Festival

Festival festival

https://www.priyo.com/articles/travel-tips-for-student-2017-20171023ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য কম খরচে ভ্রমণ টিপস
30/10/2017

https://www.priyo.com/articles/travel-tips-for-student-2017-20171023
ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য কম খরচে ভ্রমণ টিপস

ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার থেকে ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য কিছু কম খরচ করে ভ্রমণ করার কিছু টিপস নিয়ে এই লেখা।

18/11/2016

খুব সহজ কিছু পদ্ধতির মাধ্যমে আমরা ঠোঁটের হারানো গোলাপী রঙ ফিরিয়ে আনতে পারি। এর জন্য দামী কোনও প্রসাধনীর প্রয়োজন নেই-
০১.প্রতিদিন রাতে ঘুমানোর আগে আপনি যখন দাঁত ব্রাশ করেন,তখন টুথপেস্টের কিছুটা আপনার ঠোঁটের উপর লাগিয়ে প্রলেপ দিন। কিছুক্ষণ পর ব্রাশ করা শেষ হলে হাতের ব্রাশ টি দিয়ে ঠোঁট ব্রাশ করুন। এজন্য ব্রাশ টিকে অবশ্যই নরম হতে হবে এবং অনেক হালকা ভাবে ব্রাশ করতে হবে। এর ফলে ঠোঁটের এবং ঠোঁটের চারপাশের মৃত কোষ গুলো উঠে আসবে,সতেজ হবে ঠোঁট এবং এর চারপাশ।
০২. প্রতিদিন ঘুমাতে যাবার আগে অন্তত ৫ মিনিট ঠোঁট ম্যাসাজ করতে হবে। ম্যাসাজ এর জন্য কয়েক ফোঁটা লেবুর রস আমন্ড বাদাম তেলের সাথে মিশিয়ে নিন। এই ট্রিটমেন্টে আপনার ঠোঁটের আর্দ্রতা ফিরে আসবে। নিয়মিত ব্যবহারে খুব সহজেই কালো দাগ কমে আসবে।
০৩. লেবুর রসের সাথে মধু মিশিয়ে প্রতিদিন রাতে ঘুমানোর আগে লাগালেও একই উপকার পাবেন। অ্যালোভেরা জেল এবং নারিকেল বেটে সাদা রস ঠোঁটে লাগান। নিয়মিত ব্যবহারে ঠোঁটের স্বাভাবিক রঙ ফিরে আসবে।
০৪. পুদিনা পাতা বেটে রস আলাদা করে নিয়মিত ঠোঁটে লাগান। বরফের কিউব নিয়ে ঠোঁটে ম্যাসাজ করুন,পরে বাদাম তেল এবং অলিভ অয়েল মিক্স করে ম্যাসাজ করুন। ঠোঁটের ন্যাচারাল কালার ফিরে আসবে।
০৫. দুধের সর এর সাথে ডালিমের বিঁচির গুঁড়ো মিক্স করে ঠোঁটে লাগান। এতে ঠোঁটে গোলাপী আভা আসবে।এক্ষেত্রে সর না নিয়ে ঘি ব্যবহার করতে পারেন।
০৬. অল্প পরিমাণ চিনি এবং কোল্ড ক্রিম একসাথে মিক্স করে ঠোঁটের স্ক্রাব হিসেবে ব্যবহার করুন। কোল্ড ক্রিমের বদলে অলিভ অয়েল-ও ব্যবহার করতে পারেন। এর ফলে ঠোঁটের ন্যাচারাল কালার ফিরে আসবে।
০৭. প্রতিদিন বাইরে থেকে ফিরে এসে আপনার ঠোঁট থেকে লিপস্টিক বা লিপগ্লস তুলে ফেলুন। তুলে ফেলতে সামান্য একটু তুলায় অলিভ অয়েল বা বাদাম তেল লাগিয়ে হালকা করে মুছে ফেলুন। রাতে ঘুমানোর আগে অবশ্যই ঠোঁটের এই মেক-আপ তুলে ফেলতে হবে। আপনার ঠোঁট কালো হওয়ার জন্য এটা বিশেষভাবে দায়ী।
০৮. আমাদের ত্বকের অন্যান্য অংশের মত ঠোঁট থেকেও কিছুটা তেল উৎপন্ন হয়,একে বলে সেবাম। এটা খুব প্রয়োজনীয়। ঠোঁটকে তাই সবসময়ই আর্দ্র রাখতে হবে। বাইরে যাওয়ার সময় লিপ বাম লাগিয়ে যেতে হবে। ঘরে থাকলে কোকো বাটার লাগিয়ে নিন। শুনে অবাক লাগতে পারে কিন্তু শুধু শীতকাল নয়,আপনার ঠোঁটকে গোলাপী রঙের করতে হলে সারা বছর-ই পেট্রোলিয়াম জেলি লাগাতে হবে। ঠোঁটের আর্দ্রতা রক্ষায় এটা জরুরী।
০৯. গোলাপের মত ঠোঁট করতে চাইলে গোলাপ ব্যবহার করব না,তাই কি হয়? কিছু গোলাপের পাপড়ি নিন এবং দুধে ভিজিয়ে রাখুন। কিছুক্ষণ পর পাপড়ি গুলো বেটে নিয়ে পেস্ট তৈরি করুন। এতে কয়েক ফোঁটা মধু আর গ্লিসারিন দিন। এবার পেস্ট টা আপনার ঠোঁটের উপর ১৫ মিনিট রেখে দিন। এক টুকরো তুলা দুধে ভিজিয়ে পেস্টটি তুলে ফেলুন। নিয়মিত ব্যবহারে অসাধারণ রেজাল্ট পাওয়া যায়।
১০. গাজরের রস করে একটা বাটি তে নিয়ে,তুলা দিয়ে ঠোঁটে লাগান। এতে খানিকটা স্যাফরন মিশিয়ে নিতে পারেন। এতে ঠোঁটের আর্দ্রতাও ফিরে আসবে,রঙ-ও ফিরবে একই সাথে।
১১. কমলার খোসা নিয়ে ঠোঁটে লাগান অথবা কমলার খোসা শুকিয়ে গুঁড়ো করে নিয়ে তাতে খানিকটা গোলাপজল মিশিয়ে ঠোঁটে লাগাতে পারেন।
১২. শশার রস ঠোঁটকে গোলাপী করতে অনেক কার্যকরী। শুধুমাত্র ৫ মিনিট প্রতিদিন শশার রস ঠোঁটে ম্যাসাজ করুন এবং ফলাফল নিজেই দেখে নিন।
১৩. টমেটো পেস্ট করে নিন এবং এর সাথে ক্রিম মিক্স করে লাগান অথবা টমেটো পেস্ট এর সাথে নারিকেল তেল মিশিয়ে লাগান।
কিছু সতর্কতাঃ
– চা,কফি সহ অন্যান্য পানীয় আপনার ঠোঁট কালো হওয়ার জন্য দায়ী। এগুলো খাওয়া এড়িয়ে চলুন।
– ধূমপানের অভ্যাস থাকলে ত্যাগ করুন। কেননা,ধূমপান করলে ঠোঁট কালো হবেই।
– পানিশূন্যতা আপনার ঠোঁটের আর্দ্রতা কেড়ে নেয়। তাই নিয়ম করে প্রতিদিন পানি পান করুন,কমপক্ষে ৮-১০ গ্লাস।
– ঠোঁট কখনই বারবার জিভ দিয়ে ভেজাবেন না।
– সরাসরি সূর্যের আলো ঠোঁটের স্বাভাবিক রঙ নষ্ট করে। যতদূর সম্ভব এটা এড়িয়ে চলুন। বাইরে যেতে হলে উচুমানের সানস্ক্রিন লোশন ব্যবহার করুন।
– আপনার খাবারে রাখুন প্রচুর শাক সবজি।
নিয়মগুলো মেনে চলুন তাহলেই দেখবেন আপনার ঠোঁট গোলাপের পাপড়ির মতই নরম,কোমল,গোলাপী এবং আকর্ষণীয় হয়ে উঠবে। তাহলে এবার হেসে উঠুন প্রাণখুলে।

Event By
28/10/2016

Event By

Moments of our Event "Ulab Club Day, Fall-2016"
28/10/2016

Moments of our Event "Ulab Club Day, Fall-2016"

Club Day-Fall 2016
27/10/2016

Club Day-Fall 2016

15/08/2016

হামেশাই করেন, কিন্তু এবার থেকে শরীরের এই ৭ স্পট ছোঁবেন না
কানের ফুঁটোয় হাত নয়: আঙুল দিয়ে তো কান খোঁচাবেনই না, এমনকী কানের ভিতর অন্য কিছু দিয়েও খোঁচানোর চেষ্টা করবেন না। কারণ, একটু এদিক সেদিক হলেই খোঁচা লেগে কানের ভিতরের পাতলা পর্দা ছিঁড়ে যেতে পারে। সতর্ক করে দিয়েছেন কেক স্কুল অফ মেডিসিনের অধ্যাপক, মাথা ও ঘাড় সার্জারি বিশেষজ্ঞ জন কে নিপারকো। অযথা গালে হাত দেবেন না: সাবান বা ফেসওয়াশ দিয়ে মুখ ধোওয়া বা ক্রিম মাখার সময়টুকু ছাড়া, পারতপক্ষে গালে হাত না দেওয়াই ভালো। কারণ হাতে শুধু জীবাণুই নয়, তেলও থাকে। বারবার গালে বা কপালে হাত দিলে, ত্বকের ছিদ্রপথ আঙুলে থাকা তেলের কারণে বন্ধ হয়ে, বিপত্তি ঘটতে পারে। ঘাম মোছা বা মুখ পরিষ্কারের জন্য রোজ কাচা রুমাল ব্যবহার করুন। এমনটাই পরামর্শ দিয়েছেন হেলথডার্মাটোলজির উপদেষ্টা আনন্দ নাসির। পশ্চাত্‍‌দেশ চুলকোবেন না: কুঁচো কৃমির কারণে মলদ্বার চুলকোলে, অনেকেই খোঁটাখুঁটি করেন। তা না করাই ভালো। অপ্রয়োজনে মলদ্বারে হাত দিলে, হিতে বিপরীত হতে পারে। কারণ, এই মলদ্বার অত্যন্ত সংবেদনশীল শুধু নয়, নানাবিধ ক্ষতিকারক ব্যাকটেরিয়ারও আঁতুড়ঘর। খোঁটাখুঁটি করলে আঙুল থেকেই ব্যাকটেরিয়া শরীর অন্যত্র চলে যেতে পারে। সতর্ক করেছেন ডাক্তার জারেড ডব্লিউ কেলিন। কোনও সময় মলদ্বারে হাত দিলে, তত্‍ক্ষণাত্‍‌ ভালো করে সাবান দিয়ে হাত পরিষ্কার করতে ভুলবেন না। চোখেও হাত নয়: অফথ্যালমোলজি বিশেষজ্ঞ কিমবেরলি ককারহামের পরামর্শ, সকাল উঠে মুখ ধোওয়ার সময় চোখে জল দেওয়া বা কনট্যাক্ট লেন্স পরার সময় ছাড়া চোখে হাতে দেবেন না। হাতে যে জীবাণু থাকে, তা সহজেই চোখে চলে যাবে। কখনও চোখে হাত দেওয়ার প্রয়োজন পরলে, হাত ধুয়ে, তবেই হাত দিন। খালি হাত মুখে নয়: যখন-তখন মুখে হাত দেবেন না। ব্রিটেনের জার্নাল অফ অ্যাপলায়েড মাইক্রোবায়োলজির এক সমীক্ষায় জানা গিয়েছে, কাজ করতে করতে অবচেতনেই লোকজন প্রতি ঘণ্টায় গড়ে ২৩.৬ বার মুখে বা মুখের চারপাশে হাত দেয়। বিশেষত, একঘেয়েমির সময়। আবার, খুব যখন ব্যস্ত, তখনও অন্তত গড়ে ৬.৩ বার মুখের চারপাশে হাত চলে যায়। আঙুল থেকে মুখের অভ্যন্তরে জীবাণু চলে যায়। নাসারন্ধ্রে হাত দেবেন না: ২০০৬ সালে নাক, কান ও গলার রোগীদের উপর গবেষণা চালিয়ে একটি রিপোর্ট প্রকাশ করে 'ইনফেকশন কন্ট্রোল অ্যান্ড হসপিটাল এপিডেমায়োলজি'। তাতে দাবি করা হয়, যাঁরা খালি হাতে নাক খোঁটেন, তাঁদের নাসারন্ধ্রে স্টেফাইলোকক্কাস অরিয়াস ব্যাকটেরিয়ার উপস্থিতি ৫১% বেড়ে যায়। নখের নীচের ত্বক: অনেক ক্ষতিকারক ব্যাক্টেরিয়ার আঁতুড়ঘর হল নখের ঠিক নীচে ত্বক লাগোয়া অংশ, বিশেষত পায়ের নখের। নখের নীচে জমে থাকা ময়লার সঙ্গে ব্যাক্টেরিয়াও বাসা বাঁধে। তাই খালি হাতে নখের ময়লা না খুঁটে, ব্রাশজাতীয় কিছু দিয়ে পরিষ্কার করাই ভালো। একই কারণে দাঁতেও নখ কাটবেন না। নখ বড় রাখলে ব্যাক্টেরিয়ার সংখ্যাও বাড়বে। তাই নখ বাড়তে না দিয়ে, কেটে ফেলাই বুদ্ধিমানের কাজ বলে মনে করেন ব্রিটিশ ডার্মাটোলজিস্ট ডেভিড ডে বেরকের।

http://m.eisamay.com/lifestyle/health-fitness/7-parts-of-your-body-you-shouldnt-touch-with-your-hands/articleshow/53156976.cms

07/06/2016
07/06/2016

Address

106/5 Monessar Road, Zigatola, Hazaribag
Dhaka
1209

Telephone

+8801728043004

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Festival posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category