SS tv News

SS tv News আমাদের সমস্ত পরিশ্রম আপনাকে আনন্দ দেয়ার জন্য।

নাক–কান–গলার সমস্যায় ভুগছেন? মাত্র ১০ টাকায় দেখাতে পারবেন বিশেষজ্ঞ ডাক্তার! ঢাকাবাসীর জন্য দারুণ সুখবর—এবার মাত্র ১০ টাক...
18/04/2026

নাক–কান–গলার সমস্যায় ভুগছেন? মাত্র ১০ টাকায় দেখাতে পারবেন বিশেষজ্ঞ ডাক্তার!
ঢাকাবাসীর জন্য দারুণ সুখবর—এবার মাত্র ১০ টাকায় নাক, কান ও গলার (ENT) অভিজ্ঞ বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়ার সুযোগ দিচ্ছে রাজধানীর একটি স্বনামধন্য হাসপাতাল।
📍 হাসপাতাল: National Institute of ENT and Hospital
📌 ঠিকানা: তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল, ঢাকা
💡 কি কি সেবা পাবেন?
✔️ নাক বন্ধ, সাইনাস, এলার্জি সমস্যা
✔️ কানে ব্যথা, শোনা কমে যাওয়া
✔️ গলা ব্যথা, টনসিল, ভয়েস সমস্যা
✔️ আধুনিক যন্ত্রপাতিতে পরীক্ষা ও চিকিৎসা
🔥 কেন এই খবর ভাইরাল হচ্ছে?
👉 মাত্র ১০ টাকায় বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ — যা বেসরকারি হাসপাতালে হাজার টাকারও বেশি!
👉 সরকারি উদ্যোগে উন্নত চিকিৎসা
👉 প্রতিদিন শত শত রোগীর ভরসার জায়গা
⏰ সময়: সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত আউটডোর সেবা
📢 পরামর্শ: আগে গিয়ে সিরিয়াল নিন, কারণ রোগীর ভিড় অনেক
🗣️ রোগীদের অভিজ্ঞতা:
“এত কম খরচে এত ভালো চিকিৎসা—বিশ্বাসই হচ্ছিল না!”
👉 আপনার বা পরিবারের কারও নাক-কান-গলার সমস্যা থাকলে দেরি না করে চলে যান আজই।
#স্বাস্থ্যসেবা #ঢাকাবাংলাদেশ #হাসপাতাল #সাশ্রয়ীচিকিৎসা

প্রধান সড়কগুলোতে ব্যাটারি চালিত রিকশা চলাচল সম্পূর্ণ নিষেধ। দয়া করে আপনারা চার্জার বা ব্যাটারি চালিত  রিক্সা নিয়ে প্রধা...
17/04/2026

প্রধান সড়কগুলোতে ব্যাটারি চালিত রিকশা চলাচল সম্পূর্ণ নিষেধ। দয়া করে আপনারা চার্জার বা ব্যাটারি চালিত রিক্সা নিয়ে প্রধান সড়কে উঠবেন না✅
প্রতিনিয়ত ডাম্পিং এ পাঠানো হচ্ছে ✅
ধন্যবাদ❤️

রাজধানীর যানজট কমাতে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার ওপর ধাপে ধাপে বিধিনিষেধ আরোপের পরিকল্পনা করছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপ...
15/04/2026

রাজধানীর যানজট কমাতে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার ওপর ধাপে ধাপে বিধিনিষেধ আরোপের পরিকল্পনা করছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। প্রথম ধাপে মতিঝিল, উত্তরা ও গাবতলীর মতো গুরুত্বপূর্ণ ভিআইপি সড়কগুলো থেকে অটোরিকশা সরানো হবে। দ্বিতীয় ধাপে অবৈধ চার্জিং পয়েন্ট ও গ্যারেজগুলোর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং শেষ ধাপে পুরো শহরে কঠোর এনফোর্সমেন্ট চালানো হবে। তবে শ্রমিকদের হুট করে বেকার না করে মালিকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার কৌশল নিয়েছে পুলিশ। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনায় নেওয়া এই পরিকল্পনায় বিকল্প চলাচলের পথ তৈরির বিষয়টিও গুরুত্ব পাচ্ছে। বর্তমানে ঢাকা শহরে প্রায় ৩০ লাখ অটোরিকশা চলছে, যা যানজটের অন্যতম কারণ হিসেবে চিহ্নিত।

বিশ্বের শক্তিশালী পাসপোর্টের তালিকা প্রকাশ, বাংলাদেশের অবস্থান দুই ধাপ পিছিয়ে এখন ৯৫তম
15/04/2026

বিশ্বের শক্তিশালী পাসপোর্টের তালিকা প্রকাশ, বাংলাদেশের অবস্থান দুই ধাপ পিছিয়ে এখন ৯৫তম

মানুষ এতো জঘন্য কিভাবে হয়??একজন রিক্সাওয়ালা সেই শাহজাহানপুর থেকে রায়েরবাগের মেরাজ নগর -ডি ব্লক পর্যন্ত দুইজন যাত্রী নিয়ে...
11/04/2026

মানুষ এতো জঘন্য কিভাবে হয়??
একজন রিক্সাওয়ালা সেই শাহজাহানপুর থেকে রায়েরবাগের মেরাজ নগর -ডি ব্লক পর্যন্ত দুইজন যাত্রী নিয়ে আসেন, রিক্সাওয়ালার ভাষ্যমতে ওনারা মা-ছেলে ছিলেন। ৪০০ টাকার বিনিময়ে সে এতোদূর পা এর শক্তি চালিয়ে এই দুইজন মানুষকে নিয়ে আসেন -ডি ব্লকে। রিক্সা থেকে নামার পর মা- ছেলে রিক্সাওয়ালা মামাকে ১০০০ টাকা নোট দিলে মামা বলেন যে ওনার নাকি ভাংতি টাকা নেই। তখন ঐ মা- ছেলে যাত্রী বলে যে তাহলে অপেক্ষা করুন আমরা বাসা থেকে আপনার জন্য ভাংতি টাকা নিয়ে আসি। এই বলে ওনারা মামাকে গলিতে রেখে অন্য গলি দিয়ে চলে যায়। এদিকে সহজসরল রিক্সাওয়ালা মামা ওনাদের অপেক্ষায় প্রায় ৩০ মিনিট বসে থেকেও ঐ যাত্রীদের না আসতে দেখে গলিতে চিৎকার করে বলে যাচ্ছেন " মা আপনারা ভাড়াটা দিয়া যান" ও বাবা আমারে ভাড়াটা দিয়ে যান, আপনারা ভাড়া দিতে ভুলে গেছেন, আপনাদের বাসা যেনেই হোক আমার ভাড়া দিয়া দেন মা আমি যাইগা"
এরপরও সেই লোকদের আসার নাম নাই।
এরপর লোকটি অসহায় হয়ে কান্না শুরু করে দেয়। এর মাঝে একজন ওনার হাহাকার আর কষ্ট দেখে টাকা দিতে নিলে উনি টাকা নিতে চায় নি। লোকটি অনেক বয়স্ক। কথা বলতে বলতে হাঁপিয়ে যাচ্ছিলো । তার উপর এতোদূর পা দিয়ে রিক্সা চালানো চার-পাঁচটিখানি কথা নাহ। লোকটি বলল," বাজান আমার বাড়ি দেবিদ্বার, কোনো ছেলে নাই, চারটা মাইয়া, ওগো পড়াশোনা, সংসার, ঢাকায় আমার মেচ ভাড়া সব এই রিক্সা চালানের উপর "
এই বলতে বলতে লোকটি কান্না করতে করতে চলে গেলো।

দীর্ঘ ৫ বছরের প্রবাস জীবন। কত স্বপ্ন, কত আশা নিয়ে একজন মানুষ দূর পরবাসে পাড়ি জমান, শুধু নিজের পরিবারের মুখে একটু হাসি ফো...
05/04/2026

দীর্ঘ ৫ বছরের প্রবাস জীবন। কত স্বপ্ন, কত আশা নিয়ে একজন মানুষ দূর পরবাসে পাড়ি জমান, শুধু নিজের পরিবারের মুখে একটু হাসি ফোটাবেন বলে। মাথার ঘাম পায়ে ফেলে উপার্জিত প্রতিটি পয়সা পাঠিয়ে দেন দেশে থাকা প্রিয় মানুষটির কাছে। কিন্তু সেই স্বপ্নের ঘরে যদি অবিশ্বাসের কালো মেঘ ঘনিয়ে আসে, তবে একজন প্রবাসীর পুরো পৃথিবীটাই যেন থমকে যায়।

ফেনীর বালিগাঁও ইউনিয়নের সিঙ্গাপুর প্রবাসী নুরুল আলমের জীবনেও হয়তো নেমে এসেছে এমনই এক ঘোর অন্ধকার। ২০১৫ সালে লিমা আক্তারের সাথে পারিবারিকভাবে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন তিনি। বিয়ের তিন বছর পর তাদের কোল আলো করে আসে একটি ফুটফুটে পুত্রসন্তান। সুন্দর সাজানো গোছানো একটি সংসারের গল্পটা হয়তো এমন মধুরই হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু ২০২০ সালের দিকে স্ত্রীর চলাফেরা ও আচরণে পরিবর্তন অনুভব করেন তিনি। দূর প্রবাসে বসে বুকের ভেতর জমতে থাকে স/ন্দেহের পাহাড়।

অবশেষে ২০২৬ সালের মার্চ মাসে দেশে ফিরে তিনি এমন এক পদক্ষেপ নেন, যার ফলাফল চমকে দিয়েছে সবাইকে। দীর্ঘদিনের সন্দেহের অবসান ঘটাতে কৌশলে স্ত্রীর শরীরের নমুনা নিয়ে ডি/এনএ (D/NA) টেস্ট করান তিনি। আর সেই টেস্টের যে রিপোর্ট প্রকাশ্যে এসেছে বলে দাবি করা হচ্ছে, তা যেন কোনো সিনেমার গল্পকেও হার মানায়! খবরে বলা হচ্ছে, সিএনজি চালক, মুদি ও বিকাশ দোকানদারসহ প্রায় ৪৭ জনের আলামত মিলেছে সেই রিপোর্টে!

বিশ্বাস, ভালোবাসা আর নির্ভরতার যে বন্ধন ৫ বছর ধরে অটুট থাকার কথা, তা আজ এক নিমিষেই যেন ধুলোয় মিশে গেছে। চরম হ/তা/শা আর বিশ্বাস/ভ/ঙ্গে/র এই করুণ পরিণতিতে প্রবাসী নুরুল আলম এখনও জানেন না তার জীবনের পরবর্তী সিদ্ধান্ত কী হবে।

সব হারিয়ে আজ এক প্রবাসীর হৃদয় কতটা ক্ষ*তবিক্ষত, তা হয়তো শুধু তিনিই অনুভব করতে পারছেন।

আজ ১৮ টি জেলার যে  ৩০ উপজেলায় হামের টীকা প্রদান করা হবে:রেড জোন দিয়ে শুরু!পর্যায়ক্রমে সারাদেশে দেয়া হবে।আগে টীকা দেয়া থা...
05/04/2026

আজ ১৮ টি জেলার যে ৩০ উপজেলায় হামের টীকা প্রদান করা হবে:
রেড জোন দিয়ে শুরু!
পর্যায়ক্রমে সারাদেশে দেয়া হবে।
আগে টীকা দেয়া থাকুক বা না থাকুক...৬ মাস থেকে ৫ বছর বয়সী সকল শিশুকে টীকা দিতে হবে।
শিশু অসুস্থ থাকলে দেয়া যাবেনা। সুস্থ হওয়ার পর দিবে।

02/04/2026
আজকে (২ মার্চ) থেকে হাসপাতাল, ফার্মেসি এবং অন্যান্য জরুরি সেবা ছাড়া সকল  দোকানপাট, শপিং মল রাত ৮ টার পর বন্ধ রাখার নির্...
02/04/2026

আজকে (২ মার্চ) থেকে হাসপাতাল, ফার্মেসি এবং অন্যান্য জরুরি সেবা ছাড়া সকল দোকানপাট, শপিং মল রাত ৮ টার পর বন্ধ রাখার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

ইরান যুদ্ধ দ্রতই ইরানের অনুকুলে চলে আসছে কারন1)হরমুজের দখল2)মিসাইল সক্ষমতা3)জনতার ঐক‍্য4)দুই পরাশক্তির সরাসরি সহযোগিতা 5...
30/03/2026

ইরান যুদ্ধ দ্রতই ইরানের অনুকুলে চলে আসছে কারন
1)হরমুজের দখল
2)মিসাইল সক্ষমতা
3)জনতার ঐক‍্য
4)দুই পরাশক্তির সরাসরি সহযোগিতা
5)আন্চলিক গোষ্ঠিগুলোর সরাসরি সহযোগিতা
6)যুদ্ধকে একাধিক ফ্রন্টে ছড়িয়ে দিতে পারা
7)শত্রুর নির্ভুল নিশানায় হিট করতে পারা
8)তেলকে যুদ্ধের প্রধান হাতিয়ার বানানো
9)পার্শ দেশগুলোতে থাকা শত্রু ঘাটি ধঃস করা
10)যুদ্ধের মধ‍্যেও কোটি কোটি ডলার আয়ের উৎস তৈরি করা
ছোটখাট আরও অনেক কারনেই এই যুদ্ধে ইরান অলরেডি জিতে গেছে
শেষ হাসি ইরানই হাসবে
ইনশাআল্লাহ

লঞ্চের এই জায়গাটায় দাঁড়ালে মা*রা যেতেই পারেন। খুবই স্বাভাবিক ব্যাপার। যেহেতু লঞ্চের কোনো ব্রেক নেই, সেহেতু চালকেরও কোনো ...
20/03/2026

লঞ্চের এই জায়গাটায় দাঁড়ালে মা*রা যেতেই পারেন। খুবই স্বাভাবিক ব্যাপার। যেহেতু লঞ্চের কোনো ব্রেক নেই, সেহেতু চালকেরও কোনো দোষ নেই। দোষ সম্পূর্ণরূপে যারা মা*রা গেছেন, তাঁদের।
সময়মতো লঞ্চঘাটে পৌঁছানো আপনার দায়িত্ব। আপনি সময়মতো পৌঁছাবেন না, নৌকাযোগে লঞ্চ ধরে উঠবেন, লাফিয়ে উঠবেন, এরপর দুর্ঘট*নাবশত মা*রা যাবেন, এই দায় তো লঞ্চ চালক বা লঞ্চ মালিকের হতে পারে না।
আমি বহুবার সদরঘাটে গিয়েছি। কয়েকবার লঞ্চে ভ্রমণ করেছি। আমি যদি বৈধভাবে, সময় এবং নিয়ম মেনে লঞ্চে উঠি, তবে আমার এমন এক্সিডেন্টের সম্ভাবনা খুবই কম, বলা যায় শূন্যই।
ঈদের সময় চাপ বেশি, সবাই বাড়ি যাচ্ছে। আপনি নিয়ম মেনে সঠিক সময়ে, নির্ধারিত রাস্তায় যদি লঞ্চে উঠতে পারেন, তবে বাড়ি যাবেন, নইলে যাবেন না। নিশ্চয়ই এভাবে লাফিয়ে, নৌকা দিয়ে, ঝুলে ঝুলে লঞ্চে উঠে বাড়ি যাবার মূল্য আপনার জীবনের চাইতে বেশি নয়।
জানি, অনেকেই আমাকে গা*লিগা*লাজ করবেন, এরপরও বলছি- এখানে দোষ যারা মা*রা গেছেন, তাঁদের। লঞ্চ চালক বা কর্তৃপক্ষ কোনোভাবেই দায়ী নয়।

আমার সাবেক স্ত্রী আমাদের ছেলেকে দেখতে এসেছিল, আর শেষ পর্যন্ত রাতটা থেকে গেল…আমি তাকে বসার ঘরে ঘুমাতে দিয়েছিলাম।কিন্তু মধ...
08/03/2026

আমার সাবেক স্ত্রী আমাদের ছেলেকে দেখতে এসেছিল, আর শেষ পর্যন্ত রাতটা থেকে গেল…
আমি তাকে বসার ঘরে ঘুমাতে দিয়েছিলাম।
কিন্তু মধ্যরাতে পানি খেতে উঠে আমি এমন একটা কথা শুনেছিলাম… যা শোনা আমার উচিত ছিল না।
সকাল হওয়ার আগেই সবকিছু বদলে গিয়েছিল।
তালাকের কাগজে স্বাক্ষর করার পর তিন বছর পেরিয়ে গেছে।
আমি রোহিত।
আমার জীবন এখন খুব সাধারণ—আমি আর আমার ছেলে অর্ণব।
প্রতিদিন সকালে আমি তাকে স্কুলে নিয়ে যাই, বিকেলে নিয়ে আসি।
সন্ধ্যাগুলো কাটে কানপুরে আমার মা-বাবার সাথে রাতের খাবার খেয়ে।
এটা কোনো বিলাসবহুল জীবন নয়।
কিন্তু শান্ত।
আমি ভেবেছিলাম, অতীত আমাদের পেছনে পড়ে গেছে।
গতকাল পর্যন্ত…
সে হঠাৎ আমার গেটের সামনে দাঁড়িয়ে ছিল।
আমার সাবেক স্ত্রী।
একই মুখ, যাকে আমি একসময় ভালোবেসেছিলাম।
তবে চোখ দুটো আর আগের মতো ছিল না।
আগে তার চোখে ছিল দৃঢ়তা।
আজ সেখানে ছিল দ্বিধা… আর একফোঁটা আশা।
সে বলল,
—“আমি অর্ণবকে একটু দেখতে চাই।”
আমি কিছুক্ষণ চুপ করে থাকলাম…
তারপর সরে দাঁড়ালাম।
অর্ণব তাকে দেখেই স্থির হয়ে গেল।
তারপর হঠাৎ দৌড়ে গিয়ে জড়িয়ে ধরল।
ওর হাসিটা এত উজ্জ্বল ছিল…
যেমনটা আমি অনেক বছর ধরে দেখিনি।
সেই মুহূর্তে আমি বুঝলাম—
সে তার মাকে কতটা মিস করেছে।
যদিও সে কখনো মুখে বলেনি।
সে বিকেল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ছিল।
আমার মা-বাবা ভদ্রভাবে কিছু প্রশ্ন করলেন।
অর্ণব এক মুহূর্তও তার পাশ থেকে সরছিল না।
আমি তাকে চলে যেতে বলতে চেয়েছিলাম…
কিন্তু মুহূর্তটা ঠিক মনে হয়নি।
শেষে আমার মা বললেন—
—“রাত হয়ে গেছে। তুমি চাইলে আজ এখানেই থেকে যেতে পারো।”
সে খুব দ্রুত রাজি হয়ে গেল।
যেন এই কথাটার জন্যই অপেক্ষা করছিল।
আমি তাকে বসার ঘরে ঘুমাতে দিলাম।
সবাই ঘুমিয়ে পড়ার পর বাড়ি নিস্তব্ধ হয়ে গেল।
রাত প্রায় বারোটা।
আমার হঠাৎ পিপাসা পেল।
আমি এক গ্লাস পানি খেতে উঠে রান্নাঘরের দিকে যাচ্ছিলাম।
বসার ঘরের লাইট তখনও জ্বলছিল।
আমি লাইট বন্ধ করতে হাত বাড়ালাম…
ঠিক তখনই ভেতর থেকে একটা কণ্ঠস্বর শুনতে পেলাম।
সে ফোনে কথা বলছিল।
আমি শুনতে চাইনি…
কিন্তু কথাগুলো আমার কানে এসে পড়ল।
সে নিচু স্বরে বলছিল—
“আমি ওদের বাড়িতেই আছি…
হ্যাঁ… আজ অর্ণবকে দেখলাম।
ও আমাকে এখনও মা বলেই ডাকে।”
কিছুক্ষণ চুপ করে থেকে আবার বলল—
“আমি জানি, আমি বড় ভুল করেছি।
কিন্তু আমি আবার শুরু করতে চাই…
ওদের সঙ্গে।”
আমার বুকের ভেতরটা হঠাৎ কেঁপে উঠল।
আমি চুপচাপ দাঁড়িয়ে ছিলাম।
তারপর সে আরও একটা কথা বলল—
“রোহিত খুব ভালো মানুষ।
আমি তাকে ছেড়ে গিয়ে জীবনের সবচেয়ে বড় ভুলটাই করেছি।”
আমার হাতের গ্লাসটা ঠান্ডা হয়ে গেল।
আমি আর কিছু শুনিনি।
চুপচাপ নিজের ঘরে ফিরে এলাম।
সেই রাতটা আমার ঘুম হয়নি।
ভোরে ঘুম ভাঙতেই দেখলাম রান্নাঘরে কেউ নাস্তা বানাচ্ছে।
আমি গিয়ে দেখি—
সে দাঁড়িয়ে আছে।
তিন বছর আগের মতোই।
সে আমার দিকে তাকাল।
তার চোখে আবার সেই দ্বিধা।
ধীরে ধীরে বলল—
—“আমি জানি, আমার ফিরে আসার অধিকার নেই।
কিন্তু… যদি আরেকটা সুযোগ দাও…”
ঠিক তখন অর্ণব ঘুম থেকে উঠে দৌড়ে এসে আমাদের দুজনকে জড়িয়ে ধরল।
তার ছোট্ট কণ্ঠে শুধু একটা কথাই—
“আজ মা কোথাও যাবে না… ঠিক?”
আমি কিছু বললাম না।
শুধু জানালার বাইরে তাকালাম।
কারণ সেই মুহূর্তে বুঝলাম—
কিছু সম্পর্ক শেষ হয়ে যায় না।
সময় শুধু তাদের নতুন করে পরীক্ষা নেয়।

Address

12/4 Bangla Motor
Dhaka
1216

Telephone

01612304204

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when SS tv News posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share