আলমডাঙ্গা এবং চাঁপাই এর সোনাইচন্ডী হাট এবং মৌলভিবাজারের হাট সমুহ৷

(৯) যদি শুধু অষ্টেলিয়ান এবং ক্রস বাছুর কিনতে চান তাহলে পাবনার ঈশ্বরদীর অরনখোলার হাট। পুরা হাট ভরা শুধু ক্রস বাছুর।

(১০) ইন্ডিয়ান বলদ এবং বড় ষাড় গরুর জন্য রাজশাহীর সিটি হাট। যশোরের সাতমাইল ভাল গরু আগে উঠত কিন্তু এখন আগের রমরমা অবস্থা নাই।

(১১) কেউ যদি দেশী জাতের খাটো বুট্টী টাইপের গরু কিনতে চান তাহলে অবশ্যই দিনাজপুর এবং রংপুর এর হাট গুলো থেকে সংগ্রহ করতে হবে। এই জাতের গরুর খামার খুব লাভবান কারন ২-৩ মাসের মধ্যে গরু বিক্রয় উপযোগী হয়ে যায়, খাবার কম লাগে, তাদের মুখে অনেক রুচি, রোগবালাই হয় না বললেই চলে, মধ্যবিও যারা একা কোরবানী দেয় তাদের জন্য। আমি প্রতি বৎসর ঈদের ২-৩ মাস আগে ১ গাড়ী নিয়ে আসি অল্প লাভ। কিন্তু ৩ মাসের বেশী পুষলে লস কারন এগুলো সাইজে খুব বেশি বড় হয় না।

(১২) RCC Cow কিনতে হলে যেতে হবে চট্টগ্রাম এর সাতকানিয়া, আনোয়ারা উপজেলায়। এই জাতটা দীর্ঘমেয়াদের জন্যে ভাল।

#হাটের_তালিকা :-------

#বৃহত্তর_চট্টগ্রাম :---

১. বিবিরহাট, শনি ও মঙ্গলবার।
২. সাগরিকা, বৃহস্পতি ও সোমবার।
৩. হাটহাজারী স্টেশন বাজার, বৃহস্পতিবার।
৪. মিরসরাই মিঠাচরা বাজার, বৃহস্পতিবার।
৫. সীতাকুণ্ড থানার ফকির হাঠ, বুধবার।
৬. রাংগুনিয়া রানীর হাট, শনি মংগল।
৭. রাংগুনিয়া রোয়াজার হাট, সোম শুক্রবার।
৮. রাংগুনিয়া পদুয়া বাজার, প্রতি বৃহস্পতিবার।
৯. বাগিচাহাট,চন্দনাইশ, সোমবার ও শুক্রবার।
১০. থানা হাট, পটিয়া, সোমবার ও শুক্রবার।
১১. কেরানিহাট, রবিবার ও বুধবার।
১২. আনোয়ারা সরকার হাট, সোম শুক্রবার।
১৩. কক্সবাজারের চকরিয়ার ইলিশিয়া হাট, প্রতি রবি ও বৃহস্পতিবার।
১৪. রামদাশ মুন্সির হাট বাঁশখালি, রবি ও বৃহস্পতিবার।
১৫. রাংগুনিয়া রাণি হাট, শনি ও মঙ্গলবার।
১৬. কাওখালি বাজার, বৃহস্পতিবার ও সোমবার (সকাল বেলা)।
১৭. খিরাম বাজার ফটিকছড়ি, রবি ও বৃহস্পতিবার।(ভোর থেকে ১১/১২ টা পর্যন্ত।
১৮. নাজিরহাট বাজার, শনিবার ও মঙ্গলবার।
১৯. মাইনি বাজার রাংগামাটি, শনিবার ভোর বেলা।
২০. শুভলং বাজার রাংগামাটি, শনিবার।
২১. রামগড় বাগান বাজার, শুক্রবার।
২২. গুইমারা বাজার, মঙ্গলবার।
চিকনছড়া বাজার, মঙ্গলবার।
২৩. বান্দরবান লামা বাজার, মঙ্গলবার ও শনিবার।
২৪. চন্দনাইশের বৈলতলী, খোদার হাট, রবিবার ও বুধবার।
( সৌজন্যে : খামারী শাতিল রহমান)

#সারা_দেশ:-----

১. টাঙ্গাইলের মির্জাপুর দেওহাটায় প্রতি মঙ্গলবারে বড় গরুর হাট বসে। উন্নত জাতের গাভী এবং বাছুর পাওয়া যায় এই হাটে ।

২. কুমিল্লার চান্দিনা হাট। শনি ও মঙ্গালবার হাট বসে। ষাঁড় গরু বেশী উঠে।

৩. লক্ষ্মীপুর জেলার রামগঞ্জ হাট। সোনাপুর হাট। অনেক দেশী গরু পাওয়া যায়।

৪. মিটাপুকুর থানা, জেলা রংপুর, বৈরাতি হাট, বিশাল গরুর হাট। হাটবার শনিবার মঙ্গলবার, বেশীরভাগ দেশী গরু পাওয়া যায়।

৫. চাপারহাট। প্রতি সোম এবং শুক্রবার বসে। দেশী গরু ভালো পাওয়া যায়।

৬. গাজীপুর কাপাসিয়া থানা আমরাইদ হাট। প্রতি মঙ্গলবার বসে।

৭. রাজবাড়ী জেলা প্রতি রবি ও বৃহঃস্প‌তি বার বিশাল গরুর হাট।

৮. গোবিন্দগঞ্জ (গোলাপবাগ) হাট প্রতি রবি ও বৃহস্পতিবার হাট। দেশি বিদেশি গরু পাওয়া যায়।

৯. ঢাকার আশুলিয়া হাট। প্রতি বুধবার বসে। ভালো দেশী ও ক্রস ষাড় পাওয়া যায়।

১০. নাটুয়ারপাড়া হাট। হাটবার প্রতি সপ্তাহের শনিবার। সব ধরনের গরু পাওয়া যায়।

১১. ঝিনাইদহ জেলার ভাটই বাজার, প্রতি রবিবার বসে। দেশি গরু পাওয়া যায়।

১২. নেত্রকোনার সিধলি বাজার, শুধুমাত্র সোমবার , অনেক দেশি গরু পাওয়া যায় ৷

১৩. সুনামগঞ্জ জেলার ধরমপাশায় বিশাল হাট। হাটবার প্রতি বৃহস্পতিবার। নেত্রকোনা থেকে ৩২ কিলোমিটার দূরে।

১৪. হবিগঞ্জের মাধবপুরের কেশবপুরবহাট। প্রতি সোমবার বসে। দেশী গরু ভালো পাওয়া যায়।

১৫. জংলী শীবপুর হাট, রায়পুরা, নরসিংদী জিলা। প্রতি রবিবার বসে। দেশী গরু ভালো পাওয়া যায়।

১৬. বেলাবো হাট, নরসিংদী জেলা। প্রতি শুক্রবার বসে। মুলত দেশী গরু পাওয়া যায়।

১৭. নারায়নপুর হাট, বেলাবো, নরসিংদী। প্রতি শনি ও মঙ্গলবার বসলেও গরুর হাট কেবল মঙ্গল বার বসে।

১৮. পোড়াদিয়া হাট, বেলাবো, নরসিংদী জেলা। প্রতি বৃহস্পতিবার বসে। দেশী গরু ভালো পাওয়া যায়।

১৯. শ্রীরামপুর হাট, রায়পুরা, নরসিংদী জেলা। প্রতি সোমবার বসে। দেশী গরু ভালো পাওয়া যায়।

২০. কুষ্টিয়ার ভাদালিয়া হাট। প্রতি শনিবার বসে। দেশী ও ইন্ডিয়ান গরু পাওয়া যায়।

২১. সিরাজগঞ্জের শালুয়াভিটা হাট। প্রতি মঙ্গলবার বসে। দেশী ও ক্রস গরু পাওয়া যায়।

২২. চান্দাইকোনা হাট, রায়গঞ্জ, সিরাজগঞ্জ জিলা। প্রতি শনি ও মংগলবার বসে। দেশী ও ক্রস গরু পাওয়া যায়।

২৩. জয়পুরহাট জিলা হাট। প্রতি শনিবার বসে। দেশী ও ইন্ডিয়ান গরু পাওয়া যায়।

২৪. গোবিন্দাসী হাট, টাঙ্গাইল। যমুনা ব্রিজের কাছে। দেশী ও শাহিওয়াল পাওয়া যায়।

২৫. পাচবিবি হাট, জয়পুরহাট জেলা। প্রতি মংগলবার বসে। দেশী ও ইন্ডিয়ান গরু পাওয়া যায়।

২৬. হাতিরদিয়া হাট, নরসিংদী। প্রতি রবিবার বসে। দেশী গরু পাওয়া যায়।

২৭. সিরাজগঞ্জের রতন কান্দি হাট। প্রতি বুধবার বসে। দেশী ও ক্রস গরু, ছাগল, ভেড়া পাওয়া যায়।

২৮. বনানী হাট, বগুড়া। সোমবার ও
শুক্রবার বসে। দেশী ও বর্ডার ক্রস গরু পাওয়া যায়।

২৯. সিরাজগঞ্জের পাংগাসির হাট। প্রতি শনিবার বসে। ক্রস ও দেশী গরু, ছাগল ও ভেড়া পাওয়া যায়।

৩০. গাইবান্ধা গরুর হাট, গাইবান্ধা বাজার, ইসলামপুর, জামালপুর জিলা। সোম ও শুক্রবার। দেশী গরু পাওয়া যায়।

৩১. গজারিয়া হাট, মুন্সিগঞ্জ জিলা। শুধুমাত্র মঙ্গলবার হাট বসে। দেশী ও মিরকাদিম জাতের গরু পাওয়া যায়।

৩২. নওগাঁ হাট,তাড়াশ, সিরাজগঞ্জ। বৃহস্পতিবারে হাট বসে। ক্রস ও দেশী গরু পাওয়া যায়।

৩৩. এনায়েত পুর, সিরাজগঞ্জ। শুক্রবার হাট বসে, দেশি গরু বেশি পাওয়া যায়। কিছু ইন্ডিয়ান এবং নেপালি গরু ও পাওয়া যায়।

৩৪. ডাকুমারা হাট, শিবগঞ্জ উপজিলা, নওয়াবগঞ্জ জিলা। প্রতি (রবিবার)।

৩৫. মহাস্তান হাট, বগুড়া। প্রতি বুধবার বসে। সব ধরনের গরু পাওয়া যায়।

৩৬. ধাপের হাট, দুপচাচিয়া, বগুড়া। হাটবার প্রতি রবিবার ও বৃহস্পতিবার। উত্তরাঞ্চলের নামকরা বড় হাট। সব ধরনের গরু পাওয়া যায়।

৩৭. মহিমাগঞ্জ হাট, গোবিন্দগঞ্জ, গাইবান্দা। প্রতি শনিবার ও মংগলবার বসে। দেশী গরু বেশী পাওয়া যায়।

৩৮. ভরতখালী হাট, সাঘাটা, গাইবান্ধা। শনিবার আর মঙ্গলবার। দেশি গাভি, লাল বাসুর ইত্যাদি পাওয়া যায়।

৩৯. আরিচা হাট প্রতি শুক্রবার ও মঙ্গলবার। আরিচা হাট থেকে গরু ক্রয় করার কিছু সুবিধা আছে। এই গরুগুলো বেশিরভাগ আসে চর এলাকা হতে। গরুগুলো শুধুমাত্র চরের ঘাস খাওয়ায় অভ্যাস্ত। চরের এই গরুগুলো মোটাতাজা করন প্রকল্পের জন্য বেশ সুবিধাজনক।

৪০. ছনকা বাজার, সাটুরিয়া, মানিকগঞ্জ। শুক্রবার। চরাঞ্চলের গরু পাওয়া যায়।

৪১. চতুরহাট,বেড়া,সি এন্ড বি বাজার,পাবনা। প্রতি মঙ্গলবার বসে। সাহিওয়াল আর পাবনার লাল গরুর জন্য বিখ্যাত।

৪২. বনগাওহাট ,পাবনা জিলা।প্রতি মঙ্গলবার বসে। ক্রস গরু বেশী পাওয়া যায়।

৪৩. পুষ্পপাড়াহাট ,পাবনা। প্রতি সোম ও বৃহস্পতিবার। দেশী ও ক্রস গরু পাওয়া যায়।

৪৪. হাজিরহাট,পাবনা জিলা। প্রতি মঙ্গল ও শুক্রবার বসে। দেশী ও ক্রস গরু পাওয়া যায়।

৪৫. আওতাপাড় হাট, পাবনা জিলা। প্রতি রবি ও বুধবার। দেশী ও ক্রস গরু পাওয়া যায়।

৪৬.পাবনা জেলার চাটমোহর উপজিলার রেলবাজার হাট। প্রতি রবিবার বসে। গাভীর জন্য বিখ্যাত।

৪৭. অরোনকুলা হাট, ইশ্বরদী ,পাবনা। প্রতি মঙ্গলবার বসে। ফ্রিজিয়ান ও ক্রস গরুর জন্য বিখ্যাত।

৪৮. সখিপুর হাট, সখিপুর উপজিলা শরিয়তপুর জিলা।প্রতি বুধ ও শুক্রবার৷ বসে। সখিপুরের হাটটি খাশি এবং ষাড় গরুর জন্যে ভাল।

৪৯. ঘরিষার হাট, নড়িয়া উপজিলা, শরিয়তপুর জিলা। প্রতি সোমবার বসে। দেশী গরু পাওয়া যায়।

৫০. ভোজেশ্বর হাট, প্রতি শুক্রবার (নড়িয়া থানা, শরিয়তপুর জেলা) ভোজেশ্বর হাটটি খাশি এবং গরুর জন্যে মোটামুটি ভাল।

৫১. লাউখোলা হাট, প্রতি বৃহস্পতি বার (জাজিরা থানা, শরিয়তপুর জেলা) লাউখোলার হাটটি দুধের
গরুর জন্যে নামকরা তবে বুঝে শুনে না কিনলে ধরা খাওয়ার সম্ভাবনাই বেশি।

৫২. মনোরা হাট, হাটবার সোমবার (পালং থানা, শরিয়তপুর জেলা) মনোরার হাটটি শুনেছি দুধের গরুর জন্যে খুবই ভাল তবে তথ্য দাতা এখনো হাটে যাননি।

৫৩. হযরতপুর হাটবার। প্রতি শনিবার ঢাকার কাছের হাট। সব ধরনের গরু পাওয়া যায়। ষাড় গরু বেশী পাওয়া যায়।

৫৪. পাড়াগ্রাম বা পারাগাও হাট। (সেরুমিয়া) হাটবার প্রতি বুধবার। ঢাকার কাছের হাট। সব ধরনের গরু পাওয়া যায়। ষাড় ও কসাই গরুর জন্য নামকরা হাট।

৫৫. চালাকচর হাট, মনোহরদ, নরসিংদী জেলা। প্রতি সোমবার বসে। দেশী গরু বেশী পাওয়া যায়।

৫৬. মনোহরদী হাট, নরসিংদী জেলা। প্রতি বুধবার বসে। দেশী ও ক্রস গরু পাওয়া যায়।

৫৭. নেত্রকোনা জেলা শহরের রাজুরবাজার নামক স্থানে প্রতি শনিবার বিশাল গরুর হাট বসে।

৫৮. রাজশাহী সিটি হাট। হাটবার রবিবার ও বুধবার। বড় সাইজের ইন্ডিয়ান ও দেশী ষাড় গরুর জন্য নামকরা। তবে দালালের আধিক্য বেশী।

৫৯. আজমীরিগন্জ, হবিগন্জ জেলা। প্রতি রবিবার। ৯৫%দেশি গরুর সমাহার।

৬০. ফরিদপুর টেপাখোলা হাট। প্রতি মঙ্গল বার বসে দেশী গরুর জন্য ভালো ও বড় হাট।

৬১. তেবাড়িয়া হাট, নাটোর সদর। প্রতি রবিবার বসে। দেশি ও ইন্ডিয়ান গরুর বড় হাট। ক্রস গরুও পাওয়া যায়।

৬২. মৌখাড়ার হাট, বড়াইগ্রাম, নাটোর। প্রতি শুক্রবার বসে। দেশি জাতের গরুর জন্য ভালো।

৬৩. হবিগঞ্জ জেলা মাধবপুর, হাটবার শুক্রবার। এখানে নাকি সারা রাত ক্রয়-বিক্রয় হয়।

৬৪. বৈরাতি হাট, মিঠাপুকুর, রংপুর। হাটবার শনিবার ও মঙ্গলবার। দেশী ষাড়, গাভী ও ক্রস গরু পাওয়া যায়।

৬৫. চাঁপাইনবাবগঞ্জ এর মল্লিকপুর হাট। প্রতি শনিবার বসে। সব ধরনের গরু পাওয়া যায়।

৬৬. দিনাজপুর জেলা চিরিরবন্দর থানা, রানিরবন্দরের বিশাল গরুর হাট, হাটবার সোমবার ও বৃহস্পতিবার।

৬৭. রংপুর জেলা বদরগঞ্জ থানা হাট। সোমবার ও বৃহস্পতিবার। দেশী ষাড় ও গাভী বেশী পাওয়া যায়।

৬৮. পাবনা জেলার হাজীর হাট নামকরা হাট। শুক্রবার ও মঙ্গলবার বসে। দেশী, শাহিওয়াল, ক্রস, পাবনা ব্রীড সহ সব ধরনের গরু পাওয়া যায়।

৬৯. সিরাজগঞ্জের এনায়েতপুর শুক্রবার এবং বেলকুচি বুধবারে বিশাল হাট।

৭০. গাজীপুর, শ্রীপুর, মাওনা। হাটবার বৃহস্পতিবার। মূলত দেশী ও ক্রস গরু পাওয়া যায়।

৭১. টাংগাইল জেলার মির্জাপুর উপজিলার কাইতলা হাট, প্রতি শনিবার। দেশী ও শাহীওয়াল বেশী পাওয়া যায়। ফ্রিজিয়ান ক্রস ও পাওয়া যায়।

৭২. শিমুলিয়া হাট, পুর্বাচল, ঢাকা। প্রতি সোমবার। সব ধরনের গরু পাওয়া যায়। তবে ষাড় বেশী পাওয়া যায়।

৭৩. সারুলিয়া হাট, ডেমরা, ঢাকা। প্রতি বৃহস্পতিবার। সব ধরনের গরু পাওয়া যায়।

৭৪. বালুরমাঠ হাট, ফতুল্লা, নারায়ণগঞ্জ। প্রতি মংগলবার বসে। সব ধরনের গরু পাওয়া যায়।

৭৫. উদয়পুর হাট, মোল্লাহাট উপজিলা, বাগেরহাট জেলা। অনেক পুরানো এবং ঐতিহ্যবাহী হাট। প্রতি রবিবার বসে। দেশী গরু বেশী পাওয়া যায়৷

৭৬. শৈলদাহ হাট। চিতলমারী থানা, বাগেরহাট জেলা। আর হাট বসে সোম ও শুক্রবার। প্রধানত দেশী গরু পাওয়া যায়।

৭৭. ঝিনাইদহের খালিশপুর হাট, শুক্র ও সোমবার বসে। গরু, মহিষ, ছাগল, ভেড়া সব কিছুই পাওয়া যায়।

৭৮. ঝিনাইদহের পুরাপারা হাট। প্রতি রবি ও বুধবার। বলদ গরু ও বেশী গরু বেশী পাওয়া যায়।

৭৯. চন্দ্রপুর হাট (পালং থানা,জেলা শরিয়তপুর) প্রতি মঙ্গলবার দুধের গরু বাদে মোটামুটি সব গরুই পাওয়া যায়।

৮০. শিমুলিয়া বাজার, কিশোরগঞ্জ জেলা। প্রতি সোমবার। সব ধরণের গরু পাওয়া যায়।

৮১. আজমেরীগঞ্জ গরুর হাট, আজমেরীগঞ্জ উপজিলা, হবিগঞ্জ জিলা। অনেক বড় হাট। গরু মহিষ ছাগল সবই পাওয়া যায়। প্রতি রবিবার।

৮২. চৌমুহনী বাজার, প্রতি রবিবার, কুটি, কসবা, বিবাড়িয়া।
সাধারণত সব গরুই পাওয়া যায়। দাম ও ৪০-৫৫ হাজারে ছোট ষাড়, গাভি, আবাল উঠে।

৮৩. বাইশমৌজা বাজার, প্রতি মঙ্লবার বসে। আশুগঞ্জ, বিবাড়িয়া।
বলা হয় অত্র অঞ্চলের সবচেয়ে কম দামে গরু পাওয়া যায় এখানে।

৮৪. ময়নামতি বাজার, প্রতি শুক্রবার বসে। কুমিল্লা। ভারতীয় গরুর আধিক্য বেশি।

৮৫. হবিগঞ্জ জেলার মাধবপুর এর মনতলা পার হয়ে চেঙার বাজার হাট। এটা মাধবপুর এর সবচেয়ে বড় হাট।সপ্তাহে রবি ও বুধবার বসে।সব ধরনের গরু পাওয়া যায়।

৮৬. সিরাজগঞ্জ জিলার উল্লাপাড়া উপজিলার বোয়ালিয়া হাট। অনেক বড় হাট, বিশেষ করে গাভীর জন্য। প্রতি রবিবার।

৮৭. সিরাজগঞ্জের কালিয়াকান্দাপাড়া হাট, প্রতি বৃহস্পতিবার। শাহিওয়াল, ফ্রিজিয়ান দেশী ষাড় ও গাভী পাওয়া যায়।

৮৮. সিরাজগঞ্জের নলকা হাট , প্রতি বুধবার। ফ্রিজিয়ান ও পাবনা ব্রীডের জন্য নামকরা।

৮৯. সিরাজগঞ্জের চন্ডিদাস গাতী হাট, প্রতি শুক্রবার। ফ্রিজিয়ান, গাভী, শাহিওয়াল বকনা গাভী, পাবনা ব্রীড ভালো পাওয়া যায়।

৯০. শিয়ালমারী, উথলী, জীবননগর, চুয়াডাঙ্গা। বাংলাদেশের অন্যতম বড় একটি গরুর হাট। বিশেষ করে ষাড় গরুর জন্য। প্রতি বৃহস্পতিবার বসে।

৯১. মিরশান্নি বাজার, চৌদ্দগ্রাম, কুমিল্লা। প্রতি বুধবারে বসে। মোটামুটি সব ধরনের গরু পাওয়া যায়।

৯২. নীলফামারী জিলার বাসুনিয়া হাট। সব ধরনের গরু উঠে দাম ও কম। শুক্রবার সারাদিন।

৯৩. লালমনিরহাট জিলার পাট গ্রাম হাটে ইন্ডিয়ান গরু বেশি পাওয়া জায়। দাম মোটামুটি৷ রবিবার ও বৃহস্পতিবার সকাল ৫.৩০ টা - ১১ টা।

৯৪. চাঁদপুর জেলার বড় হাট, সফরমালি হাট। হাট বসে প্রতি সোমবার। সব ধরনের গরু পাওয়া যায়।

৯৫. মনিপুরা বাজার, রায়পুরা নরসিংদী। প্রতি বৃহস্পতিবার। প্রধানত দেশী গরু পাওয়া যায়।

৯৬. মৌলভীবাজার জিলার জুড়ী গরুর হাট বৃহস্পতিবার ও সোমবার। বাওরের দেশী পাওয়া যায়।

৯৭. মৌলভিবাজার জেলার ফুলতলা হাট। বসে প্রতি শনিবার। প্রধানত দেশী গরু পাওয়া যায়।

৯৮. আমবারি হাট, দিনাজপুর প্রতি শুক্র বার ও সোম বার বসে,, শাহিওয়াল বাছুর থেকে ভাল মানের গাভি ও ষাড় পাওয়া যায়।

৯৯. জিনাইদহ জিলার মংবার বইডাংগা বাজার। প্রতি মংগলবার বসে। অনেক ভাল জাতের গরু পাওয়া যায়।

১০০. চুয়াডাংগার ডুগডুগি হাট। বড় সাইজের গরুর জন্য বিখ্যাত। ক্রস ও দেশী ষাড় ও বলদ ভালো পাওয়া যায়। প্রতি সোমবার বসে।

১০১. চুয়াডাংগার শিয়ালমারি হাটে ক্রস, ইন্ডিয়ান ও বলদ গরু পাওয়া যায়। প্রতি বৃহস্পতিবার বসে।

১০২. মৌলভিবাজারের মুন্সিবাজার হাটে প্রায় ৯০% দেশী গরু পাওয়া যায়। হাটবার প্রতি বুধবার।

১০৩. মৌলভিবাজারের রাজনগর উপজিলার টেংরা বাজার। দেশি, শাহীওয়াল, ক্রস, ফ্রিজিয়ান, গাভী সহ বাচ্চা পাওয়া যায়। প্রতি রবিবার বসে হাট।

১০৪. সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জ বাজারে ও সব ধরনের গরু পাবেন। হাটবার প্রতি শনিবার বসে।

১০৫. মৌলভিবাজারের কুলাউড়ায় ব্রাম্মন বাজার হাটে সব ধরনের গরুর পাশাপাশি মহিষ ও পাওয়া যায়। প্রতি সোমবার বসে এই হাট।

১০৬. সিলেটের জৈন্তাপুর গরুর হাট বর্ডার সাইটে থাকায় ইন্ডিয়ান ষাড় ও বলদ পাওয়া বেশি। দেশি গাভী সহ বাচ্চা ও বিক্রি হয় এই হাটে। ইন্ডিয়ান গরুর একটা বড় হাট।

১০৭. সাতক্ষীরার পারুলিয়া হাট। প্রতি রবিবার। প্রধানত দেশী ষাড় ও গাভী পাওয়া যায়।

১০৮. পিংনা হাট, সরিষাবাড়ি, জামালপুর। শুক্রবার বসে। দেশী, শাহীওয়াল ফ্রিজিয়ান জাতের ছোট বড় মাঝারি সকল ধরনের গরু পাওয়া যায়।

১০৯. কুমিল্লা জেলার হোমনা ঘারমোড়া বাজার বসে প্রতি সোমবার। সব ধরনের গরু পাওয়া যায়।

১১০. কুমিল্লা জিলার তিতাস উপজিলার বাতাকান্দি হাট। প্রতি বুধবার বসে৷ সব ধরনের গরু পাওয়া যায়।

১১১. যশোরের চৌগাছা হাট। প্রতি সোমবার ও বুধবার বসে। দেশী গরু, গাভী, কসাইয়ের গরু এবং ছোট গরু বেশী পাওয়া যায়।

১১২. নিলফামারী সদর হাট। বুধবার এবং রবিবার বসে। সব ধরনের দেশী ও ইন্ডিয়ান গরু পাওয়া যায়।

১১৩. ঠাকুরগাও জেলার যাদুরানী হাট। প্রতি মজ্ঞলবার বসে। সকল প্রকার দেশী গরু পাওয়া যায়।

১১৪. বরিশালের গৌরনদী থানার পাশেই কসবার হাট। প্রতি বৃহস্পতিবার বসে। সব ধরনের গরু পাওয়া যায়।

১১৫. নাকালিয়া বাজার হাট, বেশি বড় না, চড় অঞ্চলের গরু বেশি পাওয়া যায়, প্রতি রবিবার, উপজেলা বেড়া, জেলা পাবনা। যুমুনা নদীর পাড়ে।

১১৬. সিলেট এর হরিপুর বাজার।প্রতিদিন হাট বসে। এখানে ইন্ডিয়ান সব গরু পাওয়া যায়।এই বাজার মুলত মাংসের বাজার।

১১৭. দারিয়াপুর হাট, গাইবান্ধা সদর থেকে আট কিলো মিটার উত্তরে অবস্থিত।এখানে সাধারনত তিস্তা ও ব্রক্ষ্মপুত্র নদের চরাঞ্চলের দেশি গরু পাওয়া যায়। মংগলবার ও শুক্রবার বসে।

১১৮. ইখড়ি হাট, তেরখাদা, রূপসা ,খুলনা । প্রতি শুক্রবার। মূলত স্থানীয় ও দেশী জাতের গরু পাওয়া যায়।

১১৯. শরীয়তপুরের সবচেয়ে বড় গরুর হাট হলো কাজির হাট, জাজিরা, শরীয়তপুর। হাট বসে বৃহস্পতিবার ও রবিবার। দেশী গরু বেশী পাওয়া যায়।

১২০. ফরিদপুর টেপাখোলা হাট। প্রতি মঙ্গলবার বসে। দেশী ষাড় গরুর জন্য ভালো হাট।

১২১. মাদারিপুর হাট। মাদারিপুর সদরে। প্রতি বুধবার বসে। দেশী গরু খুব পাওয়া যায়।

১২২. মাদারিপুর জেলায় টেকের হাট গরুর হাট। ব্রীজের কাছে৷ প্রতি বুধবার বসে। দেশী গরু ভালো পাওয়া যায়।

১২৩. লালমনিরহাটের বড়বাড়ি হাট। প্রতি বুধবারে হাট বসে। অনেক দেশী ও ইন্ডিয়ান গরু পাওয়া যায়।

১২৪. ময়মনসিংহ জেলার লক্ষীগঞ্জ হাট। প্রতি মঙ্গলবার বসে। দেশী গরুর আধিক্য দেখা যায় এই হাটে।

১২৫.ময়মনসিংহ জেলার মুক্তাগাছা হাট। হাট প্রতি বুধবার বসে। দেশি ও ফ্রিজিয়ান গরু বেশী পাওয়া যায়।

১২৬. হবিগঞ্জের মাধবপুরের ফান্দাগের হাট। প্রতি বৃহস্পতিবার বসে। দেশী গরু ভালো পাওয়া যায়।

১২৭. শেরপুরের পাঠাকাটা হাট। প্রতি রবিবার বসে। মুলত দেশী গরু ছাগল পাওয়া যায়।

১২৮. শেরপুরের নকলা হাট। প্রতি বৃহসপতিবার বসে। দেশী গরু ও ছাগল ভালো পাওয়া যায়।

১২৯. শেরপুরের নালিতাবাড়ী হাট। প্ররি মংগলবার বসে। দেশী গরু পাওয়া যায়।

১৩০. ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট হাট। প্রতি বৃহসপতিবার বসে। দেশী গরু ভালো পাওয়া যায়।

১৩১. চাপাইনবাবগঞ্জ সদরে বটতলা হাট। প্রতি শুক্রবারে বসে। সব ধরনের গরু পাওয়া যায়।

১৩২. চাপাইনবাবগঞ্জ, শিবগঞ্জের তত্তিপুর হাট। প্রতি শনিবার ও মঙ্গলবার বসে। সব ধরনের গরু পাওয়া যায়।

১৩৩. চাপাইনবাবগঞ্জের কআনসাটের খাসের হাট। প্রতি সোমবার ও শুক্রবার বসে। প্রায় সব ধরনের গরুই পাওয়া যায়।

১৩৪. ফেনীর ছাগলনাইয়া উপজিলার ঐতিহ্যবাহী চাঁদগাজী হাট। প্রতি সোমবার ও বৃহসপতিবার বসে। সব ধরনের গরু ছাগল পাওয়া যায়।

১৩৫. ফেনী জেলার ফুলগাজী উপজেলার মুন্সিরহাট। প্রতি শুক্রবার ও মঙ্গলবার বসে। সব ধরনের গরু পাওয়া যায়।

১৩৬. কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার চিওড়া কাজীর বাজার।রবীবার ও বৃহস্পতিবার বাজার বসে। সব ধরনের গরু পাওয়া যায়।

১৩৭. যশোর জেলার মনিরামপুর (থানা) গরুর হাট। হাটের দিনঃ শনিবার ও মঙ্গলবার। ছোট বড় সব ধরনের গরু ছাগলের হাট। ঢাকা থেকে মনিরামপুরের যে কোন গাড়ীতে উঠে সরাসরি হাটের সামনে নামতে পারবেন।

১৩৮. ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলায় বাটাজোর বাজারে সব ধরনের গরু বেচা কেনা হয়,। হাট বসে শুক্রবার ও মঙ্গলবার।

১৩৯. ঝিনাইদহ জেলার কালীগঞ্জ উপজেলার গাজীর বাজারে প্রতি সোমবার গরু ছাগলের হাট বসে।

১৪০. শঠিবাড়ী হাট, মিঠাপুকুর, রংপুর। প্রতি রবিবার ও বৃহস্পতিবার হাট বসে। বিশাল গরুর হাট ।

১৪১. সাতক্ষীরার সাবেক বৈকারী হাট। ত‌বে ওখা‌নে এখন হাট হয় না। হাট হয় আবা‌দেরহাট শ‌নি ও মঙ্গল বার। ইন্ডিয়ান বলদ বেশি পাওয়া যায়।

১৪২. ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজিলার চৌমুহনী বাজার। দেশি, ইন্ডিয়ান ক্রস ফ্রিজিয়ান সব ধরনের গরু পাওয়া যায়। বাজারের আয়তন ১৯০ শতক। হাট বসে রবিবার সকাল ৮.০০ টা থেকে। হাসিল মাত্র ৩০০ টাকা।

১৪৩. বর্তমানে নোয়াখালী তে সোনাইমুড়ি উপজেলার আমকি বাজার সবচেয়ে বিখ্যাত। ক্রস, শাহিওয়াল, দেশি বাচ্চা গরু প্রচুর পরিমানে পাওয়া যায়। দেশি গাভিও ওঠে। প্রতি সপ্তাহে একদিন সোমবার।
বিশেষ করে কুমিল্লা ব্যাপারি গন কমপক্ষে ১৫০/২০০ বাছুর সংগ্রহ করে নিয়ে যায়।

১৪৪. পুটিয়া হাট, শিবপুরি থানা, নরসিংদী জেলা। এখানে গরু, ছাগল, মহিষ, ভেড়া, ঘোড়া, সবই আসে। নরসিংদী জেলা সবচেয়ে বড় হাট, প্রতি শনিবার হাট বসে।

১৪৫. চুয়াডাংগা জেলার আলমডাঙ্গা হাট। এই এলাকার আশপাশে সর্ব বৃহৎ হাট। প্রতি বুধবার হয় এই হাট।

#ঈদের_কসাই_সার্ভিস
#গরু_কাটার_কসাই
#গরু_প্রেমী
#কোরবানির_দায়িত্ব
#সেরা_কসাই_ঢাকা





#কোরবানির_যত্ন
#গরুর_সেবা
#ঢাকায়_কসাই
#কোরবানির_স্মার্ট_সার্ভিস

Address

Mirpur
Dhaka
1216

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when FLEXI Service BD posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share